Tag: মির্জা ফখরুল

  • মির্জা ফখরুল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    মির্জা ফখরুল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জুলাই, ২০২৪: মির্জা ফখরুল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল তিনি একটি প্রেস কনফারেন্সে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলো একেবারেই অসত্য এবং ডাহা মিথ্যা কথা। সমঝোতা স্মারকের সবগুলো ধারা উনি হয়ত পড়েননি। বা যারা অপপ্রচার করেছে তারা পড়েননি। সকল ধারা না পড়ে খণ্ডিতভাবে এগুলো তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।”

    আজ রবিবার (১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ এসব কথা বলেন।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করেছেন। সেখানে কিছু সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকের বিষয়গুলোকে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে, ক্ষেত্র বিশেষ কিছু কিছু মূলধারার গণমাধ্যমে ভুল তথ্য চলে এসেছে। আমরা দেখেছি বিএনপি এবং জামায়াতের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বুক চিরে ভারতের ট্রেন চলবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেছেন আমাদের দেশ নাকি নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এই লাইনে ভারত নাকি এখানে দিয়ে আর্মস নিয়ে যাবে। কিন্তু সমঝোতা স্বারকে এমন কিছুই নেই। বরং আর্মসসহ এ জাতীয় কিছুই পরিবহণ করা যাবে না উল্লেখ আছে। এই সমঝোতা স্মারকের তিন নাম্বারে বলা আছে পরিষ্কার ভাবে বলা আছে গুডস উইদাউট ‘রেড ট্রাফিক’। সেখানে সংজ্ঞা দেওয়া আছে ডেঞ্জারাস এবং অফেন্সিভ গুডস, ইনক্লুডিং আর্মস এন্ড এক্সক্লুসিভস। অর্থাৎ এগুলো নেওয়া যাবে না।”

    মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, “ভারত শুধু আমাদের ওপর নিয়ে ট্রেন নিয়ে যাবে না বরং আমরাও ভারতের ওপর দিয়ে ট্রেন নিয়ে নেপাল, ভূটান যাবো। এসব অর্জনকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নেপাল এবং ভূটান থেকে বাংলাদেশের অথবা তাদের ট্রেন ভারতের মধ্যে থেকে বাংলাদেশে এসে মংলা পোর্ট এবং চিটাগং পোর্ট ব্যবহার করবে। তারা কিন্তু এখন কলকাতা পোর্ট ব্যবহার করে। অর্থাৎ আমাদের পোর্টগুলোকে লাভবান করব। তাহলে কি আপনারা বলবেন এটি ভারতের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি হয়ে গেল। তারা তাদের কলকাতা পোর্টকে বঞ্চিত করে বাংলাদেশের পোর্টকে লাভজনক করে দিচ্ছে?”

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই সমঝোতা স্মারকে একটা বিশাল অর্জন আছে। আপনারা দেখবেন নেপাল থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে ভারতের যে গ্রিড লাইন, সেই গ্রিডের ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে আমরা নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট আমদানি করব। যখন আমাদের শীত মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকবে, অতিরিক্ত উৎপাদন করব আমরা তখন রফতানিও করতে পারব। এখন কি বলবেন ভারতের বুক চীরে বাংলাদেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনবে এবং বিদ্যুৎ রফতানি করবে?”

    তিনি আরও বলেন, “সমঝোতা স্মারকের এই বিষয়গুলো একেবারে উল্লেখ না করে তারা অপপ্রচারের স্বার্থে মিথ্যাচার করছে, তারা গোলামি চুক্তি ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বলছে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গোটা বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে রিজিওনাল কানেকটিভিটির মাধ্যমে। গোটা বিশ্ব কানেকটিভিটির মধ্যে আসছে। আমরা কিন্তু এটা এককভাবে ভারতকে দেইনি। সেটিকে তারা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে। এটা মূলত বিএনপির চিন্তা নতজানু।”

  • মির্জা ফখরুলের কান্নার পেছনে অনেক কারণ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    মির্জা ফখরুলের কান্নার পেছনে অনেক কারণ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৪ জুন, ২০২৪: মির্জা ফখরুলের কান্নার পেছনে অনেক কারণ আছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “দেখা যায় মধ্যরাতে বিএনপির কমিটি বাতিল আবার ভোররাতে আরেকজনের সুপারিশে বহাল। এটি বিএনপির মধ্যে এখন রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা নাই তারা আবার গণতন্ত্রের কথা বলে কীভাবে। মির্জা ফখরুল সাহেবের কান্না তো এমনিতেই আসে না, এর পেছনে অনেক কারণ আছে।”

    আজ সোমবার (২৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কর্তৃক আয়োজিত আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তদন্তের আগে গণমাধ্যমের সামনে কাউকে দুর্নীতিবাজ বলাও সমীচীন নয়। অবশ্যই দুর্নীতির সংবাদ আসবে এবং সেটি দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন। কোন নিরপরাধ মানুষ যাতে ভিকটিম না হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াস হিসেবে যেন কোনো সংবাদ পরিবেশন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গত নির্বাচনের আগে অনেক ষড়যন্ত্র ছিল। প্রথমে নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। সেই ষড়যন্ত্র বানচাল হওয়ার পর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল সরকার যেন বিশ্ব দরবারে সমাদৃত না হয়। ৮০টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠি লিখে সরকারের সঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। ৩২টি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এরপর বিএনপির বেলুন শেষ হয়ে গিয়েছে।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “কয়েকদিন আগে পত্রিকায় একটি শিরোনাম দেখলাম ‘মহাসচিবের খোঁজে বিএনপি’৷ একটি দল আট থেকে নয় বছর কোন সম্মেলন হয় না। আবার দেখলাম কয়েক ডজন পদ কোনো সম্মেলন ছাড়াই তারা পূরণ করে দিয়েছে। মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটররা যেভাবে কলমের খোঁচায় কাউকে বরখাস্ত করতো এবং দলে অন্তর্ভুক্ত করতো ঠিক একই কায়দায় দেশের অভ্যন্তরে নয় দেশের বাইরে থেকে কে কোন পদ পাবে সেটি তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঠিক করে দিচ্ছে। যাদের নিজেদের দলেই কোনো গণতন্ত্র নেই। তার আবার মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে।”

    তিনি বলেন, “মহাসচিবের খোঁজে বিএনপি’ পত্রিকায় এই শিরোনাম দেখার দুইদিন পর দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কাঁদছেন। পত্রিকায় এসেছে খালেদা জিয়া অসুস্থ বিধায় তিনি কেঁদেছেন। খালেদা জিয়ার তো বহুদিন ধরে অসুস্থ। এতদিন তো কান্না দেখিনি। শিরোনামে মহাসচিব খোঁজার সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কান্নার ছবি দুইটার মধ্যে সংযোগ আছে কি না এটা খুঁজে দেখার বিষয়। আওয়ামী লীগের থেকে তাদের শেখার আছে। আওয়ামী লীগের প্রতি তিন বছর অন্তর সম্মেলন হয়। কলমের খোঁচায় আওয়ামী লীগ থেকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া হয় না, দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। শেখ হাসিনাকে সমস্ত ক্ষমতা প্রদান করা হলেও তিনি সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন না। আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যখন আওয়ামী লীগ সংকটময় মুহূর্তে পড়তে যাচ্ছিল তখন দলের ঐক্যের প্রতীক হয়ে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাকে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে তিনি তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে তিনি মায়ের মমতায়, বোনের স্নেহে কর্মীদের আগলে রেখে সংগঠিত করেছেন।”

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে বারবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে। গণতন্ত্রকে শেকল বন্দি করা হয়েছে। সেই শেকল বন্দি গণতন্ত্র বারবার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তি লাভ করেছে। আজকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ বছরের পথ চলার ৪৩ বছরই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আওয়ামী লীগের সৌন্দর্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতার দল নয়, আওয়ামী লীগ কর্মীদের দল। আওয়ামী লীগের সঙ্গে অন্যান্য দলের পার্থক্য হচ্ছে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা আছে। বিএনপিসহ অন্যান্য দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা নেই।

    পৃথিবী জুড়ে সংকটময় পরিস্থিতি চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “সংকটময় পরিস্থিতিতে পৃথিবী আজ টালমাটাল। এমন পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি, দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। করোনা এবং করোনা পরবর্তী সময়ে অনেক দেশেই দেখা দিয়েছে কিন্তু আমাদের কোনো সংকট হয়নি। এটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে।

    শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. অরুপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি মোবারক আলী শিকদারসহ আরও অনেকে।