www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১০ আগস্ট, ২০২৪: ব্রাজিলের সাও পাওলো রাজ্যে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিমানটিতে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৮ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু ছিলেন।
গতকাল শুক্রবার (৯ আগস্ট) দেশটির প্রেসিডেন্ট এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, জোড়া ইঞ্জিনের টারবোপ্রোপ প্লেনটি দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য পারানার কাসকাভেল শহর থেকে সাও পাওলো রাজ্যের প্রধান বিমানবন্দরের দিকে আসছিল। কিন্তু ভিনহেদো শহরে আসতেই উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাড়াভাবে পাক-খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বিমানের ভেতর ৫৮ জন যাত্রী এবং বাকি চার জন ক্রু সদস্য সবার ঘটনাস্থলে মৃত্যু বরণ করে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় ভূপাতিত হয়। তবে এলাকায় থাকা কোনো ব্যক্তিই এর ফলে আহত হননি। শুধু একটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ঘরের বাসিন্দাদের ওপর কোনো আঁচ পড়েনি। যদিও এলাকাটিতে নিমিষেই ছড়িয়ে পড়ে আগুনের ধোঁয়া। যে কারণে সঙ্গে সঙ্গেই জানানো হয় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় হাসপাতালকে।
ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটর্যাডার ২৪ এর মতে, বিমানটি তৈরি হয়েছিল ২০১০ সালে এবং কাসকাভেল ছেড়ে যায় স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫৬ মিনিটে। উড্ডয়নের দেড় ঘণ্টা পর বিমানটি থেকে সবশেষ সিগন্যাল পাওয়া যায়।
Tag: ব্রাজিল
-

যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ব্রাজিলে ৬২ জন নিহত
-

টাইব্রেকারে ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উরুগুয়ে
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৭ জুলাই, ২০২৪: এবার কোপা আমেরিকা ফুটবলে প্রথম থেকে ছন্দে ছিলোনা ব্রাজিল।প্রতিপক্ষের তুলনায় একজন বেশি নিয়েও কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে উঠতে পারলো না পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। টাইব্রেকারে তাদেরকে ৪-২ গোলে হারিয়ে উরুগুয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ছিল।
প্রথম টাইব্রেকার শট নিতে আসেন ফেদে ভালভার্দে। কোনো ভুল করেননি তিনি। বামপ্রান্তে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অ্যালিসন বেকারও। কিন্তু বলের নাগাল পাননি। ব্রাজিল প্রথম শটটাই মিস করে, এদের মিলিতাওয়ের শট ফিরিয়ে দেন উরুগুয়ে গোলরক্ষক সের্হিও রোচেত। উরুগুয়ে দ্বিতীয় শটেও সফল হয়। আন্দ্রেস পেরেইরা ব্রাজিলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন দ্বিতীয় শট নিতে এসে।
তৃতীয় শটেও গোল পায় উরুগুয়ে, ব্রাজিল আবার মিস করে। ফলে অনেকটা ছিটকেই যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু অ্যালিসন উরুগুয়ের চতুর্থ শট ফিরিয়ে ব্রাজিলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিও হতাশ করেননি। কিন্তু পঞ্চম শট নিয়েই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয় উরুগুয়ে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় ব্রাজিল।
ম্যাচে কার্ড জটিলতায় মাঠের বাইরে ছিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন ১৭ বছর বয়সী তরুণ স্ট্রাইকার এন্দ্রিক ফেলিপ। কিন্তু সেভাবে খেলেতে পারেননি তিনি।
একদিকে ফর্মের তুঙ্গে থাকা উরুগুয়ে, অন্যদিকে নিজেদের সেরা ফর্ম খুঁজে ফেরা ব্রাজিল। তবে দুই দলই মাঠের পারফরম্যান্সে মলিন। গোলের সুযোগ হাতছাড়া করলো সমানভাবে। ১০ মিনিটের মাথায় দারউইন নুনিয়েজ সুযোগ পেয়েছিলেন উরুগুয়ের হয়ে লিড নেওয়ার। তবে তিনি হেড দেওয়ার চেষ্টায় ঠিকমতো মাথা ছোঁয়াতে পারেননি।
