Tag: বাংলাদেশ

  • আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ, এই বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি এগিয়ে যাবে, আত্ম মর্যাদা ও আত্মসম্মান নিয়ে বিশ্ব অঙ্গনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আমরা কারো কাছে মাথা নত করবো না। এটি আমাদের অঙ্গীকার।’

    প্রধানমন্ত্রী আজ তাঁর কার্যালয়ে অসচছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভাষণে এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের শিশুরা খুবই মেধাবী এবং তাদের মেধা বিকাশে উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে যা আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

    এসময় তিনি আরও বলেন, “ আমরা যদি শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ করে দিই, তাহলে কেউ এ দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারবে না।”

    তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের শিশুরা তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেয়েছে এবং এখন তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারবে না, অন্ধকারে ফেলে দিতে পারবে না।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল প্রতিভা অন্বেষণ মেধা বিকাশে একটি মহৎ উদ্যোগ, যেখান থেকে অনেক মেধাবী শিশু বের হয়ে আসছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা পথ দেখিয়েছি। আমাদের মেধাবী শিশুরা এই্ পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে এই দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ো তোলা হবে। এই দেশে থাকবে স্মার্ট জনগণ, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সমাজ।

    আজকের যুগ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণার যুগ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্যে নিজেদের প্রস্তুত করতে বলেন।

    কৃষি গবেষণায় বাংলাদেশ যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছে উল্লেখ করে তিনি এখন চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণায় আরো গুরুত্ব দেয়ার ওপর জোর দেন।

    তিনি বলেন, আমরা সব সেক্টরে এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমাদের গবেষণা একটি ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, আর তা হলো স্বাস্থ্য খাত। আমরা চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছি..আমি মনে করি এটিকে আরো গুরুত্ব দেয়া দরকার।

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করেছে। সরকার সমুদ্রবিজ্ঞান গবেষণা এবং ব্লু ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়েছে। কারণ এটি ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

    অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর বক্তৃতার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি সত্যিই আশাবাদী এই দেশকে আর কেউ পিছিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না।’

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেশনজট ও অস্ত্র সহিংসতা থেকে মুক্ত রাখতে সফলভাবে সক্ষম হয়েছে। ৬-৮ বছর ধরে সেশন-জট ছিল এবং অতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অস্ত্রের ঝনঝনানি হতো।

    তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তত দাবি করতে পারি যে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ক্যাম্পাসকে সেই পরিবেশ থেকে মুক্ত করতে পেরেছি।’

    বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০০৯ সাল থেকে একটি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকায় দেশ উন্নয়নের যাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার হার ৭৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে এবং আমরা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছি।

    সারা বিশ্বে এখন জনগণের দুর্ভোগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদিও বাংলাদেশের মানুষও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবলে পড়েছে, তবুও এখানে খাদ্যশস্য পাওয়া যায়। (খাদ্যশস্যের) অভাব নেই।

    মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) এবং এর সমমানের প্রতিষ্ঠানের অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ উদ্বোধনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষন-২০২৩-(বঙ্গবন্ধু ক্রিয়েটিভ ট্যালেন্ট সার্চ-২০২৩) এর সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বৃত্তি পুরস্কার-২০২২ প্রদানের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্মৃতি কর্মকার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক (পাস) ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫৩,৬০,০০০ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি ও টিউশন ফি হিসেবে মোট ১,২০০ কোটি টাকা পাচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ১৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে, যারা বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ-২০২৩-এর মাধ্যমে পুরস্কৃত হয়েছেন, এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ২২ জন শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বৃত্তি পুরস্কার-২০২২-এ ভূষিত করা হয়েছে।

    ১৫ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে একটি ক্রেস্ট, সনদ এবং ২ লাখ টাকা এবং বৃত্তি পুরস্কার-২০২২-এর জন্য নির্বাচিত ২২ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে একটি ক্রেস্ট, সনদ এবং ৩ লাখ টাকা পেয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে: তাজুল ইসলাম

    বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে: তাজুল ইসলাম

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভূমিকম্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সালের ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী সাত দশমিক পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভূমিকম্পের ক্ষয়-ক্ষতি প্রতিরোধে এই নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

    তাজুল ইসলাম গতকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত ‘১৮৯৭ সালের ১২ জুন ভারতীয় উপমহাদেশের মহাভূমিকম্প স্মরণে ভূমিকম্প ঝুঁকি নিরসনে প্রস্তুতি এবং সতর্কতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  দুর্যোগ ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান।

    তাজুল ইসলাম বলেন,  ভূমিকম্প সহনীয় পরিকল্পিত  নগরায়ন করারর কোন বিকল্প নেই। এজন্য শহরে উন্মুক্ত ও সবুজ স্থান যেমন লাগবে, তেমনি লাগবে জলাধর ও স্কুল-কলেজ।

    মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দেওার জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কমিউনিটি ক্লিনিকসহ গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে অবিরাম কাজ করে চলেছেন। এতে শহরের ওপর চাপ কমবে এবং মানুষ নিজের এলাকায় থাকতে উৎসাহিত হবেন।

    ড. মো. এনামুর রহমান বলেন, ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে ঢাকা শহরে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭২ হাজার ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা যাবে। সুতরাং ভূমিকম্পের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার বিকল্প নেই এবং ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়ে সকলকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

    ড. মো. এনামুর রহমান আরো বলেন, ২০৭১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ভূমিকম্প সহনীয় দেশ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে সরকার।

    সূত্র: বাসস

  • ভারত ও বাংলাদেশ সব দিক থেকেই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল: কৃষিমন্ত্রী

    ভারত ও বাংলাদেশ সব দিক থেকেই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল: কৃষিমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের  প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতা করেছে। জীবন বাজি রেখে আমাদের পাশে থেকে যুদ্ধ করেছে এবং চরম আত্মত্যাগ স্বীকার করেছে।  উভয় দেশ সব দিক থেকেই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

    ড. আব্দুর রাজ্জাক গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভারতের কলকাতার পিয়ারলেস ইন হোটেলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক  নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঙালিদের যোগসূত্র বাড়ানোর লক্ষ্যে গড়ে উঠা  সংগঠন ‘বাংলা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

    ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা,  গণতন্ত্র ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের আদর্শ নিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী  লীগ  প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেদিন থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামী  লীগ এসব আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। ধর্মনিরপেক্ষতা- অসাম্প্রদায়িকতার সাথে কোন আপোষ করেনি।

    তিনি বলেন, আওয়ামী  লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, সবসময়ই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে, আন্দোলন- সংগ্রাম করেছে। কিন্তু দেশে বিএনপিসহ কিছু দল রয়েছে, যারা ক্ষমতায় আসার জন্য সবসময়ই ধর্মকে ব্যবহার করে।

    বাঙালি বিশ্বে অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতি হতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশ ও ভারতের  বাঙালিরা শতাব্দীর পর শতাব্দী একসাথে থেকেছে। এখন বাস্তবতার কারণে দুটি দেশ, ভৌগোলিক অবস্থান ও রাষ্ট্রীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও  বাঙালিদের চিন্তা-চেতনা, খাদ্যাভ্যাস, জীবনাচরণ, ভাষা- সংস্কৃতিসহ প্রায় সবকিছুই এক ও অভিন্ন। সকলে মিলে একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বে বাঙালিরা অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে পরিণত হতে পারে।

    সামাজিক বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আওয়ামী  লীগ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসে। সেই নির্বাচনে আমরা জনগণের বিপুল সমর্থন নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। ২০১৫ সালে আমরা দানা জাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। সামাজিক ইনডেক্সগুলিতেও  আমরা খুব ভালো ফল করেছি। অনেক ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও এগিয়ে আছি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের সভাপতি এবং কলকাতা ও মুম্বাই হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায়।

    এসময় বাংলাদেশের অতিথিবৃন্দের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান,  ব্যারিস্টার আমীর-উল- ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বদেশ রায়, কলকাতায় বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস, ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    কলকাতা  প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় কলকাতা থেকে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়, বিচারপতি সমরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত আইনজীবী  বিমল চ্যাটার্জী, আইনজীবী ও সংসদ সদস্য  বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, শিক্ষাবিদ ড. পবিত্র সরকার, অধ্যাপক শোভন লাল দত্তগুপ্ত, দিল্লির শিব নাদার ইনস্টিটিউট অব এমিনেন্সের অধ্যাপক আশিস ভট্টাচার্য, ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন উপাচার্য ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহ উপাচার্য অধ্যাপক অশোক রঞ্জন ঠাকুর, নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপিকা  মণিমালা দাস, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক পার্থ ঘোষ প্রমুখ।

    একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক  ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল গাফফার চৌধুরীর ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রের উন্মোচন করেন মন্ত্রী।

    সূত্র: বাসস

  • শেখ হাসিনার ১৫তম কারামুক্তি দিবস আজ

    শেখ হাসিনার ১৫তম কারামুক্তি দিবস আজ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫তম কারামুক্তি দিবস।  ২০০৮ সালের এই দিনে শেখ হাসিনা ১১ মাস বন্দী থাকার পর, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ সাব-জেল থেকে মুক্তি পান।

    ২০০৭ সালে ১/১১-এর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর, ক্ষমতা গ্রহণ করা সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতিকে তার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    শেখ হাসিনা বন্দিদশায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল থেকে তাকে জেল মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি ওঠে। বিভিন্ন মহল থেকে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ও বারংবার দাবি ও চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

    ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট জোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় অর্জন করে এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর আওয়ামী লীগ ২০১৪ ও ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনেও বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।

    সূত্র: বাসস

  • শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুক: প্রধানমন্ত্রী

    শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুক: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মকে স্থানীয় খেলাধুলার ব্যাপক সম্পৃক্ততা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “স্থানীয় খেলাধুলার ওপর আরও গুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন যাতে এসব খেলাধুলার চর্চা বৃদ্ধি পায়।  আমি চাই আমাদের শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুক।”

    গতকাল রাজধানীর বনানী এলাকায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, “খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম এবং সাংস্কৃতিক চর্চা আত্মবিশ্বাস, দেশের প্রতি ভালবাসা এবং দেশের প্রতি কর্তব্যপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে, পাশাপাশি জনগণকে হাসি-খুশি রাখে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সারাদেশে (উপজেলা) মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করছে যাতে সারা বছর সেখানে বিভিন্ন খেলাধুলা করা যায়।

    তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে পূর্বাচলে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলার জন্য একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেবে সরকার।

    তিনি বলেন, “এখন পূর্বাচলে ক্রিকেটের জন্য একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা পদক্ষেপ নেব যাতে ফুটবল সহ অন্যান্য খেলার জন্য এর কাছাকাছি আরেকটি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়। ”

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করেন। গ্র্যান্ড ফিনালেতে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংককে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে ইউনিয়ন ব্যাংক।

    তিনি চ্যাম্পিয়ন দল ও রানার আপ দলের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও প্রাইজমানি বিতরণ করেন।

    চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ লাখ টাকা এবং রানার্স আপ দলকে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান লাভ করে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ৩০ লাখ টাকা এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ২০ লাখ টাকা পেয়েছে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

    সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এবং বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

    বাংলাদেশ আর্মি স্পোর্টস কন্ট্রোল বোর্ডের সহযোগিতায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) কর্তৃক আয়োজিত প্রথম “শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩” গত ১৩ মে মোট ৩৪টি ব্যাংক দলের অংশগ্রহণে শুরু হয়।

    সূত্র : বাসস

  • দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে: শেখ হাসিনা

    দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে: শেখ হাসিনা

    হ্যাল বাংলা ডেস্ক: দেশে চলছে প্রচন্ড তাপদাহ। তার উপর লোডশেডিং এতে মানুষের কষ্ট বেড়েছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা লোডশেডিং করতে বাধ্য হচ্ছি। আমি জানি, মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করতে পারি। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করছি। আগামী দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। ১০-১৫ দিনের মধ্যে আরও বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। তখন আর কোনো কষ্ট থাকবে না।’

    গতকাল ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, এবার মানুষকে প্রচন্ড গরম সহ্য করতে হচ্ছে যা অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে উঠবে তা আমরা ভাবতেও পারতাম না।’

    তিনি বলেন, বৃষ্টি নেই, এতে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ‘উপায় খুঁজতে আমরা বারবার মিটিংয়ে বসেছি এবং এই কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছি’, ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে রেখে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি সবকিছুকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে, এ দেশ আমাদের। এদেশের মানুষের ভাগ্য নিনিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “তিনি বলেন, “গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নয়ন হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে এবং দেশের মানুষের পাশে থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার নির্দেশ দেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ খেলতে না পারে।

    ছয় দফা দিবস উপলক্ষে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নয়ন হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে এবং দেশের মানুষের পাশে থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার নির্দেশ দেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ খেলতে না পারে।

    আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও সহ-সভাপতি সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।

    সূত্র: বাসস

  • পরবর্তী ২৪ ঘন্টা দেশে তীব্র তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকবে

    পরবর্তী ২৪ ঘন্টা দেশে তীব্র তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকবে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দেশের রাজশাহী, দিনাজপুর, যশোর ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস । আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানানো হয়, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগসমুহ এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

    চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৬৮ শতাংশ।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুর ও সৈয়দপুরে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। একই সময়ে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিাস ।

    আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১১ মিনিটে।

    সূত্র : বাসস

  • ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ঢাকার ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    সকালে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সাথে নিয়ে শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেক দফা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    পরে ঐতিহাসিক এ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ, যুব লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    ১৯৬৬ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছয় দফা দাবির ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের দু:শাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করেন।

    বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ওপর পাকিস্তানের তৎকালীন কেন্দ্রিয় সরকারের শোষণ, বঞ্চনা, পরাধীনতা ও অত্যাচারের অবসান ঘটাতে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) দিনব্যাপী হরতালের ডাক দেয়।

    হরতাল চলাকালে সেদিন ঢাকা, টঙ্গি ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ ও আধাসামরিক ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) গুলি চালালে শ্রমিক নেতা মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১০ জন নিহত হন।

    এই আন্দোলন এক পর্যায়ে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের শাসনের পতন ঘটে।

    সূত্র : বাসস

  • ক্রিকেটের তিনটি নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে

    ক্রিকেটের তিনটি নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল কয়েকটি ক্রিকেট নিয়মের পরিবর্তন এনেছে যা পহেলা জুন ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়েছে । সাথে ছোটখাটো কিছু নিয়মের বদলও এসেছে ক্রিকেটে।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কমিটি পুরুষ ও নারী ক্রিকেট কমিটি থেকে পাওয়া নানা ধরনের পরামর্শ থেকে এই বদলগুলো আনতে সম্মত হয়েছে।

    মাটির কাছাকাছি থাকা বল ক্যাচ ধরার বেলায় সূক্ষ্ম ব্যবধানে অনেক ক্রিকেটার আউট হয়েছেন বা ফিল্ডার ক্যাচটি মিস করেছেন। এই ধরনের সিদ্ধান্তের সময় থার্ড আম্পায়ার আউট অথবা নট আউট বলার আগে মাঠে থাকা আম্পায়ার থার্ড আম্পায়ারকে ‘সফট সিগন্যাল’ দিতেন।

    এই ‘সফট সিগন্যাল’ হচ্ছে আম্পায়ারের প্রাথমিক ধারণা। যা থেকে ধারণা নিয়ে থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত নিতেন আগে। কিন্তু পহেলা জুন থেকে আম্পায়াররা মাঠ থেকে কোনও সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখবেন না।

    অনেক সময়ই এই সফট সিগন্যাল মাথায় রেখে থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত দিতেন।

    অর্থাৎ থার্ড আম্পায়ার কোনও পূর্ব অনুমিত ধারণা ছাড়াই মাঠে থাকা আম্পায়ারদের সাথে আলোচনা করে এবং ফুটেজ প্রমাণ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।এই সফট সিগন্যাল নিয়মটিকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বলছে, ‘সংশয়পূর্ণ’।

    ক্রিকেটারদের অনেকেই এই ‘সফট সিগন্যাল’- এর বিপক্ষে কথা বলেছেন।

    অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার জশ হ্যাজলউড এই বছরের জানুয়ারি মাসে গণমাধ্যমে বলেন, “যেহেতু থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নেয়া হয়েছে এর মানে মাঠের আম্পায়াররা নিশ্চিত নন। তাহলে এই সফট কলের কোনও প্রয়োজন নেই”।

    ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস ও ভারতের হরভজন সিংও এই সফট কলের বিপক্ষে কথা বলেছেন।

    হরভজন সিং বলেছিলেন, এটা শুধু শুধু সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই না।

    বেন স্টোকস টুইট করে বলেছিলেন, “সফট কল নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়। থার্ড আম্পায়ারের কাছে সব ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে এবং মাঠের আম্পায়াররা যখন দ্বিধায় থাকেন তখন এটা সরাসরি থার্ড আম্পায়ারকেই পাঠানো উচিৎ”।

    ভিরাট কোহলি ভারতের অধিনায়ক থাকাকালীন ২০২১ সালে বলেছিলেন, “আম্পায়াররা যে নিশ্চিত না এটা বললে তো সমস্যা দেখি না আমি। এসব সিদ্ধান্তের কারণে অনেক সময় ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব পড়ে”।

    ক্রিকেট নিয়ে অ্যামাজন প্রাইমের ডকুমেন্টারি দ্য টেস্টে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার মার্নাস ল্যাবুশেইন ২০১৯ সালের অ্যাশেজে লর্ডস টেস্টে আউট হওয়ার পর ড্রেসিং রুমে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

    তিনি বলছিলেন, “আমি বুঝতেই পারছি না এটা কেন মাঠে আউট দেয়া হলো, যদি আপনি না জানেন থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠান”।

    সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার অস্ট্রেলিয়া সফরে অন্তত তিনটি ক্যাচ ধরা নিয়ে সংশয় ও দ্বিধা দেখা গিয়েছিল, ম্যাচের পরে এনিয়ে অধিনায়করাও নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করেছিলেন।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পুরুষ ক্রিকেট কমিটির চেয়ার সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ‘সফট সিগন্যাল অপ্রয়োজনীয় একটি বিষয় এবং এটা অনেক সময়ই খুব অস্পষ্ট’।

    তবে জনপ্রিয় ক্রিকেট উপস্থাপক ও বিশ্লেষক হারশা ভোগলে অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেছেন, তিনি বলেন, “বাউন্ডারি লাইনের জন্য নতুন এই নিয়ম কার্যকরী হতে পারে কারণ সে পর্যন্ত আম্পায়ারের দৃষ্টি যায় না কিন্তু টেলিভিশন ক্যামেরায় আপনি তাই দেখাবেন যা আপনি দেখতে চাইবেন, তাই মাঠের আম্পায়াররা কী অনুভব করছেন তার একটা মূল্যায়ন থাকার প্রয়োজন ছিল”।

    অনেকেই এই টুইটের মন্তব্যের ঘরে হারশা ভোগলের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন।

    কেউ কেউ মনে করেন, সফট সিগন্যালে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তটি ফিল্ডারের অতি মাত্রায় আনন্দ প্রকাশ ও  নামের ওপর নির্ভর করে।

    আরও দুটি নতুন নিয়ম:

    বেশ কয়েকটি জায়গায় হেলমেট পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে এখন।

    প্রথমত, ব্যাটাররা ফাস্ট বোলারের মুখোমুখি হলে

    দ্বিতীয়ত, উইকেটকিপার স্ট্যাম্পের পেছনে দাঁড়ালে

    তৃতীয়ত, উইকেটে ব্যাটারের সামনের দিকে কাছাকাছি কোনও ফিল্ডার দাঁড়ালে

    এই তিন ক্ষেত্রে এখন ক্রিকেটারকে হেলমেট পরতেই হবে।

    আরেকটি নিয়ম হচ্ছে, ফ্রি হিটের বলে, বল স্ট্যাম্পে লাগার পরেও যদি কোনও রান হয় সেটা স্কোরকার্ডে যোগ হবে। এটা এতোদিন মাঠে কার্যকর ছিল, কিন্তু ক্রিকেট আইনে ছিল না।

    যেমন পাকিস্তান বনাম ভারতের বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির ম্যাচে মেলবোর্নে শেষ ওভারে ভিরাট কোহলি মোহাম্মদ নাওয়াজের ফ্রি হিট বলে বোল্ড হওয়ার পরেও দৌড়ে রান নিয়েছিলেন তিনটি।

    এই ছোট বিষয়গুলো ম্যাচে অনেক সময় প্রভাব ফেলে, বিশেষত যেসব ম্যাচে সামান্য ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।

    এই নিয়মগুলো যুক্ত হয়েছে যা ক্রিকেটকে আরও আকর্ষনিয় করে তুলবে মলে মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • আগামী নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকমীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, ‘আগামী নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে।’

    তিনি গতকাল সোমবার গণভবনে এই মতবিনিময়ে অংশ নেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, যখনই দেশের মানুষের জীবনযাত্রার কিছুটা উন্নতি হয়, তখনই বাংলাদেশে কিছু অসৎ মানুষ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং সর্বত্র মিথ্যাচার করে। কিছু মানুষ আন্তর্জাতিক অনুদান পাওয়ার জন্য বিদেশিদের সামনে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে।

    তিনি আরো বলেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, মুক্তিযুদ্ধের সময় লুণ্ঠন, ধর্ষণ ও দমন-পীড়নসহ গণহত্যা ও অন্যান্য অপরাধ করেছে এবং এখন তাদের প্রজন্ম নিরলসভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপগ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

    ভোট কারচুপি বিএনপির অভ্যাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট কারচুপি ও গণতন্ত্র ছিনতাইয়ের রেকর্ড তাদের আছে। ‘তবে, আমরা এখন তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের ছবক শুনছি।’

    তিনি বলেন, ‘এখন সামরিক স্বৈরশাসকের হাতে গঠিত দলের কাছ থেকে আমাদের গণতন্ত্রের ছবক শুনতে হয়। ভোট কারচুপি করা তাদের অভ্যাস।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দল যথেষ্ট শক্তিশালী। দল যেন আরও শক্তিশালী হয়, আমাদের সেই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

    বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তার দল টানা ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকায় এবং দেশে স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখায় এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

    বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। আজ আমরা সফলভাবে পরিবর্তন করতে পেরেছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্যের হার কমেছে। ঢাকা শহরে দারিদ্র্যের হার বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলে কম। কেউ অতীতে এটি ভাবতে পারেনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার অঙ্গীকার রক্ষা করেছে, কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম, পরিবহন খরচ, গ্যাস, জ্বালানি ও কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বৈদেশিক ঋণের সুদের হার বাড়ানো হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্র্রার রিজার্ভের  ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।’ তবে, এখনও পাঁচ মাসের জন্য খাদ্য সংগ্রহের জন্য যথেষ্ট রিজার্ভ মজুদ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    তিনি স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির জন্য কৃষি উৎপাদন বাড়াতে দেশের কোনো জমি অনাবাদি না রেখে সর্বত্র আবাদ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে এবারও ধান ও অন্যান্য ফসলের ফলন ভালো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সম্প্রতি ৭৬১,৭৮৫ কোটি টাকার বৃহত্তম জাতীয় বাজেটের রেকর্ড করেছে। তিনি বলেন, অতীতে এত বড় বাজেট কেউ দিতে পারেনি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই কঠিন সময়ে সরকার এত বড় বাজেট দিতে পেরেছে।

    তিনি বলেন, বাজেটে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার আকার উভয়ই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সরকার একটি কার্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা করেছে যাতে নিম্ন আয়ের লোকেরা তাদের ভোগান্তি লাঘব করতে ভর্তুকি মূল্যে চাল, ডাল এবং ভোজ্যতেলসহ কিছু প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারে।

    সূত্র : বাসস