Tag: শিল্পকলা

  • বিশ্ব সংগীত দিবস পালন করলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি

    বিশ্ব সংগীত দিবস পালন করলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২২ জুন, ২০২৪: বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে সংগীতের সুরে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তা ও দর্শনকে ছড়িয়ে দিয়ে সবার সাথে মেলবন্ধন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়।

    বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ২১ জুন ২০২৪ বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত হয়। দিনটি উপলক্ষ্যে সন্ধ্যা ৬:৩০টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীদের পরিবেশনার মাঝে মাঝে প্রসঙ্গ কথনে অংশ নেন একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক কাজী আফতাব উদ্দিন হাবলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইম রানা, একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ, এবং একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত যন্ত্রসংগীত ‘সানফ্লাওয়ার’। এরপর একাডেমির কণ্ঠশিল্পীরা সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। সমবেত সংগীতের মধ্যে রয়েছে- আমাকে পোড়াতে যদি, আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে, তুমি কি দেখেছো কভু, তুমি সূতোয় বেধেছে, আকাশের হাতে আছে একরাশ, আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত, আয়নাতে ঐ মুখ, ফুলের কানে ভ্রমর, একি সোনার আলোয়, ভেঙেছে পিঞ্জর, সন্ধ্যার ছায়া নামে, দু:খ ভালবেসে প্রেমের খেলা, ফুলের মালা পড়িয়ে দিলে, গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে, পিঞ্জর খুলে দিয়েছি, দিন যায় কথা থাকে, পিচঢালা এই পথটারে, নীল আকাশের নীচে আমি।

    একক সংগীত ‘সময় মন্দ হইলে পরে, সকলে ভাই মন্দ বলে’ পরিবেশন করেন শিল্পী সুরবালা। বিদেশী ভাষার একক সংগীত পরিবেশন করেন নিতা খন্দকার ও নুসরাত জাহান কৃতি। বিদেশী ভাষার সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন ইয়াসমিন আলী।

    সমবেত সংগীত ‘ধন ধান্য পুষ্পভরা’ এবং ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ পরিবেশন করেন শিল্পী ঝিলিক, হৈমন্তি রক্ষিত, প্রিয়াংকা বিশ্বাস, অনুপমা মুক্তি, কৃষ্ণকলি, অবন্তি সিথি, এলিটা করিম, কর্ণিয়া, আরমিন মুসা, স্বরলিপি, সাব্বির, রজিব, অপু আমান, পুলক অধিকারী, কিশোর দাস, ইউসুফ আহমেদ খান, পান্থ কানাই, কাজী আনান, রাশেদ, অনিমেষ রায়।

    সমবেত সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু-কিশোর সংগীত দল। পরিবেশিত সংগীতের মধ্যে রয়েছে আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে, দাও শৌর্য দাও ধৈর্য্য, সত্য বল সুপথে চল, আলো আমার আলো, আমরা সুন্দরের অতন্দ্র, মঙ্গল হোক এই শতকে, আমরা নূতন যৌবনের-ই দূত, আমরা সবাই মঞ্চকুঁড়ি, মনের রঙ লেগেছে, এ মাটি নয় জঙ্গীবাদের, আমি ধন্য হয়েছি, চলো বাংলাদেশ।

    ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ব্যান্ড দল এফ-মাইনর ‘জংলা ফুল’ ও ‘মনে করি আসাম যাবো’ সংগীত পরিবেশন করেন।

    অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন দিলরুবা সাথী ও নুরুল হাসনাত জিলানী। অনুষ্ঠানে যন্ত্রশিল্পী ছিলেন দেবাশীষ দাস, সাইদ ফারূকী চন্দন, সাইদ হাসান বাবু, তানভীর আলম সজীব, ফাহাল হোসাইন গোলন্দাজ, আলমগীর হোসেন।

  • বাউলসম্রাট আব্দুল করিম এবং গীতিকার রশীদ স্মরণে শিল্পকলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    বাউলসম্রাট আব্দুল করিম এবং গীতিকার রশীদ স্মরণে শিল্পকলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ জুন, ২০২৪: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নিমিত্তে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে “স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ” শীর্ষক স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী ও গুণীজনদের নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ বছর দেশের ৬২ জন মনীষীদের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২৪ মে ২০২৪ থেকে ১২ জুন ২০২৪ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আজ ১০ দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা ৬:০০ টায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।

    বাউলসম্রাট শাহ আব্দুল করিম এর স্মরণ অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রদর্শিত হয় বাউলসম্রাট শাহ আব্দুল করিমের জীবন ও কর্মের উপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নির্মিত ১০ মিনিটের বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র। পরে শাহ আব্দুল করিম এর জীবন ও কর্মের উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রাবন্ধিক ড. শেখ মেহেদী হাসান, সহকারী রেজিস্ট্রার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ।  প্রবন্ধের শিরোনাম ‘শাহ আব্দুল করিম জীবন ও গান’। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আয়েশা সিদ্দিকা, উপসচিব, (সাংস্কৃতিক চুক্তি শাখা), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সভাপতিত্ব করেন ড. আবুল কাশেম মজুমদার, প্রাক্তন সদস্য, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী আবু বকর সিদ্দিক ও রোকসানা আক্তার রূপসা।

    অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বাউল সাধক রশীদ উদ্দিন এর স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শুরুতেই প্রদর্শিত হয় রশীদ উদ্দিনের  জীবন ও কর্মের উপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র। এরপর ‘বিশ শতকের বাংলা গান ও রশীদ উদ্দিন’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ড. কমল খালিদ, সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, সরকারি সংগীত কলেজ। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. জাহিদুল কবীর লিটন, অধ্যাপক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। সভাপতিত্ব করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ  টেলিভিশন।

    আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন বাউলশিল্পী মনির বাউলা এবং মৌসুমী ইকবাল।

  • শিল্পকলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকীর ২য় দিনের পরিবেশনা

    শিল্পকলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকীর ২য় দিনের পরিবেশনা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৯ মে, ২০২৪: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে চলছে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার আজ  ‍বৃহস্পতিবার ( ৯ মে) ২য় দিনে সকাল ১১.০০টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা ও রবীন্দ্র পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় আজ প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

    Rabindranath Tagore Birth Anniversary 2nd Day Performance - Entertainment - 9 May 2024 (2)
    Rabindranath Tagore Birth Anniversary 2nd Day Performance – Entertainment – 9 May 2024 (2)

    তিনি বলেন, ‍“বাঙালীর জাগরণ তিনটি, উনিশ শতকের নবজাগরণ, ভাষা আন্দোলন এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। উনিশ শতকে রবীন্দ্রনাথকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ প্রতিবাদী। রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যই রচনা করেননি পাশাপাশি সেটির প্রত্যেকটি শব্দের ব্যাখ্যাও প্রদান করেছেন। আমাদের দেশে বর্তমান সময়ে অনেক লেখক আছেন যারা নিজেদের কবিতাও ভালো করে ব্যাখ্যা করতে পারেননা, গানও না, আর ছন্দ বুঝাতো দূর”।

    তিনি আরো বলেন “বরীন্দ্রনাথ এক সময় ইংরেজি কবিতা ও সাহিত্যের খুব ভক্ত ছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন ইংরেজদের দ্বারা এই বাংলার নিরীহ মানুষগুলো নিপিড়ীত হচ্ছে তখন তাদের প্রতি তাঁর ঘৃণা সৃষ্টি হয়। তিনি স্বপ্ন দেখেন এই পূর্ব দিগন্তে একজন মানবের আগমন। যার মাধ্যমে মুক্ত হতে পারে এই দেশ। আর তার স্বপ্নের মানবই হয়তো ছিলো এই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।”

    বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের শিল্পকলা, ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাসের মেলবন্ধন অটুট রাখা এবং শিক্ষা বিষয়ক অধ্যয়ন ও গবেষণা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে ও অর্থায়নে নানামুখী কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন জনাব ফকরুল আলম, সাবেক অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব খলিল আহমদ।

    সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এ ধরনের অনুষ্ঠানের ভিতর দিয়ে যেন চিত্তের উৎকর্ষ সাধিত হয়, স্বপ্ন তৈরি হয়। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু; আমাদের জীবনে তাদের যে বিশাল প্রভাব, সেখান থেকে আমাদের প্রজন্মকে ঋদ্ধ করে যেতে হবে। রবীন্দ্রনাথ শুধু কবি, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার, অভিনেতা বা চিত্র শিল্পী তা নন, তিনি একটি দর্শন। যে দর্শনে  আমাদের সামনে এগোতে হবে । তিনি ভাষা সাহিত্যে আমাদের সমাজকে, জীবনকে সাজিয়ে গেলেন আর রাজনৈতিকভাবে সেটা পরিপূর্ণ করে গেলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান” ।

    তিনি আরো বলেন, “সবকিছু মিলে রবীন্দ্রনাথকে আমাদের জীবনে অত্যন্ত প্রয়োজন, বলা হয় ইংরেজদের বাড়িতে দুটি বই থাকে একটি হলো তাদের পবিত্রগ্রন্থ বাইবেল এবং অন্যটি হলো সেক্সপিয়ারের রচনাবলী। আমাদের ঘরে আমাদের ধর্মগ্রন্থের পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল আরো অনেকে আসতে পারে, তবে এ দুজনকেতো অবশ্যই স্থান দিতেই হবে।”

     

    ২য় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্র পরিবেশনা। শুরুতেই যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন ইফতেখার আনোয়ার এবং যন্ত্রশিল্পীবৃন্দ ‘তোমার খোলা হাওয়া’। এরপর ‘এসো শ্যামল সুন্দর’ সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল। গান ও কবিতা পরিবেশন করেন সামিউল ইসলাম পুলক এবং মাহনাজ করিম হোসেন ‘প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ’। একক সংগীত পরিবেশন করেন অনিমা রায় এবং ফাহিম হোসেন চৌধুরী ‘আজি প্রণমি তোমারে’, ‘তোমারেই করিয়াছি’, ‘জীবনের ধ্রুবতারা’। একক সংগীত পরিবেশন করেন জনাব জান্নাত আরা হেনরি।  এরপর সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু-কিশোর সংগীত দল ‘আজি ধানের ক্ষেতে’; এবং ‘ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি’; সবশেষে ‘বাল্মিকী প্রতিভা’ নৃত্যনাট্য পরিবেশন করে পি.এফ.ডিএর ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের শিশুরা।

    সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ২৫শে- ২৭ বৈশাখ ১৪৩১/ ৮-১০ মে ২০২৪ পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। আগামিকাল ১০ মে ২০২৪ সকাল ১০ টায় সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে।

  • শিল্পকলায় আলোচনা, গান ও কবিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপিত

    শিল্পকলায় আলোচনা, গান ও কবিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে সকাল ১১.০০টায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। আলোচনায় অংশ নেন সাবেক অধ্যক্ষ এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুহম্মদ শফিকুর রহমান, যিনি ১৯৭১ সালের সেই সময় মুজিবনগর সরকার গঠনের পর মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় ঐতিহাসিক মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। আলোচক হিসেবে আরো ছিলেন মামুন সিদ্দিকী বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

    আলোচনায় প্রধান আলোচক হিসেবে মুহম্মদ শফিকুর রহমান ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের বর্ণনা তুলে ধরে বলেন, “আমি তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর ২৬ শে মার্চ থেকেই দেশব্যাপী যুদ্ধের আলোড়ন তৈরি হয় এর মধ্যেই আমরা জানলাম যে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছে ১০ তারিখ এবং শপথ গ্রহণ হবে ১৭ই এপ্রিল। তখন আমরা আমাদের ছাত্র ভাইদের সহকারে মুজিব নগরের আম্রকাননে সমবেত হই এবং সেখানে এককোণ থেকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ও প্যারেড সবকিছু প্রত্যক্ষ করি, তখন অন্যরকম একটা উত্তেজনা, উৎসাহ, উদ্দীপনা আমাদের মধ্যে কাজ করেছে যেনো আমরা প্রকৃতপক্ষেই যুদ্ধরত অবস্থায় আছি”। তিনি আরো বলেন, “মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন দিয়ে, মা-বোনদের ত্যাগের বিনিময়ে এই দেশকে স্বাধীন করেছে। এ স্বাধীনতাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে, দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।

    আলোচক মামুন সিদ্দিকী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ডাকে তাঁর নেতৃত্বে যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এই সময়ে এসেও অনেকে জাতীয় চার নেতা এবং বঙ্গবন্ধুর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেন যা সঠিক নয়।”

    পরে সভাপতির বক্তব্যে একাডেমির সচিব বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে আমরা এ বাংলাদেশ পেয়েছি। আমাদের যাবতীয় অধিকার, সব রকমের নাগরিক সুযোগ সুবিধা সমস্ত কিছু নিশ্চিত হয়েছে এ স্বাধীনতার মধ্যে দিয়ে। আমাদের স্বাধীনতা কিভাবে অর্জিত হয়েছে তার নেপথ্য ইতিহাস আমাদের জানা জরুরি এবং এই ধারণাটিকেই শিল্পকলা একাডেমি লালন ও চর্চা করে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং মুক্তিসংগ্রামের যে ধারাবাহিক পরম্পরা, যে ঘটনাপ্রবাহ আছে তা আমাদের নতুন প্রজন্মকে জানলে তারা দেশেপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হবে। তারা সঠিক বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধূর স্বপ্নের বাংলাদেশ, সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে” । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন একাডেমির কর্মকর্তা সৌম্য সালেক।

    আলোচনা পর্বের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের কবিতা আবৃত্তি করেন মীর বরকত এবং মুক্তির গান পরিবেশন করেন ঢাকা সাংস্কৃতিক দল।

  • পহেলা বৈশাখে বাংলাদেশ শিল্পকলার বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

    পহেলা বৈশাখে বাংলাদেশ শিল্পকলার বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: ১৪৩১ এর প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ বরণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সকাল ১১.০০ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে লোকসাংস্কৃতিক পরিবেশনা। জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত বর্ষবরণের আলোচনায় প্রধান আলোচক ছিলেন  জনাব মফিদুল হক, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক এবং ট্রাস্টি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। আলোচনায় বক্তারা বলেন, “বাঙালির চেতনাবোধ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এর নানামুখী আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য তুলে ধরতে হবে। বাঙালির অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ নানা রঙে, নানা রুপে কল্যাণ হয়ে ফিরে আসুক সকলের মাঝে” ।

    সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্বের পর শুরু হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত সঙ্গীত ”তুমি নির্মল করো, মঙ্গল করে”, পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির  শিশু সঙ্গীত দল। পরিচালনায় ছিলেন মুহাম্মদ আনিসুর রহমান।

    এরপর সমবেত “নৃত্য এসো হে বৈশাখ এসো এসো” পরিবেশন করে স্পন্দন নৃত্যদল, নৃত্য পরিচালনা করেছেন অনিক বোস। একাডেমির নৃত্যশিল্পী এস কে জাহিদ এর পরিচালনায়  সমবেত ঢাক নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল। এরপর বাংলাদেশ  শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ পরিবেশনা কালচারাল হেরিটেজ অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনায় ছিলেন খন্দকার ফরহানা রহমান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু নৃত্যদল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য “আমরা সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরী”, পরিচালনা করেন এস কে জাহিদ। সবশেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু সঙ্গীত দল পরিবেশন করে সমবেত সঙ্গীত “এসো হে বৈশাখ এসো, এসো,”  অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন  তামান্না তিথী।

    বিপুল সংখ্যক দর্শক পহেলা বৈশাকের এই অনুষ্ঠান উপভোগ করে।

  • প্রথমবারের মতো শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা ও শিল্পীদের প্রশিক্ষণ কোর্স

    প্রথমবারের মতো শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা ও শিল্পীদের প্রশিক্ষণ কোর্স

    www.HelloBangla.News – বিনোদন  – ৬ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে প্রথমবারের মতো ২০২২ সালে নিয়োগকৃত ৩৫ জন কর্মকর্তা ও শিল্পীদের নিয়ে বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৮ মার্চ ২০২৪ থেকে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ চলে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষক হিসেবে এতে অংশ নেন।

    প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আইন, প্রবিধানমালা, সচিবালয় নির্দেশনা, নথি ব্যবস্থাপনা, ই-গর্ভানেন্স, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, বাজেট প্রস্তুতি, দুদক আইন ও প্রতিরোধ, প্রজেক্ট এপ্রাইজাল এন্ড ফিজিবিলিটি, ডি-নথি, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, ডিপিপি, সিটিজেন চার্টার, অভিযোগ, প্রতিকার ব্যবস্থাপনা, অডিট, জাতীয় সংস্কৃতি নীতিমালা, আর্থিক বিধি বিধান, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি, সংবিধান, আইন, বিধি, মন্ত্রণালয়/বিভাগ/স্বায়ত্বশাসিত দপ্তর ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কার্যক্রম, স্মার্ট বাংলাদেশ ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, এসিআর, আয়করসহ অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা এবং লোক সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকসহ দাপ্তরিক ও সংস্কৃতির নানা বিষয়ের উপর এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে অনুষ্ঠিত হয়েছে মুল্যায়ন পরীক্ষা ও বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা।

    এতে ১০ জন জেলা কালচারাল অফিসার, জনসংযোগ কর্মকর্তা, ৩ জন ইন্সট্রাক্টর, ৪ কন্ঠশিল্পী, ৫ নৃত্য শিল্পী ও ৭ যন্ত্রশিল্পী, ৩ জন সহকারী পরিচালক, সেট ডিজাইনার ও লাইট ডিজাইনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪.৩০ পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একাডেমির কর্মকর্তা ও শিল্পীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রায় ২০ দিনের এ প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান করেছেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এসময় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

    সনদ প্রদান শেষে বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বলেন “প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের দক্ষতা বাড়লে সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠানের কাজ ও সেবা প্রদানের মান বৃদ্ধি পাবে ফলে এর সুফল পাবে সবাই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জানা অব্যাহত রাখতে হবে। এই রুচি বিভক্ত সমাজে, শৈল্পিক সমস্ত কিছু প্রতিষ্ঠা করা আমাদের কাজ”।

    তিনি আরো বলেন, “আমরা গণজাগরণের মাধ্যমে শিল্প সমাজ তৈরী করতে চাই, সংস্কৃতির যে বিষয়গুলো লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো সংরক্ষণ করা আমাদের কাজ। এছাড়া একাডেমির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে যেভাবে কাজ করছি তা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দিতে কাজ করতে হবে”।

    প্রশিক্ষণের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ এবং সমন্বয় করেছেন সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর প্রদ্যুৱ কুমার ও গবেষণা বিভাগের উপপরিচালক আফজাল হোসেন।

  • বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে পালিত হলো জাতীয় গণহত্যা দিবস

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে পালিত হলো জাতীয় গণহত্যা দিবস

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ মার্চ, ২০২৪: আমাদের শক্তি একটাই, শিল্প নির্মাণ, আমরা এই জাতিকে মুক্তিযুদ্ধ ভুলতে দেবো না, তাহলে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে আমরা দায়বদ্ধ থাকবো।’- লিয়াকত আলী লাকী, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে  দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সেমিনার, সংলাপ, আর্ট ক্যাম্প, গণহত্যার পরিবেশ থিয়েটার প্রযোজনার পোস্টার ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়েছে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায়।

    National Genocide Day observed in the arts - Entertainment - 26 March 2024 (2)
    National Genocide Day observed in the arts – Entertainment – 26 March 2024 (2)

    শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক সংস্কৃতিজনদের নিয়ে বিকাল ৩.৩০ টায় একাডেমির সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংলাপ। জাতিসংঘ-কর্তৃক ২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ ঘোষণার দাবিতে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’-এ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির “সংলাপ: গণহত্যার বিশ্ব-রাজনীতি ও বাংলাদেশ গণহত্যা: ভুলে থাকা সাংস্কৃতিক দায়” অনুষ্ঠিতত হয়েছে। সংলাপে অংশ নিয়েছিলেন জাহিদ রেজা নূর, সিনিয়র সাংবাদিক; মাহবুবুল হক, অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; চঞ্চল আশরাফ, লেখক ও গবেষক; সিরাজ সালেকীন অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; মাতিয়া বানু শুকু নাট্যকার, চলচ্চিত্র প্রযোজক; নূরুল আলম আতিক, লেখক ও চলচ্চিত্রকার; জাফর আহমদ রাশেদ লেখক, গবেষক, সম্পাদক; নজরুল ইসলাম মিঠু, সিনিয়র সহ-সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন; নজরুল কবির জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক; এন রাশেদ চৌধুরী চলচ্চিত্রকার, চলচ্চিত্র আন্দোলন কর্মী; জ্যোতিকা পাল জ্যোতি অভিনেত্রী; পরিচালক, গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগ, বাশিএ। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেলিম মোজাহার অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। সভাপতি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সচিব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ।

    সভাপতির বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা এ ধরনের সংলাপ  নিয়ে আরো বসতে চাই,  আমরা মনে করি আমাদের শিল্পী কবি সাহিত্যিকরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিস্মৃত হয় নি। শুধু একটি সেমিনার করার জন্য আমরা এই অনুষ্ঠান করিনি। আমাদের শক্তি একটাই, শিল্প নির্মাণ, আমরা এই জাতিকে মুক্তিযুদ্ধ ভুলতে দেবো না, তাহলে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে আমরা দায়বদ্ধ থাকবো।’

    সন্ধ্যা ৭.১৫ মিনিটে উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের বরেণ্য, বিশিষ্ট ও প্রতিশ্রুতিশীল চারুশিল্পীদের আঁকা চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর। জাতীয় চিত্রশালার ১ নং গ্যালারীতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। ১৯৭১ সালে রাজধানীতে সংগঠিত গণহত্যার স্থান গুলোর মধ্যে রাজারবাগ পুলিশ লাইন, মিরপুর জল্লাদখানা, রায়েরবাজার বধ্যভূমি, রোকেয়া হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ২৩ মার্চ ২০২৪ অনুষ্ঠিত আর্ট ক্যাম্প থেকে সংগৃহীত চিত্রকর্মগুলো এ প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। ২৫-৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীতে থাকবে গণহত্যার পরিবেশ থিয়েটার প্রযোজনার পোস্টার ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

    রাত ৭.৩০ মিনিটে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, আলোচক হিসেবে ছিলেন ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সভাপতি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির  মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সচিব সালাউদ্দিন আহাম্মদ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় সমবেত ও একক সঙ্গীত, কবিতা আবৃত্তি।

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে শিল্পকলার আয়োজন

    বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে শিল্পকলার আয়োজন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৮ মার্চ, ২০২৪: ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আর্টক্যাম্প, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

    গতকাল ১৭ মার্চ (রবিবার) সকাল ৯ টায় ধানমন্ডি ৩২ এ অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান একাডেমির কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। সকাল ১০টায় জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় শিশুদের অংশগ্রহণে আর্টক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ২০০ শিশু চিত্রশিল্পীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আর্টক্যাম্প এর বিষয় ছিলো “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ”। পরবর্তিতে ছবিগুলো নিয়ে জাতীয় চিত্রশালার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

    Arts organized on Bangabandhu's birth anniversary - Entertainment - 18 March 2024
    Arts organized on Bangabandhu’s birth anniversary – Entertainment – 18 March 2024

    এরপর সকাল ১১টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। বিশেষ অতিধি একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

    আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিশু তৃয়াশা সরকার এবং শিশু বক্তা ছিলেন তমীম আহমেদ বৃন্ত ও জারিন তাসনিম প্রিয়ন্তী। সভাপতিত্ব করেন শিশু তাহফীম যুনাইরাহ্ আনশী। আলোচনা শেষে শিশু শিল্পীদের পরিবেশনায় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশু শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটক পরিবেশন করেন।

    সমবেত সংগীত ‘ধন্য মুজিব ধন্য’ ও ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে’ পরিবেশন করেন একাডেমির শিশু সংগীত দল। একাডেমির শিশু নৃত্য দলের শিল্পীরা ‘আমি ধন্য হয়েছি’ ও ‘চলো বাংলাদেশ’ গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন। একক সংগীত ‘তুমি চেনা পাখি, ঘুম ভেঙ্গে দেখি’ পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী রবিউল ইসলামা শান্ত। পিপলস লিটল থিয়েটারের শিশু শিল্পীরা পরিবেশন করেন নাটক ‘বাংলার মুখ’ ও ‘বুলিং’।

    দ্বৈত সংগীত ‘বঙ্গবন্ধু তুমি আমার সোনার বাংলা’ পরিবেশন করেন শিশুশিল্পী সুতপা রহমান শিতি ও মাহির আজমাঈন ইভান। দ্বৈত সংগীত ‘আজ যে শিশু’ পরিবেশন করেন শিশুশিল্পী নাবিদ রহমান তূয্য ও নওশীন তাবানসুম তৃণা। জাদু পরিবেশন করেন মো. আরিফ আজগর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহাদিয়া রহমান মারিশা ও নাবিদ রহমান তূয্য।