ব্রাজিলও বড় সুযোগ মিস করে ২৮তম মিনিটে। এন্দ্রিকের বাড়ানো বল ডি বক্সের ভেতর পেতে পারতেন রাফিনহা। কিন্তু এই সেলেসাও উইঙ্গার বলের কাছেই পৌঁছাতে পারেননি। উরুগুয়ে বিপদমুক্ত হয়ে একটু পরই পাল্টা আক্রমণে যায়। এবারও দৃশ্যপটে নুনিয়েজ, তবে এবার তার হেড চলে যায় গোলপোস্টের ওপর দিয়ে। প্রথমার্ধের শেষদিকে ব্রাজিল ও উরুগুয়ে আরও কয়েকবার গোল পেয়েও পায়নি! এভাবে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও বিরতির আগ পর্যন্ত কেউ গোলের দেখা পায়নি।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দলই। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে শারীরিক শক্তির প্রয়োগ বেশি করতে দেখা যায় উরগুয়েকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রদ্রিগোকে বাজেভাবে ফাউল করে লালকার্ড দেখেছেন উরুগুয়ে ডিফেন্ডার। ৭২ মিনিটে উরুগুয়ের অর্ধে বল নিয়ে আক্রমণে যাচ্ছিলেন রদ্রিগো। এমন সময় পেছন থেকে এসে রদ্রিগোকে থামানোর জন্য পায়ে আক্রমণ করেন নাহিতান নন্দেজ। এতে প্রথমে তাকে হলুদ কার্ড, পরে ভিএআর দেখে লালকার্ড দেখানের সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় উরুগুয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। ৫৩ মিনিটেই দুইবার গোলচেষ্টা চালায় তারা। প্রথমটি রুখে দেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা। পরেরটি চলে যায় গোলবারের বাইরে দিয়ে। ৬৮ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড লুকাস পাকেতার একটি আক্রমণ ব্লক করে দেয় উরুগুয়ের রক্ষণভাগ। উরুগুয়ে ১০ জনের দলে পরিণত হলে আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকে ব্রাজিল। ম্যাচের শেষদিকে ব্রাজিলের আক্রমণের ধারা অব্যাহত থাকে তবে গোলের দেখা মেলেনি নির্ধারিত সময়ে।
ইউরোতে জয় পেয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস
এদিকে ইউরোর দুই খেলায় জয় পেয়েছৈ ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। প্রথম খেলায় টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারায় ইংল্যান্ড। অপর দিকে তুরস্কের রূপকথা থামিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে নেদারল্যান্ডস। শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে তারা ২-১ গোলে তুরস্ককে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছায়।
-

কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩ জুলাই, ২০২৪: এক সময় ব্রাজিল ছিল সেরা দলগুলোর মধ্যে অন্যতম। ইউরোপিয়ান ও আফ্রিকান ফুটবলের উত্থানের ফলে ব্রাজিলের একক আধিপত্য পড়তির দিকে। তার পরেও ব্রাজিলের ফুটবল এখনো আকর্ষণীয়। তাদের বিশ্বজুড়ে রয়েছে বিরাট সমর্থক গ্রুপ। যারা গত রাতের খেলায় আবার হতাশায় পড়েছে। কেননা ব্রাজিলের সঙ্গে ১-১ ড্র করে ‘ডি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন কলম্বিয়া। দ্বিতীয় হয়ে শেষ আটে নাম লিখিয়েছে ব্রাজিলও।
ক্যালিফোর্নিয়ার লেভি’স স্টেডিয়ামে শুরুটা ভালোই ছিল ব্রাজিলের। আগের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ছন্দে ফেরা ব্রাজিল আজ এগিয়ে যায় ম্যাচের ১২ মিনিটে। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন রাফিনহা। বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে ফ্রি-কিক থেকে চোখ ধাঁধানো গোল করেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড। এতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হলুদ জার্সিধারীরা।
৭ মিনিটে বাজে ফাউলের জন্য হলুদকার্ড দেখেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আগের ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ৮৩ মিনিটে হলুদকার্ড দেখেছিলেন তিনি। কোপা আমেরিকায় দুইবার হলুদকার্ড দেখার কারণে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারবেন না ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে উঠে কলম্বিয়া। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। ব্রাজিলের গোলরক্ষক এলিসন বেকার বেশ কয়েকটি সেভ করেন।
ম্যাচের ২০ মিনিটে মাঝমাঠে ফ্রি কিক পায় কলম্বিয়া। হ্যামেশ রদ্রিগেজের বাড়ানো বলে গোল করেন ডেভিনসন সানচেজ। তবে লাইনসম্যান অফসাইডের সিদ্ধান্ত দিলে সে গোল বাতিল হয়।
কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল হজম করেই বসে কোপার ৯ বারের চ্যাম্পিয়নরা। কলম্বিয়ার জন কর্ডোবার অ্যাসিস্টে গোল করেন ড্যানিয়েল মুনোজ। ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ব্রাজিল। ৫১ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বক্সের বাইরে থেকে নেয়া শট ডান পাশে ওপর দিয়ে চলে যায়। দুই মিনিট পর এদের মিলিতাওয়ের চেষ্টা আটকে দেয় কলম্বিয়ার রক্ষণ। ৫৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিকে একটুর জন্য গোল পাননি রাফিনহা। পোস্টের বাঁ পাশ ঘেঁষে বেরিয়ে যায় বল। ৬৯ মিনিটে জেমস রদ্রিগেজের ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে জন করডোবা হেড নিয়েছিলেন। এলিসন বেকার দারুণ দক্ষতায় সেই বল গ্লাভসে নিয়ে নেন।৮৩ মিনিটে সবচেয়ে সহজ সুযোগটা মিস করে কলম্বিয়া। লুইস দিয়াসের ক্রস থেকে গোলের সুযোগ পেয়ে ফাঁকা পোস্টে ওপরে মেরে দেন রাফায়েল বোরে। ১-১ সমতায়ই শেষ হয় নির্ধারিত সময়।
ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলেরও। বক্সের বাইরে থেকে নেয়া আন্দ্রেস পেরেইরার জোরালো শট লাফিয়ে উঠে কোনোমতে বাঁচান কলম্বিয়ার গোলরক্ষক। ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
জিততে পারলে ‘ডি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে পানামার মুখোমুখি হবে কলম্বিয়া। অপর দিকে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে ব্রাজিল খেলবে উরুগুয়ের বিপক্ষে।
-

ব্রাজিল ৪-১ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়েকে
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৯ জুন, ২০২৪: এবারের আসরে কোপা আমেরিকার প্রথম ম্যাচে ড্র করেছিলো ব্রাজিল। দেশটির সমর্থকদের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিলো দ্বিতীয় ম্যাচে কি আবার ড্র হবে। কিন্তু না তা হয়নি । ভিনির জোড়া গোলে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিল।স্বরূপে ফিরেছে দেশটি।
লাস ভেগাসের অ্যালিগায়েন্ট স্টেডিয়ামে শনিবার রাতের গ্রুপপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হয় দরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা। কোস্টারিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর কোপায় টিকে থাকার লড়াইয়ে যা প্রয়োজন ছিল, সেটাই পূরণ করলেন ভিনি-লুকাস পাকেতারা। ভিনির জোড়া অবদান ছাড়াও প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েই গোল করেছেন ২০ বছর বয়সী স্যাভিও মোরেইরা, পেনাল্টিতে আরেক গোল আসে লুকাস পাকেতার পা থেকে।
বড় জয়ে ‘ডি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে গেছে ব্রাজিল। দুই ম্যাচেই জয় পাওয়া কলম্বিয়া আছে শীর্ষে। এদিকে, আজকের হারে কোপা থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে প্যারাগুয়ের। যদিও ব্রাজিলের সঙ্গে প্রায় সমানতালে লড়েছিল র্যাঙ্কিংয়ের ৫৮ নম্বর দলটি। গোল লক্ষ্যে দু’দলই সমান ছয়টি করে শট নেয়। ফাউলের সংখ্যাও সমান ১৩টি করে, এর মধ্যে কড়া ট্যাকল করে প্যারাগুয়ে একটি লাল ও দুটি হলুদ কার্ড দেখেছে। ব্রাজিলও হলুদ কার্ড দেখেছে তিনটি।
ম্যাচে ব্রাজিল মূল কাজের অনেকটা প্রথমার্ধেই সেরে ফেলে। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর তারা দ্বিতীয়ার্ধে আরেকবার বল জালে জড়ায়। তবে এর মধ্যে ব্যবধান কমানো দারুণ এক গোল করেন প্যারাগুয়ের ওমর অ্যালদারেত। বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা বল নামিয়ে তিনি শট নেন ডি-বক্সের বেশ বাইরে থেকে। শেষদিকে উভয়পক্ষই গোল বাড়ানোর চেষ্টা করলেও, আর স্কোরশিটে কারও নাম ওঠেনি। উল্টো হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে যাওয়া প্যারাগুয়ের তিক্ততা বাড়িয়ে ৮৩তম মিনিটে লাল কার্ড দেখেন আন্দ্রেস কুবাস। সেলেসাও মিডফিল্ডার ডগলাস লুইজকে পেছন থেকে মারাত্মক ট্যাকলের শাস্তি হিসেবে আসে এটি। তবে শেষ মুহূর্তে ১০ জনের দলের বিপক্ষে আর কোনো সুযোগ নিতে পারেনি দরিভালের শিষ্যরা।
এর আগে ম্যাচের ১৪তম মিনিটেই প্যারাগুয়ে এগিয়ে যেতে পারত। তবে প্রতিপক্ষের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। এরপর দুই পক্ষের বক্সেই একের পর এক হানা সামলাতে হয় গোলরক্ষকদের। ব্রাজিলই প্রথম এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ৩২তম মিনিটে। তাদের নেওয়া শট লাফিয়ে ফেরাতে গিয়ে প্যারাগুয়ে ফুটবলারের হাতে লাগে। পেনাল্টিতে দলকে লিড এনে দেওয়ার সুযোগ পেয়েও বাইরে মেরে বসেন পাকেতা।
তার সেই আক্ষেপ টিকলো তিন মিনিট। দারুণ দলীয় বোঝাপড়ায় ডেডলক ভেঙে ব্রাজিলকে প্রথম উৎসবের উপলক্ষ্য এনে দেন ভিনিসিয়ুস। রিয়াল স্ট্রাইকার জাতীয় দলে গোল করতে পারছেন না কেন, তা নিয়ে কম সমালোচনা সইতে হয়নি। তারই যেন জবাব আজ অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই গোল দিয়ে দিয়ে দিলেন তিনি। ভিনি নিজেই বল নিয়ে বক্সের দিকে এগিয়েছেন, এরপর রদ্রিগো-পাকেতার দারুণ এক টাচ থেকে আবার তার পায়ে আসে। প্রথমে গোলরক্ষকে বোকা বানিয়ে বলে একপাশে নিয়ে যান, এরপর তার ঠিকানা বানান জালে।
৪৩তম মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোলটি। রদ্রিগো গোয়েসের নেওয়া শট ঠেকান প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক, তবে পুরো নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি বল। ফলে। প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডারের পা ছুঁয়ে ফাঁকায় থাকা স্যাভিও পেয়ে যান, আলতো টোকায় তিনি লিড দ্বিগুণ করেন। বিরতির আগেই দুপক্ষই হাতাহাতিতে জড়ায়। একটি করে হলুদ কার্ড দেখে দু’দলই। সেই উত্তেজনার পারদ উঁচুতে রেখেই যোগ করা সময়ে ফের ব্রাজিলের আক্রমণ। বল বানিয়ে গোলও দিয়ে ফেলেছিলেন রদ্রিগো। তবে গোলরক্ষকের বাধা পেয়ে আলতোভাবে বল পেছনে ঠেলে দিলে, দৌড়ে এসে ভিনি নিজের দ্বিতীয় ও ব্রাজিলের তৃতীয় গোল পূর্ণ করেন। যা পরে পাকেতার সফল পেনাল্টিতে চারে পরিণত হয়।
-

২০২৭ নারী ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ হচ্ছে ব্রাজিল
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৭ মে, ২০২৪: ২০২৭ দশম নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। আয়োজক হওয়ার প্রতিযোগিতায় তারা হারিয়ে দিয়েছে যৌথভাবে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া ইউরোপের তিন দেশ বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডস-জার্মানিকে।
আয়োজক হিসেবে ব্রাজিলের নাম চূড়ান্ত হতেই ইতিহাস গড়ে ফেলেছে দেশটি। দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম দেশ হিসেবে নারী বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেল তারা। ব্রাজিলে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে উচ্ছ্বসিত ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তার আশা, ‘সর্বকালের সেরা নারী বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে এটি।’
আজ শুক্রবার (১৭ মে) ব্যাংককে ফিফা কংগ্রেসে ভোটাভুটিতে ১১৯টি ভোট পায় ব্রাজিল। অন্যদিকে, যৌথভাবে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডস-জার্মানির ভাগে পড়ে ৭৮টি ভোট। অবশ্য চূড়ান্ত ভোটাভুটির আগে ব্রাজিলের দিকেই পাল্লা ভারী ছিল। ফিফা টেকনিক্যাল কমিটির মূল্যায়নে লাতিন দেশটি আয়োজক হওয়ার দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে ছিল।
কেননা টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজনের সম্ভাব্যতা, বাণিজ্যিক বিষয়াদি, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সুযোগসুবিধা ও আবাসনের মতো বিষয়। এ ছাড়া ২০১৪ পুরুষ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ১০টি স্টেডিয়াম নির্মাণ করায় বাড়তি সুবিধা পেয়েছে ব্রাজিল।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি এদনাল্দো রদ্রিগেস এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, আমরা জানতাম, দক্ষিণ আমেরিকার নারী ও ফুটবলের বিজয় আমরা উদযাপন করতে পারব। দম্ভ করে বলছি না, নিশ্চিত থাকতে পারে, নারীদের জন্য সবচেয়ে সেরা বিশ্বকাপ আমরা উপহার দেব।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সাল থেকে আয়োজন হয়ে আসছে ফিফা নারী বিশ্বকাপ। সর্বশেষ গত বছর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে মঞ্চস্থ হয়েছিল টুর্নামেন্টটি। যেখানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। এ ছাড়া সর্বোচ্চ চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে লাতিন কোনো দেশ এখনো পর্যন্ত একবারও শিরোপার স্বাদ পায়নি।
-

ব্রাজিলে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ
www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৯ মার্চ, ২০২৪: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ ব্রাজিলের এক অংশে এখন চলছে তীব্র তাপপ্রবাহে । গত রবিবার দেশটির বৃহত্তম শহর ও বাণিজ্যিক রাজধানী রিও ডি জেনেরিও’র তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৬২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। গরম থেকে বাঁচতে মানুষ নদী, সমুদ্র বা জলাশয়ের কাছাকাছি বেশি সময় কাটাচ্ছে। ব্রাজিলের একাংশ যখন তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে, তখন দক্ষিণাঞ্চল ভেসে যাচ্ছে তুমুল বর্ষণে।
রিও ডি জেনেরিওভিত্তিক স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর আলের্তা রিও ওয়েদার সিস্টেম জানিয়েছে, ব্রাজিলের ইতিহাসে এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ডটি ছিল ৫৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত নভেম্বরে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
আলের্তো রিও ওয়েদার সিস্টেমের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ৯ টার দিকে রিও ডি জেনেরিওর পশ্চিমাংশে ৬২ দশমিক ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তার পর থেকে অবশ্য তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। সোমবার রিও ডি জেনেরিও এবং তার আশপাশের এলাকার গড় তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে রিও’র দুই বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত ইপানেমা এবং কোপাকাবানায় রবিবার ও সোমবার উপচে পড়া ভিড় ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
রিও ডি জেনেরিওর কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থিত একটি পার্কের প্রশাসনিক কর্মকর্তা র্যাকুয়েল কোরেইয়া (৪৯) এএফপিকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার ভয় হচ্ছে যে এই ধরনের আবহাওয়া হয়তো এখন থেকে নিয়মিতই দেখতে হবে আমাদের। কারণ রিও এবং তার আশপাশের এলকাগুলোতে বাড়িঘর নির্মাণের জন্য প্রতিদিন বনজঙ্গল উজাড় হচ্ছে।’
এদিকে ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে রবিবার থেকে শুরু হয়েছে ব্যাপক বর্ষণ। অন্তত এক সপ্তাহ এই বর্ষণ স্থায়ী হবে বলে জানিয়েছে ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর মেটসুল।
সোমবার মেটসুলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চলতি সপ্তাহে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বর্ষণ ও ঝোড়ো আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে।’