www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৪: সব বিচারপতিদের অংশগ্রহণে প্রধান বিচারপতির ডাকা সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চলমান পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে সুপ্রিম কোর্টের সব বিচারপতিদের নিয়ে ফুল কোর্ট সভা ডেকেছিলেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ভার্চুয়ালি এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
এদিকে সভা ডাকার পরপরই অবিলম্বে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে যেকোনো প্রকার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া আসিফ মাহমুদ।
শনিবার (১০ আগস্ট) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বলেন, পরাজিত শক্তির যেকোনো প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। তিনি বলেন, আমরা আগেই প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলাম। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তাদের উসকানি দিলে এর ভয়াবহ পরিণাম ভোগ করতে হবে। অনতিবিলম্বে বিনা শর্তে প্রধান বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করুন এবং ফুল কোর্ট মিটিং বন্ধ করুন।
Tag: প্রধান কাজ
-

সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা স্থগিত ঘোষণা
-

দেশে আইন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে আমার প্রধান কাজ: ড. ইউনূস
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ আগস্ট, ২০২৪: দেশে আইন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে আমার প্রধান কাজ, বলে জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “আমার উপরে যদি ভরসা রাখেন, আশা করি দেশের কোথাও হামলা হবে না। আমার কথা যদি না শোনেন তাহলে, আমার এখানে কোনও প্রয়োজন নাই। আমাকে বিদায় দেন, আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। আমাকে প্রয়োজন মনে করলে আপনাদের দেখাতে হবে আমার কথা আপনারা শোনেন।”
আজ বৃহস্পতিবার ( ৮ আগস্ট) ফ্রান্সের প্যারিস থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সংবাদ ব্রিফিং-এ তিনি একথা বলেন।
বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলসহ অন্যরা। ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ রাতে শপথ নেবেন।
ড. ইউনূস সাংবাদিকদের বলেন, “আজকে আমার আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। আজ আমাদের গৌরবের দিন। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজকে নতুন দিনের সৃষ্টি করলো। সেটাকে সামনে রেখে আরও মজবুত করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যদি আমার ওপর আস্থা রাখেন, তবে আমার এ আহ্বান শুনুন। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখুন।”
ড. ইউনূস বলেন, “এই স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে, তা না হলে এই স্বাধীনতার কোনো দাম নাই। এই স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই হলো আমাদের শপথ, আমাদের প্রতিজ্ঞা। মানুষ যেন জানে যে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অর্থ হলো তার নিজের পরিবর্তন। ব্যক্তির পরিবর্তন, সুযোগের পরিবর্তন, তার ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যতের পরিবর্তন, এটা যেন প্রত্যেককে বুঝে নেয়।”দেশ আজ তরুণ সমাজের হাতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তোমাদের দেশ তোমরা মনের মতো করে গড়ে তুলবে। তোমরা যেহেতু স্বাধীন করতে পেরেছ, তোমারা মনের মতো করে গড়ে তুলতে পারবে। তোমাদের দেখে সারা দুনিয়া শিখবে, কীভাবে একটা দেশ একটা তরুণ সমাজ গড়ে তুলতে পারে।”
শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, “আমাদের কাজ হলো তারা (তরুণরা) যে অর্জন করে নিয়ে এসেছে সেটাকে তাদের দিয়েই গড়ে দেওয়া। আমাদের সমস্ত কাঠামোগুলো পরিষ্কার করে দেওয়া। সরকার বলে একটা জিনিস আছে, যাতে মানুষের কোনো আস্থা নেই। মানুষ মনে করে সরকার একটা দমন-পীড়নের যন্ত্র। যেখানে সুযোগ পায় সেখানে মানুষকে কষ্ট দেয়। এটা সরকার হতে পারে না। সরকারকে দেখলে মানুষের বুক ফুলে উঠবে। যে আমাদের সাহায্য করবে, যে আমাদের রক্ষা করবে। এই সরকার হবে যে সরকার মানুষকে রক্ষা করে। আস্থাভাজন হবে। মানুষ যেন বিশ্বাস করে যে সরকার আমার লোক, সেই আস্থাটা ফিরিয়ে আনতে হবে।”
সবশেষে ড. ইউনূস বলেন, “সারা বাংলাদেশ একটা বড় পরিবার। এই পরিবারে আমরা একসঙ্গে চলতে চাই। আমাদের সঙ্গে দ্বিধাদ্বন্দ্ব যা আছে সরিয়ে ফেলতে চাই। যারা বিপথে গেছে তাদের পথে আনতে চাই। যাতে করে একসঙ্গে কাজ করতে পারি।”