Tag: মৃত্যু

  • বায়ু দূষণে ২০২১ সালে বাংলাদেশে মৃত্যু হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার জনের

    বায়ু দূষণে ২০২১ সালে বাংলাদেশে মৃত্যু হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার জনের

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ২০ জুন, ২০২৪: সদ্য এক প্রতিবেদন বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী বাতাসের মানের উদ্বেগজনক অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে দূষিত বায়ু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট (এইচইআই) থেকে।

    স্টেট অব গ্লোবাল এয়ারের (এসওজিএ)-২০২৪ সালের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২০২১ সালেই বাংলাদেশে ২ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মৃত্যুর কারণ ছিল এ বায়ুদূষণ, যা জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বড় ধরনের এক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয় এতে আরও বলা হয়েছে দক্ষিণ এশিয়াসহ পূর্ব-পশ্চিম, মধ্য এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার দেশগুলোতে বায়ুদূষণজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ইউনিসেফ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা বায়ুদূষণজনিত রোগের শিকার হয়ে থাকে বেশি। এর প্রভাবে অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহণ, কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ, হাঁপানি ও ফুসফুসের রোগসহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যার দেখা দেয়।

    বাংলাদেশ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে, লোয়ার-রেসপাইরেটরি-ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণে পাঁচ বছরের কমবয়সী যত শিশুর মৃত্যু হয়, তার ৪০ শতাংশের জন্যই দায়ী বায়ুদূষণ। ২০২১ সালে, বাংলাদেশে বায়ু দূষণের কারণে ১৯ হাজারেরও বেশি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

    ২০২১ সালে বায়ুদূষণ সম্পর্কিত কারণে বিশ্বব্যাপী পাঁচ বছরের কম বয়সী সাত লাখের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। সারা বিশ্বে এ বয়সী শিশুদের মৃত্যুর প্রধান কারণ ‘অপুষ্টির’ পরই ‘বায়ু দূষণ’ দ্বিতীয় শীর্ষস্থানীয় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়েছে আফ্রিকা ও এশিয়ায় বিভিন্ন দেশে; দূষিত জ্বালানি ব্যবহার করে ঘরের ভেতরে রান্না করাই ছিল এ বায়ুদূষণের কারণ।

    জরুরি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশে ইউনিসেফের রিপ্রেজেন্টেটিভ শেলডন ইয়েট বলেন, লাখ লাখ মানুষেরা, বিশেষ করে শিশুরা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নিম্নমানের বাতাসের ক্ষতিকর প্রভাব শিশুদের ওপরই বেশি দেখা যায়; এর প্রভাবে তারা হাঁপানি ও নিউমোনিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হয়। শুধু আজ আমাদের শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও বাতাসের গুণগত মান উন্নত করতে টেকসই সমাধান বাস্তবায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ব্যাপক হারে ওজন গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে, যা বায়ু দূষণজনিত রোগের অন্যতম কারণ। ২০২১ সালে, বিশ্বব্যাপী ওজন-সম্পর্কিত ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিসঅর্ডার (সিওপিডি) জনিত মৃত্যুর প্রায় অর্ধেক (৫০ শতাংশ) ঘটেছে ভারতে (২৩৭,০০০ মৃত্যু), চীনে (১২৫,৬০০ মৃত্যু) এবং বাংলাদেশে (১৫,০০০ মৃত্যু)।

    শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের ভয়াবহ প্রভাব বেশ পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। বায়ুদূষণের ফলে শিশুদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা যায়; বায়ু দূষণের ক্ষতিকর এ প্রভাব, শিশু মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থাতেই শুরু হয়ে সারাজীবনের জন্য স্থায়ী হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুরা শ্বাস নেবার সময় তাদের শরীরের ওজনের অনুপাতে বেশি বাতাস গ্রহণ করে; দূষিত বায়ুর সঙ্গে তারা দূষিত সব উপাদানও গ্রহণ করে থাকে; যার মারাত্মক প্রভাব পরে তাদের বিকাশমান ফুসফুস, শরীর ও মস্তিষ্কের ওপর।

    বায়ুদূষণজনিত এসব রোগের প্রভাব ও প্রাদুর্ভাব কিন্তু বিশ্বব্যাপী সমান নয়। উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বজুড়ে মানুষের ইসকেমিক হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে বায়ুদূষণের অবদান গড়ে ২৮ শতাংশ হলেও ফিনল্যান্ড, নরেওয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে এর হার ১০ শতাংশের; অন্যদিকে পূর্ব, পশ্চিম, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এর হার (যেমন নাইজেরিয়া, কেনিয়া, রুয়ান্ডা ও বাংলাদেশ) ৪০ শতাংশের বেশি।

    এ বছরের এসওজিএ প্রতিবেদনটিতে বায়ুদূষণের স্বাস্থ্যগত প্রভাব এবং এ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

  • চলতি হজ মৌসুমে মদিনায় প্রথম বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    চলতি হজ মৌসুমে মদিনায় প্রথম বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মে, ২০২৪: চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবের মদিনায় বাংলাদেশি একজন হজযাত্রী মারা গেছেন। এটিই এবারের হজে প্রথম কোন বাংলাদেশির মৃত্যু। মৃত হজযাত্রীর নাম মো. আসাদুজ্জামান । গত ১৫ মে মদিনায় মারা গেছেন। তার পাসপোর্ট নম্বর এ-১৩৫৬১০৩৪।

    আজ শনিবার (১৮ মে) ভোররাত ৩টার দিকে হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর গত রাত ৩টা পর্যন্ত ২৭ হাজার ১১১ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। অন্যদিকে এখনো ৪ হাজার ২৫৬ জন হজযাত্রীর ভিসা হয়নি।

    সবশেষ হিসাবে যত হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ২৩ হাজার ৩৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার হজফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ৬৮টি।

    এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৫টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ২৩টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ২০টি।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন এবারের হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট শুরু হয় গত ৯ মে। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত যাওয়ার ফ্লাইট চলবে। হজ শেষে ২০ জুন ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। দেশে ফেরার ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই।

    এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে ৮০ হাজার ৬৯৫ জন হজ করতে যাবেন।

  • উড়োজাহাজ থেকে ফেলা ত্রাণের নিচে চাপা পড়ে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

    উড়োজাহাজ থেকে ফেলা ত্রাণের নিচে চাপা পড়ে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৯ মার্চ, ২০২৪: পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলা যুদ্ধে গাজা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় ফিলিস্তিনিদেরন জন্য ত্রাণ আসছে বিভিন্ন দেশ থেকে। সড়কপথ বন্ধ করে দেওয়ায় এখন অনেক দেশ উড়োজাহাজ থেকে ত্রাণ ফেলছে গাজায়। গতকাল শুক্রবার গাজার আল শাতি শরণার্থী শিবিরের কাছে ত্রাণের বাক্সের নিচে চাপা পড়ে অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

    গাজার আল শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আল শেখ হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহত ব্যক্তিদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের আল শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    কয়েকটি উড়োজাহাজ থেকে আল শাতি শিবিরে ত্রাণভর্তি বস্তা পড়তে দেখেছিলেন বেশ কয়েক জন সাংবাদিক। তবে কোন দেশের উড়োজাহাজ থেকে সেগুলো ফেলা হয়, তা তারা নিশ্চিত হতে পারেননি।

    গাজায় হামলার পাশাপাশি পুরো অঞ্চলটি অবরোধ করে রেখেছে ইসরায়েল। এতে উপত্যকাটিতে খাবার, পানি, জ্বালানি ও চিকিৎসার সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, গাজায় অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে উড়োজাহাজ থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলছে  যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মিশর। তবে গতকালের ত্রাণের চালানটি যুক্তরাষ্ট্র ফেলেনি বলে জানিয়েছে তারা

    তুলনামূলক অকার্যকর এবং ব্যয়বহুল এই ত্রাণ বিতরণ পদ্ধতির সমালোচনা করে আসছে গাজায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা গুলো।

    জাতিসংঘ বলছে, গাজার ২৩ লাখ জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে ও শিশুরা অনাহারে মারা যাচ্ছে।

    এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে সহায়তা পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে এমন চিন্তা থেকে তারা গাজায় একটি অস্থায়ী সমুদ্র বন্দর চালুর পরিকল্পনা করছে।

    যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা গাজায় সরাসরি সাহায্য পাঠানোর জন্য দ্রুত একটি অস্থায়ী বন্দর নির্মাণ করবে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন এটি তৈরি করতে কমপক্ষে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

    গাজায় সড়ক পথে ত্রাণ পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধি করতে পশ্চিমা দেশগুলো ইসরায়েলকে অব্যহতভাবে চাপ দিচ্ছে এবং ত্রাণ পাঠানোর পথ সহজ করার জন্যও বলা হচ্ছে।

  • তেজগাঁও মোল্লাবাড়ি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে দুই জনের মৃত্যু

    তেজগাঁও মোল্লাবাড়ি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে দুই জনের মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪: রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার বিএফডিসি গেট সংলগ্ন মোল্লাবাড়ি বস্তিতে লাগা আগুনে পুড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ ইউনিটের চেষ্টায় ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    আজ শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে ঘটনাস্থলে এক সংবাদ সম্মেলনে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

    ফায়ার সার্ভিস কতৃপক্ষ জানিযেছে, “বস্তিতে সাধারণত গ্যাস লিকেজ কিংবা শর্ট সার্কিট থেকে আগুনে সূত্রপাত হয়ে থাকে। এ বস্তিতেও একই কারণে আগুন লেগেছে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা। তবে আমরা তদন্তের মাধ্যমে জানতে পারব আসলেই কী কারণে আগুন লেগেছে। এই ঘটনায় দুইজন মারা গিয়েছেন। পরিবারের দাবি অনুযায়ী লাশ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।”

    এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “হঠাৎ করে বস্তিতে আগুন লেগে যায়। এ সময় ভিতর অধিকাংশ মানুষ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। তাদের ধারণা নিহতরা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন বলে বের হতে পারেননি।”

    অবশ্য অনেকে ধারণ করছেন, প্রচণ্ড শীতের জন্য কেউ আগুন পোহানোর সময় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।

    এদিকে আহতদের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস কতৃপক্ষ জানায়, “কারওয়ান বাজারে অগ্নিকাণ্ডে মা ও তার শিশুসন্তান দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    এর আগে, শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) দিনগত রাত ২টা ২৩ মিনিটে মোল্লাবাড়ি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ধাপে ধাপে ১৩ ইউনিট কাজ করে। পরে ৩টা ৪০ মিনিটে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন বলে জানয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

    এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে বস্তিতে আগুন লেগে যায়। এ সময় ভিতর অধিকাংশ মানুষ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। তাদের ধারণা নিহতরা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন বলে বের হতে পারেননি।