www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ হাজারই নারী ও শিশু।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস প্রথমে ইসরায়েলি সীমান্তে প্রবেশ করে আক্রমণ করে। এরপর প্রতিশোধ নিতে গাজায় পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি ছাড়া প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক জরুরি পরিচালক রিচার্ড ব্রেনান বলেছেন, তিনি এই হতাহতের পরিসংখ্যানকে বিশ্বাসযোগ্য বলেই মনে করেন।
হামাসের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে সেখানে প্রতিদিনই শত শত নিরীহ ফিলিস্তিনির ওপর বর্বর হামলা চালানো হচ্ছে। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস বলেছেন, গাজায় খাদ্য সংকট ও বাস্তুচ্যুত লোকজনের মধ্যে বড় আকারে মানবিক সহায়তা সরবরাহের জন্য বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে।
গাজার ডাক্তাররা বলছেন, মৃত্যুর সংখ্যা এর চেয়েও আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে বা অনেককে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি সেনারা গাজায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। সর্বশেষ রাফাহ হাসপাতালের কাছে এবং উত্তর জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়েছে তারা।
টানা আড়াই মাস ধরে নিরলস ইসরায়েলি হামলা গাজা উপত্যকাজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার আবাসন ইউনিট ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানা গেছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলি আগ্রাসনে কমপক্ষে ১১৪টি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে এবং ২০০টি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া উপত্যকার চারটি গির্জাকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ১২৬টি সরকারি ভবন ধ্বংস করেছে এবং হামলায় ২৮৩টি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৯০টি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।’
