Tag: শিক্ষা

  • খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ মার্চ, ২০২৪: খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হবে, বলে জানয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনে বলেন, ‘লেখাপড়া খুবই দরকার কিন্তু এই লেখাপড়ার নামে তাদের ওপর কোন চাপ সৃষ্টি করবেন না। আমরা এখন চাচ্ছি খেলাধুলা এবং নানা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়েই তারা তাদের লেখাপড়া শিখবে। যাতে তার ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা বিকাশের সুযোগ হয়।’

    শেখ হাসিনা আজ রবিবার(১৭ মার্চ) সকালে জাতির পিতার সমাধি সৌধ প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং ‘জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে একথা বলেন।

    জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শিশুকাল থেকেই সততা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা, জাতীয় দিবসগুলো সম্পর্কে শিক্ষাদান এবং রাস্তায় চলার নিয়ম কানুন তথা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সম্যক ধারনা ছোটবেলা থেকেই প্রদানের জন্যও অভিভাবক-শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

    সরকার প্রধান বলেন, “আজকের শিশুদের কাছে এটাই আমার অনুরোধ গুরুজনদের মানতে হবে, শিক্ষককে মানতে হবে, বাবা-মা’র কথা শুনে চলতে হবে, বাবা মা’র সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। তাহলে কেউ বিপথে যাবে না।”

    তিনি বলেন, “সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির থেকে দূরে থাকার জন্য ছোটবেলা থেকেই সততার শিক্ষা দিতে হবে। সেই সাথে গান-বাজনা ও লেখাপড়া, ছবি আঁকা থেকে শুরু করে ধর্মীয় শিক্ষাসহ সব ধরনের কারিকুলামের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অভিভাবক ও শিক্ষক আপনাদের কাছেও আমার এই অনুরোধ থাকবে ছোটবেলা থেকেই তাদের ভেতরে যেন মানবিক গুণগুলো গড়ে উঠতে পারে সেদিকে যেমন দেখবেন তেমনি এই শিশুদের ভেতরে যে সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা রয়েছে সেই সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগ যেন তারা পেতে পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখবেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখন তো শিশুরা বিশ্বকে চোখের সামনে দেখতে পায়। কাজেই ক্লাসে শুধু বই পড়া নয়, চোখে দেখেও যেন তারা শিখতে পারে। আর আজকের শিশুরাই হবে আগামী দিনের ‘স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক’। আর সেটাই আমাদের সরকারের কাম্য।”

    তিনি বলেন, “আমি চাই আমাদের দেশের প্রতিটি শিশু যাতে সুন্দর, নিরাপদ এবং উন্নত জীবন পায় সেটাই আমার সরকারের কাম্য।”

    মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রীমি) বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক স্বাগত বক্তৃতা করেন। শিশু বক্তা তায়্যেবা তাসনীমও স্বাগত বক্তৃতা করেন। অপর শিশু পিয়াসা জামিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আব্দুর রহমান এবং লামিয়াতুল বারী শিশুদের এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু ও শিশু অধিকার শীর্ষক একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস -২০২৪ উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    এ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলার ১০৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে মোট ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার টাকা করে। নির্বাচিত দুই শিক্ষার্থী-টুঙ্গিপাড়া উপজেলার মুশফিকা জান্নাতী ও কোটালীপাড়া উপজেলার আরাফাত শেখ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন।

    আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী। সারাদেশে দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে জাতির পিতার জবানিতে তাঁর বাবার (শেখ লুৎফর রহমান) প্রণিধানযোগ্য উপদেশ উদ্ধৃতি করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণে সততায় ব্রতী হবার জন্য কোমলমতিদের প্রতি আহবান জানান।

    ‘সেখানে আমার দাদা কিন্তু একটা কথাই বলেছেন- যাই কিছু করো পড়াশোনা করতে হবে। লেখাপড়া শিখতে হবে। লেখাপড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হতে হবে,এটাই তাঁর উপদেশ ছিল বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। অর্থাৎ ‘সিনসিয়েরিটি অব পারপাস এন্ড অনেস্টি অব পারপাস’ এই দু’টো যদি থাকে জীবনে কখনো ব্যর্থ হবে না। সবসময় সফলতা আসবে।

    তিনি বলেন, “সততা এবং আন্তরিকতা থাকলে যে কোন কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব।”

    প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে শিশুকাল থেকেই কোমলমতিরা রাস্তায় চলার উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে পারে সেই শিক্ষা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিভাবকসহ সকল মহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    তিনি বলেন, “এ সম্পর্কে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষা দেওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন। যাতে তারা কোন দুর্ঘটনার শিকার হতে না পারে। এজন্য আইন এবং রাস্তায় চলাচল সম্পর্কে সম্যক শিক্ষা প্রদান করা একান্তভাবে দরকার। পাশাপাশি শিশুদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার শিক্ষা দিতে হবে। অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশুদের সঙ্গে কেউ যেন দুর্ব্যবহার না করে বরং সহানুভূতিশীল দৃষ্টি দিয়ে দেখে তাদের যেন আপন করে নেয় সেজন্য ও ছোটবেলা থেকে শিক্ষা দিতে হবে। যেকোনো অপচয় রোধ করা তাদের শিক্ষা দিতে হবে। তাহলেই তাদের মানুষের মতো মানুষ এবং মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে গড়ে তোলা যাবে।”

    তিনি এ সময় জাতীয় দিবসগুলো সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অভিভাবক শিক্ষক সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন তাহলে আমাদের শিশু কিশোর বা ছাত্ররা এই বিষয়গুলো জানবে না কেন? প্রশ্ন করা হলে তারা এড়িয়ে যাবে কেন? কাজেই এই শিক্ষাগুলো তাদেরকে যথাযথভাবে দিতে হবে। বিজয় জাতি আমরা। আমরা কী করে ভুলে যাব যে যুদ্ধ করে আমরা এই দেশকে স্বাধীন করেছি।”

    তিনি বলেন, “আমাদের সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ ‘উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চায় যার নেতৃত্ব দেবে আজকের শিশুরা। সেভাবে আমরা তাদেরকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মত উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। একই সাথে ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা এই গুলোর দিকেও মনোনিবেশ করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে গাজায় শিশু ও নারীদের যে অবস্থা আমরা দেখি, আমি জানিনা তা বিশ্ব বিবেক কেন নাড়া দেয়না,সেটাই আমার প্রশ্ন।”

    বাংলাদেশ সবসময় নির্যাতিতদের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের সংঘাত চলাকালে বাস্তুচ্যুত নারী-শিশুসহ ১০ লাখের অধিক মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন।

  • এবার কোন দেশে রোজার সময় বেশি, কোন দেশে কম

    এবার কোন দেশে রোজার সময় বেশি, কোন দেশে কম

    প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাস প্রায় ১০ দিন করে এগিয়ে আসে। সাধারণত, গ্রীষ্মকালে দিন অনেক বড় হয় এবং শীতকালের দিকে যত এগোয়, দিনের ব্যপ্তি তত কমতে থাকে। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেকের বেশি অংশে তীব্র গরমে রোজা শুরু হয় এবং শেষ দিকে অনেকটা শীতল আবহাওয়া বিরাজ করে। এবারের রমজান মাসে ১০০ কোটিরও বেশি মুসলিম রোজা রাখবেন। এবারের রোজায় সবচেয়ে বড় ও ছোট দিন কোন দেশগুলোতে-

     যে দেশে রোজা সব চেয়ে দীর্ঘ

    নরডিক দেশ আইসল্যান্ডে এবার সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা থাকবেন রোজাদাররা। দেশটিতে গড়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা ৫০ মিনিট রোজা রাখতে হবে তাদের। তিউনিসিয়ার মুসলিমরা রোজা রাখবেন প্রায় ১৫ ঘণ্টা।

    এছাড়া মধ্য প্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখতে হবে।

    যে দেশগুলোতে সবচেয়ে কম সময় রোজা

    এবারের রমজানে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে সবচেয়ে কম সময় রোজা রাখতে হবে। চিলির মুসলিমরা গড়ে প্রতিদিন সাড়ে ১১ ঘণ্টা রোজা রাখবেন।

    এছাড়া মানচিত্রের দক্ষিণের দেশগুলো, যেমন- নিউ জিল্যান্ড, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকাতেও রোজার সময় কম। দেশগুলোতে গড়ে প্রতিদিন ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা রোজা রাখতে হবে।

    যেসব দেশে রাতই হয় না, তারা কীভাবে রোজা রাখেন?

