Category: লিড নিউজ

  • বাংলাদেশে টেকসই উদ্ভাবনে উৎসাহিত করতে চায় ইউএসডিএ

    বাংলাদেশে টেকসই উদ্ভাবনে উৎসাহিত করতে চায় ইউএসডিএ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মে, ২০২৪: টেকসই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ঢাকার ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) । তাছাড়া প্রাণিসম্পদ খাতে দক্ষতা বাড়ানো, জলবায়ু সহিষ্ণুতার প্রচারে বাংলাদেশে নতুন ক্লাইমেট স্মার্ট লাইভস্টক প্রজেক্ট চালু করছে ইউএসডিএ। ফুড ফর প্রোগ্রেস প্রোগ্রামের মাধ্যমে ইউএসডিএ পাঁচ বছরে এ প্রকল্পে ৩৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে।

    আজ শনিবার (১৮ মে) ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এ তথ্য জানায়।

    টেকসই ফলাফল অর্জনের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে ইউএসডিএ। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এবং প্রভাবকে প্রশমিত করতে বাংলাদেশকে জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি পদ্ধতি বাস্তবায়নে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    উদ্ভাবনী এ প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্যভাবে গবাদি পশুর উৎপাদন বাড়াবে, বাজারে সুযোগ বাড়াবে এবং নির্ধারিত ১৬টি জেলায় জলবায়ু-স্মার্ট পদ্ধতির বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত দুই লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি গবাদি পশু চাষি উপকৃত হবেন। প্রকল্পটি বাংলাদেশের জাতীয় জলবায়ু লক্ষ্যের সঙ্গে মিল রেখে উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তির প্রবর্তন, প্রাণী স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করবে।

    উৎপাদনকারীদের সর্বশেষ ক্রেতার সঙ্গে সংযোগ করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এবং বিনিয়োগের মূলধনে পবেশাধিকার বাড়িয়ে, প্রকল্পটির লক্ষ্য পাঁচ বছরে গবাদি পশুর বিক্রয় ৯৪০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানো।

    ইউএসডিএ’র অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে সারাহ গিলেস্কি বলেন, উদ্ভাবনী এ প্রকল্পটি চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। প্রকল্পটি একই সঙ্গে ক্ষুদ্র পরিসরে যারা গবাদি পশু উৎপাদন করেন তাদের উৎপাদন বাড়ানো ও জীবিকা উন্নত করতে সহায়তা করবে, পাশাপাশি মিথেন নির্গমনও কমাবে। এটা আমাদের দেখাবে যে, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন এবং প্রশমন করার বিনিময়ে কৃষি উৎপাদন কমবে না।

    ইউএসডিএ ক্লাইমেট স্মার্ট লাইভস্টক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এসিডিআই/ভিওসিএ।

  • আলোর দূষণের ফলে মানসিক ব্যাধিও দেখা দেয়

    আলোর দূষণের ফলে মানসিক ব্যাধিও দেখা দেয়

    www.HelloBangla.News – মতামত – ১৮ মে, ২০২৪: বর্তমান গবেষকরা জানিয়েছে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত আলোর মধ্যে জীবন ধারণ মানব দেহে নানা ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হয়। আর এটাকেই বলা হচ্ছে আলোর দুষণ।

    আমরা এতদিন শুনে এসেছি বায়ুদূষণ, পানিদূষণ, শব্দদূষণ সহ নানা ধরনের দূষণের কথা।  কিন্তু আলোও যে দূষণ ঘটাতে পারে, তা আমাদের অজানা।

    আলো দূষণ আসলে কী? আর এর কারণে মানুষের ঠিক কী ক্ষতি হয়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ যদি এখন থেকেই ওইসব কারণের দিকে আলোকপাত করে আলোর দূষণ না কমায়, তবে একসময় তা বায়ুদূষণের মতো জটিল আর বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

    আলোর সঠিক মাত্রা কত?

    আলো দূষণ, ইংরেজিতে একে বলা হয় লাইট পলিউশন। মানুষ এবং প্রাণীজগতের সকল সদস্যের দিনের কর্মযজ্ঞের যে চক্র তাতে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় শরীরের আলো থেকে দূরে বিশ্রাম দরকার। আবার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় এবং বেশি সময় ধরে জ্বলে থাকা আলো অস্বস্তি আর বিরক্তির পাশাপাশি অন্য সমস্যাও তৈরি করে।

    সহজভাবে বলতে গেলে, কোথাও যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রার আলো থাকে, বা কোথাও যদি অপ্রয়োজনীয় আলো থাকে, তাহলে সেটিকেই আলো দূষণ বলে ব্যাখ্যা করেন বিশষজ্ঞরা।

    মূলত কৃত্রিম আলো জন্যই মানব দেহের ক্ষতি হচ্ছে:

    যত্রতত্র নিয়ম না মেনে সড়ক বাতি স্থাপন, ভবনের ভেতরে ও বাইরের অতিরিক্ত আলোকসজ্জা, সড়কে ছোট-বড় নানা আকারের বিলবোর্ড বসিয়ে তাতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন সহ নানা কারণে আলো দূষণ হচ্ছে। তবে ঠিক কত মাত্রার আলো হলে তা দূষণের পর্যায়ে পড়বে না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও মানদণ্ড নেই। কারণ, কোনও স্থানে কতটুকু আলো প্রয়োজন, তা অনেক ধরনের নিয়ামকের ওপর নির্ভর করে। যেমন- স্থানের ধরণ, আয়তন, গুরুত্ব ইত্যাদি।

    তবে বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি)-তে ভবনে কী ধরনের আলো ব্যবহার করা উচিৎ, তা নিয়ে কিছু নির্দেশনা দেওয়া আছে।

    অ্যাডেক্স লাইটিং সিস্টেম লিমিটেড নামক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারানা আলী বলেন, আলোর ক্ষেত্রে ঘরে কী ধরনের আসবাবপত্র আছে, ঘরটি কোন কাজে ব্যবহার করা হবে, তা আয়তন বা ভবনটি কী দিয়ে তৈরি ইত্যাদি দেখতে হয়। ধরা যাক, কোন অফিসের আয়তন ১০০ বর্গ ফুট, সেক্ষেত্রে সেখানের অভ্যন্তরীণ আলোর মাত্রা আনুমানিক ৭৪ থেকে ২১০ ওয়াটের মাঝে থাকতে হবে। আবার ভবনের বাইরের আলোর ক্ষেত্রে এটি হওয়া উচিৎ ৪৯ থেকে ৯১ ওয়াটের মাঝে।

    ঢাকা শহর কৃত্রিম আলো সবচেয়ে বেশি:

    সর্বশেষ ২০১৬ সালে করা ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস অব আর্টিফিশিয়াল নাইট স্কাই ব্রাইটনেস’ নামে এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের ৮০ শতাংশ মানুষ আকাশ জুড়ে থাকা কৃত্রিম আলোর নীচে বসবাস করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ৯৯ শতাংশ মানুষ ওই আলোর জন্য রাতের প্রকৃত চিত্র প্রায় দেখতেই পায় না।

    বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আলো দূষণের ভয়াবহতা কতটা, সে সম্বন্ধে সাম্প্রতিক সময়ে করা বিশদ কোনও গবেষণা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল, এই ১০ বছরের তথ্য নিয়ে করা ‘নেক্সাস বিটুইন লাইট পলিউশন এ্যান্ড এয়ার টেম্পারেচার: আ স্টাডি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গবেষণায় দেখা গেছে, আলো দূষণ বাড়ছে বাংলাদেশে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুল ইসলামের করা সেই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশের মাত্র সাত দশমিক এক শতাংশ এলাকায় আলো দূষণ হত। কিন্তু এক দশক পরে আলো দূষণ বেড়ে হয়েছে ২৫ দশমিক চার শতাংশ।

    সেখানে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে শহর এলাকাগুলোতে আলো দূষণ লক্ষ্য করা যেত। কিন্তু ২০১৩ সালে সেই দূষণ শহরতলি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। গবেষণা অনুযায়ী, আলো দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। ঢাকার পরেই আছে চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, যশোর, রংপুরের নাম।

    আলো দূষণের অন্যতম উৎস বিলবোর্ড?

    ঢাকা সহ সারাদেশের যে আলো দূষণের পেছনে সড়কবাতির পাশাপাশি বিলবোর্ডের প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে বলে মনে করেন বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা।

    ওইসব বিলবোর্ড ও সড়কবাতির কারণে প্রচুর সড়ক দুর্ঘটনাও হয় বলে মনে করেন তারা।

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়— বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, “ডেস্ট্রাক্টিভ ড্রাইভিংয়ের অন্যতম কম্পোনেন্ট শহরের যত্রতত্র জুড়ে থাকা বিলবোর্ড।

    বিলবোর্ডের আলো ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হয় এবং তাতে বিজ্ঞাপন চলে। এতে ড্রাইভারদের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে।”

    “আমাদের বিলবোর্ডগুলোতে এত উচ্চ মানের কেলভিনযুক্ত আলো থাকে যে দিনের বেলায়ও বিলবোর্ডগুলি স্পষ্ট দেখা যায় এবং রাতে তা আরও প্রকট হয়ে চোখে অস্বস্তি তৈরি করে। এগুলা দুর্ঘটনার জন্যও দায়ী,” বলেন নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুল ইসলামের বক্তব্যও একই।

    তিনি বলেন, উন্নত যে কোনও দেশে বিলবোর্ডের জন্যও একটা স্ট্যান্ডার্ড লুমেন থাকে, সেই অনুযায়ী তাদেরকে এসব স্থাপন করতে হয়।

    “কিন্তু আমাদের দেশে তো কোনও নিয়ম নেই, আলো দূষণ বিষয়ক সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। সড়কবাতি বা বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এখনও কোনও নির্দেশনা নেই।”

    তিনি বলেন, বাইরের যে লাইট, তা তো আকাশের দিকেও যায়, সড়কের দিকেও আসে, সেগুলো কীভাবে বসাতে হবে, বিলবোর্ড কেমন হবে, তা নিয়ে কোনও স্ট্যান্ডার্ড ফিক্স করা নাই।

    “আপনি যদি কোনও বিলবোর্ডের সামনে গিয়ে দাঁড়ান, আপনি দেখবেন যে আপনার চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। এমনকি রিকশা করে কোনও বিলবোর্ড ক্রস করলেও আপনার ঠিক এমনই অনুভূত হবে,” তিনি যোগ করেন।

    মানবদেহে অতিরিক্ত আলোর প্রভাব:

    অতিরিক্ত আলো মানুষের শরীরে কী ধরনের প্রভাব ফেলে সেই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, লাইট পলিউশন নিয়ে আমাদের দেশে কোনও কথা হয় না। কিন্তু এটা যে কি পরিমাণ স্বাস্থ্যহানি ঘটায়, আমাদের ধারণ নাই।

    যেমন, মানুষের দেহে একটা জৈব ঘড়ি আছে, যা সূর্য ওঠা এবং ডোবার সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু এই অনাহূত আলোর জন্য ঘড়ির কাজে ব্যাঘাত ঘটে।

    আর মস্তিষ্ক যখন দিন-রাতের পার্থক্য বুঝতে পারে না, তখন নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি বিভিন্ন মানসিক ব্যাধিও দেখা দেয়। যেমন: “অতিরিক্ত আলোতে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, প্রেশার বেড়ে যায়, ডায়াবেটিস সহ নানা সমস্যা হয়।”

    কিন্তু চলাফেরা ও নিরাপত্তার জন্য রাস্তাঘাটে আলো থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে তার প্রভাব কোনোভাবে বসতবাড়িতে পড়তে পারবে না। বসবাসের জায়গায় উজ্জ্বল আলো দেয়া যাবে না, তাতে মানুষের ঘুমের সমস্যা হয়। হাসপাতাল এরিয়াতে দেয়া যাবে না, তাতে রোগীদের অসুবিধা না হয়। উজ্জ্বল আলো লাইব্রেরিতেও থাকতে পারবে না। সেজন্যই লাইব্রেরিতে সাধারণত উজ্জ্বল আলো থাকে না। লাইব্রেরির বাতিগুলো এমনভাবে দেওয়া হয়, যা শুধু বইয়ের পাতার ওপরই পড়ে।

    “অতি আলো চোখে পড়লে মানুষ বিরক্ত হয়। সেজন্যই শাস্তি দেয়ার জন্য আসামীকে আলোর মাঝে রাখা হয়, কারণ এটা মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক,”

    আলোতে পাখি সহ বাকীদেরও কষ্ট:

    অনেকেই আছেন, যারা লাইট জ্বেলে ঘুমাতে পারেন না। যদি আলোতে ঘুমাতেও হয়, তাহলে তারা স্লিপিং মাস্ক বা চোখে কোনও কাপড়ের আবরণ দিয়ে ঘুমান। এখন, মানুষের না হয় চোখে আবরণ দেওয়ার উপায় আছে। কিন্তু অন্য প্রাণীদের কি আছে?উত্তর না, নাই।

    শহরাঞ্চলে গাছপালা কমে যাওয়ায় এমনিতেই পাখিদের আবাসস্থলের পরিমাণ কমছে। এর মাঝে এই বিভিন্ন ধরনের আলোর কারণে তাদের জীবনচক্র ব্যাহত হচ্ছে। পিপল ফর এনিম্যাল ওয়েলফেয়ার বা প’ নামক এক প্রাণী কল্যাণ সংগঠনের চেয়ারম্যান রাকিবুল হক এমিল বলেন, “লাইটের জন্য পাখিদের জন্য রাত নামে না।”

    তিনি মনে করেন যে ঢাকায় আগে যে সোডিয়াম লাইট ছিলো, “তা পাখিদের জন্য অনেক সুদিং ছিলো। কিন্তু এখনকার এলইডি লাইটগুলি ওদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক।”

    “আর লাইট থেকে বাঁচতে ওরা যে গাছের পাতায় আড়াল নিবে, গাছ কমে যাওয়ায় সেই উপায়ও নাই এখন, তাই ভবনের কোণায় কোণায় ওদেরকে আশ্রয় নিতে হয়।”

    অতিরিক্ত আলোতে শুধু পাখি না, বিভিন্ন পোকামাকড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক সময়ই কোন কোন বিলবোর্ডের নীচে তাকালে দেখা যায় যে বিভিন্নরকম পোকামাকড় মরে পড়ে আছে।

    আলোকদূষণ রোধে করণীয় কী?

    আলো দূষণ থেকে বাঁচার জন্য এই মুহুর্তে ‘লুমেন কন্ট্রোল’ করার বিকল্প নেই।

    স্বাস্থ্য বিষেজ্ঞরা বলেন “লুমেন কন্ট্রোল করার পাশাপাশি রাত ১০ টার পর অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ করতে হবে যাতে তা রাতের স্বাভাবিকতা ব্যাহত না করে।”

    সেইসাথে, অবশ্যই সড়ক বাতির ওপর শেড দিতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। নয়তো ঐ আলো আকাশের দিকে বিচ্ছুরিত হয়ে প্রাণীদের বিভ্রান্ত করে।

    কিন্তু বিলবোর্ডে যেহেতু শেড দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই, সেক্ষেত্রে এগুলো স্থাপনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক হওয়া বলে মনে করেন তারা। তবে সবচেয়ে বেশি জোর দেন আইনের প্রয়োগের বিষয়টির ওপর।

    কারণ, জাতীয় পরিবেশ নীতি ২০১৮-তে আলো দূষণ সম্বন্ধে স্পষ্ট করে বলা আছে যে “আলোকদূষণ রোধ করিতে হইবে।”

    পরিবেশ অধিদপ্তরের বক্তব্য:

    নীতিমালায় উল্লেখ থাকলেও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালায় আলো দূষণ নিয়ে কোনও নির্দেশনা নেই। সেজন্য খুব শীঘ্রই বিধিমালা সংশোধন করা হবে বলে জানায় পরিবেশ অধিদপ্তর।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের মতে, যত সময় যাচ্ছে, তত বেশি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। পলিসিতে এটি বলা আছে, কিন্তু এর জন্য কোনও বিধিমালা করা হয় নি এখনও। আমায় তো একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিতে হবে যে আপনি এর নীচে বা উপরে যাবেন না। আইন প্রয়োগ করতে হলে আগে আমায় মাপতে হবে যে বেজলাইনের উপরে আছে না কি নীচে আছে।”

    এ বছর অধিদপ্তর সেই বিধিমালা সংশোধন করবে। কিন্তু সংশোধন করতে “সময় লাগবে। কারণ অনেক পলিসি মেকার, এক্সপার্টদের সাথে কথা বলতে হবে।”

    এত বছরেও বিধিমালা না হওয়ার কারণ সম্বন্ধে তিনি বলেন, “এর মাঝে ২০২৩ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা সংশোধন হয়েছে একবার। এগুলো লম্বা প্রক্রিয়া, করতে সময় লাগে। অনেক কনসাল্টেশন করতে হয়।, এখন আমরা আবার করে কাজ শুরু করবে পরিবেশ অধিদপ্তর।

    বিশ্ব ব্যাংকের পাঁচ বছরমেয়াদী একটি প্রকল্পের আওতায় এটি করা হবে। রাজশাহী শহরের ঝাড়বাতির মতো দেখতে সড়কবাতি নিয়ে পরিবেশবিদদের সমালোচনা দীর্ঘদিনের। কারণ ওই বাতিগুলোয় কোনও শেড নেই এবং বাতিগুলোর ঘনত্বও বেশি। ওই ধরনের প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভূমিকা রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

    তবে সব কিছু আইন দিয়ে সমাধান করা যায় না। এই বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা জরুরি। তবে আলোর দূষণ আমাদের কাছে একটি নতুন বিষয়। তাই এই নিয়ে যথেষ্ট প্রচার করা প্রয়োজন। পাঠ্যসূচিতেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

    সুত্র: বিবিসি বাংলা

  • ৭১ এর পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    ৭১ এর পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মে, ২০২৪: ৭১ এর পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রেখে উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এবং সর্বস্তরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে ‘৭১ এর পরাজিত শক্তি ঘাতক-দালালদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

    রাষ্ট্রপ্রধান আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র ৮ম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে এই কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “নাগরিকদের প্রতি যে কোনো ধরনের বৈষম্য আইনের শাসনের পরিপন্থী। কাজেই কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হন।”

    বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে বেড়ে উঠতে পারে সে লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির ইস্পাত কঠিন ঐক্যের বিকল্প নেই।  ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থকে উপেক্ষা করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে সবাইকে কাজ করতে হবে।”

    রাষ্ট্রপতি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর দর্শন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতার বোধকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ারও তাগিদ দেন।

    তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ডিজিটাল মাধ্যমকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করুন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ুন, বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও আদর্শ সম্পর্কে জানুন। মননে, বোধে, জীবনাচরণে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে বুকে লালন করে বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরুন।”

    তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের ২১ বছর পর ১৯৯২ সালে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে শুরু হয়ে এই  আন্দোলনের প্রাজ্ঞ নেতৃবৃন্দ প্রায় ৩৩ বছর ধরে নানা চড়াই-উতরাই, ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে এই সংগঠনকে আজকের জায়গায় নিয়ে এসেছেন।”

    রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, “কেবল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারই নয়, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই মহাসংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস পৌঁছে দিয়ে তাদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে দীক্ষিত করার ক্ষেত্রেও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

    তিনি আশা করেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সহনশীল ও মানবিক সমাজ এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আগামী দিনগুলোতেও ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও ঘাতক-দালাল চক্র মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাসহ আমাদের সাফল্যকে ম্লান করে দিতে অবিরাম অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”ূ

    যুদ্ধাপরাধী বা মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার কাজ সম্পন্ন হলেও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির কাজ কখনও শেষ হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভূমিকা অতীতের মতো ভবিষ্যতে উজ্জ্বলভাবে কার্যকর থাকবে।”

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও প্রশংসা অর্জন করেছে।  বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আর্থ-সামাজিক ও তথ্য-প্রযুক্তির নানা সূচকে বিশ্বের দরবারে উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে পরিণত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে যাত্রা শুরু করেছি আমরা। এই অগ্রযাত্রার পথে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ ছিল মৌলবাদ ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ। প্রধানমন্ত্রীর সাহসী নেতৃত্ব এবং জঙ্গীবাদের প্রতি তাঁর সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণেই জঙ্গীবাদ দমনে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ আজ রোল মডেল।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ডিজিটাল বিপ্লবের পাশাপাশি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে।

    তিনি ধর্মীয় ও ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার আহ্বান জানান।

    একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৮ম জাতীয় সম্মেলন-২০২৪ এর সভাপতি বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলিম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক, বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশনের সভাপতি মানবাধিকার নেতা নির্মল রোজারিও, আদিবাসী মুক্তি মোর্চার সভাপতি অধ্যাপক যোগেন্দ্রনাথ সরেন, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, ন্যায় অধিকার তৃতীয় লিঙ্গ উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান সমাজকর্মী আনোয়ারা ইসলাম রাণী এবং  ৮ম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক কাজী মুকুল বক্তব্য রাখেন।

    সূত্র: বাসস

  • জিয়া ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছিল: সেতুমন্ত্রী

    জিয়া ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছিল: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৮ মে, ২০২৪: জিয়া ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছিল, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিন বলেন, “বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধী তখন কারাগারে ছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে এই ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছিল। এর মধ্যে ৭০৩ জন দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধী। এদেরকেও ক্ষমা করে দিয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত খুনের প্রধান আসামিকে জিয়াউর রহমান ছেড়ে দিয়েছিল।”

    আজ শনিবার (১৮ মে) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আজ মির্জা ফখরুল ইসলাম যখন বলেন বাকশালী শাসন, আমি মির্জা ফখরুলকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, বাকশাল কোনো একদল নয়। এটা ছিল একটি জাতীয় দল। নামটায় কৃষক আর শ্রমিক যুক্ত করা হয়েছিল—কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। এটাকে বাকশাল বলে একটি গালিতে পরিণত করার দুরভিসন্ধি অনেকেরই ছিল। আমি মির্জা ফখরুলকে বলতে চাই, আপনাদের প্রতিষ্ঠাতা, আপনাদের নেতা জিয়াউর রহমান অফিসিয়ালি বঙ্গবন্ধুর কাছে আবেদন করে বাকশালের সদস্য হয়েছিল। সেটার কী জবাব দেবেন? আরও দুএকবার বলেছি জবাব পাইনি।”

    তিনি আরও বলেন, ‘অহেতুক ঘাঁটাঘাঁটি করলে আপনাদের চেহারাটাই উন্মোচিত হবে।’

    গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন করেন, বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ, সেখানে ইদানীং দেখা যাচ্ছে যে, তারা আওয়ামী লীগের বিরোধিতা ছেড়ে নতুন করে ভারত বিরোধিতায় নেমেছে। এই ব্যাপারটি আপনি কীভাবে দেখছেন?

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির রাজনৈতিক শত্রু আওয়ামী লীগ, আমরা মনে করি তারা প্রতিপক্ষ। আজকে পত্রিকায় দেখলাম, বিএনপির ভারত বিরোধিতার বিষয়টি তারা পুনর্বিবেচনা করে দেখছে—বিরোধিতা না করে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা যায় কি না “

    উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে মফস্বলে কিন্তু বিএনপি গুলশান-বনানীতে লিফলেট বিতরণ করছে—এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “তাদের সামনে এখন কোনো ইস্যু নেই। তারা আছে, এটা বোঝানোর জন্য শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান থেকে লিফলেট বিতরণে আসতে হলো। এটাই মজার ব্যাপার।”

    রিজার্ভ কমে ১৩ বিলিয়নে নেমে আসায় অর্থনীতিবিদরা অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, “কয় বিলিয়ন ডলার নিয়ে আমরা স্বাধীনতার পর যাত্রা শুরু করেছি। ডলার ছিল আমাদের? বিএনপি কয় বিলিয়ন ডলার রেখে গেছে আমাদের? তিন বিলিয়ন প্লাস। তাহলে এখন ১৯-২০ বিলিয়ন ডলার আছে এটা কি কম নাকি? এখন আমাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে, রেমিট্যান্সও বাড়ছে এই মুহূর্তের যে প্রবণতা। এইগুলা বাড়লে রিজার্ভও বাড়বে।”

    পৃথিবীর কোন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকে সাংবাদিকরা অবাধে ঢুকতে পারছে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ওয়েবসাইটে সব আছে আপনার জানার বিষয়। আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন!

    সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

  • বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল: খুরশিদ আলম

    বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল: খুরশিদ আলম

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, “ এ বছর ৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হবে। যারা অপ্রচার চালাচ্ছে তাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে তাকানোর সময় নেই। মানুষের আয় বেড়েছে। অনেকে না জেনে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। “

    আজ শনিবার (১৮ মে) দুপুরে পঞ্চগড়ের চেম্বার ভবন মিলনায়তনে এক কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    গ্রাহকদের ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রংপুর বিভাগে ‘গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।  বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

    খুরশিদ আলম আরও বলেন, “সাংবাদিকদের শুধু তথ্য দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে তিনজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি না হয় আমরা তিনজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুণ।”

    এসময় তিনি আরও বলেন, “ব্যাংকিং সেক্টরে যারা কাজ করছি তারা সবাই দেশের জন্য কাজ করছি। খেলাপিঋণ আদায়ে আপনারা সচেতন হোন। গ্রাহকদের সঙ্গে ভালো আচরণ করুন।”

    ‘গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪’ কর্মসূচিতে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে বলে জানান ডেপুটি গভর্নর।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুল আমিন ও রুহুল আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লিজা ফাহমিদা ও শায়েমা ইসলাম, ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফিউজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এফআইসিএসডি স্ট্রাটেজিক কম্যুনিকেশন টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক মাহেনুর আলম। দিন ব্যাপী এই আয়োজনে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবারে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন দেখানো হয়। এতে রংপুর বিভাগের প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামী তিন দিন সারাদেশে গরম কমে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    আগামী তিন দিন সারাদেশে গরম কমে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৮ মে, ২০২৪: ঢাকায় এবং দেশের কোথাও কোথাও মৃদু বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে গরম কিছুটা কমেছে। অবশ্য আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে আগামী তিনি দিন সারাদেশে গরম কমে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা।

    রাজধানী ঢাকায় আজ শনিবার  সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। বেলা বাড়লেও মেলেনি রোদের দেখা। আকাশে ছিল মেঘের আনাগোনা।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের ছয়টি বিভাগে মৃদু এবং মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ চলছে। তবে তাপপ্রবাহের মধ্যেও সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় অপরিবর্তিত। একই সঙ্গে আট বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    আজ শনিবার (১৮ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    পূর্ভাবাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও ময়মনসিংহের কিছু জায়গায় এবং বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে হতে পারে শিলাবৃষ্টিও।

    অন্যদিকে ছয়টি বিভাগে তাপপ্রবাহ চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশালের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর ও ফেনী জেলায় তাপপ্রবাহ কমে যাবে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামীকাল রবিবার (১৯ মে) থেকে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে যাবে। একই সঙ্গে সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্যদিকে চলমান তাপপ্রবাহে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে জনজীবনে অস্বস্তি বিরাজ করেছে। গতকাল শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ঈশ্বরদীতে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • ইন্দোনেশিয়ায় কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি বন্ধ করে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ

    ইন্দোনেশিয়ায় কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি বন্ধ করে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৮ মে, ২০২৪: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ভয়ঙ্কর বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে প্রায় ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ২০ জন। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উদ্ধার অভিযান বাঁধায় পড়ে। এই অবস্থায় কতৃপক্ষ কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি হতে না দিয়ে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

    একদিকে মৌসুমী বৃষ্টি, নদী তীর উপচে পড়া পানি, তার সাথে মাউন্ট মারাপির শীতল লাভা। সব মিলিয়ে বিপর্যয় নেমে আসে পশ্চিম সুমাত্রার চারটি জেলায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫২১টি বাড়িঘর, মসজিদ, ১৯টি সেতু, প্রায় ৩২ হাজার হেক্টর জমি। বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

    দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কতৃপক্ষ বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন কাদার ভেতর ও নদী থেকে ৬৭ জনের মরদেহ তারা উদ্ধার করেছেন। উদ্ধারকারীরা এখনও ২০ নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান চালাচ্ছেন। এর আগে নিখোঁজ থাকা ২৫ জনের মধ্যে ৫ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৪৪ জন।

    বন্যা ও ভূমিধসে বহু বাড়িঘর ভেসে গেছে। চার হাজারের বেশি মানুষ আশপাশের ভবন ও সরকারি অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নেন। বন্যার পানি নামার পর তাদের কেউ কেউ বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।

    ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাতে আর বৃষ্টি না হয় সেজন্য বুধবার বিমান বাহিনীর উড়োজাহাজের সাহায্যে মেঘের ওপর লবণ ছিটানো হয়েছে। এই অপারেশনের জন্য ১৫ টন লবণ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দপ্তরের প্রধান দুইকোরিতা কর্ণবতী। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধান সুহারিয়ান্তো জানিয়েছেন, ‘ক্লাউড সিডিং’ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ছিল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাতে বৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা এবং অনুসন্ধান কাজ চালু রাখা।

    , আবহাওয়াবিদেরা যখন আকাশে বৃষ্টি নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত তখন উদ্ধারকর্মীরা নদী ও ধ্বংস হয়ে যাওয়া গ্রামগুলোতে অনুসন্ধান, সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে বেশিরভাগ বাড়িঘর, রাস্তা কাদায় ঢেকে আছে। উপড়ে পড়েছে গাছপালা।

    সুহারিয়ান্তো জানিয়েছেন, আগামী ২৫ মে পর্যন্ত জরুরি সাড়াদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন তারা। কোন এলাকাগুলো বসবাসের উপযোগী নয় এবং কাদের বিপজ্জনক অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন তা নিরূপণ করছে কর্তৃপক্ষ। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে আগামী সপ্তাহে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

    গত বছর মারাপির অগ্ন্যুৎপাতে ২৩ জনের প্রাণহানির পর থেকেই সক্রিয় আছে আগ্নেয়গিরিটি। এটি ইন্দোনেশিয়ার ১২০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির একটি।

  • চলতি হজ মৌসুমে মদিনায় প্রথম বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    চলতি হজ মৌসুমে মদিনায় প্রথম বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মে, ২০২৪: চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবের মদিনায় বাংলাদেশি একজন হজযাত্রী মারা গেছেন। এটিই এবারের হজে প্রথম কোন বাংলাদেশির মৃত্যু। মৃত হজযাত্রীর নাম মো. আসাদুজ্জামান । গত ১৫ মে মদিনায় মারা গেছেন। তার পাসপোর্ট নম্বর এ-১৩৫৬১০৩৪।

    আজ শনিবার (১৮ মে) ভোররাত ৩টার দিকে হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর গত রাত ৩টা পর্যন্ত ২৭ হাজার ১১১ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। অন্যদিকে এখনো ৪ হাজার ২৫৬ জন হজযাত্রীর ভিসা হয়নি।

    সবশেষ হিসাবে যত হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ২৩ হাজার ৩৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার হজফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ৬৮টি।

    এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৫টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ২৩টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ২০টি।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন এবারের হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট শুরু হয় গত ৯ মে। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত যাওয়ার ফ্লাইট চলবে। হজ শেষে ২০ জুন ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। দেশে ফেরার ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই।

    এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে ৮০ হাজার ৬৯৫ জন হজ করতে যাবেন।

  • তারকা নির্ভর দল মুম্বাই আইপিএলের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে

    তারকা নির্ভর দল মুম্বাই আইপিএলের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ মে, ২০২৪: বরাবরের মত এবারও তারকা নির্ভর দল নিয়ে আইপিএলের যাত্রা শরু করে মুম্বাই। এই দলে খেলেছেন ভারতিয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। হার্দিক পান্ডিয়া ১০০ কোটি রুপির বিনিময়ে মুম্বাই দলের অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তার পরেও দলটি আইপিএলের পয়েন্ট তালিকার তলানিতেই থেকে গেছে। নিজেদের শেষ খেলাতে হেরেছে লক্ষ্ণৌর কাছে। বাজে একটা আসরের শেষটাও হার দিয়ে করেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। অন্যদিকে শেষ ম্যাচে ১৮ রানের জয়ের পরও আসর থেকে ছিটকে গেছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস।

    এই জয়ের ফলে ১৪ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট হল লক্ষ্ণৌর। একই পয়েন্ট রয়েছে দিল্লি এবং চেন্নাইয়ের। দিল্লিও লক্ষ্ণৌর মতোই ১৪ ম্যাচ খেলে ফেলেছে। তাদের রান রেট বদলানোর সুযোগ নেই।

    আজ শনিবার চেন্নাই জিতলে তারা ১৬ পয়েন্ট পেয়ে কোনো হিসেব ছাড়াই প্লে-অফে চলে যাবে। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু  জিতলে ১৪ পয়েন্ট হবে দুই দলেরই। তখন দেখা হবে নেট রান রেট। সেখানে চেন্নাইয়ের থেকে এগিয়ে গেলে তারাই চতুর্থ স্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করবে। রান রেটে লক্ষ্ণৌ শেষ করেছে দিল্লিরও নীচে। ফলে তাদের প্লে-অফে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

    ওয়াংখেড়েতে শুক্রবার ২১৫ রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল মুম্বাই। রোহিত শর্মা এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস মিলে উদ্বোধনী জুটিতে তুলেন ৮৮ রান। ব্রেভিস ফিরতেই মুম্বাইয়ের পতন শুরু হয়। সূর্যকুমার যাদব কোনও রান করতে পারেননি। ব্যর্থ হয়েছেন হার্দিক (১৬) এবং নেহাল ওয়াধেরাও (১)।

    তবে রোহিত ৩৮ বলে ৬৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন। শেষ দিকে নামান ধীর (৬২) তবু একটু লড়াই করেছিলেন। তবে সেটা কেবলই হারের ব্যবধান কমিয়েছে। জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

    এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ। ফিরে যান দেবদূত পাডিক্কাল। নুয়ান থুসারার বলে আউট হন তিনি। পরের ওভারে অল্পের জন্য বেঁচে যান মার্কাস স্টয়নিস। এর পর রাহুল এবং স্টয়নিস মিলে লক্ষ্ণৌর ইনিংসের ভিত গড়েন। স্টয়নিস ২৮ রানে ফিরেছেন।

    দীপক হুদাও ১১ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে নিকোলাস পুরান নামতেই ইনিংসের গতি বদলে যায়। শুরু থেকেই ব্যাট চালাতে থাকেন এই ক্যারিবিয়ান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১৯ বলে অর্ধশতক করেন পুরান। ফিফটি পেয়েছেন রাহুলও। সবমিলে বড় সংগ্রহ পায় তারা।

  • শরবত : তেঁতুল শরবত

    শরবত : তেঁতুল শরবত

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৮ মে, ২০২৪: তেঁতুল এমন একটি ফল যার নাম শুনলে জিভে জল আসেবে। এই তেঁতুলে আছে টারটরিক নামক উপাকারীএ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং খাবার হজমেও সহায়তা করে। অসহনীয় এই গরমে তেঁতুলের সরবত আমাদের শরীরকে যেমন ঠান্ডা রাখে তেমনি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। আজ দেওয়া হলো তেঁতুলের শরবতের রেসিপি।

    Farzana Haque went to Recife
    Farzana Haque went to Recife

    উপকরণ:

    পাকা  তেঁতুল-১/৪ কাপ, আঁখের গুড়-১/২ কাপ, ঠান্ডা পানি-৪ কাপ, লেবুর রস-১টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, চাট মসলা স্বাদ অনুযায়ীম এবং বরফ কুটি।

     

    প্রণালী: তেঁতুলের খোসা এবং বীজ ছড়িয়ে ১ ঘন্টা পাানিতে ভাল করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। অতপর ভেজানো তেঁতুল থেকে ক্বথ বের করে নিতে হবে। এবার ব্লেন্ডারে তেঁতুলের ক্বথ, গুড়, ভাজা জিরা গুড়া, লবণ, চাট সমলা দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। শরবতটা ভালকরে ছেকে বরফ ‍কুচি দিয়ে সার্ভিং গ্লাসে পরিবেশন করতে হবে তেঁতুলের মাজাদার শরবত।

     

     

    রেসিপি দিয়েছেন : ফারজানা হক