Tag: ঈদ জামাত

  • দিনাজপুরে ৬ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

    দিনাজপুরে ৬ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ এপ্রিল, ২০২৪: দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ উদযাপিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতর জামাত।সকাল ৯টায় প্রায় ৬ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে সেখানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    ঐতিহাসিক এ ঈদের জামাতে অংশ নিতে দিনাজপুর সদর উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের কয়েকটি জেলার মুসল্লিরা আসেন। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল জামে মসজিদের ইমাম শামসুল হক কাসেমি।

    নামাজে অংশ নেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, স্থানীয় সংসদ সদস্য হুইপ ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ, পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) তৌয়বুল আলম দুলাল, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সর্বস্তরের জনগণ।

    বৃহৎ এ জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ছিল কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি। মাঠের আশপাশে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও তৎপর ছিলেন।

    নামাজ শেষে ঈদগাহ মাঠের সমন্বয়ক, পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, আয়তনের দিক দিয়ে এটি উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠ। এর আয়তন প্রায় ২২ একর। এবার দিনাজপুর জেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলার প্রায় ছয় লাখ মুসল্লি এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থায়নে এ মাঠের সুন্দর মিনারটি নির্মিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এটিকে আরও সুন্দর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ঈদের নামাজের আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) তৌয়বুল  আলম দুলাল, পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ, জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম।

    জানা যায়, ২০১৫ সালে এ ঈদগাহ মাঠের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর পর এটি নামাজের জন্য পুরো প্রস্তুত করা হয়। এ ঈদগাহে রয়েছে ৫২টি গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে দু’টি মিনার, এর মধ্যের দুটি মিনার ৫০ ফুট করে এবং প্রধান মিনারের উচ্চতা ৫৫ ফুট। এসব মিনার আর গম্বুজের প্রস্থ হলো ৫১৬ ফুট। দেশের বড় ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানের পশ্চিম দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ ঈদগাহ মিনারটি। প্রত্যেকটি গম্বুজে দেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক বাতি সংযোগ। ৫২টি গম্বুজ ২০ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে। গেট দুটির উচ্চতা ৩০ ফুট নির্মাণে নান্দনিক স্থাপনা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

    উল্লেখ্য, আগে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতো কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এখন দিনাজপুরের ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মাঠে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

  • বৃষ্টি হলেও ঈদের জামাতে কোন সমস্যা হবে না: মেয়র তাপস

    বৃষ্টি হলেও ঈদের জামাতে কোন সমস্যা হবে না: মেয়র তাপস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ এপ্রিল, ২০২৪: বৃষ্টি হলেও ঈদের জামাতে কোন সমস্যা হবে না, বলে জানিয়ে্যেছের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, গত বছর প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ার পরেও এখানে কোনো ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি। এক ফোঁটা পানিও ভেতরে আসতে পারেনি এবং সবাই সুন্দরভাবে জামাতে অংশ নিতে পেরেছে। যদিওবা এবার আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে। তারপরেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই আমরা ইতোমধ্যে আমাদের সব আয়োজন সম্পন্ন করেছি। তবু সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

    মেয়র তাপস বলেন, “যদি এখানে সম্ভব না হয় তাহলে বায়তুল মোকাররমে পরবর্তী জামাত অনুষ্ঠিত হবে (সকাল ৯টায়)। আমি মনে করি, আমাদের যে আয়োজন আছে এটার মাধ্যমে সবাই এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে জামাতে অংশ নিতে পারবেন।”

    মেয়র ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে ঢাকাবাসীকে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত আদায় করার আহ্বান জানান। তিনি এ সময় ঢাকাবাসী ও দেশবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান।

    এছাড়া জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন বলেও তিনি গণমাধ্যমকে জানান।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, করপোরেশনের অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাবুল, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ দিনাজপুর ঈদগাহ মাঠ

    ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ দিনাজপুর ঈদগাহ মাঠ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ এপ্রিল, ২০২৪: ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ মাঠ। ইতিমধ্যে নামাজ আদায়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন।

    সবুজ ঘাসে মোড়ানো দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ মাঠের আয়তন ২২ একর। মাঠের পশ্চিমে রয়েছে লাল খয়েরি আর সাদা রংয়ের মিশ্রণে ৫১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের সুউচ্চ ঈদগাহ মিনার। বাংলাদেশ তথা এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে এই মাঠে। দিনাজপুর জেলা প্রশাসন আসন্ন ঈদুল ফিতরে লাখো মুসল্লির নামাজ আদায়ের জন্য গোর-এ-শহীদ মাঠ প্রস্তুত করছে । এই ময়দানে নামাজ আদায় করতে আসা দূরের মুসল্লিদের জন্য থাকছে বিশেষ দুটি ট্রেন।

    দিনাপুর থেকে শাহরিয়ার সুমন জানান, গোর-এ-শহীদ ময়দানে মিনারটি তৈরি হবার পরে ২০১৭ সালে প্রথম বৃহৎ পরিসরে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিবারের ন্যায় এবারও যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাঠে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। র‍্যাব, পুলিশ, আনসার সদ্যসরা ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবেন। মাঠে প্রবেশের জন্য মোট ১৯টি গেট তৈরি করা হয়েছে। এসব গেটে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। থাকবে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে। ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা শামসুল ইসলাম কাসেমী।

    জানা গেছে, এশিয়া উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠে ২০২৩ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতরে এই মাঠে এক সঙ্গে ৬ লক্ষাধিক মানুষ নামাজ আদায় করেছিল।

    এদিকে গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে দুটি বিশেষ ট্রেন থাকছে। একটি ট্রেন ঠাকুরগাঁও থেকে ছেড়ে সেতাবগঞ্জ হয়ে দিনাজপুর এবং আরেকটি পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে চিরিরবন্দর থেকে দিনাজপুর আসবে। ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদের দিন ট্রেনটি ভোর ৫টায় ছাড়বে। ট্রেনটি ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ, পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ, মঙ্গলপুর ও কাঞ্চন ট্রেন স্টেশনে যাত্রা বিরতী দিয়ে সকাল সোয়া ৭টায় দিনাজপুর স্টেশনে আসবে। অপরদিকে পার্বতীপুরে সকাল ৬টায় ট্রেনটি ছেড়ে মন্মথপুর, চিরিরবন্দর, কাউগাঁওয়ে যাত্রাবিরতী দিয়ে সকাল পৌনে ৭টায় দিনাজপুর স্টেশনে এসে থামবে। অপরদিকে নামাজের পর সোয়া ৯টায় পার্বতীপুরমুখী ও সাড়ে ৯টায় ঠাকুরগাঁও মুখী ট্রেনটি দিনাজপুর স্টেশনে ত্যাগ করবে।