    পৃথিবীর কিছু দেশের দিন ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় হয়ে থাকে। তবে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তো রোজা রাখা সম্ভব না। তাহলে এক্ষেত্রে কী করেন তারা?  ফতোয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেসব দেশে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের ব্যবধান ৩ ঘণ্টার চেয়ে কম, তারা অন্য কোনও শহরের ইফতার ও সেহরির সময় অনুসরণ করতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা মক্কা শহরের সময়সূচী অনুসরণ করে রোজা পালন করে থাকেন।

    এমন দেশের একটি হলো গ্রিনল্যান্ড। এখানকার মুসলিমরা সৌদি আরবের মক্কার সময় অনুসরণ করে সেহরি ও ইফতার করেন।

    সূত্র: দ্য ন্যাশনাল  

  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কয়েকটির পিএইচডি দিতে পারার, গবেষণা করার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কাজেই আমরা ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো। যে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সক্ষমতা তৈরি হয়েছে এবং কার কোন বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে বিবেচনা করেই কাজটি শুরু করা উচিত। খুব শিগরিই ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো।

    রবিবার (১৯ মার্চ) ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ২৩তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল-পিএইডি ডিগ্রি দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় এবং যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এমফিল-পিএইচডি করাতে পারবে বলে জানান তিনি।

    সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এডুকেশন সায়েন্স টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট-এর ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস সালমা করিম, আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকার, , আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসান। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এতে আইইউবির ট্রাস্টি, অভিভাবক এবং আইইউবির শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চাই। শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার কোনও বিকল্প নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত মান উন্নয়নের কাজ চলছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। দেশের উন্নয়নে আমাদের দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। সে কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। উচ্চশিক্ষায় সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ রয়েছে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সক্ষমতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছি, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠন করেছি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকশেন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করেছি, ব্লান্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান তৈরি করা হয়েছে, শিক্ষা নিয়োগের ন্যূনতম যোগ্যতা নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে, বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অ্যাকাডেমিক মাস্টার প্লান প্রণয়ন করা, গবেষণাকে উৎসাহ প্রদানে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার ও উদ্ভাবনী ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লাইব্রেরি সুবিধা বিস্তৃতকরণ ও আবাসিক সুবিধা বৃদ্ধি, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ আসন সংখ্যা নির্দিষ্ট করা, ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিয়া সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্ম জগতের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স কারিকুলাম প্রণয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ইনস্টিটিউট প্রণয়নসহ উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।’

  • দ্রুত এবং স্মার্টলি শেখার কৌশল

    দ্রুত এবং স্মার্টলি শেখার কৌশল

    দ্রুত শেখা একটি দক্ষতা যা জীবনের সকল ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে। আপনি পরীক্ষায় সফল হওয়ার চেষ্টা করছেন এমন একজন শিক্ষার্থী? নতুন দক্ষতা বিকাশের চেষ্টাকারী একজন পেশাদার? বা শুধুমাত্র এমন কেউ যিনি তাদের জ্ঞানের ভিত্তি প্রসারিত করতে চান? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্যেই। দ্রুত শেখা একটি মূল্যবান সম্পদ হতে পারে। এখান থেকে আমরা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে শেখার জন্য কিছু টিপস এবং কৌশল খুঁজে বের করবো।

    আপনার শেখার শৈলী সনাক্ত করুন

    প্রত্যেকে আলাদাভাবে শেখে, এবং আপনার শেখার শৈলী বোঝা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। কিছু লোক ভিজ্যুয়াল লার্নার যারা দেখে শিখে, অন্যরা শ্রবণ বা কাইনেস্থেটিক উপায়ে আরও ভাল শিখে। একবার আপনি আপনার শেখার শৈলী সনাক্ত করার পরে, আপনি সেই শৈলীটি পূরণ করে এমন কৌশলগুলিতে ফোকাস করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, তথ্য সংগঠিত করার জন্য ভিজ্যুয়াল লার্নার্স ডায়াগ্রাম বা মাইন্ড ম্যাপ ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারে। যেমন, কাইনেস্থেটিক শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে উপলব্ধিগত কার্যক্রম পছন্দ করতে পারে।

