Tag: প্রকল্প

  • প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “প্রকল্প গ্রহণের আগে তা জনগণের কল্যাণে কতটুকু কাজে লাগবে তা বিবেচনা করতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) গণভবনে স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ বিনির্মাণে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কার্যক্রম রূপরেখা সংক্রান্ত উপস্থাপনা অবলোকনকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “প্রত্যেকটা প্রকল্পের ক্ষেত্রে কতটুকু উন্নতি হবে, কতটুকু দেশের মানুষের কাজে লাগবে সেই বিবেচনাটা আগে করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “উন্নয়নটা যেন আমরা এমন ভাবে করি- আমাদের সক্ষমতাও বাড়বে, পরনির্ভরশীলতা কমবে, তার ফলাফলটা মানুষের মধ্যে পৌঁছাতে পারবো।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন আমাদের সময় এসেছে যে ২০২১ থেকে ২০৪১। এটা মাথায় রেখে প্রত্যেকটা পরিকল্পনায় সবার আগে যে বিষয়টা আমাদের মাথায় নিতে হবে যে তাতে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটুকু গতিশীল হবে, স্থানীয় মানুষের কতটুকু উন্নতি হবে। এ যে এত টাকা খরচ করে করলাম তার ফলাফলটা কী হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।

  • প্রকল্প দ্রুত শেষ না করলে খরচ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প দ্রুত শেষ না করলে খরচ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রকল্প দ্রুত শেষ না করলে খরচ বাড়ে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “প্রকল্প সম্পন্ন করে ফেললে আমরা নতুন প্রকল্প নিতে পারবো। কিছু কিছু প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সেগুলোও দ্রুত শেষ করা উচিত। দ্রুত শেষ না করলে খরচও বাড়ে, কালক্ষেপণও হয়। সেটা যেন না হয়।”

    আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

    সভায় সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, “তার কার্যালয় থেকেও স্মরণ করিয়ে দেওয়া দরকার। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় যেন এ বিষয়ে একটু নজর দেয়। প্রতিটি মন্ত্রণালয় যেসব প্রকল্পগুলো অল্প খরচ করলেই শেষ হয়ে যাবে, সম্পূর্ণ হয়ে যাবে, সেগুলো দ্রুত সম্পন্ন করে ফেলা।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য যে প্রকল্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সেগুলো আমাদের নিতে হবে। প্রকল্প বাছাই করার সময় সেটা আমাদের দেখা দরকার। আমাদের যে লক্ষ্যটা আছে সেটা আমরা অর্জন করতে পারি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্বব্যাপী অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে, যার জন্য বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে জিনিসের দামও বেড়ে যাচ্ছে, পণ্য আনতে সময়ও লেগে যাচ্ছে। নানা কারণে বহির্বিশ্বের চাপটা আমাদের ওপর এসে পড়ছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাইরের দেশের ওপর আমাদের নির্ভরশীল থাকার দরকার নেই, আমরা নিজেরা সব উৎপাদন করবো। এজন্য সবাইকে বলেছি এক ইঞ্চি জমিও যেন পড়ে না থাকে।”

    তিনি বলেন, “কিছু কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস আমাদের বাইরের দেশ থেকে আনতেই হচ্ছে। আমরা নিজেরা যদি উৎপাদন বাড়াতে চেষ্টা করি, সেটা কিন্তু আমরা পারবো। ধীরে ধীরে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশে যেভাবে প্রবৃদ্ধি বাড়ছিল, অগ্রগতি হচ্ছিল তখন প্রথমে আসলো কোভিড-১৯ অতিমারি, তার ধাক্কায় সারা বিশ্বব্যাপী, সব কিছু স্থবির। এরপর আসলো ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা, এখন আবার গাজায় গণহত্যা, আক্রমণ চলছে।

     

  • প্রকল্পের কাজে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্পের কাজে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রকল্পের কাজে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা অনেক প্রকল্প দিই, কাজ করি। সেই কাজগুলো যাতে যথাযথভাবে হয়, মানুষ যেন গালি না দেয়। কাজ দেখে যেন মানুষের আস্থা-বিশ্বাস আনতে পারি সেই ব্যবস্থা করবেন। এই আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার।”

    আজ বুধবার দুপুরে গণভবনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ নির্দেশ দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৭৫ সালের পর গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “আমি মনে করি, বাংলাদেশে সেই ’৭৫ সালের পর থেকে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে সেখানে সব থেকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবারের নির্বাচন হয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচনের আগে অনেক চক্রান্ত ছিল, ষড়যন্ত্র ছিল । তিনি এ সময় স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের হাতে তৈরি দল বিএনপি’র জ্বালাও পোড়াও নৈরাজ্য এবং সন্ত্রাসের কঠোর সমালোচনা করেন।”

    তিনি বলেন, “তারা মানুষ পুড়িয়ে মারা, রেলের ফিসপ্লেট খুলে রেলের বগি ফেলে দেওয়া, রেলে আগুন দেওয়াসহ নানা অপকর্ম করে নির্বাচন ঠেকাতে চেয়েছিল। কিন্তু, এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় কথা হল জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছে এবং ভোট দিয়েছে। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার যে ফিরে পেয়েছে সেটা এবার তারা যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পেরেছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৭ জানুয়ারি আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেছে। নির্বাচনের সময় সভা করেছি। নির্বাচনের পরেও টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিলাম, আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। এরপর আমি মনে করলাম আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে কোথায় পাঠালেন সেই জায়গাটা তো আপনাদের একটু দেখতে হবে। সেজন্যই আজকে আমার এখানে আপনাদের দাওয়াত, সেজন্যই আপনারা এখানে এসেছেন। তিনি গণভবন সবাইকে ঘুরে দেখারও আমন্ত্রণ জানান। কারণ, এটা তাদেরই ঘর।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে কিন্তু আপনাদের এখানে কোন রাজনীতি করতে ডাকিনি। আমি মনে করি আজকে টুঙ্গিপাড়ার থেকে এখানে উপস্থিত হয়েছেন, এই গণভবনের মাটি আজকে ধন্য হয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। সেটাও আমি মনে করি, আপনাদেরই অবদান। কারণ, আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া সেটা কখনো সম্ভব ছিল না। সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।”

    তিনি বলেন, “আমি এটুকুই চাই টুঙ্গিপাড়া এবং কোটালীপাড়ায় আমি বারবার প্রার্থী হয়েছি, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, আপনারা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। আমি জানি, ’৭৫ এর পর এই সমস্ত অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত কষ্ট ভোগ করেছেন। যাহোক আওয়ামী লীগ সরকারি আসার পর থেকে আমরা ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করেছি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পেরেছি। তাঁর সরকারের ভূমিহীন-গৃহহীণকে ঘর করে দেওয়াসহ জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পদক্ষেপের উল্লেখ করে নিজেদের এলাকায় ভূমিহীন-গৃহহীণ থাকলে খুঁজে বের করার আহ্বান জানান। কেননা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলায় একটি মানুষও আর ঠিকানাবিহীন থাকবে না।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে সংসদের অধিবেশনে রয়েছে। যেখানে তাঁর প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে, যেটা তিনিই চালু করেছিলেন। কারণ, তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নিজেরও একটা জবাবদিহিতা থাকা দরকার। তিনি পর্যায়ক্রমিক ভাবে তাঁর এলাকার জনগণকে ভাগ ভাগ করে সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ করে দেবেন বলেও উল্লেখ করেন।”

    তিনি সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনের স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটির উল্লেখ করে বলেন, “তিনি এবং ছোট বোন শেখ রেহানা বাড়িটিকে দান করে দিয়েছেন। যেটি একটি একটি জাদুঘরে রুপান্তরিত করা হয়েছে। যেখানে দেশ-বিদেশের মানুষ আসেন সেটা দেখার জন্য।”

    তিনি বলেন, “আমি মনে করি, আমাদের এলাকার লোকজনেরও এটা দেখার দরকার। কারণ, আপনারা এমন একটা জায়গা থেকে এসেছেন যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই ঘুমিয়ে আছেন। কাজেই তার জীবন যাপন, ৭৫ এর মর্মান্তিক হত্যাকান্ড, যেখান থেকেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন-এসব অনেক কিছুই জানতে পারবেন আপনারা সেই বাড়িতে গেলে।”

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন কাজেই আমার একটাই দায়িত্ব এই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আর মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। আর সেই কাজটা আমি যে নিশ্চিন্তে করতে পারছি, সেটা করতে পারছি কেবল আপনাদের জন্য। কারণ, আপনারা আমাকে সেই সুযোগটা করে দিয়েছেন। আমার সব দায়িত্বতো আপনারাই নিয়েছেন। আমার কোন কষ্ট নেই। আমার মনে হয়, এই দায়িত্বটা যদি আপনারা না নিতেন- বাবা মা ভাই হারিয়েছি, আমার জন্য আমার হয়ে বলার কে আছে? কিন্তু আজকে আপনারা আমাকে সেই সাহস দিয়েছেন, শক্তি দিয়েছেন। যার জন্য আমি নিশ্চিন্ত মনে দেশের কাজ করতে পারছি। দেশের মানুষের কাজ করতে পারছি ।”

    তিনি বলেন, “আমার এলাকায় নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিটি করা থেকে শুরু করে যেভাবে আপনারা কাজ করেছেন এটা সারা বাংলাদেশের সমস্ত প্রার্থীর জন্য একটা দৃষ্টান্ত হয়ে গেছে এবং আমাদের অনেক প্রার্থী ও তা অনুসরণ করেছেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “এটা বাস্তব যে এই ১৫ বছরে বাংলাদেশকে আমরা বদলে দিতে পেরেছি। সব থেকে বড় কথা আজকে পদ্মা সেতু হয়ে গিয়েছে বলেই সকলে খুব সহজেই আপনারা (গোপালগঞ্জ সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে) চলে আসতে পারছেন।”

    জাতির পিতা কন্যা বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক ভুয়া দুর্নীতির অভিযোগ দিয়েছিল। সেটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে প্রমাণ করেছেন যে এখানে কোন দুর্নীতি হয়নি এবং নিজের টাকায় পদ্মা সেতু করে বিশ্বকে দেখিয়েছেন যে আমরাও পারি।”

    তিনি বলেন, “সামনে আমাদের যাত্রা পথ এত সহজ নয়। আমাদেরকে অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়। অনেক চক্রান্তই বাংলাদেশটাকে ঘিরে আছে।”

    প্রধানমন্ত্রী এ সময়, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ফ্রিলান্সার তৈরী করায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। যাতে ঘরে বসেই দেশ- বিদেশে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় এবং উদ্যোক্তা তৈরীতে তাঁর সরকারের পদক্ষেপ ও বিনা জমানতে ঋণ সুবিধা প্রদান সহ সরকার প্রদেয় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার উল্লেখ করেন।

    কোনরকম পরীক্ষায় একটা পাশ করে চাকরির পেছনে না ছুটে যুব সমাজকে নিজের বস নিজে হবার মাধ্যমে আরো ১০ জনের কর্মসংস্থানে এগিয়ে আসার জন্য আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাবারও আহ্বান জানান তিনি ।

    ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাবস্থার জন্য খাদ্য ক্রয়মূল্য এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির কারণে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের অসুবিধা হবার কথা উল্লেখ করে সারাদেশের প্রতি ইঞ্চি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোয় তাঁর আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার জনগণও পিছিয়ে থাকবেনা মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাসের পাশপাশি বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার আহ্বানও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, “যারা নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বাররা আছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আমরা অনেক প্রকল্প নেই এবং কাজ করি, সেই কাজগুলো যাতে যথাযথভাবে হয়। মানুষ যেন এই কাজের সুফল পেতে পারে এবং এর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই স্থানীয় সরকারের যে কাজগুলো সেগুলো আপনারা করবেন। কাজের মানটা যেন ঠিক থাকে এবং কাজগুলো যেন যথাযথভাবে হয়। যেভাবে কাজ করলে পরে দেশের মানুষের কল্যাণ হবে, দেশের মানুষের উন্নতি হবে।”

    শেখ হাসিনা জানিয়েছে, তাঁর একটাই আকাক্সক্ষা শেষ জীবনে তিনি টুংগীপাড়ায় থাকবেন। যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘুমিয়ে আছেন।

    সূত্র: বাসস

  • প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অযথা দেরি করা যাবে না। নতুন প্রকল্প গ্রহণের সময় বিবেচনা করতে হবে, তা থেকে মানুষ লাভবান হবে কি না। কতোটা লাভবান হবে। অর্থনীতিতে কী যুক্ত হবে।

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠকে কমিশনের বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা এবং গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    বৈদেশিক ঋণনির্ভর প্রকল্প যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেজন্য মুখ্য সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দুই মাস পর রিভিউ করবে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদানের প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, সঠিকভাবে টাকা ছাড় হচ্ছে কি না, এসব বিষয় দেখভাল করবে এ কমিটি।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কিছু অনুশাসন দিয়ে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে বিশেষ নজর দিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অর্থাৎ প্রকল্প পরিচালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে যে সময় ব্যয় হয়েছে তা মেটাতে আরও বেশি কাজ করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। এজন্য সর্বক্ষেত্রে ডিজিটাল সিস্টেম আরও কার্যকরভাবে চালু করতে হবে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদান যেন দ্রুত ছাড় পাওয়া যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগের দিকে অধিকতর নজর দিতে হবে।”

    সরকারপ্রধান বলেন, “দেশের ভেতরে সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতে হবে। জমি অনাবাদি রাখা যাবে না। উৎপাদন বাড়াতে হবে। গবেষণা বাড়াতে হবে। পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আত্মমর্যাদা নিয়ে চলতে হবে। প্রকল্প পরিচালক প্যানেল করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া যায়। এ বিষয়ে একটি গাইড লাইন করা যায়। এর নাম ‘বিশেষজ্ঞ প্যানেল’ হতে পারে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে খুব বেশি আউট সোর্সিংয়ের ওপর নির্ভর করা যাবে না। পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, আইসিটি, ডিজিটাল ডিভাইস ইত্যাদিতে নজর দিতে হবে। পানি ও নৌ-পরিবহন খাতে নজর দিতে হবে।

    বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম বলেন, “এটা প্রথম সভা। এটা অনেকের জন্য নতুন সভা। ৯ বছর আগে সবশেষ এ সভা হয়েছিল। প্রথম সভায় এজেন্ডা দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কথাবার্তা বলেছেন। শেখ মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়ন ও নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনকে উন্নয়নের মেরুদণ্ড বলা হয়। উন্নয়ন ধরে রাখতে হবে। এগুলো তথ্য পর্যায়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কিছু বিষয়ে বার্তা দিয়েছে, আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করবো।”

    প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “দেশের জন্য প্রয়োজন এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রকল্প নিতে হবে। অহেতুক নতুন প্রকল্প নেওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষ কতটুকু লাভবান হবে সেটা দেখতে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।”