Tag: নির্বাচন

  • আগামী ২১ মে দ্বিতীয় ধাপের ১৬১ উপজেলায় নির্বাচন

    আগামী ২১ মে দ্বিতীয় ধাপের ১৬১ উপজেলায় নির্বাচন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ এপ্রিল, ২০২৪: আগামী ২১ মে আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের ১৬১ পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

    আজ সোমবার (১ এপ্রিল) কমিশনের ৩০তম সভা শেষে ইসি সচিব গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

    নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, “প্রথম ধাপের নির্বাচন মত দ্বিতীয় ধাপেও প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র অনলাইনে জমা দেবে। একইসঙ্গে প্রার্থীদের জামানত অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।”

    তিনি বলেন, “কমিশন উপজেলা পরিষদের চারটি ধাপে নির্বাচন করার পরিকল্পনা করেছে। সেখানে প্রথম ধাপের তফসিল ঘোষণা হয়েছে। আজকে দ্বিতীয় ধাপের তফসিল চূড়ান্ত হয়েছে। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯টি জেলায় ইভিএম ব্যবহার করা হবে। বাকি জেলাগুলোতে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।”

    দ্বিতীয় ধাপের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২১ এপ্রিল। মনোনয়ন পত্র বাছাই ২৩ এপ্রিল। মনোনয়ন বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি ২৭ থেকে ২৯ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২৯ এপ্রিল। প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ২ মে। ভোট গ্রহণ ২১ মে।

  • আগামী পাঁচ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: সেতুমন্ত্রী

    আগামী পাঁচ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ মার্চ, ২০২৪: আগামী পাঁচ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বর্তমান সরকার জন-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। দেশে কোনো গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট নেই এবং আগামী পাঁচ বছর পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ক্ষমতায়ন ও গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

    আজ বুধবার (১৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “এখন জাতির সামনে এমন কোনো সংকট নেই, যার জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সংলাপের কোনো আবশ্যকতা বা প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশবিরোধী অপশক্তির নানামুখী অপতৎপরতা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত এবং প্রতিবন্ধকতাকে জয় করেই দেশের উন্নয়ন অভিযাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত অভীষ্ঠে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।”

    তিনি আরও বলেন, “বিএনপি নেতারা অবিবেচনাপ্রসূত ও অযৌক্তিকভাবে মিডিয়ার সামনে সংলাপের মাধ্যমে আলাপ-আলোচনার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের ভারে বিধ্বস্ত জনবিচ্ছিন্ন বিএনপির এই আলোচনার আবদার অর্থহীন। কারণ তারা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে মেতে উঠেছিলেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুসংহত রাখার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিএনপিকে আলোচনার জন্য আহ্বান করা হলেও তখন তারা সাড়া দেননি। বরং তারা নির্বাচন বানচালের জন্য সর্বাত্মক অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। আজ তারা কোন মুখে আলোচনার কথা বলেন? বিএনপি সব সময় প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের শর্তযুক্ত সংলাপের দাবি করে আসছে। আমরাও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে আসছি, শর্তযুক্ত কোনো আলোচনার সুযোগ নেই।”

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সব সময়ই গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশ এবং উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতন্ত্রের পথকে আরও মসৃণ করার এবং গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত আদর্শ সুপ্রতিষ্ঠার জন্য আওয়ামী লীগ যে কারও মতপ্রকাশের পথকে উন্মুক্ত রেখেছে। সেক্ষেত্রে গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে আওয়ামী লীগ যেসকল সংস্কার করেছে তার স্বীকৃতি দিয়ে যে কেউ ভাবীকালের গণতন্ত্রের পথকে মসৃণ করার লক্ষ্যে যে কোনো প্রস্তাব রাখতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ শুধু একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে নয়, বরং দেশের গণতন্ত্রকে একটি শক্তিশালী ভীতের উপর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ কখনো কোনো ষড়যন্ত্র বা চাপের মুখে জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয়নি, কখনো কারও কাছে মাথা নত করেনি করবেও না। বাংলাদেশের অগ্রগতির ধারাকে সমুন্নত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

  • বিএনপি আশা করেছিল নির্বাচন হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিএনপি আশা করেছিল নির্বাচন হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বিএনপি আশা করেছিল নির্বাচন হবে না, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “৭ জানুয়ারি বিএনপি আশা করেছিল নির্বাচন হবে না। মানুষ যাতে ভোট দিতে না যায় সেই প্রার্থনা করেছিল তারা। কিন্তু ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। যখন একটি সুন্দর নির্বাচন হলো, প্রধানমন্ত্রীকে সারা বিশ্ব অভিনন্দন জানিয়েছে, জো বাইডেন চিঠি দিয়ে প্রশংসা করেছেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও প্রশংসা করেছে, তখন বিএনপি খেই হারিয়ে ফেলেছে।”

    আজ সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখতে আওয়ামী লীগই বিডিআর বিদ্রোহ ঘটিয়েছিল’ এই নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, “রিজভী সাহেবের এই বক্তব্য টেলিভিশনে শুনেছি, অনলাইনে দেখেছি। এই বক্তব্য আমার কাছে পাগলের প্রলাপ মনে হয়েছে।২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আমরা আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৩ আসন পেয়ে সরকার গঠন করি। বিএনপি পেয়েছিল মাত্র ৩০টি আসন। এই রকম বিপুল রায় পেয়ে সরকার গঠন করার পর এমন জঘন্য ঘটনা কেন ঘটাবে সরকার? আর সেদিন আওয়ামী পরিবারের সদস্যরাই বেশি নিহত হয়েছিল। এমনকি তৎকালীন আইজিপি’র মেয়ের জামাতাও নিহত হন।”

    তিনি আরও বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুপুরের আগে ঘুম থেকে জাগেন না, কিন্তু সেদিন খালেদা জিয়া কোন কারনে সকালেই ঘুম থেকে উঠে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হলেন? তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। তিনি সেদিন লন্ডনে কতবার কথা বলেছিলেন সেই রেকর্ড আছে। এতে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিএনপি যে সরাসরি যুক্ত সেটিই প্রমাণিত। অতএব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য পাগলের প্রলাপ মাত্র।”

    সাংবাদিকরা এই সময় বিএনপি নেতা মঈন খান সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন-এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তাদের দুর্নীতি লুটপাটের কারণে পরপর চারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুর্নীতিতে সাক্ষ্য দিতে এফবিআই বাংলাদেশে এসেছিল। বিএনপি নেতা মঈন খান হয়তো এসব কথা ভুলে গেছেন। কারো বাবাকে নিয়ে কথা বলতে চাই না, কিন্তু মঈন খানের বাবা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- প্রয়োজনে দেশ বিক্রি করে দেওয়া হবে।”

    এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে তার সাথে সাক্ষাতে আসেন ঢাকা সফররত আগরতলা প্রেসক্লাবের ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। আগরতলা প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট জয়ন্ত ভট্টাচার্য, সেক্রেটারি রমাকান্ত দে এবং সৈয়দ সাজ্জাদ আলী, কামাল চৌধুরী, রঞ্জন রায়, অভিষেক দে, সুরজিৎ পাল, মনিষ লোদ, অভিষেক দেববর্মা, প্রণব সরকার, সুপ্রভাত দেবনাথ, দেভাশিষ মজুমদার এবং সুমন দেবরায় ও বাংলাদেশের জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার সভাপতি রেজওয়ানুল হক প্রমুখ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে চা-চক্রে মিলিত হন।এই সময় প্রতিনিধি দল মন্ত্রীকে উত্তরীয় ও সম্মাননা স্মারক অর্পণ করেন।

  • বিএনপিকে আন্দোলন নয় পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপিকে আন্দোলন নয় পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বিএনপিকে আন্দোলন নয় পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব জেল থেকে বের হয়ে আবার দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়েছেন। পরবর্তী আন্দোলনের কথা না ভেবে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন।

    আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে আন্দোলনের বস্তুগত পরিস্থিতি খুঁজে পাওয়া যায় না। জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের যে ইস্যু খুঁজে পাওয়া যায় না, বিএনপির সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া উচিত।”

    জার্মানিতে নিরাপত্তা সম্মেলনে বাংলাদেশের উপস্থিতির বিষয়ে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্য বিরাট সম্মান বয়ে এনেছেন। আজকে গণতান্ত্রিক বিশ্ব বাংলাদেশের গুরুত্ব নিঃসঙ্কোচে মেনে নিয়েছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থানটা আমাদের শত্রুতার জন্য অনেকের উর্বর ক্ষেত্র। বঙ্গোপসাগর, সেন্টমার্টিনের প্রতি লোভাতুর দৃষ্টি অনেকে বাজপাখির রয়েছে। তবে শেখ হাসিনার সরকার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি সাফল্যের দিকে নিয়ে গেছেন।”

    তিনি আরও বলেন, “মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন শাখার সম্মেলন, সহযোগী সংগঠনের প্রত্যেকের অসমাপ্ত সম্মেলন, কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় বিলম্বসহ সাংগঠনিক সমস্যার সমাধান করা জরুরি। বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা সব শাখাগুলোকে ঢাকায় ডেকে বসতে পারেন। সমস্যা ও বিরোধ থাকলে তা সমাধানে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।”

    যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।

  • পাকিস্তানে কোন দল সাধারণ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি

    পাকিস্তানে কোন দল সাধারণ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক  – ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের মোট আসন সংখ্যা ২৬৬টি (একটি স্থগিত)। এর মাঝে ২৫০টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে।

    কিন্তু আসন সংখ্যার দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ বলছেন, তার দল পাকিস্তান মুসলিম লীগই (পিএমএল-এন) এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় দল। এই কারণে তিনি অন্যদেরও তার সঙ্গে যোগ দিয়ে সরকার গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে কারাবন্দী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবারের ১৬তম সাধারণ নির্বাচনে জয় দাবি করেছেন এবং তার কর্মী-সমর্থকদেরকে এই বিজয় উদযাপন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

    এদিকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল এখনও প্রকাশ না হলেও প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, কোনও দলই এই নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয় লাভ করেনি।

     