    স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

    মনের মধ্যে একটি পরিষ্কার লক্ষ্য থাকা আপনাকে শিখতে অনুপ্রাণিত করে। আপনি কী অর্জন করতে চান তা নির্ধারণ করুন। এবং নির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি একটি নতুন ভাষা শিখছেন, তাহলে প্রতিদিন ১০ টি নতুন শব্দ শেখার বা প্রতি সপ্তাহে একটি বিদেশী ভাষার বইয়ের নির্দিষ্ট সংখ্যক পৃষ্ঠা পড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একটি পরিষ্কার লক্ষ্য মাথায় রাখা, আপনাকে ট্র্যাকে থাকতে সহায়তা করতে পারে।

    সক্রিয় শেখার কৌশল ব্যবহার করুন

    একজন সক্রিয় শিক্ষার্থী কৌতুহলী হয় এবং প্রশ্ন করে। তথ্যগুলোকে গুছিয়ে নিয়ে স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করুন। সেগুলোর থেকে নোট করা, সংক্ষিপ্ত করার মাধ্যমে তা নিজের পরিবেশ বা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সামঞ্জস্যতা ঘটান। এভাবে বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে আপনার শিক্ষাকে নিয়ে আসুন। সেই জ্ঞান অন্যান্যদের সাথে ভাগ করে নিতে আনন্দ লাভ করুন। যা শিখলেন বা অর্জন করলেন সেটাকে বারবার স্মরণ করুন।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফোকাস

    আপনি যখন দ্রুত কিছু শেখার চেষ্টা করছেন, তখন মনোযোগকে বিক্ষিপ্ত করে এমন কোনো বস্তু বা পরিবেশের থেকে সরে আসতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তথ্যের উপর ফোকাস করা। তথ্যগুলোর মূল বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দিন এবং বিশদ বিবরণে আটকাবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত সনাক্ত করতে, স্কিমিং এবং স্ক্যান করার মতো কৌশলগুলি ব্যবহার করুন। তারপর সেই ক্ষেত্রগুলির আরও গভীরে যান৷

    বিরতি নিন

    আপনি যখন দ্রুত শেখার চেষ্টা করছেন তখন আপনার মস্তিষ্ককে বিরতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বিরতি নেওয়া আসলে শেখা এবং মনে রাখাকে উন্নতি করতে পারে। প্রতি ঘন্টায় একটি ছোট বিরতি নিন এবং সেই সময়টিকে আরামদায়ক বা আনন্দদায়ক কিছু করতে ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে আপনার ব্যাটারি রিচার্জ করতে এবং নতুন উদ্যোমে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।

    নিয়মিত অনুশীলন করুন

    দ্রুত এবং কার্যকরভাবে শেখার জন্য নিয়মিত অনুশীলন অপরিহার্য। আপনি যা শিখছেন তা অনুশীলন করার জন্য প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় আলাদা করুন। নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ই মানুষকে তাঁর কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছে দেয়। তাই নিত্য অনুশীলনকে অভ্যাসে পরিণত করুন। এটি আপনার গতিবেগ তৈরি করতে এবং দ্রুত লক্ষ্যে পৌছাতে সাহায্য করবে।

    দ্রুত শেখা একটি মূল্যবান দক্ষতা যা অনুশীলন এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিকাশিত হয়। উপরের কৌশলগুলো কাজে লাগিয়ে সহজেই দ্রুত সময়ে শেখা সম্ভব। মনে রাখতে হবে- ধৈর্যশীল এবং অবিচল থাকতে হবে। শেখার জন্য প্রশ্ন করতে ভয় পাওয়া যাবে না। সঠিক পদ্ধতির সাথে, আপনি দ্রুত এবং কার্যকরভাবে শিখতে পারবেন।

  • জেনে আসুন, দেখে আসুন- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

    জেনে আসুন, দেখে আসুন- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

    ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর (Liberation War Museum)। বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে কয়েকজন মুক্তিপাগল মানুষের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বস্তুর এক দুর্লভ সংগ্রহশালা। ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ বেসরকারি উদ্যোগে ঢাকার সেগুনবাগিচার একটি ভাড়া বাসায় প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অসংখ্য মানুষের সমর্থন ও সহায়তায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বর্তমানে পনেরো হাজারেরও অধিক সংগ্রহ রয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়।

