Category: লিড নিউজ

  • জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় কখনো শুনেননি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় কখনো শুনেননি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ মার্চ, ২০২৪: জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় কখনো শুনেননি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ছত্রছায়ায় পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করেছে। জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধের সময় বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন। জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় কখনো শুনেননি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক।”

    আজ শুক্রবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “স্কুল ঘণ্টা যেমন দপ্তরি বাজায়, তেমনি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে। আজকে বিএনপি নেতা আব্দুল মঈন খান অনেক কথা বলেন। মঈন খানের বাবা আব্দুল মোমেন খান ৭৪ সালে খাদ্য সচিব ছিলেন। তিনি ষড়যন্ত্র করে মার্কিন খাদ্যবাহী জাহাজ ফেরত পাঠিয়েছিলেন।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জিয়াউর রহমান আব্দুল মোমেন খানকে মন্ত্রী বানিয়েছিল। মঈন খান নিজেও সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিল, দরকার পড়লে দেশ বিক্রি করে দেব। যার বাবার জন্য এদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে তার মুখে এসব কথা মানায় না।”

  • ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের হয়রানি করলেই ব্যবস্থা: আইজিপি

    ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের হয়রানি করলেই ব্যবস্থা: আইজিপি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ মার্চ, ২০২৪: ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের হয়রানি করলেই ব্যবস্থা, বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনি বলেন, “ঈদযাত্রায় যদি কেউ যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করলে প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট থানায় ফোন করে সহায়তা নেওয়ার আহ্বান করছি “

    আজ শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে রাজারবাগে পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পুলিশের বার্ষিক আজান, ক্বিরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণী সাংবাদবিদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইজিপি।

    আইজিপি বলেন, “ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন আইজিপি।”

    তিনি বলেন, “সম্মানিত যাত্রী সাধারণকে অনুরোধ করবো আপনারা কোনো ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করবেন না। আমরা বেশ কিছুদিন আগেও সমন্বয় সভা করেছি৷ আগামী ১ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় পুলিশের সব ইউনিটকে নিয়ে একটি সমন্বয়ে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে। এসব সভার মাধ্যমে আমরা সমন্বয়ের কাজটি সেরে নিচ্ছি। ঢাকাসহ বিভিন্ন রেঞ্জ ডিআইজিদের আমরা ব্রিফ করবো। ডিএমপি কমিশনার ঢাকা মহানগরীর সমন্বয় করবেন। ঈদ যাত্রাকে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত করতে নৌ-পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ তাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি জেলা পুলিশও তাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে “

    আইজিপি বলেন, “এবার ঈদের ছুটি একটু লম্বা হবে। এজন্য পর্যটন স্পর্টগুলোতে দর্শনার্থীদের একটু ভিড় হতে পারে। তাই সার্বিকভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা গ্রহণ করছি।”

    তিনে বলেন, “সরকার বহুমুখী উন্নয়ন করছে, রাস্তা অনেক প্রশস্ত হয়েছে। উদাহরণে বলা যায়, চন্দ্রায় মাত্র একটি সড়ক ছিল। এখন রাস্তাও অনেক প্রশস্ত হয়েছে আবার ডাইভারশনও হয়েছে। সারাদেশের সড়ক ব্যবস্থাই অনেক উন্নত হয়েছে। এসব কারণে আমি আশা করছি, আমাদের ঈদ যাত্রী সাধারণকে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো। সে সঙ্গে যথা সময় সবার ঈদ যাত্র সমাপ্ত হবে বলে আমি আশা করছি।”

    আইজিপি বলেন, “অন্যান্য বছর যেভাবে আমরা সফলভাবে যাত্রীদের নিরাপদে গমনে সচেষ্ট ছিলাম, এবারও আমরা যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করবো। প্রয়োজনে পুলিশ সদস্যরা নিজেদের ছুটি বাদ দিয়ে হলেও ঈদ যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত কাজ করবে।”

  • সৈকত এলিট প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন

    সৈকত এলিট প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৯ মার্চ, ২০২৪: প্রথম বাংলাদেশি শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে জায়গা করে নিয়েছেন। সৈকতকে নিয়ে এখন এলিট আম্পায়ারের সংখ্যা ১২জন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।বার্ষিক পর্যালোচনা ও বাছাই প্রক্রিয়ার পর সৈকতকে এলিট প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করেছে তারা।

    সেই বাছাই প্রক্রিয়ার প্যানেলে ছিলেন আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার ওয়াসিম খান, সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মঞ্জরেকার, অবসরে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের আম্পায়ার টনি হিল ও স্থানাপন্ন বিশেষজ্ঞ পরামর্শক মাইক রাইলি।

    ২০০৬ সাল থেকে আন্তর্জাতিক প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে কাজ করছেন সৈকত। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ার হিসেবে তার অভিষেক হয় ২০১০ সালে। মিরপুরে বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সাইমন টফেলের সঙ্গে অনফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এখন পর্যন্ত ছেলেদের ১০ টেস্ট, ৬৩ ওয়ানডে ও ৪৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও মেয়েদের ১৩ ওয়ানডে ও ২৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

    মেয়েদের ২০১৭ ও ২০২১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০১৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ছেলেদের ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় এলিট প্যানেলে সুযোগ পেয়ে বেশ রোমাঞ্চিত ৪৭ বছর বয়সী এই আম্পায়ার। তিনি বলেন, ‘আইসিসির এলিট প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হওয়াটা বেশ সম্মানের। নিজের দেশের প্রথম হিসেবে এই প্যানেলে যুক্ত হওয়াটা আরও স্পেশাল। আমার ওপর যে আস্থা দেখানো হয়েছে তার সুবিচার করতে মুখিয়ে আছি। বছরের পর বছর ধরে কিছু অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে এবং আমি আরও চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত। আমার পাশে থাকার জন্য আইসিসি ও বিসিবিকে ধন্যবাদ।  আমাকে সবধরনের সাহায্য ও পথ প্রদর্শন করার জন্য বাকি সহকর্মীদেরও ধন্যবাদ। আমি আরও ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমার পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবদের, যারা আমার পাশে থেকে আমাকে সমর্থন করেছে।’

    সৈকতকে নিয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী জেফ অ্যালারডাইস বলেন, ‘আইসিসির আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে যুক্ত হওয়ার জন্য শরফুদ্দৌলাকে (সৈকত) অভিনন্দন এবং বাংলাদেশের প্রথম আম্পায়ার হিসেবে এই প্যানেলে নির্বাচিত হওয়ার অর্জনকে সাধুবাদ জানাই। আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোতে অনেক বছর ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রাপ্য স্বীকৃতি এটি। ‘

    এদিকে আগামী মৌসুমের জন্য এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি হিসেবে রাখা হয়নি ক্রিস ব্রডের নাম। ইংল্যান্ডের সাবেক এই ক্রিকেটার ২০০৩ সাল থেকে এলিট প্যানেলে যুক্ত ছিলেন। ১২৩ টেস্ট, ৩৬১ ওয়ানডে ও ১৩৫ টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি চারটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, মেয়েদের দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ রেফারি হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার।

    এলিট প্যানেলের আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা), ক্রিস্টোফার গ্যাফানি (নিউজিল্যান্ড), মাইকেল গফ (ইংল্যান্ড), আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা), রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ (ইংল্যান্ড), রিচার্ড কেটেলবোরো (ইংল্যান্ড), নিতিন মেনন (ভারত), আহসান রাজা (পাকিস্তান), পল রাইফের (অস্ট্রেলিয়া), শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত (বাংলাদেশ), রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া), জোয়েল উইলসন ( ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

    এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি: ডেভিড বুন (অস্ট্রেলিয়া), জেফ ক্রো (নিউজিল্যান্ড), রঞ্জন মাদুগালে (শ্রীলঙ্কা), অ্যান্ড্রু পাইক্রফট (জিম্বাবুয়ে), রিচি রিচার্ডসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), জাভাগাল শ্রীনাথ (ভারত)।

  • ঈদে ট্রেন্ডজের পোষাকে রয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া

    ঈদে ট্রেন্ডজের পোষাকে রয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৯ মার্চ, ২০২৪: ট্রেন্ডজ্ হচ্ছে তারুন্যের প্রতীক। সম্মানিত ক্রেতাদেরকে হালনাগাতের ফ্যাশন সম্বলিত পোষাকটি দেবার জন্য ট্রেন্ডজ্ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ট্রেন্ডজ্ এ রয়েছে অভিজ্ঞ ফ্যাশন ডিজাইনার এবং রয়েছে আধুনিক ফ্যাশন সম্বলিত যন্ত্রপাতি। আগত ঈদের পোষাকগুলো তৈরী করার জন্য ডিজাইনার গন বিভিন্ন সময় আমাদের ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে তাদের চাহিদাগুলো জানার চেষ্টা করেন এবং সেই অনুযায়ী আমাদের পোষাকগুলো তৈরী করা হয়। আসন্ন ঈদে ট্রেন্ডজ্ এ পাওয়া যাবে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পাঞ্জাবী, ফরমাল শার্ট, ক্যাজুয়েল শার্ট, টি-শার্ট, পলো শার্ট,  টুইল ও ডেনিম প্যান্ট মেয়েদের জন্য রয়েছে আকর্ষনীয় ফিউশন লেডিস টপস, ফতুয়া, লেডিস শার্ট, টি-শার্ট, এবং ফরমাল ও ডেনিম প্যান্ট,। পুরুষদের ফরমাল শার্ট ও প্যান্টগুল্ করা হয়েছে অফিস এবং বিভিন্ন পার্টিতে যাওয়ার উপযোগী করে। ক্যাজুয়াল পোষাকগুলো করা হয়েছে অত্যন্ত ফ্যাশনেবল, টি-শার্ট গুলোতে রয়েছে আধুনিক প্রিন্ট , টুইল ও ডেনিম প্যান্টগুলোতে রয়েছে আকর্ষনীয়  ফিট ও ওয়াশ শেড। মহিলাদের পোষাকগুলো করার ক্ষেত্রে রং এর দিকটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়েছে। সাদা, লাল, মেরুন,  কালো, গোলাপী সহ বিভিন্ন রং এর পেষাক পাওয়া যাবে। সবগুলো পোষাক এ রয়েছে হাতের কারচুপি, মেশিন এমব্রয়ডারীর কাজ। ট্রেন্ডজ্ এ এবার পাওয়া যাবে ছেলেদের বাহারী রং এর এক্সক্লুসীভ ডিজাইনের পাঞ্জাবী। পাঞ্জাবী ডিজাইন করা হয়েছে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী। পাঞ্জাবী তৈরীতে কাপড়গুলো ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত মানের হ্যান্ডলুম সিল্ক, কটন সিল্ক, কটন কাপড়। অন্যবারের থেকে এ ঈদে ট্রেন্ডজ্ এর পোষাকগুলো অনেকটা আলাদা। ফিট, ডিজাইন, কাপড়ের ধরন সবক্ষেত্রে রয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া। ট্রেন্ডজ্ এর পোষাক গুলোর মূল্য সব ধরনের ত্রেতাদের হাতের নাগালেই থাকবে।  সেই অভিজ্ঞতা ট্রেন্ডজ্ এ কাজে লাগানো হয়েছে। পোষাক তৈরীর প্রতিটি স্তরে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাগন পোষাক এর মান, সেলাই এর ধরন সহ সব বিষয়ে সর্বোত্তক সচেতন থাকেন। এবং প্রোডাকশন হয়ে যাবার পর শো-রুমে যাবার পূর্বে ফাইনাল কোয়ালিটি পরীক্ষা করা হয়।ট্রেন্ডজ্ এর উদ্দেশ্য সুনিপুন একটি পোষাক ত্রেতাদের দেওয়া।

    শো-রুম : বসুন্ধরা সিটিঃ – দোকান নং ১১৪-১১৫, লেভেল -২, ব্লক সি, বসুন্ধরা সিটি।

    উত্তরা: আতিক টাওয়ার ৬৭/বি, রবীন্দ্রসরণী, রোড নং-৭, আজমপুর, উত্তরা, ঢাকা ।

    ফোন -৮৯৩২০৯৩.

  • দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিজ থেকে বাস খাদে পড়ে ৪৫ জন নিহত

    দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিজ থেকে বাস খাদে পড়ে ৪৫ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৯ মার্চ, ২০২৪: দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি ব্রিজ থেকে বাস খাদে পড়ে ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় সবার মৃত্যু হলেও শুধু একটি মেয়ে শিশু প্রাণে বেঁচে গেছে। পরে উক্ত শিশুটিকে আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আজ শুক্রবার (২৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি বাস সেতু থেকে প্রায় ৫০ মিটার (১৬৫ ফুট) গভীর খাদে পড়ে যাওয়ার পর পঁয়তাল্লিশ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অবশ্য এই ঘটনায় আট বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুকে একমাত্র জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    জানা গেছে, উত্তর-পূর্ব লিম্পোপো প্রদেশে বাসটি একটি ব্যারিয়ারে ধাক্কা দেওয়ার পর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং পরে এটিতে আগুন ধরে যায়। যাত্রীরা সবাই ছিলেন তীর্থযাত্রী এবং তারা বতসোয়ানার রাজধানী গ্যাবোরোন থেকে মোরিয়া শহরে ইস্টার সার্ভিসে যাচ্ছিলেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকার পাবলিক ব্রডকাস্টার এসএবিসি জানিয়েছে, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জোহানেসবার্গের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার (১৯০ মাইল) উত্তরে মোকোপানে এবং মার্কেনের মধ্যে মামামতলাকালা পর্বত গিরিপথে একটি সেতু থেকে ছিটকে পড়ে।

    উদ্ধার তৎপরতা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চলেছে এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিহত কয়েকজনের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

    পরিবহন মন্ত্রী সিন্দিসিওয়ে চিকুঙ্গা দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এবং পরে তিনি ‘মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা’ জানান। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে এবং দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে পূর্ণ তদন্ত করবে।

  • মাইগ্রেন আক্রান্ত রোগীদের রোজা রাখতে হয় কিছু নিয়ম মেনে

    মাইগ্রেন আক্রান্ত রোগীদের রোজা রাখতে হয় কিছু নিয়ম মেনে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৯ মার্চ, ২০২৪: মাইগ্রেনর মাথাব্যাথার কারণে অনেক রোগির জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠে।অনেকের বমি হয়। তাই তারা চরম তাশায় পড়ে। এ কারণেই যারা মাইগ্রেনে ভোগেন তারা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে অনেক পরিবর্তন আনেন, খাবার-দাবাড়ের অভ্যাসে পরিবর্তন আনেন, যাতে করে মাইগ্রেন নিয়ে বসবাস কিছুটা সহজ হয়। অনেকেই নিয়মিত ওষুধ খেয়ে থাকেন।

    তাই রমজান আসলে অনেকেই কিছুটা চিন্তায় পড়ে যান যে পরিবর্তিত রুটিনের সাথে কীভাবে তাল মিলিয়ে চলবেন। অনেকেই ব্যথা থেকে বাঁচতে রোজা এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হন।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রমজানের সময় মাইগ্রেনের ব্যথা বেড়ে যাওয়া বা এতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও বেড়ে যায়। এ কারণে এ সময় রোগীদের খাবার দাবার এবং জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে যাতে করে ব্যথা সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়।’

    পুষ্টিবিদদের মতে ”রমজান শুরু হওয়ার আগে থেকেই যদি কিছু প্রস্তুতি নেয়া যায় তাহলে রোজার সময় মাইগ্রেনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।”

    মাইগ্রেন রোগটির প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাইগ্রেন হচ্ছে ক্রনিক নিউরোলোজিক্যাল ডিসঅর্ডার বা দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ুবিক রোগ। সাধারণত মাথার এক পাশে নিয়মিত মাঝারি বা তীব্র ব্যথা অনুভূত হয় এবং এটি সাধারণ মাথাব্যথা থেকে পুরোপুরিই আলাদা। এই ব্যথা একবারে টানা দুই থেকে তিন দিন ধরে চলতে পারে।বিশ্বের প্রতি সাত জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মধ্যে একজন মাইগ্রেনে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৪ সালের তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে, পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি থাকে। এই হার পুরুষের তুলনায় অন্তত তিনগুণ বেশি। কারণ নারীদের হরমোন জনিত পরিবর্তনের কারণে মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বমি বমি ভাব কিংবা বমি, হালকা মাথাব্যথা এবং উচ্চ শব্দ নিতে না পারার মতো ছোট-খাট উপসর্গ দেখা দেয়া থেকে শুরু হয়ে পরে এটি তীব্রতর ব্যথায় রূপ নেয়।

    চিকিৎকরা জানিয়েছেন, মাইগ্রেন অ্যাটাকের পর কোন রোগী কোন জাকে মনোযোগ দিতে পারে না। তার মেজাজের উপরও ব্যাপক প্রভাব পড়ে। যার কারণে তার দৈনন্দিন কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। মাইগ্রেনের অ্যাটাকের সময় বা এর পরে মাথাব্যথার লক্ষণ ছাড়াও হতাশা, কোনে কাজ মনোযোগ দিতে না পারা এবং কথা বলতে সমস্যা হওয়ার মতো উপসর্গও থাকতে পারে। এগুলো সাময়িক বা দীর্ঘমেয়াদি- দুরকমেরই হতে পারে। মাইগ্রেনের এখনো স্থায়ী কোন চিকিৎসা নেই। অর্থাৎ কোন ওষুধ দিয়ে মাইগ্রেন চিরতরে সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়। কিন্তু রোগীর উপসর্গ ভেদে কিছু ওষুধ সেবনের মাধ্যমে কিছু উপসর্গ কমিয়ে আনা যায়। যেমন, ব্যথার তীব্রতা এবং এতে আক্রান্ত হওয়ার হার কমে যায়।

     

    রমজানে মাইগ্রেন আক্রান্ত রোগীদের প্রস্তুতির কিছু নিয়ম:

    অনেকেই এটা ভেবে চিন্তিত থাকেন যে, রোজার সময় যেকেনো মুহূর্তে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যেতে পারে এবং শুরু হলেও ওষুধ খেতে পারবেন না। আর এ কারণে ব্যথার তীব্রতা আরো বেশি বাড়তে পারে। ফলে তারা মাইগ্রেন অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে থাকেন।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রমজানের সময় মাথাব্যথা হতে পারে দেহে পানি বা তরলের অনুপস্থিতির কারণে। রক্তে গ্লুকোজ ও ক্যাফেইনের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে রক্তচাপও কমে যেতে পারে। আর এ কারণে দেখা দিতে পারে মাথাব্যথা। তাই সেহরিতে যদি ওষুধ খাওয়া যায়, ইফতারের পর প্রচুর পরিমাণে তরল পান করা হয় তাহলে তা বিকল্প হতে পারে। একই সাথে বেশি রাত না জেগে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে। আবার একজন মাইগ্রেন আক্রান্ত রোগীর জন্য সকালে উঠে কিছু না খাওয়াটাও ক্ষতিকর হতে পারে।

    কেননা সকালের খাবারটা শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ ধরে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর কারণে মাইগ্রেন অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা নেই। এটি রোধ করতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াটা জরুরি।

    রমজানের শুরুর কয়েকটা দিন মাইগ্রেন আক্রান্তদের জন্য কিছুটা কষ্টকর হয় খাবার-দাবার ও জীবনযাপনে হঠাৎ করে পরিবর্তন আসার কারণে।মাইগ্রেন আক্রান্তদের জন্য রমজান শুরুর আগে কীভাবে প্রস্তুতি নেয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা ।

    তাদের মতে, কফি এবং এ ধরনের উদ্দীপক খাবার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। যাতে করে রমজানের সময় দেহে এদের উপস্থিতি কমে গেলেও সমস্যা না হয়। রমজান শুরুর আগে থেকে দিনের বেলা প্রধান খাবারের মাঝামাঝি সময়ে ছোটখাট কোন খাবার বা নাস্তা না করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে যাতে দেহে পানিশূন্যতা তৈরি না হয়। একই সাথে রমজানের সাথে মানিয়ে নিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোটাও দরকারি।

    ঋতুস্রাবের সময় নারীদের প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এতে করে রক্তবাহী শিরা-উপশিরা শিথিল থাকে। একই সাথে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত মাছ খাওয়া যেতে পারে। যদি কেউ মনে করে যে তার মাথাব্যথা হতে পারে, তাহলে যেসব খাবার খেলে তার মাথাব্যথা হয়, সেহরি ও সকালের নাস্তায় সেসব খাবার এগিয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যেমন চকলেট, পনিরসহ দুগ্ধজাতীয় খাবার ইত্যাদি। এর পরিবর্তে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে রুটি, শিম, ছোলা, ওটস ও যব দিয়ে বানানো রুটি, আঁশ সমৃদ্ধ খাবার, খেজুর, কলা এবং পটাসিয়াম রয়েছে এমন সব শাক-সবজি।

    মাইগ্রেন বিষয়ক যুক্তরাজ্য ভিত্তিক দাতব্য সংস্থা দ্য মাইগ্রেন ট্রাস্ট এর তথ্য অনুযায়ী, কারো যদি মাইগ্রেন থাকে এবং এরপরও যদি তিনি রোজা রাখার প্রস্তুতি নিতে চান তাহলে তাকে যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা হচ্ছে-

     

    ১. ওষুধ:

    মুখে ওষুধ খেলে রোজা ভেঙ্গে যেতে পারে। এর কারণে রোজা শুরুর আগেই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে। তাহলে তিনি আপনাকে নির্দেশনা দিতে পারবে যে, আপনি চিকিৎসা নিচ্ছেন তার আওতায় আপনি রোজা রাখতে পারবেন কিনা। আর রাখলেও আপনি কখন ওষুধ খাবেন। এক্ষেত্রে সেহেরির সময় ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হতে পারে। তবে সেটিও রমজানের কমপক্ষে একমাস আগে থেকে শুরু করতে হবে যাতে শরীর এর সাথে মানিয়ে নেয়ার পর্যাপ্ত সময় পায়।

    এছাড়া মুখে খাওয়ার ওষুধের পরিবর্তে মাইগ্রেনের আরো অনেক ধরনের ওষুধ রয়েছে। সেগুলোও আপনাকে দেয়া হতে পারে। তবে এসবের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

     

    ২. ক্যাফেইন

    যারা নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণ করে থাকেন তাদের মনে হতে পারে যে, হঠাৎ করে ক্যাফেইন নেয়া বন্ধ করে দিলে হয়তো মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। আপনি যদি প্রচুর পরিমাণে কফি, চা বা কোকা-কোলা খেলে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তাহলে রমজানের সময় তা বন্ধ করে দিলে মাইগ্রেনের মাথাব্যথা আরো খারাপ হতে পারে। এর জন্য বিকল্প হচ্ছে, রমজান শুরুর আগে থেকেই ধীরে ধীরে ক্যাফেইন গ্রহণ বন্ধ করে দিতে হবে।

    ধীরে ধীরে কমানোর ফলে এটি মাইগ্রেনের তীব্র ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে আনবে। এতেও কাজ না হলে রোজা শুরুর আগে অর্থাৎ সেহরিতে আপনি কিছু পরিমাণ ক্যাফেইন গ্রহণ করতে পারেন। তবে এর সাথে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে ভুলবেন না।

     

    ৩. পানিশূন্যতা:

    সারাদিন রোজা রাখার পর পানিশূন্যতা পূরণ করাটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই এটি পূরণে রোজা ভাঙার পর ইফতারির পর প্রচুর তরল খেতে ভুলবেন না। একইভাবে সেহরিতেও পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ করুন। মিষ্টি জাতীয় পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। কারণ এটি আপনার পানির পিপাসা আরো বাড়াবে।

     

    ৪. খাবারের সময়ে পরিবর্তন:

    ঠিক সময়ে খাবার না খেলে যদি আপনার মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয় তাহলে ভোর থেকে সারাদিন না খেয়ে থাকা নিয়ে হয়তো আপনি দুশ্চিন্তায় পড়তে পারেন। এটি কাটাতে সেহরিতে ভরপেট খাবার খান। বিশেষ করে উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবার যেমন মাংস, মাছ, ডিম, বাদাম ও বিভিন্ন ধরনের বীজ, পূর্ণ আঁশযুক্ত শর্করা জাতীয় খাবার যেমন বাদামী চাল, ওটস বা পূর্ণ আঁশযুক্ত রুপি খেতে পারেন। যতটা সম্ভব প্রক্রিয়াজাত খাবার বিশেষ করে যাতে বেশি পরিমাণ চিনি থাকে তা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

     

    ৫. ঘুম:

    রমজানে যদি আপনার ঘুমের নিয়মে বেশি ব্যাঘাত ঘটে যেমন, এর জন্য যদি আপনাকে অনেক আগে-ভাগে ঘুম থেকে জেগে উঠতে হয় তাহলে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হওয়ার একটা আশঙ্কা থাকে। এটি এড়াতে এবং আপনার শরীরকে অভ্যস্ত করে তুলতে রমজান আসার আগে থেকেই এই সময়ে অ্যালার্ম দিয়ে একই সময়ে ঘুম ভাঙানোর চেষ্টা করতে পারেন।এছাড়া রমজানে একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ঘুম ভাঙার অভ্যাস গড়ে তুললে তাও মাইগ্রেন এড়াতে সহায়ক হতে পারে।

    পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, যেসব রোগীর তীব্র মাইগ্রেন অ্যাটাক হয় না এবং মাথাব্যথার সাথে যে সহজেই মানিয়ে নিতে পারে, তারা স্বাভাবিক নিয়মেই রোজা রাখতে পারেন। কিন্তু কারো যদি ঘন ঘন মাথাব্যথা হয় এবং তার তীব্রতাও বেশি থাকে তাহলে তাদের ব্যথা কমানোটা আগে জরুরি। এর জন্য তাদের চিকিৎসা নেয়া উচিত এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

    যেহেতু মাইগ্রেনের কোন সঠিক চিকিৎসা এখনও আসেনি তাই নিয়ম মেনে মাইগ্রেনকে নিয়ন্ত্রণে রেখে জীবন ধারণ করা উচিৎ। তবে রোজা রেখে দিনের বেলা পানির যে ঘাটতি তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়না। তাই গুরুতর মাইগ্রেনের রোগীদের রোজা পরিহার করাটা বাঞ্ছনীয়।

     

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • একনেকের বৈঠকে ১১টি প্রকল্প অনুমোদন

    একনেকের বৈঠকে ১১টি প্রকল্প অনুমোদন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৮ মার্চ, ২০২৪: একনেক সভায় ‘২০ মিটার গেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ১৫০ মিটার যাত্রীবাহী গাড়ি সংগ্রহসহ ১১টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।

    প্রায় ৮ হাজার ৪২৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত একটি মেয়াদ বৃদ্ধিসহ মোট ১১টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক-এর চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৭ হাজার ৯৩৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৪৮৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

    রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম।

  • জিয়া সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বপন করেন: সেতুমন্ত্রী

    জিয়া সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বপন করেন: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ মার্চ, ২০২৪: জিয়া সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বপন করেন, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান নিজের অবৈধ ও অসাংবিধানিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে; ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রচলন করে। স্বৈরাচার জিয়া রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষের বীজ বপন এবং উগ্র-সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করে। তখন থেকে বিভেদের রাজনীতির গোড়াপত্তন হয়। বিরোধী দল বিশেষ করে আওয়ামী লীগকে নির্মূল করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো হয়।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের মিথ্যা, বানোয়াট এবং দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতা মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ভিত্তিতে জাতিকে সংবিধান উপহার দেন। ধর্মের ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর খুনি জিয়া-মোশতাক চক্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধূলিসাৎ করে।”

    বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি নেতাকর্মীদের ঘর-বাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্য দখল করে নেওয়া হচ্ছে মর্মে বিএনপি মহাসচিব মিথ্যাচার করছেন। তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ না দিয়ে ঢালাওভাবে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়েছেন। বরং আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপির নেতাকর্মীরা বহাল তবিয়তে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। কোথাও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে না। অথচ ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে লাখ লাখ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে ঘর-বাড়ি ছাড়তে হয়েছিল, নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নির্মম অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডারবাহিনী দ্বারা হাজার হাজার নারী ধর্ষিত হয়েছিল। সারা দেশে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।”

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বিএনপি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই তারা স্বাধীনতার মর্মার্থকে অকার্যকর করতে চায়। দেশের প্রত্যেক মানুষ এখন স্বাধীনতার সুফল পাচ্ছে। অগণতান্ত্রিক ও উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রতিভূ বিএনপির ফ্যাসিবাদী দর্শনে জনগণ কখনো সাড়া দেয়নি; দেবেও না। তাই বিএনপি সর্বদা জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। পাকিস্তানি ভাবাদর্শকে পুঁজি করে রাজনীতি করা বিএনপির একান্ত কাম্যই হলো যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা দখল, জনকল্যাণ নয়। তারা ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছিল। বাংলার জনগণ তাদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়েছিল। সুতরাং বাংলার জনগণ এ প্রতারক গোষ্ঠীকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।”

  • জিম্মি নাবিকদের মুক্ত করতে আমাদের তৎপরতা চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    জিম্মি নাবিকদের মুক্ত করতে আমাদের তৎপরতা চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ মার্চ, ২০২৪: জিম্মি নাবিকদের মুক্ত করতে আমাদের তৎপরতা চলছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ মুক্ত করার বিষয়ে সরকার অনেক দূর এগিয়েছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে করা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা যোগাযোগের মধ্যে আছি। নাবিকদের রিলিজ করার জন্য আমরা নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছি। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, নাবিকদের আনহার্ট (কোনো ক্ষতি যেন না হয়) অবস্থায় উদ্ধার করা এবং একই সঙ্গে জাহাজটা উদ্ধার করা। শুধু এতটুকু বলতে চাই, আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।”

    জাহাজে খাবার সংকট প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, “খাদ্য সংকট অতীতে যখন জাহাজ হাইজ্যাক হয়েছে অতীতে কখনও হয়নি। তিন বছর ছিল তখনও হয়নি, ১০০ দিন ছিল তখনও হয়নি। আশা করি এক্ষেত্রেও হবে না।”

  • বাংলাদেশ থেকে ফল, সবজি ও পাটজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী চীন

    বাংলাদেশ থেকে ফল, সবজি ও পাটজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী চীন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৮ মার্চ, ২০২৪: আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। আম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। পাট আমাদের সোনালী আঁশ, আর আলু দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সবজি। সেই সঙ্গে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনেও বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। এখন এই সব পণ্য বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশ আমদানি করছে।

    এই অবস্থায় চীন বাংলাদেশ থেকে আম, কাঁঠাল, আলু, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এ তথ্য জানান।

    বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো লক্ষ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সই করতে যৌথভাবে খসড়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন বিনিময় নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “বাংলাদেশে চীনের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। এখন চীন বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। এফটিএ সই হওয়ার পর বিনিয়োগ আরও বাড়বে। বাংলাদেশ চীনে আম, কাঠাল, আলু, পাটপণ্য, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারে।”

    এফটিএ কবে সই হতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, “এখনো চুক্তি হয়নি। এখন আলোচনা শুরু হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারলে ভালো। যদি না হয় আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। আলোচনা শেষ না হলে ততদিন যেন আমাদের এলডিসি হিসাবে এই সুবিধাগুলো দেয় তার জন্য বলব।”

    চুক্তির ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের সুবিধা পাবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, “আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টের বাইরে আরও কিছু পণ্য আছে। রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে যখন আলাপ করছিলাম, তিনি জানিয়েছেন আমের অনেক সম্ভাবনা আছে। পাটজাত পণ্যের অনেক সম্ভাবনা আছে। তারপর হস্তশিল্পের বিষয় আছে।”

    তিনি বলেন, “এর বাইরে আরও পণ্য আছে। আমরা ইতোমধ্যে চামড়া রপ্তানি করছি। আমরা কোয়ালিটি সম্পন্ন চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারি। চীনে ১৪০ কোটি মানুষ। সেখানে যদি আমরা বৈচিত্র্য পণ্য নিয়ে যেতে পারি হিউজ বাজার। চুক্তি হয়ে গেলে বিনিয়োগ বাড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।”

    তপন কান্তি ঘোষ বলেন, আমরা প্রধানত তৈরি পোশাক রপ্তানি করি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমরা চীনে ৬৭৭ মিলিয় ডলার রপ্তানি করেছি। বিপরীতে চীন থেকে ২২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার আমদানি করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এ অর্জন বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে।

    যার মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পণ্য রপ্তানির সময় শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা ২০২৬ সালের পরে হারানো এবং মূল্য সংযোজনের হার অন্যতম। এর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে ওই সব দেশের বাজারে প্রবেশের সময় সাধারণভাবে আরোপিত শুল্কের সম্মুখীন হতে হবে। এতে ওই সকল দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সংকোচনের সম্ভাবনা রয়েছে।