Tag: রাষ্ট্রপতি

  • জাতীয় ঈদগায়ে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি

    জাতীয় ঈদগায়ে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ জুন, ২০২৪: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের(ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগা ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ঈদের প্রধান জামাতে সর্বস্তরের জনগণের সাথে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে আজ সকাল সাড়ে ৭টায় মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেন।

    এই জামাতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস,মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এই জামাতে অংশ নেন।

    ভোর থেকেই প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করার জন্য মুসল্লিদের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৭টার আগেই ঈদগা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

    জাতীয় ঈদগায়ে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। বিকল্প ইমাম ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান। এই ঈদ জামাতে মোকাব্বির হিসেবে ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মো. আনিছুর রহমান সরকার এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মো. ইসহাক মূল ক্বারী হিসেবে প্রধান ঈদ জামাতে দায়িত্ব পালন করেন।

    দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাসহ দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য এই জামাতে মুসল্লীরা দোয়া করেন।এরপর রাষ্ট্রপতি সকলের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    এবার জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেন।

  • আগামীকাল বঙ্গভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

    আগামীকাল বঙ্গভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ জুন, ২০২৪: আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা। এই দিন বঙ্গভবনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    আগামী সোমবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা।

    আজ রবিবার (১৬ জুন) রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।

    রাষ্ট্রপতি দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, কূটনীতিক এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

    বঙ্গভবনের এ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ২০০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    আমন্ত্রিতদের মধ্যে রয়েছেন- প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, উপাচার্য, সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, লেখক, শিল্পী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ব্যবসায়ী নেতা এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যগতভাবে সুস্বাদু খাবার দিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে।

    অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুন, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পরিবেশ দূষণরোধ ও পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    আজ বুধবার (৫ জুন) ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের ভূমির টেকসই ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

    রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভূমি প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “মানবসম্প্রদায় ও প্রাণিকূলের অস্তিত্বের জন্য দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশের বিকল্প নেই। কিন্তু মানবসৃষ্ট বিভিন্ন উপায়ে আমরা প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ করছি। জনসংখ্যার তুলনায় আমাদের দেশের ভূমিসম্পদ অত্যন্ত সীমিত। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য যথাযথ ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”।

    তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাবের কারণে ভূমির অবক্ষয় ঘটছে। ক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুময়তার বিরুদ্ধে লড়াই এবং খরা সহনশীলতা বৃদ্ধি করা আমাদের অস্তিত্বের জন্য জরুরি”।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুময়তা রোধ এবং খরা সহিষ্ণুতা অর্জনে ঐতিহ্যগত ও প্রথাগত জ্ঞানের সঙ্গে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞানকে একীভূত করে উদ্ভাবনী ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও অবক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি পুনরুদ্ধারে বৃক্ষরোপণসহ টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হলে জীববৈচিত্র্য যেমন সুরক্ষিত হবে, তেমনি এর মাধ্যমে জনগণের নিরাপদ জীবিকা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে”।

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তাহলেই আগামী প্রজন্মের জন্য সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব হবে”।

  • রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠান

    রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২১’ পেল ছয় ক্যাটাগরির ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মালিক/প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ ও এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় নিয়মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার’, ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’, ‘সিআইপি (শিল্প) কার্ড’, ‘প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রভৃতি পুরস্কার দিয়ে আসছে।

    শিল্পমন্ত্রী বলেন, “এ ধরনের স্বীকৃতি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নবীন শিল্প উদ্যোক্তারাও নিজেদের পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিল্প স্থাপনে উজ্জীবিত হবেন। ফলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে।”

    তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। বিগত ১৫ বছরে এটি বহাল ছিল বলে শিল্পায়ন বেগবানসহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেই একটি বড় বাজার। অভ্যন্তরীণ বাজারসহ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়াতে আমাদের গুণগতমানের পণ্য উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে।”

    এ সময় বিশ্বমানের গুণগত পণ্য উৎপাদনে শিল্পোদ্যোক্তাদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ৩১টি পণ্যকে জিআই সনদ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০ বছর মেয়াদি ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, “আধুনিক ও যুগোপযোগী শিল্প কারখানা স্থাপনসহ শিল্পায়নের ধারাকে বেগবান করতে ‘জাতীয় শিল্পনীতি-২০২২’ ও ‘এসএমই নীতিমালা-২০১৯’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় শ্রমঘন শিল্পায়নে মনোনিবেশসহ শিল্পখাতে গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে শিল্প মন্ত্রণালয় নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, পুরাতন কারখানার আধুনিকায়ন এবং যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের কাজ করছে। শিল্পখাতে উন্নয়নের চলমান অভিযাত্রা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই শিল্প সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।”

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেন, “কৃষি উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য থাকা সত্ত্বেও আমরা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানিতে অনেকটা পিছিয়ে আছি। প্রক্রিয়াজাতকরণের কম সুযোগ ও সংরক্ষণাগারের অভাবে আমাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের প্রায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, ভোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হন।”

    শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ০৬ (ছয়) ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৬টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৪টি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ০১টি।

    বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে সম্মিলিতভাবে প্রথম হয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে- ইকোটেক্স লি., প্রাণ ডেইরি লি. ও মীর আক্তার হোসেন লি.। দ্বিতীয় হয়েছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি., যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লি. ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি.।

    মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক লি., দ্বিতীয় হয়েছে বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং তৃতীয় হয়েছে এপিএস অ্যাপারেলস লি.।

    ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে দ্য রিলায়েবল বিল্ডার্স ও কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লি., দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রি লি. এবং তৃতীয় হয়েছে গুনজে ইউনাইটেড লি.।

    মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ফারিহা গ্রিন মুড লেদারস লি., দ্বিতীয় হয়েছে এ.বি.এম ওয়াটার কোম্পানি এবং তৃতীয় হয়েছে ডিপলেড ল্যাবরেটরিজ লি.।

    কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ব্লু-স্টার এগ্রো প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, দ্বিতীয় হয়েছে প্রীতি বিউটি পার্লার এবং তৃতীয় হয়েছে লেহাজ সালমা যুব মহিলা কল্যাণ সংস্থা।

    হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে বিজ সল্যুশনস লি.।

    জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি, সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রত্যয় হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেওয়া শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই বছর সপ্তমবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২১’ দেওয়া হয়েছে।

  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মে, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে বঙ্গভবনে আজ সোমবার (৬ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    এই সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা খুবই জরুরী। দেশব্যাপী উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক তত্ত্বাবধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

    বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের জানান, ‘বৈঠকে প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমসহ নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।’

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলে ছিলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য স্থপতি অধ্যাপক ড. নিজামউদ্দিন আহমেদ, ট্রেজারার অধ্যাপক আবদুস সালাম হাওলাদার এবং রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন।

    প্রেস সচিব জানান প্রতিনিধিদল,রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    রাষ্ট প্রধান বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এছাড়া শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসূচি চালু করার ও পরামর্শ দেন।

    এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • মহান মে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

    মহান মে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মে, ২০২৪: আজ মহান মে দিবস। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক বাণী দিয়েছেন। বণীতে তিনি বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। ‘মহান মে দিবস ২০২৪’ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “বিশ্বব্যাপী আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শ্রমজীবী মানুষের কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শ্রমিকের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে শ্রমিকের পেশাগত নিরাপত্তা ও সুস্থতা, শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক, উন্নত কর্মপরিবেশসহ শ্রমিকের সার্বিক অধিকার নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই। মহান মে দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘শ্রমিক মালিক গড়ব দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ’ যথাযথ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পরেই মে দিবসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে দিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকল্পে তিনি মজুরি কমিশন গঠন করেন এবং শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা দেন। ১৯৭২ সালে জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে এবং আইএলও’র ছয়টি কোর কনভেনশনসহ ২৯টি কনভেনশন অনুসমর্থন করে। শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় যা ছিল এক অনন্য মাইলফলক।”

    মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখতেন। তার সেই স্বপ্নপূরণের অন্যতম অনুষঙ্গ শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। শ্রমিক-মালিক সম্প্রীতি ও যৌথ প্রয়াস দেশের উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

    তিনি বলেন, “টেকসই শিল্প ও বাণিজ্য খাত গড়তে বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ, শ্রমিকের একাগ্রতা এবং শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করতে হবে। আমি আশা করি, শ্রমিক ও মালিকের ইতিবাচক ও প্রাগ্রসরমান অংশগ্রহণের মাধ্যমে শ্রমক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও উৎপাদনশীলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, স্বার্থ ও কল্যাণের সঙ্গে মহান মে দিবসের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের জীবনমান উন্নয়ন এবং ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সকলে স্ব স্ব ক্ষেত্রে ঐকান্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এ প্রত্যাশা করি।”

  • রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন

    রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ এপ্রিল, ২০২৪: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই দিন সকালে হাইকোর্ট মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদের জামাতে সর্বস্তরের মুসল্লিদের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।

    “রাষ্ট্রপতি, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সকাল সাড়ে ৮টায় মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের প্রধান ঈদের নামাজে অংশ নেবেন”, তার প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন বাসসকে জানান।

    তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্রপতি সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।

    সকাল ৮টা ২০ মিনিটে জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাবেন প্রধান বিচারপতি, ধর্মমন্ত্রী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। নামাজ শেষে রাষ্ট্রপ্রধান ঈদগাহে মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।ঈদগাহে প্রতি বছরের মতো এবারও মহিলাদের জন্য নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।

    নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছাও জানাবেন রাষ্ট্রপতি।

  • রাষ্ট্রপতির কাছে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের পরিচয় পত্র পেশ

    রাষ্ট্রপতির কাছে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের পরিচয় পত্র পেশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে বাংলাদেশের নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া ডি চিনচেত্রু তার পরিচয় পত্র পেশ করেন।

    এই সময় রাষ্ট্রপতি স্পেনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎপর্বের পর আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, বাংলাদেশে স্প্যানিশ বিনিয়োগের প্রশংসা করে রাষ্ট্র প্রধান বলেন, স্পেন বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ।

    রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বিরাজমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার ও অগ্রসরমান।”

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আশা করেন, “নতুন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনকালে দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বিভিন্ন খাতে আরো সম্প্রসারিত হবে।”

    স্পেনের রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি খুবই প্রশংসনীয়।”

    স্পেন ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    রাষ্ট্রদূত তাঁর দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    এর আগে অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পিজিআরের একটি অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূত্বকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

    এসময় রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ’।

    তিনি ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।

    আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সকল কৃষিবিদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ। মানব সভ্যতার সৃষ্টি থেকেই মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্বাধীনোত্তরকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি শিক্ষা, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও কৃষির উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি চাকুরিতে কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও কৃষির উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীন দেশের প্রথম বাজেটে কৃষিখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছিলেন। জাতির পিতার প্রদর্শিত পথেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। ফলশ্রুতিতে ‘আমরা এখন দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ’। পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলমূলসহ মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ইত্যাদির ব্যাপক উৎপাদন জাতীয় পর্যায়ে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করেও কৃষিজাত পণ্য বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে।

    জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মাথাপিছু জমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, এই চাহিদা পূরণে কৃষি বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন প্রযুক্তি এবং অধিক উৎপাদনশীল জাতের বীজ উদ্ভাবন, উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া, কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক ও খামারিসহ সকলকে সচেতন হতে হবে। কৃষি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক যন্ত্রপাতি তথা কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং লাভজনক কৃষিতে রূপান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিতে হবে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, কৃষিবিদরা তাদের জ্ঞান, মেধা ও শ্রম দিয়ে ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে কার্যকর অবদান রাখবেন।

    রাষ্ট্রপতি ‘কৃষিবিদ দিবস-২০২৪’ উপলক্ষ্যে গৃহীত অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

    সূত্র: বাসস

     

  • বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়: রাষ্ট্রপতি

    বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাংলাদেশে নবনিযুক্ত সাতটি দেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ পরিচয়পত্র পেশ করলে তিনি একথা বলেন।

    আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গভবনে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন নবনিযুক্ত অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ।

    নতুন হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতগণ হলেন: বোতসোয়ানার হাইকমিশনার গিলবার্ট শিম্যান ম্যাগল, কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূত কৈ কুয়াং, চেক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত ড. ইলিস্কা জিগোভা, গাম্বিয়ার হাইকমিশনার মুস্তাফা জাওয়ারা, হাঙ্গেরির রাষ্ট্রদূত ইস্তভান সাবো, জ্যামাইকার হাইকমিশনার জেসন কে. হল এবং লুক্সেমবার্গের পেগী ফ্রান্টজেন।

    বিগত দেড় দশকে বিভিন্ন খাতে প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের বাণিজ্য-বিনিয়োগ পরিস্থিতি খুবই সম্ভাবনাময়।”

    রাষ্ট্র প্রধান আশা করেন, “নতুন দুতগণ দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং বাণিজ্য বিনিয়োগসহ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করবেন।

    সাক্ষাৎকালে নতুন দূতগণ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    বাংলাদেশের সাথে নিজ নিজ দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এরআগে দূতগণ সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছলে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) এর অশ্বারোহীর একটি চৌকস দল তাদের ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।