    প্রায় আড়াই বিঘা জমির উপর আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নতুন ভবনের গ্যালারিগুলো মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও ইতিহাসের রুপে সাজানো হয়েছে। প্রায় ২১ হাজার বর্গফুট আয়তনের চারটি গ্যালারীতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী নানা স্মারকের মধ্যে রয়েছে দেহাবশেষ, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের ব্যবহৃত সামগ্রী, মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত বিমান ও হেলিকপ্টার, আলোকচিত্র, অস্ত্র, দলিল, চিঠিপত্র ইত্যাদি মিলিয়ে ১৭ হাজারের বেশি নিদর্শন রয়েছে। এছাড়া জাদুঘরের প্রথম তলায় শিখা অম্লানের পাশেই আছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতার ব্রোঞ্জের তৈরি ম্যুরাল স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।

    প্রথম গ্যালারির নাম “আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংগ্রাম’। এই গ্যালারিতে সংগৃহীত আছে প্রাচীন বঙ্গের মানচিত্র, পোড়ামাটির শিল্প, টেরাকোটা, নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন, ব্রিটিশ আমল ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রেক্ষাপট এবং সত্তরের সাধারণ নির্বাচনের নানা স্মারক।

    দ্বিতীয় গ্যালারির নাম “আমাদের অধিকার, আমাদের ত্যাগ”। এই গ্যালারীতে আছে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের বিশাল আলোকচিত্র, ভাষণের ভিডিও চিত্র, আওয়ামী লীগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার নানা নিদর্শন।

    তৃতীয় গ্যালারির নাম “আমাদের যুদ্ধ, আমাদের মিত্র’। এই গ্যালারীতে যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের জীবনযাত্রা, বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের প্রিন্ট, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, রাজাকারদের তৎপরতা, মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলাযুদ্ধের আশ্রয়স্থল এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সহায়তাকারী দেশে-বিদেশের বিভিন্ন নিদর্শন রয়েছে।

    আর চতুর্থ ও সর্বশেষ গ্যালারিটির নাম ‘আমাদের জয়, আমাদের মূল্যবোধ’ এতে আছে নৌযুদ্ধের বিভিন্ন নিদর্শ্ন। বিলোনিয়ার যুদ্ধের রেলস্টেশনের রেলিং, ট্রলি ইত্যাদি। এছাড়া আছে মিত্রবাহিনীর ছত্রীসেনাদের আক্রমণ, দগ্ধ বাড়িঘর। সবশেষে বিজয় অর্জন। শেষ হয়েছে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের অনুলিপিটি দিয়ে।

    ভ্রাম্যমান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদবুদ্ধ করতে ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় জেলায় ঘুরে প্রদর্শণী করা হয়। ২০০১ সাল থেকে দু’টি বড় বাসের মাধ্যমে এ ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর ইতিমধ্যেই ৬৪ জেলা ভ্রমন করেছে, তুলে ধরেছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস।

    প্রবেশ টিকেট মূল্য ও সময়সূচী

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রবেশের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। সপ্তাহের প্রতি রবিবার বাদে জাদুঘরটি গ্রীষ্মকালীন (মার্চ-সেপ্টেম্বর) সময়ে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শীতকালীন (অক্টবর-ফেব্রুয়ারী) সময়ে সকাল ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।

  • শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে তৃতীয় শ্রেণি থেকে : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে তৃতীয় শ্রেণি থেকে : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি বলেছেন, তৃতীয় শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে। এছাড়া ৬ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কোডিং, ডিজাইন- এগুলো শেখানো হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে আমরা শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করছি। প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করেছি, সেটি চালু হয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ প্রাথমিক ও পুরো মাধ্যমিকে বাস্তবায়ন হবে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) রাজধানীর আফতাব নগরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন,  প্রতিটি পর্যায়ে বয়স অনুযায়ী সকল শিক্ষার্থী যত বিষয়ই পড়ুক না কেন, ভাষা, আইসিটি, সফট স্কিল শিখবে। ফলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আর ধাক্কা খাবে না।

    তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা আগে মুখস্থ করতো, আত্মস্থ করতে পারতো না। এখন আনন্দের মধ্যদিয়ে শিখবে। অভিজ্ঞতাভিত্তিক সক্রিয় শিখন হবে। যা শিখবে বাস্তবে তা প্রয়োগ করতে শিখবে। এতে পরীক্ষাভীতি আর থাকবে না। পরীক্ষা কিছু থাকবে কিন্তু অধিকাংশই হবে ধারাবাহিক মূল্যায়ন।’

    ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন অধ্যাপক রওনক জাহান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা ভিসি অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যান্য সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান, প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক মামুন, ট্রেজারার ইশফাক ইলাহী চৌধুরীসহ শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস