Tag: ইসরায়েল

  • দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে ইসরায়েল

    দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে ইসরায়েল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৪ জুন, ২০২৪: প্রায় আট মাস ধরে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এখন আবার নতুন লড়াইয়ের মুখোমুখি হযছে দেশটি। আর সে লড়াই হচ্ছে দেশটির উত্তরাঞ্চলে তীব্র দাবানল নিয়ন্ত্রণের লড়াই।

    জানা গেছে, প্রতিবেশী লেবানন থেকে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরই এই দাবানল শুরু হয়।

    ইসরায়েলি পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে অগ্নিনির্বাপক ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে। কিরিয়াত শমোনা থেকে বেশ কিছু বাড়ি থেকে লোকজনকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, অগ্নিনির্বাপক দলের সদস্যদের সহযোগিতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    তারা বলছে, ঘন ধোঁয়ার কারণে আইডিএফের ছয় রিজার্ভ সৈন্য সামান্য আহত হয়েছে।

    সেনাবাহিনী থেকে আরো বলা হয়েছে, যেসব জায়গায় আগুন লেগেছে সেনাবাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছে। এই মুহূর্তে কোন মানুষের জীবন ঝুঁকিতে নেই।

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, তারা সেনাবাহিনীর সাথে দাবানলের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

    লেবাননের রকেট হামলার পর সোমবার এই আগুনের সূত্রপাত বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে উল্লেখ করা হয়।

    প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে।

    এখন দেখার বিষয় দেশটি আর কতদিনের মধ্যে এই ভয়ানক দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। কেননা এখন বিশ্ব পরিবেশ বেশ গরম। এই অবস্থায় এই দাবনল দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশটিতে প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

    সূত্র: বাসস

  • গাজায় হামাসকে নির্মূল করতে চায় ইসরায়েল

    গাজায় হামাসকে নির্মূল করতে চায় ইসরায়েল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৩ জুন, ২০২৪: গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসকে নিমূল করতে গাজায় অভিযান চালায় ইসরায়েল। এই অভিযান এখনও চলছে। যদিও ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় ৩৬ হাজরেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।সেখানে দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উপেক্ষা করে ইসরায়েল জানিয়েছে গাজায় যেকোনও মূল্যে হামাসকে নির্মূল করতে চায়। অন্যদিকে পাল্টা প্রতিরোধে গাজায় এখনও অবস্থান ধরে রেখেছে হামাস।

    এর মধ্যে চলছে যুদ্ধবিরতির আলোচনাও। হামাস বলছে, যুদ্ধের পরও তারা গাজায় থাকবে। তবে গাজায় হামাসের শাসন আর কোনোভাবেই মেনে নেবে না ইসরায়েল। এমন ঘোষণাই দিয়েছে আগ্রাসী এই দেশটি।

    আজ সোমবার (৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজায় হামাসের শাসন আর মেনে নেবে না এবং হামাসের বিকল্প কারা হতে পারে সেটি তারা (ইসরায়েল) পরীক্ষা করছে বলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন। তার এই বক্তব্যকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে অগ্রাহ্য করার আরও একটি ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপগুলো পরিচালনা করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা বাহিনী হামাসের বিকল্প শাসক খুঁজে বের করার বিষয়টি মূল্যায়ন করছে।’

    গ্যালান্ট বলেছেন, ‘আমরা একের পর এক এলাকা বিচ্ছিন্ন করব, সেই এলাকাগুলো থেকে হামাস সদস্যদের সরিয়ে দেব এবং এমন একটি বাহিনী তৈরি করব যা (হামাসের) একটি বিকল্প সরকার গঠন করতে পারবে এবং বিকল্প সেই সরকার হামাসের জন্যও হুমকি হবে।’

    ইসরায়েলি এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘একদিকে সামরিক পদক্ষেপ, অন্যদিকে সরকার পরিবর্তনের ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। চলমান যুদ্ধের এই দুটি লক্ষ্য আমাদের সামগ্রিক লক্ষ্য অর্জনের দিকে পরিচালিত করবে: (আর তা হলো) হামাস সরকার এবং এর সামরিক শক্তিকে ধ্বংস করা এবং বন্দিদের ফিরিয়ে আনা। যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে আমরা গাজায় হামাসের শাসন কোনো পর্যায়েই মেনে নেব না।’

    এর আগে গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত শুক্রবার একটি প্রস্তাব সামনে আনেন। বাইডেনের এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবটি ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শুরু হবে। যেখানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজার জনবহুল এলাকা থেকে সরে যাবে।

