Tag: পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • করোনার কোভ্যাক্সিনের টিকায়ও ভয়ঙ্কর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে

    করোনার কোভ্যাক্সিনের টিকায়ও ভয়ঙ্কর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৯ মে, ২০২৪: করোনার প্রতিষেধক হিসেবে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির টিকা আবিস্কারের বিষয়টি বিশ্বে সবার মনে স্বস্তি দিয়েছিলো। কিন্তু সম্প্রতি বিভিন্ন টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়ে আসছে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।কিছুদিন আগেই কোভিশিল্ডের টিকায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানা গিয়েছিল। তবে শুধু কোভিশিল্ড নয়। ভয়ঙ্কর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে কোভ্যাক্সিনের টিকায়ও।

    আর বিস্ফোরক এই দাবি করেছেন ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। এই টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর এক বছর ধরে পর্যবেক্ষণ চালিয়েছেন তারা। আর তারপরই সামনে এসেছে ভয়ঙ্কর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার তথ্য।

    গত বৃহস্পতিবার (১৬ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভ্যাক্সিন নিয়েছেন এমন ৩০ শতাংশ রোগীদের মধ্যে টিকার ভয়ঙ্কর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বলে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) গবেষকরা দাবি করেছেন। যদিও ওই দাবি নাকচ করে দিয়েছে কোভ্যাক্সিনের প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক।

    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) গবেষকদের দাবি, কোভ্যাক্সিন নিয়েছেন এমন ৯২৬ জনের ওপরে এক বছর ধরে পর্যবেক্ষণ চালিয়েছেন তারা। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি ৩ জনের মধ্যে একজনের দেহে শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে চর্মরোগ, স্ট্রোক, গিলান-বারি সিন্ড্রোম ও রক্ত জমাট বাঁধার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

    এর মধ্যে চর্মরোগ হয়েছে ১০.৫ শতাংশ টিকা গ্রহণকারীর। স্নায়ুর সমস্যায় ভুগছেন ৪.৭ শতাংশ রোগী। পেশির সমস্যায় ভুগছেন ৫.৮ শতাংশ রোগী। ১০.২ শতাংশের কিশোর-কিশোরীর দেহে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দেখা গেছে।

    এছাড়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সাধারণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮.৯ শতাংশ। ৪.৬ শতাংশ নারীর দেহে ভ্যাকসিনের প্রভাবে ঋতুস্রাবজনিত নানা সমস্যা দেখা গেছে। ২.৭ শতাংশ নারীর মধ্যে চোখের সমস্যা দেখা গেছে।

    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা রিপোর্ট বলছে, গবেষণার জন্য বেছে নেওয়া ৯২৬ জনের মধ্যে ৩০ শতাংশ অ্যাডভার্স ইভেন্টস অব স্পেশ্যাল ইন্টারেস্ট-এর (এইএসআই) তালিকায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই বলছেন, শ্বাসযন্ত্রের ওপরের অংশে ভাইরাল সংক্রমণের সমস্যা ছিল। এছাড়াও রক্ত জমাট বাঁধা, অ্যালার্জির সমস্যাও ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

    এই গবেষণা ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত করা হয়েছে। যাদের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে, তাদের ৬৩৫ জন কিশোর আর ২৯১ জন প্রাপ্তবয়স্ক। কিশোরদের মধ্যে এইএসআই-এর ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা, সাধারণ শারীরিক সমস্যা, স্নায়ু সংক্রান্ত সমস্যা দেখা গেছে।

    এছাড়াও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও স্নায়ু সংক্রান্ত সমস্যা, সাধারণ শারীরিক সমস্যা এইএসআই-এর আওতায় থাকতে দেখা গেছে।

    অন্যদিকে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত এই গবেষণা সংক্রান্ত খবরে বলা হয়েছে, কিশোরীদের মধ্যেও এইএসআই-এর সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে টাইফয়েডের মতো সমস্যার কথা উঠে এসেছে।

    বলা হচ্ছে, যারা কোভ্যাক্সিনের দুটি ডোজ নিয়েছেন তাদের থেকে এইএসআই-এর প্রভাবে প্রভাবিত হওয়ার অনেক বেশি ঝুঁকি রয়েছে যারা তিনটি ডোজ বা বিবিভি১৫২ (BBV152) এর চারটি ডোজ নিয়েছেন। তাদের ঝুঁকির পরিমাণ ২ গুণ বেশি।

    অবশ্য বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কোভ্যাক্সিনের প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক।

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভের পর জানা যাবে অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভের পর জানা যাবে অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মে, ২০২৪: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভের পর জানা যাবে অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।  স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে করোনার অ্যাস্ট্রোজেনেকা টিকার কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া আমরা পাই নাই। এটা জানার পর আমি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারা সার্ভে করে আমাকে রিপোর্ট দেবে। আমি যতক্ষণ না জানবো এটার পার্শপ্রতিক্রিয়া কী, ততক্ষণ কিছুই বলতে পারবো না। তবে আমরা এই বিষয়ে সজাগ আছি। ”

    আজ বুধবার (৮ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণে টিকাদান কর্মসূচিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

    অ্যাস্ট্রোজেনেকা তাদের টিকা উঠিয়ে নিতে বলছে। আমাদের দেশে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ওরা বলছে, কিন্তু আমরা প্রমাণ না পেলে কিভাবে উঠিয়ে নেব।”

    ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ডেঙ্গু এমন একটা রোগ, ডেঙ্গুতে আমি আমার মাকে হারিয়েছি। আমি চাই না আর কারও মা যেন মারা যান। ডেঙ্গু শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। আমরা যদি ডেঙ্গুর উৎস বন্ধ করতে না পারি, তাহলে নিয়ন্ত্রণ হবে না। ডেঙ্গুর চিকিৎসার সক্ষমতা আমাদের আছে। ডেঙ্গু চিকিৎসায় আমাদের চিকিৎসকরা অত্যান্ত দক্ষ। আমার অনুরোধ, জ্বর হলেই যেন পরীক্ষা করে সবাই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করেন। দেরি করলেই ডেঙ্গুর জটিলতায় রোগী মারা যেতে পারে। আমি আশা করি এবার স্যালাইনের কোনো সংকট হবে না। আমি কোম্পানিগুলোকেও বলেছি স্যালাইনের দাম যেন না বাড়ে।

    এর আগে সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অর্জন হয়েছে। বিশেষ করে মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যু এবং টিকাদান কার্যক্রমে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সব চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটা শিশুর জন্য টিকা প্রাপ্তিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। টিকা দানের সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে ভ্যাক্সিন হিরো উপাধি দেওয়া হয়েছে। সকলের সম্মিলিত কার্যক্রমে টিকা দান কর্মসূচি অনন্য সফলতার গল্প হয়ে উঠেছে।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং- এর সভাপতি সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ।

  • অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে

    অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৯ এপ্রিল, ২০২৪: কোভিড মহামারী থেকে নিরাপদ থাকতে বিভিন্ন কোম্পানি এর প্রতিষেধক টিকা তৈরি করে। ওষুধ নির্মাতা কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড ভ্যাকটিন তৈরি করে যা গ্রহণ করেছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ।এখন অ্যাস্ট্রাজেনেক কতৃপক্ষ জানাচ্ছে যে, তাদের তৈরি কোভিড ভ্যাকসিনের কারণে খুব বিরল থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম (টিটিএস) এর ঘটনা ঘটতে পারে। যার ফলে মানুষের রক্তে প্লেটলেট কমে যায় এবং রক্ত জমাট বেঁধে যায়।

    ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকদের তৈরি কোভিড-১৯ এর টিকার কারণে গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এমন ডজনখানেক ঘটনার কথা উল্লেখ করে অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গত বছর অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি দায়ের করেছিলেন জেমি স্কট নামের এক ব্যক্তি। তিনি ২০২১ সালের এপ্রিলে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় ও তা জমাট বেঁধে যায়। যার ফলে তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমে গেছে।

    এর আগে স্কটের আইনজীবীর কাছে পাঠানো এক মেইলে অ্যাস্ট্রাজেনেকা তাদের টিকার কারণে টিটিএস’র সম্ভাবনা নকচ করে দিয়েছিল তবে হাইকোর্টে জমা দেওয়া নথিতে এর দায় স্বীকার করে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

    অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ হাইকোর্টে ৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যেখানে ভুক্তভোগীরা মোট ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ব্রিটিশ-সুইস এই কোম্পানিটির স্বীকারোক্তির ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে বিপুল পরিমাণ জরিমানা গুনতে হতে পারে।