Tag: ইজতেমা

  • আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আজ সকালে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির ‘আমিন আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে টঙ্গীর তুরাগ তীর। আর এই আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। মোনাজাত পরিচালনা করেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের শীর্ষ মুরব্বি, কাকরাইল জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

    আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়ে ৯টা ২৩ মিনিটে শেষ হয়। ২২ মিনিট পর্যন্ত চলেছে এবারের আখেরি মোনাজাত।

    মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর হেদায়েত, ঐক্য, শান্তি, সমৃদ্ধি, ইহকাল ও পরকালের নাজাত এবং দ্বীনের দাওয়াত সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য দোয়া করা হয়। এছাড়া সব ধরনের গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। এই সময় ময়দানসহ আশপাশের সড়কগুলো একেবারে নিস্তব্ধ ছিলো।

    বিশ্ব ইজতেমা-২০২৪ এর প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত চলাকালীন ময়দান ও আশপাশের সড়ক ও এলাকার পরিবেশ ছিল একেবারে শান্ত। সড়কগুলোতে যে যার মত বসে অংশ নেয় মোনাজাতে।

    আজ ফজরের নামাজের পর থেকেই শুরু হয় হেদায়েতি বয়ান। হেদায়েতি বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। এরপর কিছু সময়, নসিহতমূলক কথা বলেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা।

    বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে দেশ বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি এসেছেন ইজতেমা ময়দানে। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা এখানে অবস্থান করে ইবাদত-বন্দেগি করেছেন।

    এদিকে ইজতেমা ময়দানের মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা থেকে গাজীপুরের তিনটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজ রবিবার দুপুর ২টার পর সড়কগুলো আবার খুলে দেওয়া হয়।

    সড়ক তিনটি হলো, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর থেকে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস, টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কের মিরের বাজার থেকে টঙ্গীর স্টেশন রোড পর্যন্ত এবং রাজধানী ঢাকার কামারপাড়া মোড় থেকে টঙ্গীর মন্নুগেট সড়ক।

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব সড়কে ইজতেমার মুসল্লি বহনকারী যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি চলতে পারবে না। তবে জরুরি প্রয়োজনীয় গাড়ি যেমন- অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমকর্মী বা বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

  • বিশ্ব ইজতেমায় আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে ১১টি নির্দেশনা

    বিশ্ব ইজতেমায় আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে ১১টি নির্দেশনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪: টঙ্গীতে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্ব। আগামী ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্ব  এবং ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি হবে দ্বিতীয় পর্ব। অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমা নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইজতেমায় আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে ১১টি নির্দেশনা দিয়ে সেগুলো মেনে চলতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

    আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) পুলিশ সদরদপ্তরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের পুলিশ সুপার ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান। এসময় তিনি ১১টি নির্দেশনা তুলে ধরেন।

     

    নির্দেশনাগুলো হলো:

    ১. ইজতেমায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনে সহযোগিতা নেবেন।

    ২. নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান করবেন এবং অপরিচিত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কোনো পোটলা, ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তুর উপস্থিতি দেখামাত্র তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করবেন।

    ৩. টাকা, মূল্যবান সামগ্রীসহ একাকী বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাফেরা করবেন না এবং সবসময় টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী নিজ হেফাজতে রাখবেন। টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি বা হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করবেন।

    ৪. হকার ও ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণে অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির কবলে পড়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

    ৫. মুসল্লিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচলের সুবিধার্থে ইজতেমা চলাকালে প্রধান সড়কসমূহ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাঁবু খাটাবেন না কিংবা অন্য কোনোভাবে সড়ক ও পার্শ্ববর্তী এলাকা ব্যবহার করবেন না।

    ৬. অসুস্থ হলে ইজতেমার জন্য নির্ধারিত অস্থায়ী হাসপাতাল ও নিকটবর্তী হাসপাতাল, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী বা প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা নেবেন।

    ৭. গুজব শুনলে বা কোনো প্রকার দুর্ঘটনা ঘটলে ধৈর্য ধরে সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতা করবেন।

    ৮. ট্রেনে নাশকতা সম্পর্কে তথ্য জানতে পারলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটবর্তী থানা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জানাবেন।

    ৯. রান্না করার সময় আগুন থেকে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। খিত্তা এলাকায় বা নিজেদের অবস্থানস্থলে ধূমপান করবেন না। খিত্তায় সবসময় পানি মজুত রাখবেন।

    ১০. ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা মহানগরীর প্রগতি সরণি থেকে টঙ্গী ফ্লাইওভার পর্যন্ত, গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী ফ্লাইওভার থেকে চৌরাস্তা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রধান সড়কের ৫০ গজের মধ্যে মাইক লাগাবেন না।

    ১১. জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ট্রেনে কিংবা অন্য কোনো যানবাহনে চলাচল করবেন না।

    জরুরি প্রয়োজনে ইজতেমাস্থলের নিকটস্থ পুলিশ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতেও বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে যেসব নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে-

     

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ:

    উপ-পুলিশ কমিশনার, উত্তরা- ০১৩২০-০৪১৭৪০, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট)- ০১৩২০-০৪১৭৪১, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণখান)- ০১৩২০-০৪১৭৪২, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তরা)- ০১৩২০-০৪১৭৪৩, সহকারী পুলিশ কমিশনার (উত্তরা)- ০১৩২০-০৪১৭৫৪, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট)- ০১৩২০-০৪১৭৫৭, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তরা পশ্চিম জোন)- ০১৩২০-০৪৩৯৫৫, অফিসার ইনচার্জ, উত্তরা পূর্ব থানা- ০১৩২০-০৪১৭৮৯, অফিসার ইনচার্জ, উত্তরা, পশ্চিম থানা- ০১৩২০-০৪১৮১৭, অফিসার ইনচার্জ, তুরাগ থানা- ০১৩২০-০৪১৮৪৫, ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম- ০১৭১১-০০০৯৯০।

     

    গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ:

    উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ)- ০১৩২০-০৭০৩৩০, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ)- ০১৩২০-০৭০৬৪১, সহকারী পুলিশ কমিশনার (টঙ্গী জোন)- ০১৩২০-০৭০৬৫৮, অফিসার ইনচার্জ, টঙ্গী পশ্চিম থানা- ০১৩২০-০৭০৭৫১, ডিউটি অফিসার, টঙ্গী পশ্চিম থানা- ০১৩২০-০৭০৭৫৯, অফিসার ইনচার্জ, টঙ্গী পূর্ব থানা- ০১৩২০-০৭০৭২২, ডিউটি অফিসার্র, টঙ্গী পূর্ব থানা- ০১৩২০-০৭০৭৩০, ডিউটি অফিসার্র, টঙ্গী পূর্ব থানা- ০১৩২০-০৭০৭৩০, ইজতেমা কন্ট্রোল রুম (হটলাইন)- ০১৩২০-০৭২৯৯৯, কন্ট্রোল রুম, জিএমপি- ০১৩২০-০৭২৯৯৮, ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম-০১৩২০-০৭১২৯৮।

     

    র‍্যাব :

    র‍্যাব-১ কন্ট্রোল রুম- ০১৭৭৭৭১০১৯৯, র‍্যাব হেডকোয়ার্টার্স কন্ট্রোল রুম- ০১৭৭৭-৭২০০২৯ এবং প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।

  • বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে থাকবে বিশেষ ট্রেন

    বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে থাকবে বিশেষ ট্রেন

    www.HelloBangla.News – জাতীর – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা -২০২৪ উপলক্ষে ১৭টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরমধ্যে শুধু আখেরি মোনাজাতের দিন চলবে ১৪টি ট্রেন।

    বিশ্ব ইজতেমায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনে আসা মুসুল্লিদের যাতায়াত সুবিধার্থে টঙ্গী স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে আখেরি মোনাজাতের দিনগুলোতে শুধু ৪টি ট্রেন থামবে না।

    আজ মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রেল ভবনে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তুতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান।

    তিনি বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা অভিমুখী সব আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে ৩ (তিন) মিনিট করে থামবে। আগামী ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি (দুই পর্বের ইজতেমা) আখেরি মোনাজাতের দিন (সুবর্ণ, সোনার বাংলা, কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ব্যতীত) সব আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলো (আপ ও ডাউন) টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামবে।

    তিনি আরও বলেন, ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন ৪৯ নং বলাকা কমিউটার ট্রেন ৪টা ৪৫ মিনিটের পরিবর্তে ৫টায় ছাড়বে। ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি (রোববার) ৭৯২/৭৯১ নম্বর বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন বন্ধ থাকবে, তবে ৭৫৪/৭৫৩ নম্বর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে।

    রেলওয়ের মহাপরিচালক বলেন, আখেরি মোনাজাতের পরের দিন অর্থাৎ ৫ ও ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখ ইজতেমা থেকে বহির্গামী টিকিটধারী যাত্রীদের ফেরত যাওয়া ও টঙ্গী স্টেশনে আরোহণের সুবিধার্থে আন্তঃনগর ট্রেনগুলো টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট থামবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী।