Tag: সাম্প্রদায়িকতা

  • আমাদের এ দেশ থেকে যেন সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    আমাদের এ দেশ থেকে যেন সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ এপ্রিল, ২০২৪: আমাদের এ দেশ থেকে যেন সমস্ত সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।তিনি বলেন, হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবার সম্মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে আমাদের এই দেশ রচিত হয়েছে। আমাদের এ দেশ থেকে যেন সমস্ত সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে। এ দেশে যেন আমরা সব সম্প্রদায় এবং সব মত-পথের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য কাজ করতে পারি।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সুখবিলাস নিজ গ্রামের বাড়ি জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজকে পবিত্র ঈদের দিন আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের দেশে যে শান্তি বিরাজমান এবং আজকে বাংলাদেশ যে পৃথিবীর সামনে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, এই উন্নয়ন অগ্রগতি যেন আরও বেগবান হয়।”

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনের মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে যেন অবিলম্বে শান্তি স্থাপিত হয়। সেখানে ইসরাইল যে বর্বরতা চালাচ্ছে সে বর্বরতার যেন চির অবসান হয়। এটিই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা।”

  • জিয়া সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বপন করেন: সেতুমন্ত্রী

    জিয়া সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বপন করেন: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ মার্চ, ২০২৪: জিয়া সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বপন করেন, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান নিজের অবৈধ ও অসাংবিধানিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে; ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রচলন করে। স্বৈরাচার জিয়া রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষের বীজ বপন এবং উগ্র-সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করে। তখন থেকে বিভেদের রাজনীতির গোড়াপত্তন হয়। বিরোধী দল বিশেষ করে আওয়ামী লীগকে নির্মূল করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো হয়।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের মিথ্যা, বানোয়াট এবং দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতা মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ভিত্তিতে জাতিকে সংবিধান উপহার দেন। ধর্মের ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর খুনি জিয়া-মোশতাক চক্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধূলিসাৎ করে।”

    বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি নেতাকর্মীদের ঘর-বাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্য দখল করে নেওয়া হচ্ছে মর্মে বিএনপি মহাসচিব মিথ্যাচার করছেন। তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ না দিয়ে ঢালাওভাবে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়েছেন। বরং আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপির নেতাকর্মীরা বহাল তবিয়তে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। কোথাও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে না। অথচ ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে লাখ লাখ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে ঘর-বাড়ি ছাড়তে হয়েছিল, নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নির্মম অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডারবাহিনী দ্বারা হাজার হাজার নারী ধর্ষিত হয়েছিল। সারা দেশে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।”

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বিএনপি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই তারা স্বাধীনতার মর্মার্থকে অকার্যকর করতে চায়। দেশের প্রত্যেক মানুষ এখন স্বাধীনতার সুফল পাচ্ছে। অগণতান্ত্রিক ও উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রতিভূ বিএনপির ফ্যাসিবাদী দর্শনে জনগণ কখনো সাড়া দেয়নি; দেবেও না। তাই বিএনপি সর্বদা জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। পাকিস্তানি ভাবাদর্শকে পুঁজি করে রাজনীতি করা বিএনপির একান্ত কাম্যই হলো যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা দখল, জনকল্যাণ নয়। তারা ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছিল। বাংলার জনগণ তাদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়েছিল। সুতরাং বাংলার জনগণ এ প্রতারক গোষ্ঠীকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।”