Tag: বাংলাদেশ

  • গ্রিসে ট্রেন দুর্ঘটনার দায় নিয়ে অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ

    গ্রিসে ট্রেন দুর্ঘটনার দায় নিয়ে অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ

    গ্রিসের উত্তরাঞ্চলীয় শহর লারিসায় দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬৬ জন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গ্রিসের লারিসা শহরের কাছে যাত্রীবাহী একটি ট্রেনের সঙ্গে মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়।

    এদিকে এ ঘটনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন গ্রিসের অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রী কোস্টাস কারামানলিস। গতকাল বুধবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। আর দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস এ দুর্ঘটনার জন্য মানবিক ত্রুটিকে দায়ী করেছেন।

  • স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা কোনও অংশে কারও থেকে পিছিয়ে থাকবো না। কারও কাছে হাত পেতে চলবো না। স্বাধীন বাংলাদেশ ১৪ বছরে বাংলাদেশের বিরাট পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্মার্ট জনগোষ্ঠী। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট অর্থনীতি। আত্মসামাজিক ক্ষেত্রে স্মার্ট উন্নতি আমরা করবো। কৃষি, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার  ২ মার্চ) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ ও বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

    স্বাস্থ্য খাতে গবেষণার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে গবেষণাটা আমাদের খুবই দরকার। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে গবেষণা খুবিই সীমিত কয়েকজন করছেন। আরও বেশি যেন গবেষণা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জে আমাদের লোকবল কম লাগবে কিন্তু টেকনোলজি ব্যবহার করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। তার জন্য আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। তবে আমরা সম্পূর্ণ সেদিকে যেতে চাই না। আমরা শ্রমনির্ভর শিল্পও করতে চাই কারণ আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দুটো মিলিয়ে কীভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, সেই চিন্তাটা সবার মাথায় থাকতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে উপিস্থিত সরকারি দলের এমপি ডাক্তার রুহুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি চিকিৎসক। উনি যেন স্বাস্থ্যের গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন।’

    সরকার গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রেখেছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করি। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যাপক গবেষণার জন্য বিভিন্ন ইন্সস্টিটিউট তৈরি করি।’

    জাতির পিতা আণবিক শক্তি কমিশন, ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, ইউজিসি, স্থলসীমানা চুক্তি সমুদ্রসীমা আইন করে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পচাত্তরের পরবর্তী সরকার কোনও উদ্যোগ নেয়নি। তবে আমরা এসে সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতির পিতা ভিত্তিটা তৈরি করে গেছেন। আমরা সেটাকে ধরে কাজ করতে চেষ্টা করেছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নভোথিয়েটার করতে যাওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া দুটি মামলা দিয়েছিল। কেন দিয়েছিল জানি না। যে কাজই করতে গিয়েছি মামলা খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে এসব কারণে এক ডজন মামলা দিয়েছিল। আমরা এখন বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে নভোথিয়েটার করে দিচ্ছি। আমাদের যত বেশি গবেষণা বাড়বে জাতি হিসেবে তত বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমরা অবদান রাখতে পারবো।’

    প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা ভোকেশনাল শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কর্মসংস্থান হাইটেক পার্ট, হাইটেক সিটি, ইনকিউভেশন সেন্টার করে দিচ্ছি। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি সবকিছুতেই আমরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারছি।’

    তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন, পাল্টা স্যাংশনে আমাদের আমাদানি পণ্যে ব্যাপক বাধা পেতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাপীর মূল্যস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। তারপরও আমরা এই সব পরিবেশকে মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি গবেষণায় সব থেকে বেশ সফলতা আমরা পেয়েছি। লবণাক্তসহিষ্ণু ধান আমরা দক্ষিণাঞ্চলে উৎপাদন করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আসবে। সেটাকে মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে চলার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের আরও দক্ষ বিজ্ঞানী দরকার। আমরা সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যারা ফেলোশিপ পেয়েছেন আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণা করবেন। জানতেও চাই কী কী উদ্ভাবন করলেন, এটা কতটুকু দেশের জন্য কাজে লাগবে।’

  • সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিঙ্গাপুরের অধীন ইন্সটিটিউট অফ সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের উদ্যোগে ‘দ্যা রোল অফ পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি ইন এড্রেসিং পোভার্টি এন্ড ইনইকুয়েলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে গেস্ট স্পিকার হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো নাগরিক যেন গৃহীত উন্নয়ন কৌশলের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কৌশল ও সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
    স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নের পাশাপাশি শতভাগ বিদ্যুতায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা আনয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব বিবেচনায় টেকসই উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে ডেল্টাপ্লান-২১০০ প্রণয়ন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতিদরিদ্র শ্রেণির উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।’
    ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য’ উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, পাসপোর্টে মায়ের নাম লিপিবদ্ধকরণ, স্থানীয় সরকারে নারীদের প্রতিনিধিত্বকরণ, বিধবা ভাতা, ল্যাকটেটিং মায়েদের ভাতা, নারী শিক্ষায় ব্যাপক অগ্রগতি, ছয় মাস স্ববেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণসহ সব ক্ষেত্রে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।’

  • করোনা পজিটিভ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ

    করোনা পজিটিভ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ

    বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ নিয়ন্ত্রনে শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে। যা আওয়ামী লীগ সরকার বড় একটি অর্জন। বর্তমানে করোনা শনাক্তের হার পরীক্ষার বিপরীতে শূণ্য দশমিক ৪৫।
    এদিকে বর্তমান সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। খবরটি তিনি তার নিজের ভেরিফাইড ফেইজবুক পেইজে জানিয়েছেন। ফেইজবুক পেইজের স্যাস্টাসে তিনি লিখছেন,‘ আজ মন্ত্রিপরিষদ সভা থাকায় গতকাল করোনার নমুনা পরীক্ষা করেছিলাম। নমুনা পরীক্ষায় আমার করোনা পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। বর্তমানে আমি বাসায় আইসোলেশনে আছি।’

    প্রতিমন্ত্রী জনসাস্থ্যের জন্য সর্তক করে আরো লিখেছেন,‘ গত কয়েকদিনে আমার সংস্পর্শে যারা ছিলেন তাদের সবাইকে করোনার নমুনা পরীক্ষাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি।’
    প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাবার কাছে দোয় চেয়েছেন।