Tag: উগান্ডা

  • বিশ্বকাপের চমক সৃষ্টি করে জয় পেয়েছে উগান্ডা

    বিশ্বকাপের চমক সৃষ্টি করে জয় পেয়েছে উগান্ডা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৬ জুন, ২০২৪: বিশ্বকাপে চকম সৃষ্টি করে পাপুয়া নিউগিনিকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে উগান্ডা। চমক এই অর্থে যে উগান্ডার ক্রিকেট খেলা সাম্প্রতিক সময় শুরু হয়েছে। দেশটিতে পাওয়া যায়না ক্রিকেট সরঞ্জাম এমন কি খেলার জন্য নেই তেমন প্রশস্ত মাঠ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে লজ্জাজনক হারের রেকর্ডও গড়েছে তারা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই বিশ্বমঞ্চে চকম দেখিয়েছে। প্রতিপক্ষ পাপুয়া নিউগিনিও শক্ত কেউ না। তবে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতায় উগান্ডার চেয়ে ঢের এগিয়ে। আসাদ ভালার দল এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও চ্যালেঞ্জ করেছিল। যে কারণে উগান্ডার বিপক্ষে তারাই ছিল ফেবারিট। কিন্তু ৭৭ রানে পাপুয়া নিউগিনিকে অলআউট করে নিজেদের জয়ের কাজটা সহজ করে রেখেছিল আফ্রিকান দেশটি। এরপর রানতাড়ায় বেশ চাপের মুখে থাকলেও শেষপর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের দেখা পায় উগান্ডা।

    ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত উইকেট হারালেও উগান্ডা ধরে রেখেছিল স্নায়ুচাপ। সময় নিয়েছে। ধীরগতিতে খেলেছে। তবে জয়ের লক্ষ্যে তারা ছিল অবিচল। আগের ম্যাচেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে ধীরগতির ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েছিলেন উগান্ডার রিয়াজাত আলী শাহ। আজ খেললেন তেমন আরেক ইনিংস। তবে আজকের ম্যাচটা উগান্ডাকে এনে দিয়েছে তাদের বিশ্বকাপে প্রথম জয়!

    প্রথম ৬ রানের মাথায় তিন উইকেটের পতন। রজার মুসাকা, সিমন সেসাজাই এবং রবিনসন ওবুইয়া, তিনজনেই করেছেন হতাশ। রিয়াজাতকে সঙ্গ দিতে পারেননি আলপেশ রামজানি এবং দীনেশ নাকরানি। ৭৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২৬ রানে ৫ উইকেট হারায় উগান্ডা। এরপর জুমা মিয়াজিকে নিয়ে রিয়াজাতের ৩৫ রানের জুটি উগান্ডার স্কোর টেনে নেয় ৬১ পর্যন্ত।

    বাকি কাজটায় রিয়াজাতের সঙ্গী কিনিথ ওয়াইসইয়া। অবশ্য ৭৫ রানের সময় রিয়াজাত আউট হলে আবার শঙ্কায় পড়ে যায় উগান্ডার জয়ের স্বপ্ন। ৭৫ রানে ৭ম উইকেটের পতন। কিন্তু ওয়াইসয়া বিপদ বাড়তে দেননি। ১৯তম ওভারে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ডাগআউট আর গ্যালারিতে জমা হওয়া গুটিকয়েক উগান্ডান সমর্থকদের উল্লাসের মাত্রাই বুঝিয়ে দিয়েছিল, এমন জয় উগান্ডার ক্রিকেটের জন্য কতটা গুরুত্বের ছিল।

    এর আগে ৪৩ বছর বয়েসী ফ্র্যাংক এনসুবুগার বোলিং তোপে পড়েছিল পাপুয়া নিউগিনি। ৪ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন তিনি। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন আল্পেশ রামজানি, জুমা মিয়াজি আর কসমস কুয়েটা। তাদের সম্মিলিত বোলিং আক্রমণের মুখে দাঁড়াতেই পারেনি পাপুয়া নিউগিনি। কেবল তিন ব্যাটার যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের রানের ঘরে। অবশ্য তাদের ওই ৭৭ রানই উগান্ডার জন্য একটা সময় ছিল পর্বতের মতো কঠিন।

    দুদিন আগেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ৭৭ রানে শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ম্যাচের পর প্রোটিয়া পেসার আনরিখ নরকিয়া মন্তব্য করেছিলেন, বিনোদনদায়ক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য ২০টা ছক্কার প্রয়োজন হয় না। সেই কথারই যেন যথার্থ মূল্যায়ন করল উগান্ডা এবং পাপুয়া নিউগিনি। বিশ্বকাপে দেখা গেল আরও একটা লো-স্কোরিং ম্যাচ। যেখানে ক্রিকেটের উত্তেজনা ঠিকই টের পেয়েছেন দর্শকরা। আর তাতে শেষ হাসি হাসল নাবগত উগান্ডা।

