Tag: কর্মশালা

  • বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গল্প লেখা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গল্প লেখা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের আবেদন জীবনে শুধু বৈচিত্র্যই আনেনা, মানুষকে ভাবায়, মানবিক মূল্যবোধের সৃষ্টি করে, সংস্কারমুক্ত ও সংগ্রামী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। দেশকে ভালোবাসতে শেখায়। ছোটগল্পে যেমন থাকে প্রেম, তেমনি থাকে সংঘাত।তাই ছোটগল্প জীবনের সঙ্গে অতোপ্রতোভাবে জড়িযে আছে। থাকবে অনন্তকাল।

    কালের বিবর্তনে ছোটগল্প লেখায় এসেছে বিভিন্ন ধারা। আগে যেমন একটি বিষয়কে সরাসরি বলা হতো এখন তা নয়। তাই গল্প লেখায় এসেছে নতুন ধারা। তাই এই গল্প লেখা জন্য আয়োজন করা হচ্ছে কর্মশালার।

    সদ্য ‘গল্পের কলকব্জা’ শীর্ষক গল্প লেখার একটি কর্মশালা আয়োজন করে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পলয়ে অনু্ষ্ঠিত কর্মশায় গল্প লেখার নানা কলাকৌশল সম্পর্কে আলোকপাত করেন দেশের বরেণ্য গল্প লেখকরা।

    আজ শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গল্প লেখার নানা করণকৌশল সম্পর্কে আলোকপাত করবেন সাহিত্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক সুব্রত বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এবং কথাসাহিত্যিক আহমাদ মোস্তফা কামাল, সাদিয়া মাহজাবীন ইমাম ও মোজাফফর হোসেন।

    কর্মশালায় বক্তারা বলেন, গল্প লেখার জন্য প্রথমে একটি ভালো ধারণা প্রয়োজন। ধারণা ঠিক হয়ে গেলে তা লেখার মাধ্যমে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে হবে। গল্পের চরিত্র, পরিবেশ ও ঘটনাবলীর মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা আবশ্যক।

    তারা বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ পড়ার থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বা রিলস দেখে বেশি সময় অতিবাহিত করেন। এমন একটা সময়ের মধ্যে পাঠককে লেখার মধ্যে আকৃষ্ট করে রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

    অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নির্বাচিত উদীয়মান লেখকরা এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। নবীন লেখকদের সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করার জন্যই মূলত এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

    উল্লেখ্য, আইএফআইসি ব্যাংক-নিবেদিত ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০২৩’ দেওয়া উপলক্ষে এবার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

  • শিল্পকলার আয়োজনে ‘ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত

    শিল্পকলার আয়োজনে ‘ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২ দিনব্যাপী ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালা। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান আর্ট মার্কেটের অংশ হিসেবে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ১০ জন করে ২০ জন অংশগ্রহণকারীকে এ কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

    জাপানিজ শিল্পকলা ইকেবানা হলো ফুল, পাতা, শাখা প্রশাখার শৈল্পিক সমন্বয় পদ্ধতি, যা ফুলের বিন্যাসের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয়। শিল্পকলা হিসেবে এটি শুধু সজ্জায়নের জন্যই নয়, এর দার্শনিক ভাবধারাও রয়েছে। মুলত জীবন্ত ফুল দিয়েই এই শিল্পকর্মটি তৈরী করা হয়।

    অন্যদিকে অরিগামি হলো কাগজের ভাঁজের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট জিনিসের আকৃতি দেয়া। এটিও মুলত জাপানি ঐতিহ্য। অরি মানে ভাঁজ আর গামি অর্থ কাগজ। অরিগামির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ধরন হলো অ্যাকশন অরিগামি, মডিউলার অরিগামি, ওয়েট ফোল্ডিং ও অনান্য। সাধারণত কোন কিছুর সাহায্য ছাড়াই কাগজে নানা আকৃতি বা অবয়ব তৈরী করা হয়।

    ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ দুদিনব্যাপী ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন ‘জাপানি ঐতিহ্য হলেও ইকেবানা ও অরিগামি শিল্পকলা হিসেবে বাংলাদেশেও ভীষণ জনপ্রিয়। ফুল ও কাগজের তৈরী এ ধরনের শৈল্পিক পরিবেশনা আমাদের প্রত্যেকের ঘরেও কমবেশি দেখা যায়। সেটাকেই আরো কিভাবে নান্দনিক ও সুন্দর করা যায় সেই প্রচেষ্ঠাতেই আমাদের এই আয়োজন।’

    পরে সহযোগিতার জন্য জাপান দূতাবাসকে কৃতজ্ঞতা জানান মহাপরিচালক।

    পুরো আয়োজনে সমন্বয়ক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের ইন্সট্রাক্টর মাহিম সিনথিয়া।

  • ঢাকা ওয়াটারকালার একাডেমির দিনব্যাপী জলরং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ঢাকা ওয়াটারকালার একাডেমির দিনব্যাপী জলরং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: শিল্পী শাহানুর মামুনের প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ওয়াটারকালার একাডেমির আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় দিনব্যাপী জলরং কর্মলাশা অনুষ্ঠিত হয়। নেপালি শিল্পী এনবি গুরুং এবং শাহানুর মামুন যৌথভাবে কর্মশালা পরিচালনা করেন।

    প্রতিশ্রুতিশীল ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান ১১০ জন শিল্পী এই কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন। তরুন শিল্পীদের উৎসাহ দিতে চারজন শিল্পীকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কৃত শিল্পীরা হলেন জান্নাতুল ফেরদৌস, জাহিদ খান, আলাউদ্দিন আজাদ ও সামিউল আলম।

    ‘ঢাকা ওয়াটারকালার একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় তরুনদের মধ্যে জলরং’কে জনপ্রিয় করতে। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এবং জলরঙে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দয সবচেয়ে সুন্দর করে উপস্থাপিত হয়। জলরং বেশ কষ্টসাধ্য এবং নিয়মিত চর্চা করতে হয়। বাংলাদেশের তরুন শিল্পীদের দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি।বলেন ঢাকা ওয়াটার কালার একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক শাহানুর মামুন।

    তিনি আরও বলেন, “আমরা নিয়মিত দেশী-বিদেশী শিল্পী ও প্রশিক্ষকের মাধ্যমে কর্মশালা, আর্ট ক্যাম্প ও প্রদর্শনীর আয়োজন করে থাকি। নেপাল থেকে আগত বিখ্যাত জলরং শিল্পী ও প্রশিক্ষক এনবি গুরুং এর কাছ থেকে আমাদের তরুন শিল্পীরা অনেক কিছু শিখতে পারবে আশা করি।”

    “এই তরুণ শিল্পীরা পরিশ্রমী ও আন্তরিক। তারা আরও ভাল করবে এবং আমি চাই তারা দেশে এবং বিদেশে তাদের শৈল্পিক উৎকর্ষ দেখাবে” বলেন এনবি গুরুং।

    “আমরা তরুণ অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করি সবসময়।তাদের শিল্পকর্মের উপর ভিত্তি করে চারজন শিল্পীকে সম্মানিত করছি। ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি সমসাময়িক শিল্পীরা এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন এবং আমরা এই কর্মশালায় করা চিত্রকর্ম নিয়ে খুব শীঘ্রই একটি দলগত প্রদর্শনীর আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি” বলেন ঢাকা ওয়াটার কালার একাডেমির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জান্নাতুন নাহার রিন্টি।

    পুরষ্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত ভাস্কর-চিত্রশিল্পীহামিদুজ্জামান খান, ভাস্কর আইভি জামান, নেপালি শিল্পী এনবি গুরুং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাবির শিক্ষক আনিসুজ্জামান আনিস ও কামালউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিল্পী শাহানুর মামুন।

    অংশগ্রহণকারী ও পুরস্কার প্রাপ্তরা অতিথিদের কাছ থেকে সনদ ও সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।