Tag: বিনিয়োগ

  • বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় এআইআইবি

    বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় এআইআইবি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ মার্চ, ২০২৪: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)। ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান রজত মিশ্র বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতে চাই। বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো লিমিট নেই, আমরা অবশ্যই এটি বাড়ানোর চেষ্টা করব।

    আজ মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

    বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদমাধ্যমকে এআইআইবির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতে চাই। কারণ দেশটির অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মেট্রোরেলসহ নানান ক্ষেত্রে তাদের সফলতা মুগ্ধ করেছে। হয়তো সামনে আরও সমৃদ্ধ হবে। আমরা কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এরিয়াতে কাজ করি যেমন জলবায়ুতে অর্থায়ন। আমরা ক্লাইমেট ফাইন্যান্সের জন্য পলিসি তৈরির জন্য বসেছি। আমরা একটি প্রকল্প নিতে চাই যেটি বৈশ্বিক জলবায়ুতে এআইআইবির প্রথম অর্থায়ন। তাই এটি আমাদের জন্য মূল্যবান অংশীদারত্ব।”

    এআইআইবি ১৭ প্রকল্পে ৩.৩৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে, সেটি কি সামনে বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রজত মিশ্র বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো লিমিট নেই। আমরা অবশ্যই এটি বাড়ানোর চেষ্টা করব। আমরা পলিসি গ্রহণের জন্য কাজ করছি, একই সাথে আমরা প্রকল্পগুলো নিয়েও কাজ করছি।

    নতুন কোনো সেক্টরে সহযোগিতা চাওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, “তারা বলেছেন, যেটাই হোক আপনারা বের করুন, আমরা সহযোগিতা করার চেস্টা করব। তারা পলিসি নিয়েও কাজ করছে, একই সাথে প্রয়োজনের বিষয়টিও আসছে। ওনারা একই সাথে দুইটা কনসিডার করবেন। এটা কিছুটা নতুন। আমরা খুবই খুশি।”

    অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, “অবকাঠামোগত খাতে তারা বেশি যুক্ত হতে চান। আমরা সে ব্যাপারে সম্মত। আমরা বাজেট সাপোর্ট প্রোগ্রাম আরও দেওয়ার অনুরোধ করেছি। তারা বললেন, এটাই তাদের প্রথম বৈশ্বিক জলবায়ুতে অর্থায়ন।”

  • কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়, বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে এবং আরও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনাল অপারেশনের জন্য সৌদি আরব বিনিয়োগ করেছে। আরও কয়েকটি দেশ বিনিয়োগের জন্য পাইপলাইনে আছে। এসব বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশি শক্তিশালী হবে। বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দরের ৪ নম্বর গেট সংলগ্ন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সংযোজিত রপ্তানিমুখী পণ্যবাহী কন্টেইনার স্ক্যানার স্থাপন ও হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইএসপিএস কোড কমপ্লায়েন্স চট্টগ্রাম বন্দরের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আন্তর্জাতিক মহলে নিরাপদ হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি চট্টগ্রাম বন্দরে স্থাপন করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা, পায়রা এবং অন্যান্য স্থল বন্দর ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে। সেখানেও স্ক্যানার বসানো হবে।”

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের গৃহীত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বহরে যুক্ত হয়েছে রপ্তানিমুখী কন্টেইনার স্ক্যানার। এটি রপ্তানি পণ্যের জাহাজীকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, বন্দরের কন্টেইনার জট হ্রাস করবে, বৈধ বাণিজ্য সহজতর করবে, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের রপ্তানি নিবৃত্ত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা এবং রপ্তানি সহযোগী দেশের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ও কার্যকর ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে।”

    চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম সোহায়েল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, প্রকল্প পরিচালক ও চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তফা আরিফুর রহমান খান।

    জাান গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার অভ্যন্তরে ৪ নম্বর ও সিপিএআর গেট সংলগ্ন এলাকায় এ স্ক্যানার দুইটি স্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ২টি রপ্তানিমুখী গেটে ২টি কন্টেইনার স্ক্যানার, ২ সেট রেডিও একটিভ পোর্টাল মনিটর, স্ক্যান্ড ইমেজ মনিটরিং সেন্টার, রিয়েল টাইম সিসিটিভি ও ইমেজ মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কার্গো রপ্তানির ক্ষেত্রে কার্যকর প্রয়োগ ও স্বেচ্ছা পরিপালনের মাধ্যমে বিদ্যমান কার্গো পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রচলিত ব্যক্তি কর্তৃক হস্তক্ষেপ প্রতিহত করা সম্ভব হবে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, বাণিজ্যিক ব্যয় হ্রাস করাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত মনিটরিং ব্যবস্থা চালু হবে। বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    স্ক্যানার দুটি স্থাপনের ব্যয় হয়েছে ৮৬ কোটি টাকা। প্রতিটি স্ক্যানার দিয়ে ঘণ্টায় ১৫০টি কন্টেইনার স্ক্যান করা যাবে। এগুলো অপারেশনাল কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে। পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল ইতোমধ্যেই চালু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতের গ্রিন পোর্ট বে টার্মিনালের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটি চালু হলে ১২ মিটার গভীরতা ও ৬ হাজার কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ২৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ অতিসহজেই বার্থিং করতে পারবে। ফলে সময় ও আর্থিক সাশ্রয় হবে এবং জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইমও কমে আসবে।

  • বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ বিনিয়োগ ও বাণিজ্য আরও বাড়াতে চায়

    বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ বিনিয়োগ ও বাণিজ্য আরও বাড়াতে চায়

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য আরও বাড়াতে চাই বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি। অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশের ২৪ বিলিয়ন ইউরো বাণিজ্য আছে।

    আজ সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ের অর্থমন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ইইউর রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি।

    ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, “বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেছি।”

    তিনি বলেন, “সামাজিক সুরক্ষাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশে কাজ করছি আমরা। সে সব ক্ষেত্রে বাজেট সহায়তা নিয়েও কথা বলেছি। বাণিজ্য ও ব্যবসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে।”

    ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৪ বিলিয়ন ইউরোর বিনিয়োগ আছে। বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে আমরা খুবই আগ্রহী। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা আছে। এ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তার পরিকল্পনা জানতে পেরে আমরা বেশ আশাবাদী। কাজেই বাংলাদেশের সহায়তা অংশীদার হিসেবে কাজ করার বিষয়ে আমরা প্রত্যাশা বেড়েছে।”

    এক প্রশ্নের জাবাবে হুইটলি বলেন, “স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ সহজ হোক, আমরা সেটিই চাচ্ছি। আমরাও এ বিষয়ে জোর দিচ্ছি। কারণ এটি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই জিএসপি প্লাসে সহজ রূপান্তর চাচ্ছি। এটাই আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড়ো ভিত্তি। ২০২৬ সালের প্রক্রিয়ার জন্যই এটা গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই ইউরোপীয় চেম্বারস অব কমার্সের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে কীভাবে সহায়তা করতে পারি, সেদিকেই আমরা বেশি আলোকপাত করছি।”

    শ্রম অধিকার ও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শ্রম অধিকার ও মানবাধিকার নিয়ে কোনো কথা হয়নি।”