    দ্বিতীয় খেলায় জিতেছে অস্ট্রেলিয়া

    আজকের দ্বিতীয় খেলায় ব্রিজটাউনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ওমানকে ৩৯ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুরুতে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান করে অজিরা। ওই রান তাড়া করতে নেমে পুরো ২০ ওভার খেললেও ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানের বেশি করতে পারেনি ওমান।

    গাতকাল রাতের খেলায় জিতেছে ভারত  

    ভারত গতকালের রাতের খেলায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম ম্যাচে নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে আয়ারল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। আগে ব্যাট করতে নেমে ১৬ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান সংগ্রহ করে আইরিশরা। যেটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। আগেরটিতে ২০১০ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬৮ রানে অলআউট হয় তারা। জয়ের জন্য ৯৭ রান তাড়া করতে গিয়ে ৮ উইকেটে জয় পায় ভারত।

     পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের খেলা রাতে

    আজ বৃহস্পতিবার নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মিশন শুরু করবে পাকিস্তান। প্রতিপক্ষ আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে এই ম্যাচটি। ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে।

  • উগান্ডায় ক্রিকেট অনুশীলনের সরঞ্জাম নেই অথচ তারা খেলবে বিশ্বকাপে

    উগান্ডায় ক্রিকেট অনুশীলনের সরঞ্জাম নেই অথচ তারা খেলবে বিশ্বকাপে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩১ মে, ২০২৪: উগান্ডা এমন একটি দেশ যাদের ক্রিকেট অনুশীলনের জন্য নেট নেই, যেখানে পাওয়া যায়ন ক্রিকেট সরঞ্চাম। তারা এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে।বিষয়টি ভাবতেই অবাক লাগে। তাছাড়া উগান্ডার কাম্পালায় যে অনুশীলনের জায়গা সেখানে একজন ফাস্ট বোলারের দৌড়ানোর মতো জায়গা নেই।

    স্থলবেষ্টিত দেশটি ‘আফ্রিকার মুক্তা’ হিসেবে পরিচিত, কফি চাষের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত উর্বর এই ভূমি থেকে উঠে এসেছেন কজন ক্রিকেটার যারা এবারে বিশ্বকাপও খেলবে।বছর খানেক আগেও যা ছিল কল্পনার বাইরে।

    ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি খেলেছে পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকা নামে। এবারে আর মহাদেশীয় অঞ্চল না একেবারে দেশের নাম দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ইভেন্ট খেলবে উগান্ডা। এই বিশ্বকাপটা উগান্ডার ক্রিকেটারদের জন্য ‘স্বপ্নের মতো’, পৃথিবীর অনেক দেশের মতো উগান্ডাতে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল, ক্রিকেটাররা কিছুটা নজরে আসতে চান কারণ ক্রিকেট খেলাটা চালিয়ে যেতে হলে তাদের পৃষ্ঠপোষক প্রয়োজন একই সাথে প্রয়োজন সরকারের সমর্থন। সেটা হয়তো এখন থেকে পাওয়া শুরু করবেন বলে আশা করছেন উগান্ডার পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা। তিনি বলেন, “আমাদের যে সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় দেশে সেটাকে খুব ভালো বলা যাবে না, তাই আমার মতে উগান্ডার বিশ্বকাপ খেলাটা একরকম অলৌকিক বটে। এটা একতা স্বপ্নের মতো ব্যাপার”।

    বিশ্বকাপে উগান্ডার গ্রুপে আছে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান ও পাপুয়া নিউ গিনি। এই ক্রিকেটারদের বিপক্ষে মাঠে নামাটাকে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের বড় ব্যাপার মনে করেন মাসাবা।

    উগান্ডার ক্রিকেটীয় উত্থান:

    ১৯৯৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী দেশ হিসেবে ক্রিকেটের পরিসরে ঢোকে উগান্ডা, কিন্তু আদতে উগান্ডার ক্রিকেট গুছিয়ে ওঠে ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। এই সময়ে কোচ লরেন্স মাহাটলেইন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার লক্ষ্যে উগান্ডা ক্রিকেট দলের সাথে কাজ করেন।

    দলটির অধিনায়ক মাসাবা বলেন, “কোচের কাজ ছিল সুনির্দিষ্ট। তিনি এই টি২০ বিশ্বকাপে খেলানোর একটা কার্যকর পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন এবং সফল হয়েছেন”।

    প্রথমত ক্রিকেটারদের চুক্তিবদ্ধ করা হয় যাতে উগান্ডার ক্রিকেটাররা একটা পেশাদার মঞ্চ পান, এরপর দলটিকে প্রচুর ম্যাচ খেলানোর সুযোগ দেয়া হয়। ২০২১ সালের পর থেকে উগান্ডা পুরুষ আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে, এটা প্রমাণ করে কতোটা সংকল্পবদ্ধ ছিল দলটির পরিকল্পনা।

    এই সময়ের মাঝে উগান্ডা বেশিরভাগ ম্যাচ খেলেছে রুয়ান্ডা ও তানজানিয়ার বিপক্ষে, গত ২ বছরে ৫৯ ম্যাচে মাত্র ৮টিতে হেরেছে দলটি। এতে করে দলটি খুব শক্তিমত্তা অর্জন না করলেও টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে কীভাবে ম্যাচ বের করতে হয় সেই ধারণাটুকু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সাবেক টেস্ট খেলুড়ে দেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করে উগান্ডা।

    উগান্ডার ক্রিকেট ইতিহাসে কখনো কোনও জার্সিতে স্পন্সর ছিল না, এবার দলটি জার্সি স্পন্সর পেয়েছে, এটাই প্রমাণ করে দলটির জন্য এই অর্জন কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। মাসাবা বলেছেন, “এই ইতিহাসের অংশ হবো, এটা কখনো ভাবনাতে আসেনি।”

    “এটা একটা লম্বা যাত্রা, আমার অভিষেক হয়েছিল ২০১১ সালে, তাই আমি জানি এই জায়গায় আসতে আমাদের কতোটা কষ্ট করতে হয়েছে।”

    উগান্ডার প্রথম লক্ষ্য মাঠে নেমে একটা প্রভাব ফেলার চেষ্টা করা, অধিনায়ক মাসাবা বলেছেন, “আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো আমাদের সংস্কৃতি তুলে ধরা, ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক দর্শকরা যাতে দেখে উগান্ডা নামের একটা দেশ ক্রিকেট খেলছে।”

    উগান্ডা ক্রিকেট দলের ডাকনাম ‘দ্য ক্রেইন্স’:

    ক্রিকেট ক্রেইন নামের পেছনে আছে একটি পাখি, ক্রেস্টেড ক্রেইন, এটি উগান্ডার জাতীয় পাখি। অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের অনুষ্ঠান স্টাম্পডে বলেন, “উগান্ডার জাতীয় পাখি ক্রেস্টেড ক্রেইনের নাম ধরেই আমাদের ক্রেইন বলে ডাকা হয়।”

    সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক নাসবুগা:

    অফস্পিনার ফ্রাঙ্ক নাসবুগা ১৬ বছর বয়স থেকে উগান্ডার জাতীয় দলে খেলছেন। প্রায় তিন দশক পরে তার বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। পাঁচ বছর আগে উগান্ডা বিশ্ব ক্রিকেট লিগের চতুর্থ ধাপে অবনমিত হয়েছিল তখনও দেশটির ক্রিকেটাররা ভাবতে পারেননি কখনো তাদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হবে।

    নাসবুগা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমাদের জন্য এটা ছিল চমকের মতো। জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলবো আমরা, ছেলেরা খুবই উচ্ছ্বসিত এবং এই অভিজ্ঞতা নিতে মুখিয়ে আছে। আমি তো ২৭ বছর ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম”।

    অগাস্টেই এই ক্রিকেটারের বয়স হবে ৪৪ বছর। তিনি এরপর কোচিং করানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এছাড়াও উগান্ডার ক্রিকেট নিয়ে কাজ করবেন তিনি, “আমাদের ক্রিকেটকে গ্রামে নিয়ে যেতে হবে, নানা জায়গা থেকে ক্রিকেটার তুলে আনতে হবে। আমাদের আপাত কিছুটা পেশাদারিত্ব আসছে, যেটা ভালো।”

    ফ্রাংকের ব্যাপারে অধিনায়ক মাসাবা প্রশংসায় পঞ্চমুখ, “কী বলবো তার ব্যাপারে, তিনি একেবারে শুরু থেকে আছেন, আমি ছোট ছিলাম যখন ফ্রাঙ্কের খেলা দেখেছি। তিনি উগান্ডার ক্রিকেটের সাথে সবসময় আছেন। আমরা যতদূর এসেছি এর পেছনে ফ্রাঙ্কের অবদান আছে।”

    ফ্রাঙ্ক নাসবুগা বিশ্বকাপের পরে আর খেলবেন না বলে জানিয়েছেন।

    উগান্ডা ক্রিকেটের এই পর্যন্ত আসার পেছনে অবদান আছে এক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট ক্লাবেরও, কাম্পালার ক্রিকেট পাড়ায় গেলে প্রায়ই চোখে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার পুরনো সবুজ হেলমেট বা নিউ সাউথ ওয়েলসের জার্সি। ২০০৪ সালে অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার যুবদলের দেখাশোনা করছিলেন ব্রায়ান ফ্রিম্যান, তখন তার নজরে আসে উগান্ডার ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা, যাদের কাছে ক্রিকেট সামগ্রী ছিলনা বললেই চলে, মাঠেই তারা সতীর্থদের সাথে সামগ্রী শেয়ার করে ক্রিকেট খেলতেন। ব্রায়ান ফ্রিম্যান ২০০৫ সাল থেকেই নানা ধরনের ক্রিকেট সরঞ্জাম উগান্ডায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

    ফ্রিম্যান দ্য গার্ডিয়ানকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়াটা অনেক বড় ব্যাপার, এখানে আমরা অবদান রাখতে পেরে খুশি, আমরা তাদের থেকে অনেক ধন্যবাদ পেয়েছি, আমরা অভিনন্দন জানিয়েছি। তবে মনে রাখবেন, এই অর্জনটা একান্ত তাদের”।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা