Tag: পণ্যের দাম

  • সবকিছু স্বাভাবিক হলে পণ্যের দাম আরও কমে আসবে: অর্থ উপদেষ্টা

    সবকিছু স্বাভাবিক হলে পণ্যের দাম আরও কমে আসবে: অর্থ উপদেষ্টা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৩ আগস্ট, ২০২৪: সবকিছু স্বাভাবিক হলে পণ্যের দাম আরও কমে আসবে, বলে জানিয়েছেন অর্থ-পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।  তিনি বলেন, “কয়েকদিনের স্থবিরতার কারণে ভেঙে পড়েছে সরবরাহ শৃঙ্খল। যার প্রভাবে বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। তবে এখন বাজারে কিছু পণ্যের দাম কমেছে। সবকিছু স্বাভাবিক হলে দাম আরও কমে আসবে।”

    আজ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “ব্যবসা বাণিজ্য ও জীবন জীবিকার প্রকল্প চালু রাখা হবে। বড় বা মেগা প্রকল্পের অর্থ ছাড় বড় হয় তাই এই বিষয়ে পরে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

    বার্ষিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “এটা নিয়ে চিন্তা করার কারণ। অনেক পিডি চার প্রকল্পের দায়িত্বে। চারটা প্রকল্পে দায়িত্ব মানে চারটি গাড়ি। এটা চলবে না। আমি অ্যাসেস করে দেব। অনেকে কম টাকা ব্যয় করতে পারে না। ক্লাইমেট বিরাট ব্যাপার, বন্যা হয় পরিবেশের নামে অনেক টাকা খরচ হয়। প্রকল্পে সমন্বয়হীনতা আছে এটা দূর করতে হবে।”

    মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মূল্যস্ফীতি নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা আছে। সাপ্লাই চেইন নেই। ছয় টাকার বেগুন ৮০ টাকায় কেন? বাজার মনিটরিং নিয়ে কাজ করবো। কিছু বন্ধু-বান্ধব রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে পরিবহনে টাকা তোলে তাদের বলবো দাঁড়িয়ে থাকবেন না।”

  • ডলারের দাম বাড়লেও পণ্যের দাম একই পর্যায় রাখবো: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    ডলারের দাম বাড়লেও পণ্যের দাম একই পর্যায় রাখবো: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২১ মে, ২০২৪: ডলারের দাম বাড়লেও পণ্যের দাম একই পর্যায় রাখবো, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসমাল টিটু।তিনি বলেন, “আমদানিনির্ভর পণ্য বিশেষ করে ভোজ্যতেলের কোনো অ্যাডজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করবো না। আশ করছি উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক যারা আছেন, ঈদ পর্যন্ত নতুন করে কোনো মূল্য বেঁধে দেবে না। পুরোনো মূল্যেই তারা সরবরাহ করতে পারবেন। ডলারের দাম বাড়লেও ভোক্তাদের সুবিধার্থে পণ্যের দাম একই পর্যায় রাখবো।”

    আজ মঙ্গলবার (২১ মে) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।

    ডলারের দাম বাড়ায় আমদানিনির্ভর পণ্যের দামও বাড়বে, এতে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়বে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আপনাদের নিশ্চিত করে বলতে চাই, ডলারের অ্যাডজাস্টমেন্টটা হলো ১০ টাকা থেকে ১৭ টাকা। এতে ভোক্তা পর্যায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না।”

    তিনি আরও বলেন, “আমদানিকারকরা তখনই অভিযোগ করছিলেন যে ব্যাংক থেকে তারা সরকারি নির্দিষ্ট রেটে ডলার পাচ্ছিলেন না, তারা তখনই ১২০ টাকা, ১২২ টাকা, একেকজন একেকভাবে প্রাইভেটলি সেটলড (নিষ্পত্তি) করছিলেন।”

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এখন সরকার সমন্বয় করার কারণে সরকারি রেটেই তারা আমদানি করতে পারবেন। কাজেই আমদানিনির্ভর পণ্য বিশেষ করে ভোজ্যতেলের কোনো অ্যাজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করবো না।”

    তিনি আরও বলেন, “আগে যে দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, ঈদের আগ পর্যন্ত নতুন কোনো দাম নির্ধারণ করা হবে না। পুরোনো দামেই তারা সরবরাহ করতে পারবেন।”

    ঈদের পরে দাম বাড়তে পারে এই প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা একটা আন্তর্জাতিক পণ্য। কোথায় যুদ্ধ হবে, অর্থনীতির কোথায় কী হবে, সেটা নিয়ে আগাম ধারণা করা যাবে না। তবে এই মুহূর্তে নতুন করে মূল্যা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমি মনে করি না। যদি আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যায়, তাহলে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চিন্তা করবো।”

    বাজার মনিটরিংয়ে কী কোনো অবহেলা করা হয়েছে, যে কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “রমজানের আগে-পরে আমরা বাজার স্থিতিশীল রাখতে তৎপর ছিলাম। নতুন সরকার আসার পরে সময়টা কম ছিল, জোরটা অনেক বেশি ছিল, বাজারে যাতে কোনোভাবে খাদ্যের কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের কোনো সংকট না হয়।”

    তিনি বলেন, “রমজানের পর বাজার স্থিতিশীল ছিল। সামনে আবার কোরবানির ঈদ। ঈদ এলে আমাদের দেশের কিছু লোক আছে, যারা সুযোগ সন্ধানী, সরবরাহ ঠিক থাকার পরও জিনিসপত্রের দাম দুয়েক জায়গায় বেড়ে যায়। সেই লক্ষ্যে গত রোজার ঈদের সময় যেভাবে মনিটরিং করেছি, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আবারও সেটা করতে বলেছেন। ঈদে যাতে ভোক্তারা কোনো অসুবিধায় না পড়েন, ন্যায্যমূল্যে জিনিসপত্র পান, সেজন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এটা আমাদের কাজের জন্য সহায়ক হয়েছে, কাজে গতি পাবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মনিটরিং আবার সচল করবো, যেন ঈদ সামনে রেখে বাজার থেকে কেউ সুযোগ-সুবিধা নিতে না পারেন। এটা নিয়মিত মনিটরিং। একটা স্বাভাবিক গতিতে কার্যক্রম চলে, আরেকটি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে রমজানে, ঈদে আমাদের বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। আমাদের অভিভাবক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন। তাহলে আমাদের কার্যক্রম জোরদার হবে, দৃশ্যমান হবে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোনো উৎপাদন কিংবা সরবরাহ করি না। আমরা মোটামুটি কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করে তাদের কাছ থেকে সরবরাহ পেয়ে ভোক্তাদের কাছে নিশ্চিত করি। তাদের নিয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ যেহেতু খাদ্য ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন না, তাই ঈদের আগে আরেকবার বসবো। সেখানে খাদ্য ও কৃষিপণ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা দেবো।”

  • রমজান মাসে কোন পণ্যের ঘাটতি হবে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    রমজান মাসে কোন পণ্যের ঘাটতি হবে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রমজান মাসে কোন পণ্যের ঘাটতি হবে না, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, রমজান মাসে কোন পণ্যের ঘাটতি হবে না। আগামী মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এ বিষয়ে কাজ করছে।

    আজ রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন দাবি করেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “রোজার আগেই ভারত থেকে এক লাখ টন পরিশোধিত চিনি ও ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আনা হবে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আগেও বলেছি, আমাদের সবকিছু রমজানকে কেন্দ্র করে। রমজান শুরু হবে ১১ মার্চ। বাকি সময়টা আমাদের প্রস্তুতির জন্য। আমরা চেষ্টা করবো, বৈঠকে একটা দামও নির্ধারণ করতে। যে তারিখে কারখানা থেকে তেল বের হবে, সেই তেলের বোতলে নতুন মূল্য মার্ক করা থাকবে,’ যোগ করেন তিনি।”

    তিনি আরও বলেন, “আপনারা জানেন, প্রথমে অপরিশোধিত তেল আমদানি হয়, পরে সেটা পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফ অনুসারে খালাস হওয়ার পর কারখানায় গেলে সেই উৎপাদিত তেলেরই দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এটার জন্য একটা সময় লাগে, একটা যৌক্তিক সময় তাদের দিতে হয়। আমরা মঙ্গলবার আপনাদের পুনর্নির্ধারিত মূল্য ও কবে থেকে ভোক্তারা সেই সুবিধাটা পাবেন, সেটা নির্ধারণ করে জানাবো।

    বাজার মনিটরিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মাঠ পর্যায়ের মনিটরিং থাকবে। যেদিন থেকে ঘোষণা করা হবে, সেদিন থেকে আমাদের কারখানা মূল্য, টিপি ও ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য একদিনে পরিবর্তন হবে। আমরা যেদিন নির্ধারণ করবো, সেদিন এমআরপি নির্ধারণ করে দেব। সেটা হচ্ছে, এমআরপি সর্বোচ্চ এত টাকায় বিক্রি হবে, এর বেশিতে কেউ বাজারে বিক্রি করতে পারবে না।”

  • আমরা চাই কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পাবে: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা চাই কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পাবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আমরা চাই কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পাবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেন, “অবৈধ মজুদদারি, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। আমরা চাই কৃষক ভালো দাম পাবে। কিন্তু অবৈধ মজুদদারি এবং চাঁদাবাজি বন্ধে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।”

    আজ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “৮১টা সংস্কার প্রস্তাব কার্যকর করে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করে দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন যাতে নিরপেক্ষ কাজ করতে পারে, সে ব্যবস্থা করেছি। এই সাহস আওয়ামী লীগেরই আছে। যার কারণে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। সব বাহিনী নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।”

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচন উন্মুক্ত করে দেওয়ায় দলে অনেক মন কষাকষি হয়েছে। যেটা হয়েছে ভুলে যেতে হবে। সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। যদি সমস্যা দেখা দেয়, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি আছি। দেখবো। নিজেরা সংঘাত করা যাবে না।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে চেয়েছে, নির্বাচন অবাধ ‍ও সুষ্ঠু না হোক, তাতে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে এবং স্যাংশনস দেওয়া যাবে। স্যাংশনস নিয়ে আমি বলেছিলাম, আমরাও স্যাংশনস দিতে পারি। না জেনে বলি নাই। আমি স্যাংশনসের সব জানি বলেই বলেছি।”

    বিএনপির উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারে যাতে না আসতে পারে, বারবার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। জনগণ আমাদের শক্তি, তারা চেয়েছে বলেই এসেছি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ আমাদের শক্তি। এই দলটির নেতাকর্মীদের ত্যাগের বিনিময়ে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ আমরা এখানে।”

    তিনি আরও বলেন, “বারবার নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত হয়েছে। সব চক্রান্ত মোকাবিলা করে আমরা ক্ষমতায় এসেছি। ২০১৪ সালে চেষ্টা করেছে, নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি। ২০১৮ সালেও এসে আবার পরাজয় জেনে সরে গেছে। নির্বাচন যেন না হয়, সে অপচেষ্টা করেছে। এবারও বানচাল করার চেষ্টা করেছে। এখনো লম্ফঝম্প করছে। কিন্তু কোনো লাভ হবে না। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে।”

    সভায় সূচনা বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

    এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা, মহানগর ও উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় ও স্বতন্ত্র সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা।