Tag: নির্বাচন দাবি

  • ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি সজীব ওয়াজেদ জয়ের

    ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি সজীব ওয়াজেদ জয়ের

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১০ আগস্ট, ২০২৪: নির্বাচন ঘোষণা হলে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। ৯০ দিনের মধ্যে তিনি নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন।
    অন্যদিকে রয়টার্সকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছেন, বাংলাদেশ ছাড়ার আগে শেখ হাসিনা কোন পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি।
    রয়টার্সকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, ” তিনি (শেখ হাসিনা) একটি বিবৃতি দেয়ার এবং পদত্যাগ করার পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু তারপরে বিক্ষোভকারীরা তার বাসভবনের উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। তখন আর কোন সময় ছিল না। আমার মা এমনকি ব্যাগ গোছানোর সময়ও পাননি। সংবিধান অনুযায়ী, তিনি এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।”
    তিনি দাবি করেছেন, ‘সেনাপ্রধান ও বিরোধী দলগুলোর সাথে আলোচনা করে সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করাকে ‘ভবিষ্যতে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যেকে পারে’ ।
    আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ওই নির্বাচন তিনমাসের মধ্যে হওয়া উচিত বলে তিনি দাবি করেছেন।
    তিনি বলেছেন, ”আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসবে। সেটা না হলেও বিরোধী দল অবশ্যই হবে। যেটাই হোক, ভালো।”
    প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসা মূলক হামলা না চালাতে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
    জয় বলেন, “আমি খুব খুশী হয়েছি যে, খালেদা জিয়া অতীত ভুলে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। অতীতে কী হয়েছে, চলুন তা ভুলে যাই। আমাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি গ্রহণ করা উচিত হবে না। যৌথ সরকার হোক আর নাই হোক, আমরা একত্রে কাজ করবো।”
    সজীব ওয়াজেদ জয় রয়টার্সকে আরও বলেছেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের আয়োজন ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে তিনি বিএনপির সাথে একত্রে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
    আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শেখ হাসিনার বিচারের দাবি তুলেছেন। সেই প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, তার মা বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন।
    জয় বলেন, ”গ্রেফতারের ভয় কখনোই আমার মাকে নিবৃত করতে পারেনি। আমার মা ভুল কিছু করেননি। সরকারের ভেতরের কিছু লোক বেআইনি কাজ করেছেন, তার মানে এই নয় যে, তিনি সেগুলো করার নির্দেশ দিয়েছেন। তার মানে আমার মা সেগুলোর জন্য দায়ী বলা যাবে না।”
    কিন্তু আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর জন্য কে দায়ী, তা তিনি পরিষ্কার করেনি।
    শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ”সরকার বিশাল একটা যন্ত্রের মতো। যারা সেজন্য দায়ী, তাদের অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু আমার মা কাউকে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা করতে বলেননি। পুলিশ সহিংসতা থামাকে চেষ্টা করেছে, তবে কিছু অফিসার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে ।”
    আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হবেন কিনা, জানতে চাওয়া হলে সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, ”এই মেয়াদের পরে এমনিতেও আমার মা অবসরে চলে যেতেন। আমার দল যদি চায়, আমি অবশ্যই সেটা বিবেচনা করবো।”
    সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘যখন ঠিক মনে করবেন, তখন তিনি বাংলাদেশ ফিরে যাবেন।’
    সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, ”রাজনৈতিক দলগুলো তাদের জায়গাতেই থাকবে। আমাদের সাহায্য ছাড়া, আমাদের সমর্থন ছাড়া, বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনা যাবে না।”
    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর

    রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১০ আগস্ট, ২০২৪: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
    আজ শনিবার (১০ আগস্ট) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
    বিবৃতিতে পরওয়ার বলেন, “আওয়ামী সরকার গত ১৬ বছর যাবৎ দেশের বিচার বিভাগে সুবিধাভোগী, অযোগ্য, অদক্ষ দলীয় লোক বসিয়ে বিচার বিভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বর্তমানে দেশের আদালতগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না।”
    তিনি আরও বলেন, “দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি হয়ে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের আত্মস্বীকৃত শপথবদ্ধ রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের দ্বারা আইনের শাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকদের ন্যায়বিচার ও সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেই লক্ষ্যে অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের দলীয় পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”