    চুক্তি অনুযায়ী, পরবর্তীতে সব বন্দিদের মুক্তি, শত্রুতা ও সংঘাতে স্থায়ী অবসান এবং ব্যাপকভাবে গাজা পুনর্নির্মাণ পরিকল্পনার মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    আল জাজিরা বলছে, গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন ওই প্রস্তাবটি ঘোষণা করার পরে সেটি মেনে নিতে ইসরায়েলের সরকারের ওপর ইতোমধ্যেই চাপ বাড়ছে। অবশ্য ২০০৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকা শাসন করা হামাস মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই প্রস্তাবটির বিষয়ে ‘ইতিবাচকভাবে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

    এদিকে গতকাল রবিবার রাতে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আর সেখানে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গৃহীত হলে ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকার ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    বেন-গভির বলেছেন, ‘এই চুক্তি … মানে যুদ্ধের সমাপ্তি এবং হামাসকে ধ্বংস করার লক্ষ্য পরিত্যাগ করা। বেপরোয়া এই চুক্তিটি হবে সন্ত্রাসবাদের বিজয় এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য এটি নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করবে।’

    নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোট সংসদে একটি ছোটখাটো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আছে। বেন-গভিরের ওটজমা ইয়েহুডিত (ইহুদি শক্তি) পার্টির ছয়টি আসন রয়েছে। আর স্মোট্রিসের ধর্মীয় জায়োনিজম পার্টির রয়েছে মাত্র সাতটি আসন। তারা ক্ষমতায় থাকতে জোটবদ্ধ হিসেবে সংসদে রয়েছে।

    এদিকে প্রাথমিকভাবে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। হামাস চুক্তিতে রাজি হলে ইসরাইলও গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেবে বলে ‘উচ্চ প্রত্যাশা’ রয়েছে মার্কিন সরকারের। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি এসব কথা জানিয়েছেন।

    তার পরেও ইসরায়েল জানিয়েছে তারা হামাসকে নির্মূল করেই যুদ্ধ বিরতিতে যাবে। এই অবস্থায় মার্কিন সরকার কি সিন্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার বিষয়।

  • মিসর ও কাতারের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে ইসরায়েল

    মিসর ও কাতারের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে ইসরায়েল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৭ এপ্রিল, ২০২৪: ‘গত ১৩ এপ্রিল মিসর ও কাতারের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে (যুদ্ধবিরতির) যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়া দিয়েছে ইসরায়েল।’ এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন হামাস মুখপাত্র খলিল আল হায়া।

    হামাসের এই মুখপাত্র আজ শনিবার (২৭ এপ্রিল) কাতার থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ৭ অক্টোবর গাজার উত্তরাঞ্চলীয় ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ঢুকে নির্বিচারের গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিককে হত্যা করে হামাস। সেই সঙ্গে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় আরও ২৪০ জনকে।

    এই আক্রমনের জবাবে সেই দিন থেকেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)গাজায় অভিযান শুরু করে । গত ছয় মাস ধরে চলমান সেই অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা, নিহত হয়েছেন ৩৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। নিহতদের অধিকাংশই শিশু, নারী ও বেসামরিক লোকজন।

    এর আগে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা-দূতিয়ালিতে গত ২৫ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অস্থায়ী বিরতি ঘোষণা করেছিল হামাস-আইডিএফ। সেই বিরতির সময় নিজেদের কব্জায় থাকা জিম্মিদের মধ্যে ১০৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে থেকে ১৫০ জনকে কারাগার থেকে ছেড়ে দিয়েছিল ইসরায়েলও।

    ওই বিরতি শেষ হওয়ার পর গাজায় দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করছিল মধ্যস্থতাকারী তিন দেশ। চলতি বছর রমজান মাস থেকে তা শুরু হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু মূলত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আপত্তির কারণে তা আর হয়নি। ফলে হামাসের কব্জায় থাকা বাকি ১৩২ জন জিম্মির ভাগ্য কী ঘটেছে— এখনও অজানা।

    কাতার এবং মিসরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তির জন্য প্রথম দফা বিরতির পর ২য় বার যুদ্ধবিরতির জন্য একাধিক বার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে হামাস এবং ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার কাছে। কিন্তু প্রতিটি প্রস্তাবে হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে এবং এই দাবির কারণে সেসব প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি ইসরায়েল।

