Tag: নেতানিয়াহু

  • নেতানিয়াহু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার উপযুক্ত নন: নাদাভ

    নেতানিয়াহু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার উপযুক্ত নন: নাদাভ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৮ এপ্রিল, ২০২৪: ইসরায়েলের ইতিহাসে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ বিপর্যয়ের’ জন্য প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার নীতির মাধ্যমে সরাসরি দায়ী এমনটাই বলেছেন দেশটির প্রাক্তন গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট প্রধান নাদাভ আরগামান । তিনি আরও বলেন নিতানিয়াহুকে দেশের অবশ্যই ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হবে নতুবা পরিস্থিতি  ‘খুব, খুব খারাপ’ হতে পারে।

    নাদাভ আরগামান ইসরায়েলের চ্যানেল টুয়েলভে দেওয়া সাক্ষাতকারে বলেন, “গত ৭ অক্টোবরের ঘটনার জন্য নেতানিয়াহু সরাসরি দায়ী ছিলেন, ইসরায়েলের সবচেয়ে খারাপ বিপর্যয়  ও সার্বিক পরিস্থিতি দেশটিকে ‘ধ্বংসের’ দিকে নিয়ে যাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার উপযুক্ত নন।”

    ইসরায়েলের দ্রুত নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে, আরগামান বলেন, নৈতিকভাবে নেতানিয়াহু নির্বাচনে লড়তে পারেন না। তিনি একটি স্মরণীয় ব্যর্থতার জন্য দায়ী। তিনি দায়ী। আর কেউ নেই… যে এই বিশালতার ব্যর্থতার দায় নেবে। সে ইহুদি জনগণের নেতা হওয়ার উপযুক্ত নয়।

    আরগামান ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত শিন বেটের নেতৃত্ব দেন, বেশিরভাগ সময় তিনি নেতানিয়াহুর অধীনে কাজ করেছেন। এখন তিনি যুক্তি দিয়ে বলছেন, ইসরায়েল ‘ইতিমধ্যেই অতল গহ্বরে, নেতানিয়াহু যদি প্রধানমন্ত্রীর পদ না ছাড়েন – এটি হবে আমাদের সর্বনাশ… আমি মনে করি যদি ইসরায়েল রাষ্ট্র তার কাজটি একসাথে এবং দ্রুত না করে, আমরা খুব শীঘ্রই খুব, খুব খারাপ জায়গায় পৌঁছে যাব।

    আরগামান বলেন, নেতানিয়াহু এমন একটি নীতির জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী যা বছরের পর বছর ধরে হামাসকে শক্তিশালী করেছিল, এটিকে বিশাল আক্রমণের জন্য নিজেকে গড়ে তোলার অনুমতি দিয়ে কাতারি নগদ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছিলেন। আরগামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বারবার হামাসের প্রতি আক্রমণাত্মক নীতির জন্য তার শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে অস্বীকার করেছিলেন।

    ইসরায়েলের সাবেক গোয়েন্দা সংস্থা বলেন, হামাসকে গড়ে না তোলার জন্যে আমরা জোরালোভাবে চাপ দিয়েছিলাম, যার মধ্যে অপারেশনাল পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছিল। আমি এর বেশি বলব না, নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে দুর্বল করতে হামাসকে গড়ে তুলতে পছন্দ করেছিলেন। অথচ হামাসকে ইসরায়েলে আক্রমণ করা থেকে বিরত করা হয়নি। গত এক দশকে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিবির কৌশল ছিল একটি চরম ব্যর্থতা।

    আরগামান বলেন, বিচারিক সংশোধনই আমাদের শত্রুদের দৃষ্টিতে ইসরায়েলকে দুর্বল করার দিকে পরিচালিত করেছে। শাসন করার জন্য নেতানিয়াহু ইচ্ছাকৃতভাবে ইসরায়েলি সমাজকে ছিন্নভিন্ন করেছেন। আমাদের অতল গহ্বর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটি একক শর্ত রয়েছে এবং শর্ত হল আমরা এই বিপর্যয়কর সরকারকে বদলে দেব।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে গাজায় হামাসকে নির্মূল করার নামে ইসরায়েল যে আক্রমণ চালিয়েছে তাতে শুধু মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটেনি সেই সঙ্গে গাজায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

  • নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ চরমে

    নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ চরমে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪: গাজায় ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর আগ্রাসনে সেখানে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনা এবং গাজা থেকে বন্দীদের ফিরিয়ে আনার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সেখানকার জনগণ। তাদের দাবি দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী  বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ। পাশাপাশি তারা আগাম নির্বাচনের কথাও বলেছে।

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যখন ইহুদিবাদী সেনারা ভয়াবহ আগ্রাসনে লিপ্ত এবং হামাসকে নির্মূল করা ছাড়া কোনমতেই নেতানিয়াহু এই যুদ্ধ বন্ধ করবে না বলে যখন অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছে তখন তার পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল হলো। গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধা হামাসের হাতে এখনো একশ’র বেশি ইসরাইলি বন্দী রয়েছে।

    ইসরাইলের প্রভাবশালী পত্রিকা ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, কাপলান স্কয়ার থেকে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে পুলিশ আটক করেছে। এ সময় পুলিশ সমাবেশকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীরা যে সমস্ত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে জড়ো হয়েছিল সেগুলো কেড়ে নেয়। পুলিশের সাথে বেশ কিছু বিক্ষোভকারীর হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়।

    তেল আবিবের সমাবেশে অংশ নেয়া লোকজন এখনই নেতানিয়াহুর পদত্যাগ এবং নির্বাচন দিতে হবে বলে স্লোগান দেয়। তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেম, হাইফা, সিজারিয়া, কেফার সাভা, রেহভোত এবং বীরশেবা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। এসব বিক্ষোভ সমাবেশেও হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে।

    সারা বিশ্ব যুদ্ধের বিপক্ষে থাকলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী  বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তা আমলে নিচ্ছে না। এখন দেশের জনগণ নেতানিয়াহুর বিপক্ষে গেছে। বিষয়টি অবশ্যই দেশটির ভাবমূর্তিকে অনেকটাই নষ্ট করছে।