Tag: দ্রব্যমূল্য

  • দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে মাঠে নেমেছে র ্যাব

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে মাঠে নেমেছে র ্যাব

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রতি বছর রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কারসাজি করে বাড়িয়ে দেয় কিছু ব্যবসায়ী। অনেক সময় দেখা যায় মজুতদারি ও যানবাহনে চাঁদাবাজির কারণেও পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এই অবস্থায়  আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চলমান মজুতদারি ও পণ্যবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজি বন্ধে মাঠে নেমেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

    আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান।

    পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাব বলছে, সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধিতে যারা কারসাজি করছে, যারা পণ্য মজুত করে দাম বৃদ্ধির চেষ্টা করবে, তাদের পরিচয় যাই হোক শনাক্ত করে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও অভিযান পরিচালনার জন্য প্রতিটি ব্যাটালিয়নকে নির্দেশ দিয়েছে র‌্যাব।

    খন্দকার আল মঈন বলেন, “এলিট ফোর্স র‌্যাব সবসময় এ ধরনের জনসম্পৃক্ত ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করে থাকে। আজ থেকে সবজিসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ও মজুতদারি বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

    কমান্ডার মঈন বলেন, “সম্প্রতি একটি চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নামে-বেনামে চাঁদাবাজদের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে চাঁদাবাজি করছে, চাঁদাবাজির কারণে অনিয়ন্ত্রিত ও অযৌক্তিকভাবে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। গোয়েন্দা নজরদারি পরিচালনায় আমাদের প্রতিটি ব্যাটালিয়নকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা নামে-বেনামে সিন্ডিকেট করে চাঁদাবাজি করছে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে, নিত্যপণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    কমান্ডার মঈন আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন এই ধরনের মজুতদার ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে যারা কারসাজি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। সামনে রমজান। রমজানে যেন নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক থাকে সেজন্য র‌্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়নকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চাঁদাবাজ মজুতদার ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে যারা কারসাজি করছে তাদেরও শনাক্ত করা হবে।”

    তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “যারা ইচ্ছেকৃত কারসাজি করে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির চেষ্টা করবে, এখন করছে তাদের শনাক্ত করে কঠোর ও আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সে যেই হোক, তারা যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও হয়, সিন্ডিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে ছাড় দেওয়া হবে না, কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনপ্রতিনিধিরা কাজ করবে: সেতুমন্ত্রী

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনপ্রতিনিধিরা কাজ করবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনপ্রতিনিধিরা কাজ করবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি পৃথিবীময় অর্থনীতির ওপর চরম আঘাত এনেছে। আজকে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আশা করি জনগণের সমস্যা সমাধানে জনপ্রতিনিধিরা কাজ করবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপি’র কালো পতাকা কর্মসূচিকে প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “এটি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র। এ কর্মসূচী প্রত্যাহার করা না হলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পাহারায় যাবে আওয়ামী লীগ। সহিংসতা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ত্রুটিমুক্ত গণতন্ত্র কোথাও নেই। আমাদের গণতন্ত্র রাতারাতি ত্রুটিমুক্ত হবে না। বিএনপি দেশে যে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে তা গণতন্ত্রকে কণ্টকাকীর্ণ করেছে। যারা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তারা কেউ ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন বলেনি। খোদ যুক্তরাষ্ট্রও বলেনি।”

    তিনি বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে একটা প্রতিক্রিয়া ছিল ওয়াশিংটনের। কিন্তু  ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার কথা বলেছেন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশও একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। জাতিসংঘ মহাসচিবও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ”

    টিআইবি বলছে এশিয়ার মধ্যে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চার নম্বরে আছে, এ বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, “এসব প্রতিষ্ঠানের কিছু রাজনৈতিক ইন্টারেস্ট আছে। বিশ্বজুড়ে ক্ষমতার যে দ্বন্দ্ব সেখানে অবস্থানগতভাবে কোনো কোনো জোট বা দেশের স্বার্থ সংরক্ষণের পাহারাদার এসব প্রতিষ্ঠান। ওখানে কারো স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য এসব কমেন্ট করা হয়। এসব অপবাদ দেওয়া হয়। এটা অতীতেও দেওয়া হয়েছে। আমরা এগুলোর পরোয়া করি না।”

    মন্ত্রীসভার কলেবর বড় হচ্ছে কি না’ এমন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এটা বাড়তে পারে একটু। কারণ এখানে রিজার্ভ সিটগুলো, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত যে আসন সে আসনে নির্বাচন শেষ হলে সেখান থেকেও যুক্ত হতে পারে। এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যদি আরও ইচ্ছা করেন তিনি যুক্ত করতে পারেন।”

    ব্রিফিংয়ের সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন ও আফজাল হোসেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ ।

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কৌশল অবলম্বন করতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কৌশল অবলম্বন করতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কৌশল অবলম্বন করতে হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “ব্যবসায়ীরা কথা রাখবে, মিষ্টি কথায় তো চিড়ে ভিজে না। কথা যেভাবে বলতে হয় সেভাবেই বলতে হবে আমাদের। যে অ্যাকশনের দরকার সে অ্যাকশন নিতে হবে। শুধু হুমকি ধমকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। এখানে অ্যাকশন নিতে হবে, কৌশল অবলম্বন করতে হবে। কারণ আমাদের দেশের যে বাস্তবতা, সবকিছু ডাণ্ডা মেরে ঠান্ডা করা যায় না। কিছু কিছু কৌশলেও যেতে হবে এবং সেটা উপলব্ধি করতে হবে। এখন আমাদের প্রায়োরিটি হচ্ছে দ্রব্যমূল্য। বাজার নিয়ন্ত্রণ এ বিষয়টা চ্যালেঞ্জ।”

    আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “কথায় কথায় কাউকে ধমক দিলে সমস্যার সমাধান হবে না । যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে পজিটিভ অ্যাকশনে যেতে হবে।”

    বিএনপির নেতা মঈন খানকে উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, “মঈন খান সাহেবদের দল ৭৫ এর বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্যে দিয়ে তারপর ৩ নভেম্বর, একুশে আগস্টে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে হামলার মধ্য দিয়ে তারা প্রমাণ করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকার, আল বদরের দল। গর্হিত বক্তব্য দেয়ার জন্য মঈন খানকে ক্ষমা চাইতে হবে জাতির কাছে।”

    তিনি বলেন, “একেক বার একেকটা নিয়ে বিএনপি আজকে অপপ্রচার করছে। আজকে দেশের কারাগার গুলোতে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের সর্বমোট মিলিয়ে ১০ হাজারের মতো বন্দি আছে। অথচ তারা আজকে জাতিসংঘ ও মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের কাছে অপপ্রচার করেছে। মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে তাদেরকে দিয়ে বলাচ্ছে, যে বাংলাদেশে ২৫ হাজার বিএনপি নেতাকর্মী জেলে আছে তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।”

    স্থানীয় নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীক সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমি যদি বলি কোন্দল নিরসনের জন্য আমাদের কৌশল নিতে হয়েছে। ইলেকশনে (জাতীয় নির্বাচনে) আমরা কৌশল নিয়েছি স্বতন্ত্রদের ইলেকশন করতে দিয়েছি। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিল তারা নির্বাচন করেছে। সে কৌশলের তো বিজয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নতুন চমকের বিজয় তো হয়েছে।”

  • অচিরেই আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব: সেতুমন্ত্রী

    অচিরেই আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: অচিরেই আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ সংকটে পড়লে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হৃদয়ে আঘাত লাগে। সামনে পবিত্র রমজান মাস, অচিরেই আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব। আস্থা হারাবেন না। বিএনপি’র কথায় কান দেবেন না।”

    ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশে একথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চলনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিদেশিদের ভয় দেখান? ৪১.৮ শতাংশ ভোটারের ভোটে সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকার জনগণের সরকার, নির্বাচিত সরকার। যেখানে ২৮টি দল অংশ নিয়েছে।”

