Tag: নির্মাণ

  • ঢাকা ও চট্টগ্রামে আরও দুটি সিইটিপি নির্মাণ করা হবে: শিল্প সচিব

    ঢাকা ও চট্টগ্রামে আরও দুটি সিইটিপি নির্মাণ করা হবে: শিল্প সচিব

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ জুন, ২০২৪: ঢাকা ও চট্টগ্রামে আরও দুটি সিইটিপি নির্মাণ করা হবে, বলে জানিয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, “চামড়ার সুষ্ঠু ও পরিবেশবান্ধব সংরক্ষণের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে আরও দুটি কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারের (সিইটিপি) নির্মাণ করা হবে ।

    মঙ্গলবার (১৮ জুন) সাভারের হেমায়েতপুরে বিসিক চামড়া শিল্পনগরী পরিদর্শনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারা দেশ থেকে আগত চামড়া সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা ও এ শিল্প সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা, সেটি সরেজমিনে দেখতে তিনি এ পরিদর্শন করেন।

    শিল্প সচিব বলেন, “দেশে প্রতি বছর ঈদুল আযহায় এক কোটি পশু কোরবানি হয়ে থাকে।আর সারা বছর আরও এক কোটি পশুর চাহিদা রয়েছে। সবমিলিয়ে দুই কোটি পিস চামড়ার সুষ্ঠু ও পরিবেশবান্ধব সংরক্ষণের জন্য সরকার এ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।”

    জাকিয়া সুলতানা বলেন, “অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবারের পবিত্র ঈদুল আযহায় চামড়া সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব হয়েছে। চামড়া শিল্পখাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিবিড় মনিটরিং ও তদারকির কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “এবার বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপিকে পুরোপুরি প্রস্তুত ও কার্যকর করা হয়েছে। এর সবগুলো মডিউলকে ওভারহোলিং তথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মেরামতপূর্বক ঢেলে সাজানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় রাসায়নিক দিয়ে তরল বর্জ্যকে পরিশোধন করা হয়েছে। তাছাড়া বায়োলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রাথমিক পরিশোধন ছাড়া যাতে কোনো ট্যানারির বর্জ্য সিইটিপিতে আসতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করা হয়েছে।”

    ঈদের সাত দিনের মধ্যে ঢাকায় কাঁচা চামড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না। এবং সহজে ও পর্যায়ক্রমে চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করা যাবে। সিনিয়র সচিব এসময় ক্রোম সেভিং ডাস্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য ইনসিনারেটর স্থাপনের বিষয়ে বিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিকের চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার সিদ্দীকা ও মো. শামীমুল হক প্রমুখ।

  • বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ভারত সহায়তা করবে: ভারতীয় হাইকমিশনার

    বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ভারত সহায়তা করবে: ভারতীয় হাইকমিশনার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ভারত সহায়তা করবে, বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।তিনি বলেন, “ বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ভারত সহায়তা করতে চায়”

    বুধবার (২৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    হাইকমিশনার বলেন, “আমাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। তার সঙ্গে এটি আমার প্রথম বৈঠক, বলতে পারেন সৌজন্য সাক্ষাৎ। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। পরিবেশগত মিল থাকায় আমরা একই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হই।”

    প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, “এছাড়াও কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রিজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্টাকচারসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংস্থার সদস্য বাংলাদেশ। কাজেই এসব ক্ষেত্রে ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।”

    ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “গত বছর দুই দেশের এই মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল। বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২১ সালে আমরা একটি সমঝোতা স্মারকও সই করেছি। এই সমঝোতার বাস্তবায়ন নিয়েও আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে। যেমন– রিমোট সেন্সিং, দুর্যোগ ব্যবস্থা কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ ও তথ্য বিনিময়ে দুই দেশ পরস্পরকে সহায়তা করার কথা বলা হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “রিমোট সেন্সিং নিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। সব উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রতিমন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করায় আমি খুবই সন্তুষ্ট।”

    এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান বলেন, “রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে আছে। তারা বাংলাদেশকে সমর্থন দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে। ভারত ও বাংলাদেশের প্রকৃতি এক হওয়ায় সমস্যা মোকাবিলায় আমরা ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। দুর্যোগমুক্ত একটি প্রজন্ম তৈরি করতেও আমরা কাজ করব।”

    রিমোর্ট সেন্সিং বিষয়ে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।”