Tag: সেমিফাইনাল

  • অলিম্পিক ফুটবলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

    অলিম্পিক ফুটবলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩ আগস্ট, ২০২৪: অলিম্পিক ফুটবলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। এই দুই দেশ এবার বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছিলো। সেখানে অবশ্য জয় পায় আর্জেন্টিনা। যে কারণে শুক্রবার রাতে প্যারিস অলিম্পিক ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি ফরাসিদের জন্য ছিল প্রতিশোধের। অন্যদিকে হাজার হাজার শত্রুভাবাপন্ন ফরাসি দর্শকের সামনে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না আলবিসেলেস্তাদের। প্রতিশোধের আগুনে পুড়তেই হলো আর্জেন্টিনাকে। ১-০ ব্যবধানের জয়ে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে বিদায় করে সেমিফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

    শুক্রবার রাতে মাতমুট আটলান্টিকে স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারায় ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ইয়ান ফিলিপে মাতেতা।

    ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই আর্জেন্টিনাকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় ফ্রান্স। কর্নার থেকে মাইকেল ওলিসের ক্রস পেয়ে বক্সের সেন্টার থেকে হেড করে জাল কাঁপান ফিলিপে মাতেতা। ওই একটি গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ঠ ছিল। বাকি সময়ে আরও বেশকটি আক্রমণ করলেও কিছুতেই সমতায় ফিরতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।

    ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল আর্জেন্টিনা। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি হ্যাভিয়ের মাসচেরানোর দল। অপরদিকে এই অর্ধের দৃঢ়তায় ম্যাচের ৮৪ মিনিটে আরও একটি গোলের দেখাও পেয়েছিল ফ্রান্স। তবে গোলটি ভিএআর চেকে বাতিল করে দেন রেফারি। ফরাসিদের বিপক্ষে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

    শেষমেশ ১-০ ব্যবধানেই খেলা শেষ হয়। ২০০৪ ও ২০০৮ সালের সোনা জয়ী আর্জেন্টিনাকে বিদায় নিতে হয় সেরা আট থেকেই।

    এই হারের হতাশা আর্জেন্টাইনদের ক্ষোভে পরিণত হয়েছিল। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়রা হট্টগোল বাঁধিয়ে বসেন। তাতে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ-কর্মকর্তারাও জড়িয়ে পড়েন। মাঠ ছাড়ার সময় টানেলেও দেখা যায় বিশৃঙ্খলা। পরে অবশ্য ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরে এসে দর্শকদের সঙ্গে উদ্‌যাপন সারেন।

  • পানামাকে ৫-০ গোলে হারিয়ে কোপার সেমিফাইনালে কলম্বিয়া

    পানামাকে ৫-০ গোলে হারিয়ে কোপার সেমিফাইনালে কলম্বিয়া

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৮ জুলাই, ২০২৪: এবার কোপা আমেরিকায় দারুন ছন্দে আছে কলম্বিয়া। প্রতিটি ম্যাচ যখন দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে তখল দেশটি পানামাকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

    আজ সোমবার সকালে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যারিবিয়ান দলটির বিপক্ষে ৫-০ গোলের বিশাল জয় পেয়েছে নেস্তর লোরেঞ্জোর শিষ্যরা। এই জয়ে নিজেদের একটি রেকর্ড ছুঁয়েছে তারা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছিল তারা। এরপর আর হারের মুখ দেখেনি দলটি। এবার নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো টানা ২৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছে কলম্বিয়ানরা। এর আগে ১৯৯২ এবং ১৯৯৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে সমান ম্যাচে অপরাজিত ছিল তারা।

    পানামার বিপক্ষে শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলেছে কলম্বিয়া। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ছিন্নভিন্ন করেছে অনেকবার। মাত্র অষ্টম মিনিটেই তারা এগিয়ে যায় করদোবার গোলে। এর কয়েক মিনিট পরে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক হামেস রদ্রিগেস। একটু পরেই ফের আসরে নামেন তিনি। এবার লুইস দিয়াজকে দিয়ে গোল করান হামেস। দুর্বল রক্ষণ নিয়ে ভুগতে থাকা পানামার বক্সে ঢুকে আলতো চিপে বল জালে পাঠিয়ে দেন দিয়াজ।

    প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যাওয়া কলম্বিয়া পরে আরও দুই গোল করে। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য তাদের খেলার গতি কিছুটা কমে আসে। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে তুলেও নেওয়া হয়। তারপরও স্কোরশিটে আরও দুইজনের নাম যুক্ত হয়। প্রথমে পেনাল্টি থেকে গোল করেন রিচার্ড রিওস। এরপর মিগুয়েল আনহেল বোর্হা তুলে নেন আসরে নিজের প্রথম গোল। পানামার কাছে এত গোলের কোনও জবাব ছিল না। ফলে সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।

    সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আরেক ম্যাচে ব্রাজিলের টাইব্রেকারে হারানো উরুগুয়ে।

  • ইকুয়েডরকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

    ইকুয়েডরকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৫ জুলাই, ২০২৪: এমিলিয়ানো মার্টিনেজের আরও একবার পেনাল্টির বীরত্বগাঁথা। ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা আর ২০২২ বিশ্বকাপের পর আরও একবার স্নায়ুচাপের যুদ্ধে বিজয়ীর নাম এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরকে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পা রাখল আর্জেন্টিনা।

    হিউস্টনে আজ শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র থাকে। এরপর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জিতেছে আলবিসেলেস্তেরা।

    এদিন শুরু থেকেই বেশ অগোছালো ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ওই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আক্রমণে আসে ইকুয়েডর। বেশ কয়েকবার আলবিসেলেস্তেদের অর্ধে ভয় ধরিয়ে দেয় তারা। ১৫তম মিনিটে দুর্দান্ত এক সুযোগ পেয়েছিল তারা।

    কিন্তু জেরেমি সারমিয়েন্তোর বাঁ প্রান্ত থেকে নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। তখনই বল পেয়ে কেন্ডি পায়েসের নেওয়া শট চলে যায় উপর দিয়ে। স্রোতের বিপরীতে গোল করে ফেলে আর্জেন্টিনা।

    লিওনেল মেসির কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড খুঁজে পায় লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে। তিনিও বল জালে জড়ান হেডে। এই এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

    দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা গোছানো হয় আর্জেন্টিনা। কিন্তু এর মধ্যেও বারবারই আক্রমণে উঠে আসছিল ইকুয়েডর। তবে গোলের আশা ছাড়েনি ইকুয়েডর। ৬০ মিনিটে সুবর্ণ এক সুযোগ পেয়েও যায় তারা।

    বক্সের ভেতর অ্যালান ফ্রাঙ্কোর গোলমুখে নেওয়া শট রদ্রিগো দি পলের হাতে লাগে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ইনার ভেলেন্সিয়া মার্তিনেসকে ভুল দিকে ঠেলে দেন ঠিকই। কিন্তু বল লেগে যায় পোস্টে। হতাশ হতে হয় ইকুয়েডরকে।

    তারা অবশ্য কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় শেষ পর্যন্ত। তবে সেটি আসে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে। ৯১তম মিনিটে জশ ইয়েভোয়াহের শট হেড দিয়ে জালে জড়ান কেভিন রদ্রিগেজ। সমতা নিয়ে শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। কোপা আমেরিকায় ৯০ মিনিটের পরই হয় পেনাল্টি।

    আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম শট নিতে আসেন লিওনেল মেসি। কিন্তু তার শট লাগে গোলবারে। হতাশ আলবিসেলেস্তেদের জন্য আরও একবার নায়ক হন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস। আনহেল মিনার শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান তিনি।

    পরের শটে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন হুলিয়ান আলভারেস। এরপর অ্যালান মিন্ডার শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান মার্তিনেস। টানা দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে আর্জেন্টিনাকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেন তিনি। বাকি শটগুলোতে সবাই গোল করলেও স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।

    দলের গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজের ওপর আস্থা ছিল, সেটা জানাতেও ভুললেন না এই কোচ, ‘পেনাল্টি শ্যুটআউটে দলের সবাই অন্ধভাবে গোলরক্ষকের ওপর বিশ্বাস করেছিল আর এটাই স্বাভাবিক। যদিও লিও (মেসি) মিস করেছিল, তারপরেও পুরো দল জানতো, ভাল কিছু হতে যাচ্ছে।’

  • বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আফগানিস্তান

    বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আফগানিস্তান

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৫ জুন, ২০২৪: আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১১৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১০৫ রানে। মাঝখানে বৃষ্টির কারণে দুইবার খেলা বন্ধ হয় ফলে ১৯ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৪ রান। তবে সেমিফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে এই রান করতে হতো ১২.১ ওভারে।শান্তরা শুরু করেছিল ঠিক সেভাবেই।

    কিন্তু ২৩ রানের মধ্যে তানজিদ, শান্ত ও সাকিবের বিদায়ের পর তখন বাংলাদেশের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সুপার এইটে একটি জয় তুলে নেওয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাইগাররা সেটাও পারেনি। এক পাশ আগলে রেখে ৫৪ রানে অপরাজিত থেকে গেছেন লিটন ।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই চলল শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) খেলতে নামা আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশের যেমন সুযোগ ছিল। তেমনই এই ম্যাচের উপর নির্ভর করছিল অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্য। তিন দলের কাছেই সুযোগ ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৮ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে আফগানিস্তান।

     

    সুপার ৮-এ ভারতের বিরুদ্ধে হারলেও অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতল আফগানিস্তান। চার পয়েন্ট নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেন রশিদেরা। সেমিফাইনালে তাদের খেলতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিশাদ নিয়েছেন ৩ উইকেট। অপর দিকে আফগানিস্তানের পক্ষে অধিানয়ক রশিদ ও নাভিন উল হক ৪ টি করে উকেট নিয়েছেন। নাভিন উল হক হয়েছেন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ।

    গতকাল রাতের খেলায় হেরেছে অস্ট্রেলিয়া

    অ্যান্টিগায় গতকাল রাপতে অস্ট্রেলিয়াকে ২৪ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পা রেখেছে ভারত। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। অ্যান্টিগায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রোহিতের বিধ্বংসী ইনিংসে ৫ উইকেটে ২০৫ রান করেছে ভারত।

    জবাবে অস্ট্রেলিয়া থামে ৭ উইকেটে ১৮১ রানে।

  • গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন কৃতিত্বে রিয়াল সেমিফাইনালে

    গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন কৃতিত্বে রিয়াল সেমিফাইনালে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ এপ্রিল, ২০২৪: বিশ্বের সেরা দুই ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ উয়েফা চ্যাস্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল । সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে ড্র করে আসার পর সব চোখ ছিল ম্যানচেস্টারের ইতিহাদ স্টেডিয়ামে। সেখানে হতাশ করেনি এই দুই দল। টানটান উত্তেজনায় ভরপুর খেলা অবশ্য শেষ পর্যন্ত গড়ায় টাইব্রেকারে। আর সেখানে গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিনের চমকে জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ।

    রিয়াল গোলকিপার আন্দ্রি লুনিনের কৃতিত্বে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে সেমিতে নাম লেখেয়িছে রিয়াল মাদ্রিদ। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখ।

    বুধবার রাতে ইতিহাদে দ্বিতীয় লেগে টাইব্রেকারের আগে বলতে গেলে পুরো আধিপত্যই ছিল স্বাগতিক ম্যান সিটির। তবে পুরো ম্যাচে আধিপত্য ধরে রেখেও এক গোলের বেশি দিতে পারে নি ফোডেন-ডি ব্রুইনারা। প্রথমার্ধে রদ্রিগোর গোলে রিয়াল এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে সিটিকে সমতায় ফেরান তাদের তালিসমান কেভিন ডি ব্রুইনা। এরপর পুরো ম্যাচ রিয়ালের জমাট রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে গেছে সিটির খেলোয়াড়েরা। তবে রুডিগার-নাচোরা পরাস্ত হননি। রুডিগার-নাচোকে পার করলেও দেয়াল হয়ে দাড়িয়ে ছিলেন রিয়ালের গোলকিপার আন্দ্রি লুনিন। শেষ পর্যন্ত জয়ের নায়কও তিনি।

    সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর মতো ইতিহাদেও রিয়াল প্রথম গোল করে ম্যাচের ১২ মিনিটে। বুদ্ধিদ্বীপ্ত পাসিংয়ে বল চলে যায় রদ্রিগোর পায়ে। তবে তার প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন সিটির ব্রাজিলিয়ান গোলকিপার এডারসন। ফিরতি বল পেয়ে তা জালে জড়াতে আর ভুল করেননি রিয়ালের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

    এরপর বলতে গেলে পুরো ম্যাচ জুড়ে খেলেছে শুধু সিটিই। তবে রিয়ালের জমজমাট রক্ষণে সিটির প্রতিটি আক্রমণ মুখ থুবড়ে পড়ছিল। তবে ৭৬ মিনিটে বদলি ডকুর স্কিল আর রুডিগারের মুহূর্তের দুর্বলতায় সেটি আর থাকেনি। সিটিকে সমতায় ফেরান ডি ব্রুইনা। নব্বই মিনিটের খেলা দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত আধা ঘণ্টাও যায় একই ধারায়। এ সময়ে গোলের ভালো সুযোগটি ছিল রুডিগারের সামনে। জার্মান ডিফেন্ডার ১০৫ মিনিটে ৬ গজ বক্সের ভেতর নেওয়া শট বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন।

    এরপর সেই টাইব্রেকারের মুহূর্ত। সিটি ফ্যানদের মনে সম্ভবত তখনই কুঁ ডাকছিল কারণ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টাইব্রেকারে রিয়ালকে যে কেউ কখনো হারাতে পারেনি। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না।

    টাইব্রেকারের প্রথম শট নেয় সিটির বিশ্বকাপজয়ী তারকা জুলিয়ান আলভারেজ। স্পট থেকে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। কিন্তু রিয়ালের হয়ে লুকা মদ্রিচ ব্যর্থ হন তখন মনে হচ্ছিল সেমিতে মনে হয় সিটি যাবে। তবে তারপরই শুরু হয় আন্দ্রি লুনিন বীরত্ব। একে একে ফেরান বার্নাদো সিলভা ও ম্যাতেও কোভাসিচের। আর এতেই এগিয়ে যায় রিয়াল।

    পরে অবশ্য সিটি আর ভুল করেনি। ফিল ফোডেন ও এডারসন ঠিকই জালের দেখা পান। তবে ভুল করেনি রিয়ালও, জুড বেলিংহ্যাম, লুকাস ভাসকুয়েজ ও নাচোর পর জাল খুঁজে পান টনি রুডিগারও। তাতে মূল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর পেনাল্টিতে ৪-৩ গোলে জিতে সেমিফাইনালে বায়ার্নের সাথে সাক্ষাৎ নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলত্তির দল।

    উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগম্যানচেস্টার সিটি-রিয়াল মাদ্রিদ কোয়ার্টার ফাইনালম্যাচসেরার পুরস্কার যদিও উঠেছে ফেদে ভালভার্দের হাতে। তবে তা নিয়ে লুনিনের মনের খেদ নেই। সেটা তার কথাতেই স্পষ্ট। নয়তো কেনই বা নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষ বলে দাবি করবেন।

    লুনিন বলেন, ‘আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। পরিশ্রমের ফসল এটি। রিয়াল মাদ্রিদকে সাহায্য করতে পেরে আমি খুশি এবং আমার পাশে থাকার জন্য এই দলকে ধন্যবাদ। ‘