    দুই পক্ষের মতানৈক্যের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসন এবং জিম্মিদের মুক্তির পথ তৈরি করতে বৃহস্পতিবার ইসরায়েল সফরে যায় মিসরের একটি সরকারি প্রতিনিধি দল। এদিকে, ওই দিনই হামাসের কব্জায় থাকা জিম্মিদের মুক্তির জন্য গোষ্ঠীটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেয় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ ১৭টি দেশ।

    হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতারা গত ১২ বছর ধরে কাতারে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। সম্প্রতি কাতার ইঙ্গিত দিয়েছে, যদি গাজায় যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে হামাসের ভূমিকা ইতিবাচক না হয়— তাহলে কাতার ছাড়তে হবে গোষ্ঠীটির নেতাদের।

    বৃহস্পতিবার ১৭টি দেশের চিঠি প্রসঙ্গে প্রাথমিক এক প্রতিক্রিয়ায় হামাস নেতারা বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক চাপের কাছে তারা মাথা নত করবেন না। তবে কয়ে ঘণ্টা পরই তারা ফের বলেন, ‘ফিলিস্তিনের জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও অধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ যে কোনো প্রস্তাবকে হামাস স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।’

    মিসরের প্রতিনিধিদলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৩ এপ্রিল পাঠানো প্রস্তাবে ৩৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দিতে সম্মতি জানিয়েছে হামাস।

    ফলে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি এবার বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • ইসরায়েলে চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

    ইসরায়েলে চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক  – ৭ এপ্রিল, ২০২৪: গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে আক্রমণ করে ২৫৩ জন ইসরায়েলের জনগণকে জিম্মি করে। এর মধ্যে বেশ কিছু  বিদেশি রয়েছে। হামাসের আক্রমণে প্রাণ হারায় অনেক ইসরায়েলি সেনা। এর পর থেকে ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে। ৫ মাস ধরে চলা এই হামলায় গাজায় সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভিক্ষ। বিশ্বের প্রতিটি দেশ যুদ্ধবন্দের আবেদন জানিয়েছে। এখেন দেশটিতেই সরকারবিরোধী আন্দোলন করছে জনগণ।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জিম্মি এলাদ কাতজিরের মরদেহ উদ্ধার করার পর আবারও তেল আবিবসহ ইসরায়েলের অন্যান্য শহর জুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    জিম্মি-মুক্তি-চুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে প্রায় লাখ খানেক মানুষ তেল আবিবের সবাবেশে সমাবেত হয়েছেন।  তারা স্লোগান দিচ্ছেন ‘এখনই নির্বাচন’ এবং ‘এলাদ, আমরা দুঃখিত’।

    গতকাল (৬ এপ্রিল) গাজা থেকে এলাদের মরদেহ উদ্ধার করে আইডিএফ। গত ৭ অক্টোবর নির ওজ নামের একটি এলাকা থেকে তাকেসহ আরও কয়েক জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে গিয়েছিল হামাস। গত জানুয়ারিতেও হামাস প্রকাশিত এক ভিডিওতে এলাদকে জীবিত দেখা গিয়েছিল।

    বিক্ষোভকারীরা গাজায় হামাসের হাতে থাকা প্রায় ১৩০ জিম্মিকে মুক্ত করতে ইসরায়েল সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরাও এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেন।

    এলাদের বোন কারমিট পালটি কাতজির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তার ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে বলেছেন, তারা একটি নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হলে এলাদ জীবিত ফিরে আসতেন। আমাদের নেতৃত্ব কাপুরুষ এবং রাজনীতি দ্বারা চালিত যে কারণে এই চুক্তিটি এখনো হয়নি। খবর বিবিসি

    বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েলের প্রায় ৫০টি জায়গায় সমাবেশ করেছে। এর মধ্যে তেল আবিবের বিক্ষোভের মধ্যে একটি গাড়ি ঢুকে পড়েছিল। এতে পাঁচজন আহত হন।

  • ইসরায়েলি সেনাপ্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা

    ইসরায়েলি সেনাপ্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২২ মার্চ, ২০২৪: গত পাঁচ মাস ধরে গাজায় চলছে ইসরায়েলি হামলা। এতে প্রায় ৩১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বহু স্থাপনা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়। এই প্রেক্ষিতে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে শান্তিকামি রাষ্ট্রগুলো। দেশটির অভ্যন্তর থেকেও যুদ্ধ বন্ধের জন্য বিভিন্ন মহল থেকে অনুরোধ এসেছে। এরি ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ইসরাইলি সেনাবাহিনী আইডিএফের চিফ অব স্টাফ হার্জি হালেভি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

    দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    এতে বলা হয়েছে, হালেভি শুধু একাই নন, তার সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরও অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পদত্যাগ করবেন।

    কী কারণে তারা পদত্যাগ করবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    ধারণা করা হচ্ছে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণ সম্পর্কে অগ্রিম সতর্ক না থাকায় এবং হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায় নিয়ে তারা পদ ছাড়তে যাচ্ছেন।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে হালেভি বলেছিলেন, ‘৭ অক্টোবর যা ঘটেছিল তার জন্য আমি দায়ী। তারপর থেকে যা ঘটেছে এবং যা ঘটবে তার জন্যেও আমি দায়ী। আইডিএফ বর্তমানে যুদ্ধে রয়েছে, এবং এই মুহূর্তে, কেবলমাত্র যুদ্ধ করে যাওয়াটাই লক্ষ্য। ’

  • খাবারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা

    খাবারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: চার মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় চলছে ইসরায়েলি হামলা। এই অবস্থায় দেশটিতে  চলছে নানা ধরণের সংকট। সবচেয়ে উদ্বেগজনক হারে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। বিভিন্ন দেশ থেকে ফিলিস্তিনিদের জন্য খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে খাবারের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে ইসরায়েল। এই ঘটনায় এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে গাজার উত্তরাঞ্চলে অপেক্ষায় থাকা ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর । কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনার বেশ কিছু ভিডিওতেও ঘটনার সত্যতা প্রকাশ পেয়েছে।

    আল জাজিরার যাচাই করা এসব ফুটেজে দেখা গেছে, সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) উত্তর গাজার একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত উপকূলীয় রাস্তা ধরে পালানোর চেষ্টা করছেন ফিলিস্তিনিরা। সে সময় তীব্র গোলাগুলি চলছিল। সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবের কারণে কোনো ধরনের সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনীর ‍গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে ছিটকে পড়েন। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওই হামলায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।

    এদিকে গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে কমপক্ষে ২৯ হাজার ৯২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৬৯ হাজার ২৮ জন।

    এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে আরও এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সেনার নাম সার্জেন্ট সিমোন স্লোমোভ, বয়স ২০ বছর। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৫ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন।

    গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপর থেকেই গাজায় অভিযানের নামে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

    চলতি বছরের ১০ মার্চ গাজায় রমজান শুরু হচ্ছে। ইসরায়েলের যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রিসভা দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এতে কমপক্ষে ১২০০ জন নিহত এবং ২৫৩ জনকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করা হয়। হামাসের হাতে এখনও প্রায় ১৩০ জন জিম্মি বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

  • ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৪ হাজার ছাড়াল

    ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৪ হাজার ছাড়াল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪: তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় চলছে ইসরায়েলি হামলা। বিশ্বের প্রায় সব দেশের যুদ্ধবিরতির অনুরোধ উপেক্ষা করে ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায়  গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৪ হাজার ছাড়ালো। এছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৬১ হাজার ফিলিস্তিনি। নিহতদের অধিকংশই নারী ও শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয়েছেন ১৩২ ফিলিস্তিনি।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ২৪ হাজার ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ৬০ হাজার ৮৩৪ জন আহত হয়েছেন। নিহত ফিলিস্তিনিদের প্রায় সাড়ে ১০ হাজারই শিশু।

    মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েলি দখলদার (বাহিনী) গাজা উপত্যকায় পরিবারগুলোর ওপর ১২টি গণহত্যা চালিযেছে, যার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩২ জন নিহত এবং আরও ২৫২ জন আহত হয়েছেন।’

    জাতিসংঘের মতে, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার মোট জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যেই অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর ইসরায়েলের বর্বর হামলায় ভূখণ্ডটির ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

    এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস গত রবিবার বলেছেন, ‘গাজার লোকেরা নরকে বাস করছেন’ এবং সেখানে ‘কোনও স্থানই নিরাপদ নয়।’

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

    মাঝে হামাসের সাথে এক সপ্তাহব্যাপী মানবিক বিরতির পর গত ডিসেম্বরের শুরু থেকে গাজা উপত্যকায় পুনরায় বিমান ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরায়েল। বিরতির পর শুরু হওয়া এই অভিযানে গাজায় হামলা আরও তীব্র করে দখলদার সেনারা। ইসরায়েলি সেনারা লাগাতার এই আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।