    নির্বাচনের ফলাফল:

    পাকিস্তানে সরকার গঠন করার জন্য কোনও দলকে ন্যূনতম ১৩৪টি আসনে জয়লাভ করতে হবে।

    কিন্তু দেশটির নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত যে ২৫০টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে কোনও দলই এককভাবে এত বিপুল সংখ্যক আসন পায় নি।

    এমনকি বাকি ১৫টি আসনের ফলাফলও যদি কোনও একক দলের পক্ষে যায়, তারপরও তা সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক আসন হবে না। এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আসনের দিক থেকে এগিয়ে। এদের মাঝে ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীই বেশি।

    পাকিস্তানের সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার তিনদিনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জানাতে হবে যে, তারা কোন দলে যোগ দেবেন নাকি স্বতন্ত্র হিসাবেই থাকবেন। পাকিস্তানের পত্রিকা ডন বলছে, নির্বাচনে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা ৯১টি আসনে জয়লাভ করেছেন। পিএমএলএন ৭১ আসন জিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

    ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হওয়া পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন দল পাকিস্তান পিপল’স পার্টি এই নির্বাচনের তৃতীয় প্রধান দল। এই দল জয় পেয়েছে ৫৩টি আসনে। এছাড়া, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা অন্যান্য দলের প্রার্থীরা পেয়েছে ৩৩টি আসন।

    এমনিতে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের মোট আসনসংখ্যা ৩৩৬টি। তার মধ্যে ২৬৬ আসন হলো সাধারণ আসন, যেগুলোতে সরাসরি ভোট হয়। বাকি ৭০টি আসন সংরক্ষিত। সেগুলোর ৬০টি নারীদের ও ১০টি অমুসলিমদের।

    পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ আসনগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আসন হলো পাঞ্জাবে, ১৪১টি।

     

    সিন্ধু, খাইবার পাখতুনখোয়া, বালুচিস্তান ও ফেডেরাল ক্যাপিটালে আছে যথাক্রমে ৬১টি, ৪৫টি, ১৬টি ও তিনটি।

     

    জোট গঠনেও দেখা দিয়েছে জটিলতা:

    পাকিস্তানের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটের হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএলএন) চেয়ারম্যান নওয়াজ শরিফ ইতোমধ্যে সরকার গঠনের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে জোট গঠনের তৎপরতাও শুরু করেছেন তিনি।

    পিএমএলএন চাইছে, নতুন জোট গঠিত হলে সেই জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন নওয়াজ শরিফ। কিন্তু ভোটের হিসেবে তৃতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) জানিয়েছে, নতুন জোটে যেতে তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও নওয়াজ শরিফকে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে আপত্তি রয়েছে দলটির।

    এদিকে পাকিস্তানের নির্বাচনে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) জানিয়েছে, অপর দুই দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) বা পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) কিংবা অন্য কোনো দলের সঙ্গে জোট করার কোনো পরিকল্পনা নেই দলটির।

    পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর খান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে ফলাফল এসেছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে পিটিআই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তাছাড়া পাঞ্জাবের প্রাদেশিক আইনসভায় আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছি।’

  • পাকিস্তানের নির্বাচনের ফল গণনা চলছে, এগিয়ে স্বতন্ত্ররা

    পাকিস্তানের নির্বাচনের ফল গণনা চলছে, এগিয়ে স্বতন্ত্ররা

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: পাকিস্তানের ১৬তম সাধারণ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশ দেরি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে। তবে বেশ খানিকটা এগিয়ে আছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এরপরই অবস্থান নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল) ও বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি)।

    পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও টিভির অনলাইন সংস্করণ বলছে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত অস্থায়ী ফলাফল অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৬২টি আসনে জয় পেয়েছে পিটিআই।

    ৪৬ আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। আর পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থীরা ৩৪টি আসনে জয় পেয়েছেন।এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন ৫ জন। মোট ১৬৫ আসনের মধ্যে দেড়শ’ আসনের ভোট গণনায় এ অনানুষ্ঠানিক ফলাফল এসেছে।

    পাকিস্তানে ভোটার সংখ্যা ১২৮ মিলিয়ন।

    এ নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও দল মিলিয়ে ১৭ হাজার ৮১৬ প্রার্থী জাতীয় পরিষদের ২৬৫টি, পাঞ্জাব পরিষদের ২৯৬টি, সিন্ধ পরিষদের ১৩০টি, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ১১৩টি ও বেলুচিস্তানের ৫১টিসহ মোট ৮৫৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে পাকিস্তানের বহুল প্রতীক্ষিত সাধারণ নির্বাচনে।

    এদিন সারা দেশে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিক্ষিপ্ত কিছু রাজনৈতিক সহিংসতার খবরও পাওয়া যায়। এদিন খাইবার পাখতুনখোয়াতে ভয়াবহ হামলার ঘটনাও ঘটে।

    ভোটের ফল প্রকাশে নজিরবিহীন দেরি হচ্ছে। ভোট বন্ধ হওয়ার ১৭ ঘণ্টারও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি গণনা।

    ভোট গণনায় এত দেরি হওয়ায় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।