Tag: অগ্রগতি

  • প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে: স্পিকার

    প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে: স্পিকার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জুলাই, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে, বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছেন। সুতরাং, সামুদ্রিকসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের পাশাপাশি অতিরিক্ত মাছ ধরা নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার মতো চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে।

    আজ বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ওশান প্রসপারিটি: ক্যাটালাইজিং ব্লু ইকোনমি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্পিকার বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমুদ্রসম্পদের গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৯৭৩ সালে প্রথম সামুদ্রিক গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৭৪ সালে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করেছিলেন, যা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    তিনি বলেন, “সুনীল অর্থনীতি খাতের সাফল্য পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অংশীদারত্বের ওপর নির্ভর করে। সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিলে একত্রে কাজ করলে সামুদ্রিকসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।”

    স্পিকার বলেন, “সুনীল অর্থনীতির পরিপূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচনের জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ অপরিহার্য। তিনি বলেন, ব্লু ইকোনমিতে বেসরকারি উদ্যোগ জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে। তিনি এধরনের কনফারেন্স আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।”

    বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক্স ডিভিশনের সদস্য (সেক্রেটারি) ড. মো. কাওসার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম এমপি এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন জিনটিং। কনফারেন্সে বাংলাদেশ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, জেনারেল ইকোনমিক্স ডিভিশন, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, সাংবাদিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারের বিষয়টি অনেক অগ্রগতি হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারের বিষয়টি অনেক অগ্রগতি হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ এপ্রিল, ২০২৪: জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারের বিষয়টি অনেক অগ্রগতি হয়েছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাত থেকে নাবিক এবং জাহাজ দুটোই উদ্ধার করার ক্ষেত্রেই অল্প সময়ের মধ্যে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। আশা করছি শিগগির তাদেরকে মুক্ত করতে পারব। তবে উদ্ধারের দিনক্ষণ বলাটা কঠিন।”

    আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) চট্টগ্রাম নগরের দেওয়ানজি পুকুর লেন ওয়াইএনটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন হাছান মাহমুদ।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা নাবিকদের পরিবারকে আশ্বস্ত করতে চাই, সরকার সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করছে। প্রথমত, যারা অপহরণ করেছে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। দ্বিতীয়ত, তাদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক প্রচুর চাপ তৈরি করা হয়েছে। নাবিকরা ভালো আছেন, নিয়মিতভাবে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, এমনকি ভিডিও কলেও কথা বলছেন। সুতরাং যে উদ্বেগটা কিছুদিন আগে ছিল সেটি এই মুহূর্তে নেই। আমরা আশা করছি তাদেরকে খুব শিগগির মুক্ত করতে পারব।”

    বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি দেশে সবসময় গণতন্ত্র হরণ করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়েছে এবং এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে তাদের হাত ছিল। নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যেই সেটি ঘটানো হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ১৩ সালে কি ধরণের সন্ত্রাসী ও জঘন্য মানুষ পোড়ানোর মহোৎসব করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা তারা চালিয়েছিল। ১৪ সালের নির্বাচনে পাঁচশ নির্বাচনী কেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছিল এবং নির্বাচনী কর্মকর্তা ও বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছিল। সেটির উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনকে ভণ্ডুল করা, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা। ১৮ সালের নির্বাচনেও একই প্রচেষ্টা ছিল। সর্বশেষ ২৪ সালের বিগত নির্বাচন বর্জন করার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালানো হয়।”

    চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি এবং হামলায় একব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গত মন্ত্রীসভার মিটিংয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় কিশোর গ্যাং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে বিভিন্ন জেলা শহরে এই কিশোর গ্যাং তৈরি হচ্ছে। তাদের ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যাতে যথাযথ পদক্ষেপ নেয় সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।”

    তিনি আরও বলেন, “কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পর স্বাভাবিক জেলে না রেখে সংশোধনাগারে পাঠানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ, সাধারণ জেলে যদি তাদেরকে পাঠানো হয় সেখানে থাকা অন্যান্য সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা আরো ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হয়ে উঠতে পারে। দেশে এটি নতুন সমস্যা, এটিকে দূর করতে সরকার কাজ করছে। কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে যেই থাকুক, সে যেই দলেরই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং হচ্ছে “

    দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “আপনারা জানেন আমাদের দেশে রমজান আসার আগে এবং রমজানের সময় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করার জন্য একটি অসাধু চক্র ও কিছু মজুতদার সবসময় সক্রিয় হয়। এবারও তা হয়েছে। সেটির সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছিল বিএনপির ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাজারকে অস্থিতিশীল করা, পণ্যের মূল্য যাতে বাড়ে। কিন্তু সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রেক্ষিতে এবার রমজানের সময় বাজার স্থিতিশীল ছিল এবং অনেক পণ্যের দাম কমেছে।”

  • বাংলাদেশ চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে, বলে জানিয়েছেন প্রধামনমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল কেয়ার, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রদানে সরকারের সাংবিধানিক ও বৈশ্বিক অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে গ্রামীণ পর্যায়ে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।”

    আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রাসেলসে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগ ‘বায়োব্যাংকিং উইথ বাংলাদেশ: এ জয়েন্ট অ্যাপ্রোচ টু ডিজিজ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড প্রিভেনশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে ন্যাশনাল বায়োব্যাংক প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্ভরযোগ্য ক্লিনিক্যাল ডাটা অবকাঠামোসহ বায়োম্যাটেরিয়ালের সংকটের কারণে বৃহত্তর চিকিৎসা গবেষণায় বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকছে। বায়োব্যাংক চিকিৎসা এবং জীবন বিজ্ঞান শাখার অন্যান্য শাখায় উদ্ভাবন এবং আবিষ্কারের প্রচার করবে। এটি রোগ নির্ণয়, প্রতিরোধ এবং ব্যক্তিগত দক্ষতা সরবরাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে পারে।”

    তিনি বলেন, “চিকিৎসা খাতে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা চালু করতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশে প্রতিস্থাপন গবেষণা সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য একটি বিশ্বমানের বায়োব্যাংক তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২ হাজার ৬৫০ শয্যার হাসপাতাল, আটটি অনুষদ, ৬৮টি বিভাগ এবং প্রায় ৫০০ অনুষদ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ স্নাতকোত্তর চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের সুবিধা রাখার সক্ষমতা রয়েছে। তিনি ব্যক্তি ও সংস্থাকে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা গঠন এবং বাংলাদেশ ও এর বাইরে লাখ লাখ নাগরিকের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য স্বাগত জানান।”

    তিনি আরও বলেন, “এই বায়োব্যাংকে অবদান রাখা কেবল আর্থিক পছন্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি মানবিক কাজ, এমন একটি বিশ্বের আশার প্রতীক যেখানে প্রত্যেকের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি জীবন সংরক্ষণ, পরিবারের সুরক্ষা এবং একটি জাতির ক্ষমতায়নের প্রতীক, যা আঞ্চলিকভাবে সামগ্রিক গবেষণা সক্ষমতায় অবদান রাখবে।

    তিনি বলেন, “আসুন আমরা এই বায়োব্যাংককে বাস্তবে রূপ দিতে একসঙ্গে কাজ করি। এটি আমাদের আশার প্রতীক, যা আরও ভাল স্বাস্থ্যকর বিশ্বের দিকে পরিচালিত করবে।”