Tag: রিয়াল

  • বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে রিয়াল

    বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে রিয়াল

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২২ এপ্রিল, ২০২৪: বার্সেলোনার মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফেরে ফিরল রিয়াল মাদ্রিদ। দুইবার পিছিয়ে পড়ার পরও শেষ মুহূর্তে সেই বেলিংহ্যামই রিয়ালকে ভাসান জয়ের উল্লাসে। তার গোলে ভর করে ঘরের মাটিতে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় পায় রিয়াল।ফালে লা লিগার শিরোপার আরও কাছাকাছি চলে গেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। এ নিয়ে শেষ চার দেখায় ৪ টিতেই হারলো বার্সা।

    সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। রাফিনিয়ার ক্রস থেকে দারুণ হেডে গোলটি করেন ক্রিস্টেনসেন। সমতায় ফিরতে অবশ্য বেশি দেরি করেনি রিয়াল। ১৬তম মিনিটে জোয়াও কানসেলোকে পাশ কাটিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন লুকাস ভাসকেস। কিন্তু তাকে ফাউল করেন কুবারসি। পেনাল্টি পেয়ে গোল করতে কোনো ভুল করেননি ভিনিসিয়ুস।

    ২৮তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যাওয়ার খুব কাছাকাছি ছিল বার্সা। লামিন ইয়ামালের ব্যাকহিল ফেরাতে গোললাইনের ভেতরেই ঢুকে পড়েন আন্দ্রি লুনিন। তবে ভিএআর জানায়, বল পুরোপুরি গোললাইন অতিক্রম করার আগেই তা ফিরিয়ে দেন রিয়াল গোলরক্ষক। তাই এ যাত্রায় বেঁচে যায় রিয়াল।

    প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে হয় বার্সা মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংকে। বিরতির পর দুদলই সমান পাল্লায় লড়তে থাকে। তবে এবারও আগে গোলের দেখা  পায় বার্সা। ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের শট লুনিন ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি শটে ঠিকই কাতালানদের এগিয়ে দেন ফারমিন লোপেস। কিন্তু সেই লিড চার মিনিটের বেশি ধরে রাখতে পারেনি সফরকারীরা।  বাঁ প্রান্ত থেকে ভিনির নিখুঁত ক্রসে জোরালো শট নিয়ে বার্সা গোলরক্ষক টার স্টেগানকে পরাস্ত করেন ভাসকেস। ডানপ্রান্তে থাকা বার্সা ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দেকে নিজের উপস্থিতি টেরই পেতে দেননি তিনি।

    সমতায় ফেরার পর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে রিয়াল। বার্সার দুর্গে একের পর এক হানা দেয় তারা। ৭৮ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে স্টেগানকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি ভিনি। তবে রিয়ালের চেষ্টা থেমে থাকেনি। যোগ করা সময়ের  প্রথম মিনিটেই আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ভাসকেসের দূরপাল্লার ক্রস পেছনে থাকা বেলিংহ্যামের জন্য ছেড়ে দেন হোসেলু। তা দেখে বোকা বনে যান বার্সা ডিফেন্ডাররা। এরপর সেই ক্রস থেকে দুর্দান্ত শটে বেলিংহ্যাম গোল করলে তাদের অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে আরও করুণভাবে। যেন কিছুই করার ছিল না তখন!

    ২০০৭ সালে রুড ফন নিস্তরলয়ের পর লা লিগায় নিজের প্রথম দুই এল ক্লাসিকোতে জয়সূচক গোল করা রিয়ালের প্রথম ফুটবলার বেলিংহ্যাম। লা লিগায় চলতি মৌসুমে এটি ইংলিশ মিডফিল্ডারের ১৭তম গোল। সেই গোলে এনে দেওয়া জয়ে ৩২ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল রিয়াল। দুইয়ে থাকা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সার সঙ্গে তাদের ব্যবধানটা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ পয়েন্টে। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে বার্সা। লিগ জয়ের স্বপ্নটা তাদের জন্য বলতে গেলে আরও ফিকে হয়ে গেল।

  • গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন কৃতিত্বে রিয়াল সেমিফাইনালে

    গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন কৃতিত্বে রিয়াল সেমিফাইনালে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ এপ্রিল, ২০২৪: বিশ্বের সেরা দুই ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ উয়েফা চ্যাস্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল । সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে ড্র করে আসার পর সব চোখ ছিল ম্যানচেস্টারের ইতিহাদ স্টেডিয়ামে। সেখানে হতাশ করেনি এই দুই দল। টানটান উত্তেজনায় ভরপুর খেলা অবশ্য শেষ পর্যন্ত গড়ায় টাইব্রেকারে। আর সেখানে গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিনের চমকে জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ।

    রিয়াল গোলকিপার আন্দ্রি লুনিনের কৃতিত্বে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে সেমিতে নাম লেখেয়িছে রিয়াল মাদ্রিদ। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখ।

    বুধবার রাতে ইতিহাদে দ্বিতীয় লেগে টাইব্রেকারের আগে বলতে গেলে পুরো আধিপত্যই ছিল স্বাগতিক ম্যান সিটির। তবে পুরো ম্যাচে আধিপত্য ধরে রেখেও এক গোলের বেশি দিতে পারে নি ফোডেন-ডি ব্রুইনারা। প্রথমার্ধে রদ্রিগোর গোলে রিয়াল এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে সিটিকে সমতায় ফেরান তাদের তালিসমান কেভিন ডি ব্রুইনা। এরপর পুরো ম্যাচ রিয়ালের জমাট রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে গেছে সিটির খেলোয়াড়েরা। তবে রুডিগার-নাচোরা পরাস্ত হননি। রুডিগার-নাচোকে পার করলেও দেয়াল হয়ে দাড়িয়ে ছিলেন রিয়ালের গোলকিপার আন্দ্রি লুনিন। শেষ পর্যন্ত জয়ের নায়কও তিনি।

    সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর মতো ইতিহাদেও রিয়াল প্রথম গোল করে ম্যাচের ১২ মিনিটে। বুদ্ধিদ্বীপ্ত পাসিংয়ে বল চলে যায় রদ্রিগোর পায়ে। তবে তার প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন সিটির ব্রাজিলিয়ান গোলকিপার এডারসন। ফিরতি বল পেয়ে তা জালে জড়াতে আর ভুল করেননি রিয়ালের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

    এরপর বলতে গেলে পুরো ম্যাচ জুড়ে খেলেছে শুধু সিটিই। তবে রিয়ালের জমজমাট রক্ষণে সিটির প্রতিটি আক্রমণ মুখ থুবড়ে পড়ছিল। তবে ৭৬ মিনিটে বদলি ডকুর স্কিল আর রুডিগারের মুহূর্তের দুর্বলতায় সেটি আর থাকেনি। সিটিকে সমতায় ফেরান ডি ব্রুইনা। নব্বই মিনিটের খেলা দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত আধা ঘণ্টাও যায় একই ধারায়। এ সময়ে গোলের ভালো সুযোগটি ছিল রুডিগারের সামনে। জার্মান ডিফেন্ডার ১০৫ মিনিটে ৬ গজ বক্সের ভেতর নেওয়া শট বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন।

    এরপর সেই টাইব্রেকারের মুহূর্ত। সিটি ফ্যানদের মনে সম্ভবত তখনই কুঁ ডাকছিল কারণ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টাইব্রেকারে রিয়ালকে যে কেউ কখনো হারাতে পারেনি। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না।

    টাইব্রেকারের প্রথম শট নেয় সিটির বিশ্বকাপজয়ী তারকা জুলিয়ান আলভারেজ। স্পট থেকে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। কিন্তু রিয়ালের হয়ে লুকা মদ্রিচ ব্যর্থ হন তখন মনে হচ্ছিল সেমিতে মনে হয় সিটি যাবে। তবে তারপরই শুরু হয় আন্দ্রি লুনিন বীরত্ব। একে একে ফেরান বার্নাদো সিলভা ও ম্যাতেও কোভাসিচের। আর এতেই এগিয়ে যায় রিয়াল।

    পরে অবশ্য সিটি আর ভুল করেনি। ফিল ফোডেন ও এডারসন ঠিকই জালের দেখা পান। তবে ভুল করেনি রিয়ালও, জুড বেলিংহ্যাম, লুকাস ভাসকুয়েজ ও নাচোর পর জাল খুঁজে পান টনি রুডিগারও। তাতে মূল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর পেনাল্টিতে ৪-৩ গোলে জিতে সেমিফাইনালে বায়ার্নের সাথে সাক্ষাৎ নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলত্তির দল।

    উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগম্যানচেস্টার সিটি-রিয়াল মাদ্রিদ কোয়ার্টার ফাইনালম্যাচসেরার পুরস্কার যদিও উঠেছে ফেদে ভালভার্দের হাতে। তবে তা নিয়ে লুনিনের মনের খেদ নেই। সেটা তার কথাতেই স্পষ্ট। নয়তো কেনই বা নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষ বলে দাবি করবেন।

    লুনিন বলেন, ‘আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। পরিশ্রমের ফসল এটি। রিয়াল মাদ্রিদকে সাহায্য করতে পেরে আমি খুশি এবং আমার পাশে থাকার জন্য এই দলকে ধন্যবাদ। ‘

  • সুপারকাপ ফাইনালে রিয়ালের কাছে ৪-১ গোলে হেরেছে বার্সা

    সুপারকাপ ফাইনালে রিয়ালের কাছে ৪-১ গোলে হেরেছে বার্সা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪: ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকের সুবাদে বার্সেলোনাকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

    গতকাল রবিবার রাতের খেলায় সৌদি আরবের আল আওয়াল পার্কে ভিনিসিয়ুসকেই যেন থামাতে পারছিলেন না গত আসরের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা। সেই ভিনিকে আটকাতে না পেরে দুইবার ফাউল করে লালকার্ড দেখেন বার্সার ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাজাও। ফলে ম্যাচের ৭১তম মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বার্সা।

    বার্সা ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার আগেই নিজেদের ৪ গোল করে ফেলেছে রিয়াল। এরপর গোল করা আরও সহজ হলেও ব্যবধান আর বাড়ায় লস ব্লাঙ্কোসরা। ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে বার্সেলোনার হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন পোল্যান্ডের ফরোয়ার্ড রবার্ট লেভানডস্কি।

    ম্যাচের শুরুর দিকেই রিয়ালের গোল উৎসবের উদ্বোধন করেন ভিনিসিয়ুস। ৭তম মিনিটে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যামের অ্যাসিস্টে বার্সার জালে বল জড়ান ভিনি।

    এরপর ৩ মিনিটে আবারও ভিনি। এবার আরেক ব্রাজিলিয়ান রদ্রিগো অ্যাসিস্ট করেন তাকে। অর্থাৎ ১০ মিনিটের মধ্যেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল। এরপর ৩৩তম মিনিটে লেভানডস্কির গোলে ব্যবধান ২-১ করে বার্সেলোনা।

    ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে আবার গোল করে দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেন ভিনি। ফলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে আবারও গোল রিয়ালের। তবে এবার গোল করেন রদ্রিগো নিজেই। ৬৪ মিনিটে রদ্রিগোর গোলে ৪-১ ব্যবধান করে রিয়াল।

    রিয়ালের ৪-১ গোলের ব্যবধান আর কমাতে পারেনি বার্সা। এর ৭ মিনিট পর আরাজাও লালকার্ড দেখলে তো আরও দুর্বল হয়ে যায় জাভির শিষ্যরা। ফলে বড় ব্যবধানে জিতেই স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে জিতে শিরোপা ঘরে তোলে রিয়াল।