Category: লিড নিউজ

  • বাংলাদেশের টিকে থাকাটাও নির্ভর করে এ নদীর ওপরে: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশের টিকে থাকাটাও নির্ভর করে এ নদীর ওপরে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: আমাদের বাংলাদেশের টিকে থাকাটাও নির্ভর করে এ নদীর ওপরে, বলে মন্ত্রব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ ও নাব্যতা রক্ষার লক্ষ্যে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানের আলোকে সম্পাদিত সমীক্ষা প্রতিবেদন অবলোকন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প গ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্তবিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নদী আমাদের বাংলাদেশের জন্য তেমন, ঠিক আমাদের দেহে যেমন রক্ত চলাচলের জন্য শিরা-উপশিরা আছে। আমাদের বাংলাদেশের টিকে থাকাটাও নির্ভর করে এ নদীর ওপরে।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখার জন্য (প্রয়োজন) সেই প্রবহমান নদী। শিরা-উপশিরার মধ্য দিয়ে রক্তধারা আমাদের শরীরকে বাঁচায়, বাংলাদেশকেও কিন্তু বাঁচায় এ পানি ও নদী। কথাটা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সরকারে আসার পর আমাদের সবসময় একটা প্রচেষ্টা ছিল, নদীগুলোকে কীভাবে সুরক্ষিত করা যায়, কীভাবে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা যায়।’

    তিনি বলেন, ‘একসময় বাংলাদেশের নৌপথই ছিল পণ্য পরিবহনের একমাত্র বাহন, একমাত্র জায়গা। নৌপথগুলো কমতে কমতে অনেক জায়গায় এখন নদীপথ নেই, এমন একটা জায়গায় চলে এসেছে।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নদী শাসনের নামে শুধু বাঁধ নির্মাণে ছিল সবার নজর। আর বাঁধ নির্মাণ করতে গিয়ে ফসলের জমি নষ্ট হয়। নদী রক্ষা করা, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা বা দূষণ থেকে নদীকে রক্ষা করার দিকে নজর ছিল না।’

    তিনি বলেন, ‘শুধু এখানে নয়, সারা বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে কতগুলো ব্রিজ করা হলো, সে সময় ব্রিজগুলো মানুষের খুব উপকারে এলো, কিন্তু ব্রিজগুলো করার সময় এটা মাথায় রাখা হয়নি যে, এগুলোতে নৌ চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

    নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিচু ব্রিজগুলো একটু উঁচু করে দেওয়া আর নদীর ড্রেজিং করে দেওয়া যায়।’

    রাজধানীর বাইরে অন্য শহরগুলো পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকার বাইরে অন্য শহরগুলোর ক্ষেত্রেও এখনই পরিকল্পনা নিতে হবে। আমরা যে পরিকল্পনাই করি না কেন, সেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানির প্রবাহ ঠিক থাকে। নদীগুলোর ড্রেজিং করার সঙ্গে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।’

    শিল্প কলকারখানায় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের এ চারটি নদী যেন দূষণমুক্ত করতে পারি, বর্জ্যটা যাতে না যায়, সেটা যেন ট্রিটমেন্ট প্লান্ট দিয়ে যায়।’

  • ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা থেকে বিরত করা যাবেনা: সেতুমন্ত্রী

    ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা থেকে বিরত করা যাবেনা: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: নাশকতা করে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা থেকে বিরত করা যাবে না, বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশি বন্ধুরাও বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।’

    আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েই এ নির্বাচন বয়কট করছে। তারা স্বেচ্ছায় নির্বাচনে আসছে না। তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে জোর করব কেন? আর আওয়ামী লীগ সংবিধান মেনেই নির্বাচনে এসেছে।’

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা আপিলেও না টিকলে পক্ষপাত করবে না আওয়ামী লীগ।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এক নির্বাচিত সরকারের কাছে আরেক নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে, এটাতে আওয়ামী লীগ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

    ১৪ দলের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেগুলো যুক্তিযুক্ত, নির্বাচনে জেতার যোগ্য, জোটের শরিক হলেও মনোনয়ন দিতে আওয়ামী লীগের আপত্তি নেই। জোটের খাতিরে শুধু শুধু মনোনয়ন দিলে গণতন্ত্রের প্রতি সুবিচার তো হলো না।

    ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশে বিএনপির সঙ্গে পাল্টাপাল্টি কোনো সমাবেশ নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে সমাবেশ করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছি। মানবাধিকার দিবস পালন করা গণতান্ত্রিক অধিকার।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দীসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

  • সব নিয়ম মেনে ভালো পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে: বাণিজ্য সচিব

    সব নিয়ম মেনে ভালো পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে: বাণিজ্য সচিব

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: সব নিয়ম মেনে উন্নত মানের পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ২০০ দেশে পণ্য রপ্তানি করি। এরমধ্যে কয়েকটি দেশে খুব বেশি রপ্তানি করি। সুতরাং আমাদের লক্ষ্য থাকবে, কীভাবে প্রতিযোগিতা মূল্যে কমপ্লায়েন্স অর্জন করে এবং ক্রেতার রিকোয়ারমেন্ট পূরণ করেই রপ্তানি করতে হয়। আমরা কারও দয়াদাক্ষিণ্যে রপ্তানি করি না। আমাদের শ্রমিক, উদ্যোক্তারা অনেক পরিশ্রম করেন। সব নিয়ম মেনে কোয়ালিটি পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে।’

    আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শ্রম অধিকার সংক্রান্ত ন্যাশনাল অ্যাকশন প্লানের (এনএপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তপন কান্তি ঘোষ। এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এহছানে এলাহী এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের চলমান যে আলোচনা বলতে পারেন, ত্রি প্লাস ফাইভ অর্থাৎ পাঁচজন রাষ্ট্রদূত ও তিনজন সচিব মিলে যে একটা প্ল্যাটফর্ম আছে, সেই বৈঠকটা এ মাসে করার কথা। সে জন্যই আজ বসেছিলাম। এতকাল যে অগ্রগতি হয়েছে, তা কীভাবে জানানো যায়। আমাদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল এ পাঁচ বছর মেয়াদি। সেক্ষেত্রে কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে, কিছু বাস্তবায়ন হয়নি।’

    বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘আমাদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় শ্রম অধিকার বাস্তবায়ন অধিকার নিয়ে আজ সভা করেছি। আমাদের কতটা অগ্রগতি হয়েছে এবং আগামীতে আরও কী করতে হবে, তা নিয়েই আজ কথা বলেছি। ২০২৬ সালে যেহেতু স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে, সেক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা অন্য দেশগুলো বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু অঙ্গীকার দেখতে চায়, সেগুলো বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা করেছি।’

    তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশের শ্রম আইনে সংশোধনী করা হয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ সেখানেও সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধনী আনার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ছিল। তাদের চাওয়াগুলো পূরণ করার জন্য এসব সংস্কার এনেছিলাম। গত ১০ বছরে আমরা অনেক সংস্কার এনেছি। যে কারণে শ্রম আইনে তিনবার সংস্কার আনা হয়েছে। চারবার ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের শিল্পায়নের কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকার নিয়েও আজ কথা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে আমরা ভালো অবস্থানে আছি।’

    আমাদের রপ্তানির সমস্যা বিষয়ে বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘ধরেন, আমাদের বাণিজ্যে যারা বড়ো অংশীদার, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২৫ বিলিয়ন ডলার আমরা রফতানি করি শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় আরও যুক্তরাষ্ট্রে দশ বিলিয়ন ডলার রফতানি করলেও সেখানে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাই না। বরং পৃথিবীর মধ্যে বলা যায় যে যুক্তরাষ্ট্রে আমরা অনেক বেশি শুল্ক দিয়ে রফতানি করছি। কিন্তু তাদের কিছু দাবি আছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশনগুলো অনুমোদন করেছি, সেই অনুযায়ী আমাদের শ্রম আইনে একটা ন্যূনতম থ্রেশহোল্ড আছে, একটি কারখানায় মোট শ্রমিকের ২০ ভাগ সদস্য যদি সংগঠন করতে চায়, তাহলে সেটা করতে পারবে। এটাকে ১০ শতাংশ করার দাবি তারা করেছিল, আমরা পনেরো শতাংশ করে দিয়েছি।’

    তিনি বলেন, ‘আর বেপজা আইনের ক্ষেত্রে সংগঠন করার অধিকার আছে, কিন্তু আমরা সেখানে ট্রেড ইউনিয়ন বলি না, আইনে সেটাকে বলা হয়েছে ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, সেখানে তারা বলে যে ট্রেড ইউনিয়ন প্রবর্তন করত হবে। বিষয়টি প্রায়ই একই। এখনও সংগঠন হচ্ছে, তখনও সংগঠন হবে। কিন্তু নামটি যেন শ্রম সংগঠন হয়। আমরা ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বেপজা আইনটা সংশোধন করা হবে। সংশোধনটা কীভাবে হবে, সেটা সব অংশীজনদের মধ্যে আলোচনা করেই ঠিক করা হবে।’

    এখানে মোটাদাগে দুটি জিনিস তারা দাবি করেছে। তারা চাচ্ছে বেপজাতে শ্রম সংগঠন করার অধিকার দিতে আর থ্রেশহোল্ডটা কমিয়ে আনা অর্থাৎ শ্রমিক সংগঠন করার অধিকার ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শ্রম অধিকার সংক্রান্ত সমঝোতায় যেসব ইস্যু ছিল, সেগুলো নিয়ে আজ কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিবার্ষিকী মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সেটা কিন্তু সবার সঙ্গে আলোচনা করেই করা হয়েছে। সর্বশেষ ১২ থেকে ১৬ নভেম্বর একটা উচ্চপর্যায়ের দল ঢাকায় এসে সব অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আর বাংলাদেশ যে সংস্কারগুলো নিয়ে এসেছে, সেগুলোর প্রশংসাও করেছেন। বলেছেন, আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করেছে, এখন তাদের চাওয়াগুলো আরও বেশি বাস্তবায়ন দেখতে চান। ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশ যেহেতু শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়, সেহেতু তাদের চাওয়াগুলোকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিই। আমাদের ৬০ শতাংশ রপ্তানি যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নে যায়। মোট রপ্তানির ৬০ ভাগ।’

    বেপজা আইনের সংশোধন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অংশীজন যারা আছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীসবার সঙ্গে আলোচনা করেই করা হবে কী করা হবে। এরইমধ্যে বেপজা আইনে অনেকগুলো সংশোধন আনা হয়েছে। এখন সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেবেন, বিশেষ করে আইএলও আইনে ত্রিপক্ষীয়ভাবেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটাও সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষ মিলে ঠিক করবেন, কীভাবে করা হবে। বেপজার শ্রমিক কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনকে ট্রেড ইউনিয়ন করতে হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি।’

    এসব সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করা হবে কিনা, জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বেপজা আইনটাও সংশোধন করা হবে। সংশোধন করে কীভাবে হবে, সেটা সব স্টেকহোল্ডার লোচনা করেই ঠিক করা হবে। এখানে বিনিয়োগকারী আছেন, শ্রমিক আছেন, মালিকপক্ষ আছেন, সরকার আছে সবাই মিলেই ঠিক করা হবে কোন পর্যায়ে আমরা সংস্কারটা করবো। এরই মধ্যে ২০১৮ সালের বেপজা আইনে অনেক সংস্কার আনা হয়েছে। সেগুলো আমরা তাদের বলেছি এবং তারা এ ব্যাপারে সন্তুষ্ট।’

  • ‘এশিয়া ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড’ প্রধানমন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর

    ‘এশিয়া ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড’ প্রধানমন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ‘এশিয়া ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বিজয়ের মাসে এই ধরনের অ্যাওয়ার্ড পাওয়াটা অবশ্যই একটি প্রশংসনীয় একটি অর্জন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানসুল করিম বাসসকে বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ডা. হাসান মাহমুদ গতকাল রবিবার ( ৩ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গণভবনে এশিয়া ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর করেন।’

    এর আগে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও কপ২৮ উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের প্রধান ড. হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    এ পুরস্কার জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও বিশ্বব্যাপী ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের পক্ষে তাঁর সোচ্চার নেতৃত্বের স্বীকৃতি।

    গত ১ ডিসেম্বর দুবাইতে কপ২৮-এর ফাঁকে একটি উচ্চ-স্তরের প্যানেল চলাকালে আইওএম ও জাতিসংঘ সিস্টেম সমর্থিত গ্লোবাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট মোবিলিটি এই পুরস্কার প্রদান করে।

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, রাষ্ট্রদূত ডেনিস ফ্রান্সিস ও আইওএম-এর মহাপরিচালক অ্যামি পোপ উচ্চ-পর্যায়ের প্যানেলটির সহ-আয়োজক ছিলেন।

    ইউএনজিএ৭৮ ক্লাইমেট মোবিলিটি সামিট চলাকালে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ুজনিত অভিবাসন ও বাস্তুচ্যূতির দিকে বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    পুরস্কারটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের জলবায়ু গতিশীলতা ও উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে বতসোয়ানা, সুরিনাম ও পালাউ এ পুরস্কার পেয়েছে।

    গ্লোবাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট মোবিলিটি জাতিসংঘের ব্যবস্থা, আঞ্চলিক আন্তঃসরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন অর্থ সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় জলবায়ু গতিশীলতা মোকাবেলায় সহযোগিতামূলক ও টেকসই সমাধানের জন্য কাজ করে।

    সূত্র: বাসস

  • ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার দল ঘোষণা

    ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার দল ঘোষণা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ব্যাট হাতে খুব একটা সাফল্য দেখাতে পারেননি। আহত থাকার পর দশ ম্যাচের মধ্যে খেলেছেন ৮ টিতে। মোট ১৪৫ রান করেছেন। গড় ১৮.১২। তাই বাভুমাকে বাদ রেখে দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাভুমার বদলে আসন্ন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে নেতৃত্ব দেবেন এইডেন মার্করাম।

    ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকার (সিএসএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের বিপক্ষে সাদা বল ক্রিকেটের দুই সিরিজে বাভুমা ও কাগিসো রাবাদাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। দুজনই এ সময় টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেবেন।

    ভারতের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে প্রোটিয়া বাহিনী। তাছাড়া ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজও খেলবে দুই দল।

    দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড : এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ওটনিয়েল বার্টম্যান, ম্যাথু ব্রিৎজ, নান্দ্রে বার্গার, জেরাল্ড কোয়েটজে, ডোনোভান ফেরেইরা, রেজা হেনড্রিক্স, মার্কো জানসেন, হেনরিখ ক্লাসেন, কেশভ মহারাজ, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিদি, অ্যান্ডিলো ফেহলুকায়ো, তাবরিজ শামসি, ট্রিস্টান স্টাবস ও লিজার্ড উইলিয়ামস।

    দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে স্কোয়াড : এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ওটনিয়েল বার্টম্যান, নান্দ্রে বার্গার, টনি ডি জোর্জি, রেজা হেনড্রিক্স, হেনরিখ ক্লাসেন, কেশভ মহারাজ, ডেভিড মিলার, মিহলালি মঙ্গোয়ানা, উইয়ান মুল্ডার, অ্যান্ডিলো ফেহলুকায়ো, তাবরিজ শামসি, রাসি ভ্যান ডার ডুসেন, কাইল ভেরেইনি ও লিজার্ড উইলিয়ামস।

  • বাঁশ গাছকে বলা হয় প্রাকৃতিক এসি খাদ্য হিসেবেও অনন্য

    বাঁশ গাছকে বলা হয় প্রাকৃতিক এসি খাদ্য হিসেবেও অনন্য

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাঁশ কোন গাছ নয়। এটি মূলত এক  ধরণের ঘাস এবং সব সময় থাকে চীর সবুজ। বাঁশের রযেছে বিভিন্ন গুণ। এটাকে একদিকে যেমন বলা হয় প্রাকৃতিক এসি অন্যদিকে এটা খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অতীতে বাঁশ দিয়ে বাড়িঘর নির্মাণ করা হতো, তাছাড়া বাঁশ দিয়ে নিত্য ব্যবহার্য পণ্য, বস্ত্র ও কাগজ শিল্পেও ব্যবহার করা হয়। ‍এর শিকড় মাটির ভাঙ্গন রোধ করে। শুধু তাই নয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার পাশাপাশি এই বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে নানা ধরণের প্রসাধনী সামগ্রী। টমাস আলভা এডিসন যে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেছিলেন সেটার মধ্যেও কিন্তু বাঁশের ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল। এত গুন থাকা পরেও বাঁশকে অনেক সময় নেতিবাচক উপমা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    পৃথিবীতে ৩০০ প্রজাতির বাঁশ রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট ৩৩ প্রজাতির বাঁশ সংরক্ষণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে— মুলি, তল্লা, আইক্কা, ছড়িসহ নানা প্রজাতির বাঁশ।

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঁশের প্রজাতি ও বৈচিত্র্যের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে, প্রথম স্থানে আছে চীন।

    চীনের সভ্যতায় বাঁশকে শুভশক্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। একারণে চীনা সংস্কৃতির সর্বত্র রয়েছে বাঁশের ব্যবহার। তারা মনে করে বাঁশ নেগেটিভ এনার্জিকে প্রতিহত করতে পারে।

    সে যাই হোকনা কেন আমরা এখন জেনে নিব বাঁশের এমন নানা উপকারিতার কথা।

     

    খাদ্য হিসেবে বাঁশ অনন্য প্রসাধনীও তৈরি হয়:

    খাদ্য হিসেবেও বাঁশ ব্যবহৃত হচ্ছে। পুষ্টি উপাদান ও মুখরোচক স্বাদের জন্য পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের কাছে খাবার বাঁশ কোড়ল নামে পরিচিত।

    এর তৈরি স্যুপ, সালাদ, তরকারি বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত বাঁশের অঙ্কুরোদগম হওয়ার পর চার থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত যে কচি বাঁশ হয় সেটাই রান্না করে খাওয়া যায়। আবার বাঁশ পাতা দুধ টাটকা রাখতে এবং চায়ের মধ্যে দিয়েও খাওয়া যায়। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, রান্না করা বাঁশে ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, পটাসিয়াম, ভিটামিন ই, আয়রন পাওয়া যায় যা শরীরকে চাঙ্গা রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করে। খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে বাঁশ হার্টের জন্য ভালো। ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্যে উপশম দেয় এবং হজমশক্তি বাড়ায়। আবার বাঁশের পাতা উত্তম গোখাদ্য।

    বাঁশের মধ্যে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ থাকায় এটি এখন শ্যাম্পু, ক্রিমসহ নানা ধরণের প্রসাধনীসহ পোকামাকড় প্রতিরোধকের মতো পণ্য তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে।

    বাঁশ গাছ বেশি অক্সিজেন উৎপাদন তাই একে প্রাকৃতিক এসি বলা হয়:

    প্রকৃতি-পরিবেশ ও প্রাণ রক্ষায় বিশেষ করে, দুর্যোগ মোকাবেলা, পাহাড় ধস, ভূমি ক্ষয়, নদী ভাঙ্গন রোধসহ জীব-বৈচিত্র্য রক্ষায় বাঁশের ভূমিকা বলে শেষ করা যাবে না। ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশনের তথ্যমতে, বাঁশ অন্যান্য গাছগাছালির চেয়ে বেশি অক্সিজেন উৎপাদন করে আর বেশি মাত্রায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। ফলে বাতাস বিশুদ্ধ থাকে। বলা হয় বাঁশঝাড় আশেপাশের তাপমাত্রাকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা রাখতে সক্ষম।

    ফলে এটা অনেকটা প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার হিসাবে কাজ করে। এছাড়া তীব্র রোদ থেকে লম্বা লম্বা বাঁশঝাড় ছায়াও দিয়ে রাখে।

     

    মাটি রক্ষা করে:

    বাঁশ গাছের শেকড় ছড়ানো থাকায় এটি মাটির ভাঙ্গন রোধ করে, মাটির ঢালকে মজবুত করে, ফলে পাহাড় ধস ঠেকানো যায়, ভারী ধাতু শোষণ করে মাটির ক্ষয় রোধ করে, বিভিন্ন বন্যপ্রাণী আশ্রয় নিতে পারে। এক কথায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ঠেকাতে বাঁশের গুরুত্ব রয়েছে।

     

    বাড়িঘর নির্মাণে বাঁশের ব্যবহার হয়:

    বাংলাদেশে বছরে শুকনো বাঁশের চাহিদা অন্তত ১০ লাখ টন। এরমধ্যে নির্মাণকাজে সবচেয়ে বেশি বাঁশের প্রয়োজন। চাহিদা থাকায় চাঁদপুর, সিলেট ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বাঁশের বাণিজ্যিক আবাদ হচ্ছে।

    বাংলাদেশের গ্রামে উন্নত বাড়িঘর নির্মাণে বাঁশ বেশ টেকসই উপাদান। বিশেষ করে কাঁচা বাড়ির ভিত দেয়াল ও ছাদ তৈরিতে বাঁশের পাটাতন ও ফ্রেম ব্যবহার হয়। তৎক্ষণিক নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য বিকল্প নেই। বাঁশের পাতায় ঘরের ছাউনি হয়। আবার পাহাড়ি এলাকায় বাঁশ দিয়েই তোলা হয় মাচার ঘর।

    গ্রামের লোকজন ছোট খাল পার হতে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ দিয়ে সেতু বানিয়ে থাকেন। কারণ অল্প টাকায় এর চাইতে মজবুত ও টেকসই সেতু গড়া সম্ভব না। এছাড়া বেড়া তুলতে বা বন্যার সময় আশ্রয়ের জন্য মজবুত মাচা তুলতেও বাঁশ লাগে।

     

    দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে:

    ঝড়-ঝঞ্ঝা থেকেও বসত-ঘরকে রক্ষা করে বাঁশ। এ কারণে গ্রামে বসতবাড়ির পাশে বাঁশঝাড় দেখা যায়। জাপানে প্রচুর বাঁশের ঘর দেখা যায়। কারণ এসব ঘর ভূমিকম্প সহনীয়। ভূমিকম্পের সময় বাঁশঝাড়ে আশ্রয় নেয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

     

    বস্ত্র ও কাগজ শিল্পে ব্যবহার:

    সুতা ও কাগজ তৈরিতে বাঁশের ব্যবহার অনেক আগে থেকে হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, বাঁশের তন্তু দিয়ে টুপি, স্কার্ফ, গ্লাভস, মোজা ও প্যান্ট তৈরি হচ্ছে। সেইসাথে বিভিন্ন ধরণের কাগজ, টয়লেট পেপার তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে বাঁশ।

     

    নিত্য ব্যবহার্য পণ্য: 

    নিত্য ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্য: আসবাবপত্র, বাদ্যযন্ত্র, রান্নাঘরের বিভিন্ন সরঞ্জাম যেমন কুলো, ডালা, ঝুড়ি, চাঁটাই, প্লেট, বাটি, চামচ, স্ট্র সেইসাথে কৃষি সরঞ্জাম, তোরণ, প্যান্ডেল তৈরি, ল্যাম্প, জামাকাপড়ের হ্যাঙ্গার, ল্যাপটপের কেসিং, ইত্যাদি নানা ধরণের পণ্য বানাতে বাঁশ দরকার হয়। বাঁশের তৈরি হস্তশিল্প পরিবেশবান্ধব, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। এগুলো সাধারণত দামে সস্তা হয় আবার রপ্তানি করে আয়ের সুযোগও থাকে। শহরে প্লাস্টিকের ব্যবহার মাত্রারিক্ত বেড়ে গেলেও অনেকে বাঁশের তৈরি সামগ্রী ব্যবহার করে। তবে গ্রাম অঞ্চলে বাঁশের ব্যবহার অনেক বেশি।

     

    এতো উপকারী এই উদ্ভিদের বিশেষ কোনো যত্নের প্রয়োজন হয় না। এটি যেকোনো পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। শুষ্ক মৌসুমে মাঝে মধ্যে পানি দিলেই হয়।

    বাঁশ খুব দ্রুত বড় হয়। চারা রোপণের পর পাঁচ বছরেই পূর্ণাঙ্গ বাগানে পরিণত হয়। বাঁশ গাছ সাধারণত একত্রে গুচ্ছ হিসেবে জন্মায়। এক একটি গুচ্ছে ১০- ৮০ টি বাঁশ গাছ থাকতে পারে। এসব গুচ্ছকে বাঁশঝাড় বলে।

    কিছু প্রজাতির বাঁশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩৬ ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়। এর মানে প্রতি ৪০ মিনিটে প্রায় এক ইঞ্চি পরিমাণ বড় হয়। তাই বাঁশ যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত কেটে পরিষ্কার করতে হবে। দ্রুত বাড়ার কারণে বাঁশঝাড় বিক্রি করে ভালো উপার্জনের সুযোগ থাকে । অনেকে আবার বাড়ির ভেতরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে বাঁশের চারা লাগিয়ে থাকেন।

    চাইলে এটি বাগানের মাটিতে রোপণ করা যেতে পারে বা একটি পাত্রে সাজানো যেতে পারে। কিছু প্রজাতির বাঁশ গাছ শুধু পানিতে রাখলেই হয়।

    বিশ্বব্যাপী বায়ু দূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে। তাই আমাদের বাঁশ গাছ সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা দূষণ জনিত রোগ বালাই থেকে মুক্তি পেতে পারি। আর বাঁশ অন্যান্য গাছের থেকে বেশি পরিমান অক্সিজেন দিয়ে থাকে তাই স্বাস্থ্য রক্ষায় বাঁশ গাছের ভূমিকা অনেক। আসুন আমরা সবাই বাঁশ গাছ উপৎপাদনে সবাইকে আগ্রহী করে তুলি।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরিতে ১১ পর্বতারোহী নিহত

    ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরিতে ১১ পর্বতারোহী নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম সুমাত্রার মারাপি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে অন্তত ১১ জন পর্বতারোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার আগ্নেয়গিরিটিতে অগ্নুৎপাত হয়। পরে আজ সোমবার ১১ জন পর্বতারোহীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহান্তে ইন্দোনেশিয়ার মেরাপি আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের পরে ১১ জন পর্বতারোহীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন।

    আজ আরও তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে ছোট অগ্নুৎপাতের কারণে নিখোঁজ আরও ১২ জনের সন্ধানে চলমান উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।

    বিবিসি বলছে, অগ্ন্যুৎপাতের সময় ওই এলাকায় ৭৫ জন পর্বতারোহী ছিলেন। তবে তাদের বেশিরভাগকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। মাউন্ট মেরাপি ইন্দোনেশিয়ার সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর মধ্যে একটি এবং রবিবার সেখানে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ৩ কিমি দূরের এলাকা পর্যন্ত ছাই ছড়িয়ে পড়ে।

    এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং বাসিন্দাদের গর্তের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে যেতে নিষেধ করেছে। পাদাং সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সির প্রধান আবদুল মালিক বলেছেন, বেঁচে থাকা তিনজনকে গর্তের কাছে পাওয়া গেছে এবং তারা ‘দুর্বল এবং শরীরের কিছু অংশ পুড়ে গেছে’।

    এছাড়া সোমবারের শুরুতে ৪৯ জন পর্বতারোহীকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, যাদের মধ্যে অনেকেই দগ্ধ হয়েছেন। রবিবারের অগ্ন্যুৎপাতের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের বিশাল মেঘ আকাশজুড়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এবং গাড়ি ও বহু রাস্তা ছাইয়ের স্তরে ঢেকে গেছে।

    ২ হাজার ৮৯১ মিটার (৯ হাজার ৪৮৫ ফুট) উচ্চতার মাউন্ট মেরাপি ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে পশ্চিমে অবস্থিত সুমাত্রা দ্বীপে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়ার ইয়োগাকার্তার প্রদেশের রাজধানী ইয়োগাকার্তা থেকে মাত্র ২৮ কিলোমিটার উত্তরে মাউন্ট মেরাপি আগ্নেয়গিরির অবস্থান।

    আশপাশের গ্রামের ঝুঁকির বিষয়ে পর্যালোচনার পর সেখানকার কর্তৃপক্ষ ২০২২ সালে মেরাপির সাত কিলোমিটার এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করে। চলতি বছরের মে মাসে মাউন্ট মেরাপিতে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। সেসময় আগ্নেয়গিরিটির গর্ত থেকে উত্তপ্ত লাভা দুই কিলোমিটারেরও বেশি দূরের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

    এর আগে, ২০১০ সালে মেরাপি আগ্নেয়গিরির শেষ বৃহত্তম অগ্ন্যুৎপাতে অন্তত ৩০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। ওই সময় দেশটির কর্তৃপক্ষ মেরাপির আশপাশের এলাকা থেকে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার বাসিন্দাকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

    তবে মেরাপি আগ্নেয়গিরিতে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটে ১৯৩০ সালে। ওই বছর মেরাপির অগ্নুৎপাতে কমপক্ষে ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপদেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্যসংখ্যা সাড়ে ২৭ কোটির বেশি। ভূতাত্ত্বিক অবস্থার কারণে নিয়মিতই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে ভূমিকম্প, অগ্নুৎপাত ও সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটে থাকে।

  • এনডিসি ও এএফডব্লিউসি’র প্রশিক্ষণার্থীদের জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    এনডিসি ও এএফডব্লিউসি’র প্রশিক্ষণার্থীদের জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সের (এএফডব্লিউসি) প্রশিক্ষণার্থীদেরকে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ।

    তিনি আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) আয়োজিত এক  অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘বিশ্বায়নের যুগে, উন্নয়নের গতি বজায় রাখতে দক্ষ ও চৌকস জনশক্তি আবশ্যক . . . এনডিসি’র প্রশিক্ষণ কোর্স থেকে অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে আপনার জাতিকে গড়ে তুলতে এবং আপনার দেশকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করুন।’

    তিনি আরো বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ ও বিকাশ এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের ফলে, জনগণ ও জাতির আশা-আকাক্সক্ষা পূরণের জন্য বেসামরিক ও সামরিক আমলাতন্ত্রের পাশাপাশি সরকারেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এনডিসি কোর্স প্রশিক্ষনার্থীদেরকে নীতি-নির্ধারণ, নিরাপত্তা, যুদ্ধ কৌশল ও উন্নয়নের জ্ঞান অর্জনে তাদের সঠিক দিক নির্দেশনা দেবে।’

    এই কোর্সগুলো একজন নিখুঁত, দূরদর্শী নেতা  ও ভালো কর্মকর্তা হিসেবে কাক্সিক্ষত সমন্বয়, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার সাথে কাজ করতে সকলের পেশাদার আত্মবিশ্বাসকে উন্নত করবে বলে রাষ্ট্রপতি আশা করেন।

    তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র দক্ষ, জ্ঞানী এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে টিকিয়ে রাখতে, দারিদ্র্যকে অতিক্রম করতে এবং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তা করতে পারেন।’

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ হিসেবে গড়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।’

    দেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ভিশন ২০৪১’ প্রসঙ্গে সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান ‘অর্থনৈতিক মিরাকল’ এবং ‘ডেভেলপমেন্ট মার্ভেল’ দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল এবং দারিদ্র্যের অনুপ্রেরণামূলক প্যারাগন হিসেবে তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক।’

    রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।

    তিনি পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, বঙ্গবন্ধু টানেল, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া কারখানাসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

    এ সকল উন্নয়নের ধারাগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেন রাষ্ট্রপতি।

    দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ‘জনবান্ধব’ উল্লেখ করে- এ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি  বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশপ্রেম, জাতির প্রতি অঙ্গীকার এবং শান্তির  নিশ্চয়তার ও প্রতীক।’

    এ বছর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ৪৩ জন, বেসামরিক প্রশাসনের ১৩ জন এবং ১৭ টি বন্ধুপ্রতিম দেশের ২৯ জনসহ এনডিসি  কোর্সে ১৪১ জন অংশগ্রহণ করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “আপনারা ২৯ জন বিদেশী প্রশিক্ষণার্থী পেশাগত সম্পর্কের বাইরে গিয়েও সামাজিক বন্ধন ও বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন এবং আপনারা নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে কাজ করবেন।”

    অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট এয়ার ভাইস মার্শাল মুঃ কামরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, অনুষদ, স্টাফ অফিসার এবং এনডিসি ও এএফডব্লিউসির কোর্স সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    সেখানে রাষ্ট্রপতি একটি কেক কাটেন এবং এনডিসি এবং এএফডব্লিউসি স্নাতকদের সাথে ফটো সেশনে অংশ নেন।

    সূত্র : বাসস

  • সমাবেশ করতে ইসির অনুমতি লাগবে: অশোক কুমার

    সমাবেশ করতে ইসির অনুমতি লাগবে: অশোক কুমার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: এখন কোন রাজনৈতিক দল সমাবেশ করতে চাইলে ইসির অনুমতি লাগবে, বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। আগামী ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি একথা বলেন। কেননা নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখনও কোন চিঠি পায়নি।

    আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, এখনো এ বিষয়ে আমরা কোনো চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে পরে চিন্তা করব। আমাদের আচরণবিধিতে যা আছে তাতে করে কোনো রাজনৈতিক দল সমাবেশ করতে চাইলে আমাদের লোকাল রিটার্নিং অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে।

    এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দুই মাসের মিশন নিয়ে গত ২৯ নভেম্বর ঢাকায় আসা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চার সদস্যের নির্বাচনী এক্সপার্ট টিমের সঙ্গে কমিশন বৈঠক করে।  আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া বৈঠক চলে প্রায় দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত।

    বৈঠকে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড (ইলেকশন এক্সপার্ট), আলেকজান্ডার ম্যাটাস (ইলেকটোরাল এনালিস্ট), সুইবেস শার্লট (ইলেকটোরাল এনালিস্ট) এবং রেবেকা কক্স (লিগ্যাল এক্সপার্ট)।

    এদিকে বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে না ইইউ। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানায় ইউরোপের ২৭ দেশের এই জোট।

    এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে গত ২৯ নভেম্বর যৌথসভা করে ইইউ। বৈঠকে সংস্থাটির ১০ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা অবাধ ও সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দেয় ইসিকে।

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ হয়েছিলো গত ৩০ নভেম্বর। সেখানে ২৯ রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ২৭১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেয়।

    জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি রবিবার (২০২৪) ।

    এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। গত ২ নভেম্বর সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটারসংখ্যা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন। নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৮৫২।

  • বিএনপির রাজনীতি করে অনেকে নিজেদের জীবন নষ্ট করতে চায় না: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির রাজনীতি করে অনেকে নিজেদের জীবন নষ্ট করতে চায় না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিএনপির রাজনীতি করে অনেকে নিজেদের জীবন নষ্ট করতে চায় না, বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে অনেকেই নিজের জীবন নষ্ট করতে চায় না। যারা বিএনপি থেকে সুস্থ রাজনীতিতে বেরিয়ে এসছেন তাদের ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আরও নেতা ও কর্মীরা সুস্থ রাজনীতির দিকে আসবেন বলে আশা করছি।’

    আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি জনসমর্থনের অভাবে তাদের আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়েছে। সেই কারণে তারা সন্ত্রাস, অগ্নিসন্ত্রাস, হিংসা, চোরাগুপ্তা হামলা, নাশকতা করছে। স্বাভাবিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে তারা রাজনীতিটাকে সন্ত্রাসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন গাড়ি পোড়াচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণবিরোধী রাজনীতির সমর্থন না দিয়ে তারা জনগণকে শত্রু ভাবে। বেলাল হোসেনের মতো একজন নিরীহ বাস হেলপারকে ৮০ শতাংশ পুড়িয়ে দিয়েছে।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন এলেই কিছু মানুষ বা গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করে। জনসমর্থহীন এসব গোষ্ঠী তারা নির্বাচনে হেরে যাবে। সবসময় তারা পেছনের দরজা খোলা রাখে। পেছনের দরজা দিয়ে তারা ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করে।’

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।