Tag: এমপি

  • বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা যে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা যে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। এবারের মন্ত্রিসভায় বেশ কিছু নতুন মুখ রয়েছে। তাদের অনেকেই প্রথমবারের মতো মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিয়েছেন।

    বাংলাদেশে একজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা কেমন? এর বাইরে তারা কি কি সুযোগ সুবিধা পান? এখানে সেটা তুলে ধরা হয়েছে।

     

    প্রধানমন্ত্রীর বেতন ভাতা:

    • দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি মাসিক বাড়ি ভাড়া পান এক লাখ টাকা, দৈনিক ভাতা পান তিন হাজার টাকা।

     

    মন্ত্রীর বেতন ভাতা:

    • দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী বেতন পান মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা এবং চিফ হুইপরাও সমান বেতন পান।
    • মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী কাউকেই তাদের বেতনের জন্য কোন কর দিতে হয় না।

     

    এছাড়া একজন মন্ত্রী আরো যেসব সুবিধা পান:

    • দৈনিক ভাতা: দুই হাজার টাকা
    • নিয়ামক ভাতা: মাসিক ১০ হাজার টাকা
    • স্বেচ্ছাধীন তহবিল: ১০ লাখ টাকা
    • মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা
    • সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে।
    • সরকারি খরচে রেল ভ্রমণ ও বিদেশ ভ্রমণ
    • বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে
    • আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র
    • সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরণের সেবা খাতের বিল
    • বিমান ভ্রমণের জন্য বীমা সুবিধা আট লাখ টাকা
    • সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী
    • বাসস্থান থেকে অফিস বা অফিস থেকে বাসস্থানে যাতায়াতের খরচ পাবেন। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ খরচও তিনি পাবেন। এছাড়া অন্তত দুইজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচ পাবেন।
    • উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুইজন কর্মকর্তা।
    • আরো পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুইজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

     

    প্রতিমন্ত্রীর বেতন ভাতা

    • প্রতিমন্ত্রীদের বেতন প্রতি মাসে ৯২ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর কোন কর নেই। এছাড়া তিনি আরো পাবেন:
    • দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা
    • প্রতিমন্ত্রীর নিয়ামক ভাতা: ৭ হাজার ৫০০ টাকা
    • স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৭ লাখ টাকা
    • মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা
    • বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে
    • আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র
    • সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সব ধরণের সেবা খাতের বিল ও বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ
    • উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুইজন কর্মকর্তা।
    • আরো পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুইজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

     

    উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা:

    • একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন ভাতার জন্য কোন কর দিতে হবে না।
    • দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা
    • নিয়ামক ভাতা: পাঁচ হাজার টাকা
    • স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৫ লাখ টাকা
    • মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা
    • বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে
    • আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্রসরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরণের সেবা খাতের বিল
    • সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। এছাড়া একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, একজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

     

    মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যারা সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে, তারা আরো কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।

     

    বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য যেসব সুযোগ-সুবিধা পান সেগুলো হচ্ছে:

    ১. সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫,০০০ টাকা

    ২. নির্বাচনী এলাকার ভাতা প্রতিমাসে ১২,৫০০ টাকা

    ৩. সম্মানী ভাতা প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা

    ৪. শুল্কমুক্তভাবে গাড়ি আমদানির সুবিধা

    ৫. মাসিক পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা

    ৬. নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা

    ৭. প্রতিমাসে লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা

    ৮. মাসিক ক্রোকারিজ, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ভাতা ৬,০০০ টাকা

    ৯. দেশের অভ্যন্তরে বার্ষিক ভ্রমণ খরচ ১২০,০০০ টাকা

    ১০. স্বেচ্ছাধীন তহবিল বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা

    ১১. বাসায় টেলিফোন ভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৭,৮০০ টাকা

    ১২. সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ ভবন এলাকায় এমপি হোস্টেল আছে।

     

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • শপথ নিয়েছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত এমপিরা

    শপথ নিয়েছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত এমপিরা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: শপথ নিয়েছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকালে শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথ কক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে নিয়মানুযায়ী স্পিকার নিজে নিজেই শপথ গ্রহণ করেন।

    শপথগ্রহণ শেষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।

    আওয়ামী লীগ ছাড়া জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা পরে আলাদাভাবে শপথ নিয়েছেন।

    ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। ২৯৯টি আসনের মধ্যে ৮ জানুয়ারি দুপুর পর্যন্ত ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকে ২২৩টি আসনে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ।

    আওয়ামী লীগের পর সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। যাদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগ নেতা।

    এদিকে গত দুই মেয়াদে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসা জাতীয় পার্টি শেষ পর্যন্ত ১১ আসনে জয় পেয়েছে।

    এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে জাসদ একটি, ওয়ার্কার্স পার্টি একটি ও বিএনপির জোট থেকে বেরিয়ে আসা কল্যাণ পার্টি একটি আসনে জয় পেয়েছে।

    নিয়মানুযায়ী, সংসদ নেতা নির্বাচন ও প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর তার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব পাঠাবেন স্পিকার। এরপর রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করবেন। জানা গেছে, আগামী ২৮ বা ৩০ জানুয়ারি এই অধিবেশন আহ্বান করা হতে পারে। অধিবেশনের শুরুতেই নতুন সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে।