Tag: সততা

  • তথ্যের জায়গায় নিশ্চিত করতে চাই আমার সততা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    তথ্যের জায়গায় নিশ্চিত করতে চাই আমার সততা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ জুন, ২০২৪: তথ্যের জায়গায় নিশ্চিত করতে চাই আমার সততা, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “তথ্য যাচাই-বাছাই করা আমাদের দায়িত্ব। সত্য মেনে নেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে, রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য বিকৃত করলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না। আগে অঙ্গীকার করতে হবে যে, আমি যে রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাস করি না কেন, তথ্যের জায়গায নিশ্চিত করতে চাই আমার সততা। সেই তথ্য, যেটা সত্য। সত্য কারো পক্ষে যাবে, কারো বিপক্ষে।”

    আজ শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর কনভেনশন হলে পিস অ্যাম্বাসেডরস জাতীয় সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন।

    দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর উদ্যোগে, ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি)-এর সহযোগিতায় এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস এর অংশীদারত্বে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সত্য যেদিকেই যাবে সেটা মেনে নিতে হবে। কিন্তু এই সমাজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনেক জায়গায় অনেক ক্ষেত্রে মিথ্যাচার হয়। শুধু আমার রাজনৈতিক চিন্তার পক্ষে গেছে বা যে লোকটিকে আমি রাজনৈতিকভাবে অপছন্দ করি তার বিপক্ষে গেছে এজন্য যতই মিথ্যা হোক সেটা আমি আরও দশ জনকে প্রচার করি। এটি ন্যায়সঙ্গত নয়।”

    মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, “বাংলাদেশের প্রশ্নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশের জন্ম এবং আজ এ দেশের এগিয়ে যাওয়া। সেই মূল জায়গায় কোন আপোষ চলবে না। বাংলাদেশের জন্ম যেখানে, যে চেতনা ধরে, সেখানে কোনও আপোষ চলবে না। তার বাইরে আমাদের সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের গোড়ায় গিয়ে সব দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মুক্তিযুদ্ধবিরোধী যে অপশক্তি, মৌলবাদী যে অপশক্তি, সেই ধরনের উগ্রবাদী কোনও অপশক্তিকে আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে কোনও জায়গা দিতে চাই না। কারণ তারা গণতন্ত্রকে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিকে বিনষ্ট করে। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অপশক্তিগুলোকে বাদ দিয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

    দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রানা মো. সোহেল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।

  • রমজানে ব্যবসায়ীদের সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    রমজানে ব্যবসায়ীদের সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১০ মার্চ, ২০২৪: রমজানে ব্যবসায়ীদের সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।  তিনি বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাতে দেখলাম ১৮টি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের রাষ্ট্রীয় সার্কুলার দিয়ে দিয়েছে। এই পণ্যগুলোর দাম কেউ এ মাসে (রমজান) বাড়াতে পারবে না। আমরা এবার হয়তো পারি নাই। ইনশাআল্লাহ আমাদের সাপ্লাই চেইন ইম্প্রুভ করে পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ ইম্প্রুভ করব। এছাড়া ব্যবসায়ীদের একটু সততার সঙ্গে ব্যবসাটা করতে হবে। ধর্মীয় অনুভূতিটাকে প্রাধান্য দিয়ে যাতে আমরা ব্যবসাটা করি।”

    আজ রাবিবার (১০ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে কৃষিপণ্য সরবরাহে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘প্রোডিনটর্গ’ এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আগামীতে কেবিনেটের অনুমোদন নিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের একটা কমপ্লিটলিস্ট তৈরি করব।”

    তিনি বেলেন, “আমরা ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে কৃষি পণ্যের সর্বোচ্চ একটা মূল্য নির্ধারণ করে দিতে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই যারা রোজার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানি ও উৎপাদন করেন তাদের সঙ্গে বসেছি। আমদানি এবং উৎপাদন পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে, এটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি।”

    তিনি বলেন, “গত দেড় মাসে চালের বাজারে একটা অস্থিরতা ছিল। সেটা আল্লাহর অশেষ রহমতে স্থিতিশীল পর্যায়ে আছে। চালের দাম নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। ‌তেলের দাম আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি। ‌ রমজান উপলক্ষে আজকে থেকে বাজার তদারকি আরও বাড়াব। যাতে কেউ বোতলজাত সয়াবিন তেলের প্রতি লিটার ১৬৩ টাকা ও খোলা তেল প্রতি লিটার ১৪৯ টাকার ওপরে কেউ বিক্রি না করে। সেই ব্যাপারে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব। কোনোভাবে যাতে এটার ব্যত্যয় না হয়, সেই চেষ্টা করব। রমজান উপলক্ষে আজকে থেকে আমরা বাজার পরিদর্শন শুরু করব।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীও কিন্তু নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও কিন্তু নির্দেশ দিয়েছেন বাজারে সরবরাহ চেইনে কেউ যদি ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে শক্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে। আমরা পদক্ষেপগুলো নিচ্ছি। একেবারে যে উন্নতি হয়নি তা নয়। ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার জন্য তাদের সম্মতি আমরা পেয়েছি। দু-একদিনের মধ্যে পেঁয়াজও ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে ঢুকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যখন কাঁচা বাজারের গেলাম তখন দেখলাম প্রত্যেকটি জিনিসের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে দুই-তিন টাকা বেশি। একেবারে খুচরা পর্যায়ে কাঁচাবাজারগুলো অস্থায়ীভাবে থাকে, ওইগুলো আমরা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করব সেটা এখন বের করতে হবে। প্রথমে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই- সরবরাহ নিশ্চিত করা, কোনোভাবেই যেন সরবরাহে ঘাটতি না হয়। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেরেছি। বাজার মনিটরিং ইনশাল্লাহ আমরা বাড়াব।”

    হঠাৎ দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, “হঠাৎ করে শুনলাম লেবুর দাম বেড়ে গেছে। শসার দাম, পেঁয়াজের দামও (বাড়তি)। এটি কিন্তু সারা দেশের তুলনায় ঢাকার কয়েকটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই বলব। এটি কিন্তু গুটিকয়েক জায়গায়। সারা দেশের পরিস্থিতি কিন্তু এটা না। অনেক সময় হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যায়। দেখা যাবে আজকে বা কালকে সবাই বাজারে ঝাঁপিয়ে পড়বে ১০/২০ দিনের সাপ্লাই একদিনে কিনে ফেলবে। ডিমান্ড বেড়ে গেলে হয়তো ওই অনুযায়ী সাপ্লাইটা আসে না। এজন্যও (আকস্মিক দাম বৃদ্ধি) হতে পারে।”

    রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন চালের স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও গম, ভুট্টা, ডালের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। এগুলো আমাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে আনতে হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গমের উৎস হলো রাশিয়া। আজকে যে প্রোডাক্টগুলো তারা সাইন করল। রাশিয়ান ফেডারেশন থেকে তারা যদি সাপোর্ট দিতে পারে তাহলে আমাদের ফুড সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির একটা বড় বাফার (মুল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য মজুদ দ্রব্য) স্টক আমরা তৈরি করতে পারব।”

    ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন টিসিবির মাধ্যমে ১ কোটি পরিবারকে সাবসিডাইজ প্রাইজে পণ্য দিচ্ছি। সেটা দেওয়া সম্পূর্ণ শুরু হলে এতেও বাজারে একটা চাপ কমে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরবর্তীতে ফেয়ারপ্রাইজে মাল্টিপল প্রোডাক্ট সরবরাহ করব, যদি আমাদের এই রকম সোর্স থাকে। শুধু রাশিয়া থেকে নয় কয়েকটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনতে আমরা ভারতের সঙ্গেও একটি চুক্তি করার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করছি। মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

  • পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা সততার সঙ্গে কাজ করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা সততার সঙ্গে কাজ করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা সততার সঙ্গে কাজ করবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “আমি চাই দেশে সৎ ও উন্নত মানের ডাক্তার তৈরি হোক। নিজে সারাজীবন সৎ থেকেছি, এদেশের পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিটি ডাক্তারও সততা নিয়ে, স্বচ্ছতা নিয়ে মানুষের সেবা করে জীবন পার করে দিবে আমি সেটাই চাই।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার দুটি কেন্দ্র রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ কেন্দ্র এবং  সকাল সাড়ে ১০ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলন ।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এবারের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সকল কেন্দ্রেই বিশেষ সতর্কতা নেওয়া ছিল। প্রতিটি প্রশ্নপত্র বহনকারী ট্রাঙ্কে একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস লাগানো ছিল, যার মাধ্যমে অধিদপ্তর হতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা নেওয়া কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রে কেন্দ্র ম্যাজিস্ট্রেট সহ কারো কাছেই কোনরকম মোবাইল যন্ত্র এলাউড ছিল না। কোন মেডিকেল কোচিং গত এক মাস খোলা ছিল না। পরীক্ষার আগের দিন ফেসবুকে কোনরকম প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর সুযোগ দেয়নি আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে। মোট কথা, এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় যতরকম সতর্ক থাকা যায়, আমরা থেকেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “এবছর এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি মেডিকেল কলেজে বিগত কয়েক বছর অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্নকরণ এবং ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছে এবং একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।”

    স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা মেডিকেল এর অধ্যক্ষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসময়  মন্ত্রীর সাথে ছিলেন।

    আজ সকাল ১০টা হতে ১১ টা পর্যন্ত ০১ ঘন্টাব্যাপী দেশের ১৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের মোট ৫ হাজার ৩৮০ টি আসনের বিপরীতে এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭ টি মেডিকেল কলেজের মোট ৬ হাজার ২৯৫ টি আসনের বিপরীতে এবছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।