    তিনি বলেন, “সরকারকে যারা বিদেশিদের ভয় দেখায়, তাদের দেশপ্রেম নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। চীন-ভারত-রাশিয়া আমাদের বন্ধু হতে পারে, কিন্তু আমাদের সরকারকে কোনো বিদেশি শক্তি ক্ষমতায় বসায়নি। দেশের মানুষের বিপুল ভোটে এ সরকার নির্বাচিত হয়েছে। শেখ হাসিনা মহান আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “১৫ বছর গেল, সামনে আরও ৫ বছর। লন্ডনের তারেক রহমানে আর কারো আস্থা নেই। নেতাকর্মীরা এখন আর তারেকের ফরমায়েশে কান দেয় না।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “কালো পতাকা মানে শোকের মিছিল। এ আরেক ভুয়া কর্মসূচি। ৩০ তারিখে আবার ডেকেছে, সেটাও ভুয়া। আপনারা সবাই ৩০ জানুয়ারি সকাল থেকে মাঠে থাকবেন।”

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ৩০ তারিখ পতাকা হাতে ‘শান্তি, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন’ সমাবেশে অংশ নেবেন। তারা সতর্ক পাহারায় থাকবেন।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “এদের আমরা আর বাড়তে দিতে পারি না, এদের রুখতে হবে। স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এদের মোকাবিলা করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “নির্বাচনের খেলা শেষ, এখন খেলা রাজনীতির। দুর্নীতির বিরুদ্ধে,  সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধেও খেলা হবে। খেলা হবে হরতাল ও আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। ৩০ তারিখ আবার কালো পতাকা মিছিল। সে দিন আপনারা লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে গণতন্ত্র, শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবেন।”

    আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “কালো পতাকা কাকে দেখাবে? বিএনপির উচিত ছিল, নেতারা যারা ব্যর্থ কর্মসূচি দিয়েছে, তাদের কালো পতাকা দেখিয়ে তৃণমূল নেতাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসা। এখন বিএনপিকে আগামী পাঁচ বছর নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য এমন কোনো হীন কাজ নেই, যা তারা (বিএনপি) করেনি। বিদেশি ষড়যন্ত্রসহ সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করেছি। আজকে আমাদের আনন্দের দিন, পঞ্চমবারের মতো আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবার সরকার এসেছে। এতে দক্ষিণ আওয়ামী লীগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

    কামরুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ করার প্রত্যয় নিয়ে শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি নির্বাচনে না এসে, নির্বাচন বন্ধ করার চেষ্টা করে, মানুষ পুড়িয়ে মেরে যে অপরাধ করেছে- সে অপরাধের বোধ তাদের হবে। তারা হয় তাদের ভুল স্বীকার করে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবে, না হয় জনগণের কাছে ভুল স্বীকার করে আবার রাজনীতিতে আসবে।”

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করেছে। বিএনপি কালো পতাকা কাকে দেখাতে চায়? জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে কালো পতাকা দেখিয়ে দিয়েছে। তাদের আন্দোলনে বিদেশিরা সাড়া দেয়নি। দেশের জনগণ তাদের কালো পতাকা দেখিয়েছে।”

    মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, “নির্বাচন কোনো দল বয়কট করলে কিছু যায় আসে না। নির্বাচনে এই দেশের জনগণের অংশগ্রহণ বলে দেয় তাদের ষড়যন্ত্র বানচাল হয়ে গেছে। যতক্ষণ জনগণ থাকে ততক্ষণ বানচাল করার কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশের মানুষ উন্নয়ন চায়, এই অপশক্তির বিলীন দেখতে চায়।”

    সূত্র: বাসস

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩৩৩-এ অভিযোগ জানানো যাবে: পলক

    দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩৩৩-এ অভিযোগ জানানো যাবে: পলক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪: চলতি মাসের মধ্যেই দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩৩৩-এ অভিযোগ জানানো যাবে, বলে জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, “আমরা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ থেকে আলোচনা করে দেখেছি- যেকোনো পণ্য উৎপাদন, মজুদ, বাজারজাত, বিপণন এবং আমদানি- এ পাঁচটি বিষয়ে সঠিক তথ্য ও তথ্য সংগ্রহ এবং নিজেদের মধ্যে আদান প্রদান করা যায় তাহলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার করে তথ্য বিশ্লেষণ করে দ্রব্যমূল্য কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। কতটুকু ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে পারি।”

    আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বাজার সংক্রান্ত অংশীজনদের অংশ গ্রহণে আয়োজিত ‘বাজার দরে অধিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং এ বিষয়ে ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে উদ্ভাবনী পরিবর্তন আনায়ন’ সংক্রান্ত পরামর্শক সভার শুরুতে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা কথা উল্লেখ করে পলক বলেন, “দ্রব্যমূল্য যেন আমাদের ক্রয় ক্ষমতার ভিতর থাকে, যার যতটুকু অবদান রাখার সুযোগ আছে সে যেন ততটুকু করে।”

    পলক বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে একটি কল সেন্টার চেয়েছে। আমরা আলাদা কল সেন্টার না করে পণ্যর উৎপাদন, মজুদ, বাজারজাত, বিপণন এবং আমদানির রিয়েল টাইম তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দিতে চাই।”

    তিনি বলেন, “রমজান উপলক্ষে আমরা কল সেন্টার- ৩৩৩ এর পরে একটা ডিজিট বরাদ্দ করবো। যেখানে যেকোনো নাগরিক ফোন করে আলু, ছোলা, পেঁয়াজ, খেজুর বা সবজিসহ সবকিছু সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম কোন দোকান বা সুপার মার্কেট কত দাম চেয়েছেন তা নিতেও পারবেন এবং দিতেও পারবেন। তাহলে ধরেন আজকে ঢাকা শহরে এক কেজি খেজুর ১০ টাকা হয়, নাটোরে যদি ৫ টাকা হয় তাহলে জানতে পারবো।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “৩৩৩-তে আমরা একটা বাড়তি ডিজিট যোগ করবো যেখানে কোনো ভোক্তা পণ্যের তথ্য, অভিযোগ ও পরামর্শ দিতে পারবেন। ভোক্তা যখন দেখবে যে দাম বেশি তখন কল সেন্টার থেকে ভোক্তা অধিকারের স্থানন্তর করা হবে এবং অ্যাকশন নেওয়া হবে।”

    সরকারি গুদামের মজুতের তথ্য জানতে পারলেও বেসরকারি গুদামের মজুত আমরা জানতে পারি না উল্লেখ করে পলক বলেন, “আমরা বেসরকারির তথ্যটা চাই। আমরা ‘ফুড ফর ন্যাশন’ এর আওতায় একটি ওয়েব সাইট খুলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেব, সেখানে পণ্যের উৎপাদন ও মজুতের তথ্য থাকবে। ধরেন, চালের উৎপাদন, মজুত, আমদানি এবং বাজারে এত পরিমাণ আছে। আর ২০ বা ৩০ জন শীর্ষ ব্যবসায়ীর গুদামে কতখানি পণ্য আছে। সেটি প্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী স্মার্টফোনে দেখতে পারবেন। কোনো কারসাজি হলে তার দুজন জানতে পারবেন।”

    তিনি আরও বলেন, “পাশাপাশি পণ্যের দাম ওয়েবসাইটে আমরা জনসাধারণের জন্য ওপেন করে দেব যাতে সবাই জানতে পারেন। এভাবে যেখানে সরবরাহ কম থাকবে সেখানে পরের ঘণ্টায় সরবরাহ বাড়িয়ে স্বাভাবিক করে দিলাম। তাহলে মার্কেট ডাউন হয়ে যাবে। যারা মজুত করবে তারা লস খাবে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শহর থেকে গ্রামে দামের ফারাক কমানো, মজুমদারদের কারসাজি এড়ানো এবং পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করাই উদ্দেশ্য।”