Tag: ক্যান্সার

  • সতর্ক হলে ‘হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার’ থেকে মুক্তি মেলে

    সতর্ক হলে ‘হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার’ থেকে মুক্তি মেলে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৭ মার্চ, ২০২৪: হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার যে কোন বয়সের মানুষের হতে পারে।  বাংলাদেশের শিশুরা যত ধরনের ক্যান্সারে ভোগে তার আট থেকে ১০ শতাংশই হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সারে আক্রান্ত। শিশুদের মধ্যে এই ক্যানসার জিনগত কারণে হয় বলে এটি প্রতিরোধের কোনো উপায় নেই। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে যা প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

    প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি নির্ণয় হলে এবং সঠিক সময় চিকিৎসা নিলে সব বয়সী রোগীর শতভাগ সেরে ওঠা সম্ভব।

     

    হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার বলতে মানুষের মাথা থেকে ঘাড় পর্যন্ত অন্তত ৩০টি অংশের ক্যান্সারকে বুঝিয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে মানুষের নাক, নাকের গহ্বর, সাইনাস, ঠোঁট, জিহ্বা, মাড়ি, গালের ভেতরের অংশ, মুখের তালু, গলা, কণ্ঠনালী, শ্বাসনালী, খাদ্যনালী, টনসিল, লালাগ্রন্থি, হেড নেকের ত্বক, ইত্যাদি।

    ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের সর্বশেষ প্রকাশিত ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরুষের প্রথম ১০টি ক্যানসারের মধ্যে অন্তত চারটি এই হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারের সাথে সম্পৃক্ত।

    অন্যদিকে, নারীদের প্রথম ১০টি ক্যানসারের মধ্যে তিনটি হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারের সাথে সম্পৃক্ত। অর্থাৎ সব ক্যান্সারের মধ্যে হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

     

    হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সারের লক্ষণ:

    মাথা ও ঘাড়ের একেকটি অংশের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে একেক ধরণের লক্ষণ দেখা দেয়। তাই নীচের লক্ষণের কোনো একটি বা একাধিক দেখা দিলে এবং ১৫ দিনেও না সারলে দেরী না করে একজন নাক কান গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে বলেছেন চিকিৎসকরা।

     

    • গলায় দীর্ঘসময় ধরে ব্যথা, খাবার চিবিয়ে খেতে বা গিলতে কষ্ট
    • শ্বাস নিতে কষ্ট, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, শ্বাস নিতে গেলে শব্দ হওয়া, গন্ধের অনুভূতি কমে যাওয়া
    • অবিরাম কাশি
    • গালে, জিহ্বায় বা মুখ গহ্বরে কোথাও কোনো সাদা বা লাল ক্ষত হওয়া, যা দুই সপ্তাহ পরেও সারছে না
    • দীর্ঘদিন সর্দি, নাক থেকে রক্তক্ষরণ
    • গলার স্বর পরিবর্তন হয়ে যাওয়া, কথা বলতে কষ্ট হওয়া
    • মুখের কোনো অংশ যেমন চোখের ওপরে, ঘাড়ে, গলায়,নাকের চারপাশ, কানের আশপাশ বা চোয়াল ফুলে যাওয়া বা মুখের এক পাশ ফুলে যাওয়া, যা দীর্ঘদিনেও সারছে না
    • মুখে ব্যথা, মুখ খুলতে সমস্যা, মুখে অসারতা বা মুখ ঝুলে যাওয়া
    • কানে ব্যথা, এক কানে শুনতে সমস্যা
    • দাঁতে ব্যথা
    • থেমে থেমে জ্বর ও দীর্ঘদিন মাথাব্যথা

     

    হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার কেন হয় এবং কাদের হয়:

    এই ক্যান্সার হওয়ার মূল কারণ তামাক ও মদ।

    • ধূমপান ও মদ্যপান একসাথে করা
    • পান, জর্দা, সাদা পাতা, চুন, গুল, খৈনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস
    • মুখ অপরিস্কার রাখা ও দাঁত ব্রাশ না করা
    • দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
    • বংশে কারো ক্যান্সারের ইতিহাস এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়
    • সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির অতিরিক্ত সংস্পর্শ, গায়ের রং পুড়িয়ে কালো করার প্রবণতা বেশি থাকলে ঠোঁটের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে
    • মাথা ও ঘাড়ে অতিরিক্ত রেডিয়েশন ট্রিটমেন্ট নেয়া
    • নির্মাণ, টেক্সটাইল, সিরামিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কাজ করা, যা মানুষকে প্রতিনিয়ত কাঠের ধুলো, ফর্মালডিহাইড, অ্যাসবেস্টস, নিকেলসহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আনে, এতে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে
    • এপস্টাইন-বার ভাইরাসের সংক্রমণে মনোনিউক্লিওসিস কিংবা অন্যান্য অসুস্থতায় আক্রান্ত হলে অথবা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে
    • শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সীরা এতে আক্রান্ত হতে পারেন, তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়, নারীদের তুলনায় পুরুষদের এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুন বেশি
    • দেখা গেছে, প্রতি ১০০ জন ক্যান্সার আক্রান্ত পুরুষের মধ্যে ৩৩ জন এবং ১০০ জন ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের মধ্যে ১১-১৩ জন হেড ও নেক ক্যান্সারে আক্রান্ত।

     

    ঝুঁকি কমাতে করণীয়:

    এ ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা-

    • ধূমপান, মদপান ও যেকোনো ধরণের তামাক গ্রহণ বন্ধ করা
    • মুখের ভেতর পরিস্কার রাখতে প্রতিদিন ব্রাশ করা
    • নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে চেকআপ করানো কারণ প্রায়শই মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের লক্ষণ দাঁতের পরীক্ষা করাতে গিয়ে বেরিয়ে আসে
    • চিকিৎসকের পরামর্শে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস-এইচপিভি টিকা গ্রহণ
    • সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে ছাতা ও টুপি ব্যবহার, ত্বকে সানস্ক্রিন ও ঠোঁটে সানস্ক্রিনযুক্ত লিপবাম ব্যবহার করা

     

    চিকিৎসা:

    • চিকিৎসা দেয়ার আগে চিকিৎসকরা মূলত রোগীর ইতিহাস জেনে নিয়ে থাকেন যে, কবে থেকে এসব লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।
    • এরপর কোন অংশে ক্যান্সার সেই তথ্যের ভিত্তিতে শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। সিটি স্ক্যান, এমআরআই, পিটিই, ন্যাজো অ্যান্ডোস্কোপি, সেইসাথে রক্ত ও প্রস্রাবের বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়।
    • পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চিকিৎসকরা অস্ত্রপচার করতে পারেন এবং বায়োপসি করানো হতে পারে।
    • প্রয়োজন হলে কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি চলে।

     

    তবে ক্যান্সার একবার সেরে উঠলেও পুনরায় ফিরে আসতে পারে। এজন্য চিকিৎসকরা ক্যান্সার থেকে সেরে ওঠার পর পরবর্তী চেক আপ অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

     

    হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সারের বিষয়ে বিস্তারিত সব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ও নাক কান গলা বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • বেশি লবণ খেলে হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, ক্যান্সার, হাড় ক্ষয় ও কিডনি রোগ হয়

    বেশি লবণ খেলে হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, ক্যান্সার, হাড় ক্ষয় ও কিডনি রোগ হয়

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩: অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস রোগ মানুষের শরিরে বাসা বাঁধে। আর এই ডায়াবেটিস হচ্ছে সকল রোগের কারণ। ঠিক তেমনি অতিরিক্ত লবণ খেলে হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, ক্যান্সার, হাড় ক্ষয় ও কিডনি রোগ হয়। আবার লবণ ছাড়া কোন খবারের স্বাধ বাড়ে না। তাই খাবারের সঙ্গে লবনের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। কারণ লবণের একটি উপাদান হচ্ছে সোডিয়াম। যেটি অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

     

    বেশি লবণ খেলে কী হয়?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে। এছাড়া হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার, স্থূলতা, অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয়, মেনিয়ার ডিজিজ নামে এক ধরনের কানের রোগ, এবং কিডনি রোগ দেখা দিতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতি বছর বিশ্বে ১৮ লাখ ৯০ হাজার মৃত্যুর জন্য অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ দায়ী। কেননা অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ।

    যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এনএইচএস বলছে, অতিরিক্ত লবণ খেলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। যার কারণে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মানবদেহে স্নায়ুতে সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখা, মাংসপেশি সংকোচন ও শিথিল করতে এবং দেহে পানি ও খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য অল্প পরিমাণ সোডিয়াম দরকার। এই কাজগুলো ঠিকঠাক রাখতে আমাদের দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম দরকার। তবে খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া এর কারণে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এমনকি হাড় থেকেও ক্যালসিয়াম শুষে নিতে পারে সোডিয়াম।

    পুষ্টিবিদরা বলেন, ‘একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের জন্য সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার লবণ দরকারি এবং অবশ্যই এটা আয়োডিন যুক্ত হতে হবে।’

    তবে মানুষের জীবনে ব্যস্ততা বাড়ার কারণে এখন অনেকেই প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে থাকেন যেগুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণ লবণ থাকে। আর অতিরিক্ত লবণ দেহের জন্য ক্ষতিকর কারণ এতে সোডিয়ামের মাত্রাও বেশি থাকে।

    আর এর কারণে আমাদের যেকোন রোগ খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়। এরমধ্যে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া সংক্রামক নয় এমন রোগ যেমন ডায়াবেটিস ইত্যাদি বাড়ছে।

    তাইবলে এই খাবারে লবণ একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। লবণ না খেলেও আবার এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার লবণ খেলেও সেটা যাতে আয়োডিন যুক্ত হয় সেটি মাথায় রাখতে হবে।

    যদি লবণ বেশি খাওয়া হয় সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করবে হার্ট ও কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে যারা কিডনি রোগে ভুগছেন, নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে- এমন রোগীদের জন্য সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ফসফেট রোগের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে। এগুলো (রক্তের একটি উপাদান যার স্বাভাবিক মাত্রা ১.৮ থেকে ১.৯) লেভেলকে ইনক্রিজ করে ফেলছে, কিডনি ড্যামেজ করে ফেলছে এবং যাদের ব্লাড

    পুষ্টিবিদরা আরও, যাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ আছে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের কিডনি সম্পর্কিত জটিলতা না থাকলেও সোডিয়াম ও পটাসিয়াম বেশি থাকলে ক্রিয়েটিনিন লেভেল বেড়ে যাওয়ার কারণে তাদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। হার্টের রোগের মধ্যে ব্লাড প্রেশারটা হচ্ছে প্রথম স্টেপ। এরপর কোলেস্টেরল বাড়ছে এবং এরপর আমাদের হার্টের অ্যাটাক, স্ট্রোক হচ্ছে।

    তাই আমাদের দৈনন্দিন খবারে লবণ যেমন প্রয়োজন ঠিক তেমনি অতিরিক্ত লবণ বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।

    মানুষ নিজের অজান্তেই বেশি লবণ খেয়ে ফেলে যা আসলে নিয়ন্ত্রণে আনাটা দরকার। আমরা যে পরিমাণ লবণ খায় তার তিন-চতুর্থাংশ আসে প্যাকেটজাত বিভিন্ন খাবার যেগুলো আমরা কিনে খাই তা থেকে। যেমন বিভিন্ন রকমের রুটি, সকালের নাস্তার সিরিয়াল, মাংসজাত পণ্য এবং প্রস্তুতকৃত খাবার থেকে। যদিও এসব খাবার খাওয়ার সময় লবণাক্ত মনে হয় না। এছাড়া রেস্তোরা বা ক্যাফের খাবার এবং বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুডেও প্রচুর পরিমাণ লবণ থাকে।

    যেসব খাবার সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার তার মধ্যে রয়েছে সসেজ, প্রক্রিয়াজাত মাংস, পেস্ট্রি, পিজ্জা, পনির, চিপস ও লবণ বা মশলা দেয়া বাদাম, বিভিন্ন ধরনের সস, কেচাপ ও সয়াসস। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে লবণ দেয়া থাকে।

    তাই আমরা অজান্তেই যেন লবণ বেশি না খেয়ে ফেলি সেদিকে সবার দৃষ্টি দেওয়া উচিৎ।

    পুষ্টিবিদরা বলছেন, সুস্থ মানুষদের ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ফলমূল, শাকসবজি বেশি করে থাকতে হবে। বিশেষ করে সাইট্রাস ফ্রুট বা টক জাতীয় খাবারে পটাসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা