Category: বাংলাদেশ

  • পুলিশ মেমোরিয়াল বেদিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির শ্রদ্ধা

    পুলিশ মেমোরিয়াল বেদিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ মার্চ, ২০২৪: বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের সদস্যরা প্রাণ হারায়। জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণ করতে পালন করা হয় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে।

    দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টায় পুলিশ স্টাফ কলেজে স্থাপিত ‘পুলিশ মেমোরিয়াল’ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। শ্রদ্ধা জানানোর পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকেদের বিভিন্ন  প্রশ্নের জবাব দেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজবন্দি বলতে আমাদের এখানে কেউ নেই। যারা প্রধান বিচারপতির বাসায় ভাঙচুর করেছে, যারা পুলিশ-আনসার পিটিয়ে হত্যা করেছে, মেয়েদের গায়ে হাত দিয়েছে আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। যেটা পুলিশ করছে।”

    তিনি বলেন, “২০১৪ সালেও তারা (বিএনপি) একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্বাচনকে বানচালের চেষ্টা করেছে। তবে ক্রমান্বয়ে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে। ২০০৮ সালে ৩০টি, ২০১৮ ছয়টি সিট পেয়েছে”

    তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন করবেন না বলে মুচলেকা দিয়ে ইংল্যান্ডে গেছেন আত্মগোপন করেছেন তার নির্দেশ অনুযায়ী আমরা দেখলাম দলটির সেক্রেটারি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। ইংল্যান্ডে বসে থেকে তিনি এদেশে তার দলের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। তিনি শুধু এ দেশের জনগণ নয় তার দলীয় নেতাকর্মীদেরও বুঝি তিনি ভালো-মন্দ চান না। দিন দিন এই দলটি জনবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হয়েছে। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনারা দেখেন যেখানে যাবেন তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। এদেশের মানুষ বিশ্বাস করে যতোদিন প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকবেন ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ।”

    আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী যেভাবে বাংলাদেশ একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তার পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনকালে নিরাপত্তা বাহিনী অত্যন্ত নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করেছেন। গত নির্বাচনে অনেক মন্ত্রী, বড় বড় নেতা এই নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছেন। কাজেই আমরা সুনিশ্চিত করে বলতে পারি এই নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি হয়নি বা কোন ধরনের সাপোর্ট কেউ পেয়েছে বলে আমরা মনে করি না, দেখিওনি। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এখানে অন্যায়ভাবে বা রাজনৈতিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তারা যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। তবে তারা নির্বাচনের পরে মনগড়া তথ্য প্রচার করে বিদেশিদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে। অথচ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশি সাংবাদিকরা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশের নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। আমেরিকারও দুই একটি সংগঠন বলেছেন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।”

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছিল, হামলা মামলা করে বিরোধীদের কণ্ঠ রোধ করা হয়েছিল। নির্বাচন সংক্রান্ত ও গণগ্রেপ্তার, আটক, নির্যাতন সম্পর্কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বক্তব্য আপনারা প্রত্যাখ্যান করছেন কি না? প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কোনো হামলা মামলা, আমাদের পুলিশ বাহিনী, আমাদের পলিটিকাল বাহিনী করেনি। তারাই (বিএনপি) করেছে। তারা করে তারাই যদি অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা তরে তাহলে আমরা এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা মনে করি এগুলো সত্যের অপলাপ। উদ্দেশ্যমূলকভাবে আরেকটি ষড়যন্ত্রের একটা নতুন ক্ষেত্র তৈরির প্রচেষ্টা নিচ্ছেন।”

    আপনি বলছেন একটি দল অর্থাৎ বিএনপি অপ্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কিসের ভিত্তিতে, কিসের বিনিময়ে স্টেটমেন্টগুলো দিচ্ছে বলে আপনি মনে করেন? জবাবে মন্ত্রী বলেন, “ক্রমাগতভাবে বিএনপি মিথ্যা তথ্য প্রচার বা দিয়ে যাচ্ছে। তারা কে কীভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমরা স্পষ্ট করে বলতে পারি, তারা যেসব বলছেন সেসব দেশে ঘটেনি। দুই একটি দেশ বাদে সব দেশ সাধুবাদ ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। তারা মনে করেন দেশে একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে।”

    উল্লেখ্য, গত বছর কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গ করেছেন পুলিশের বিভিন্ন স্তরের ১৩৪ সদস্য।

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দেশে কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর জীবন দেওয়া সদস্যদের স্মরণ করা হয়। এজন্য তৈরি করা হয়েছে মেমোরিয়াল।

    বাংলাদেশ পুলিশের ১৯৯৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কর্মরত অবস্থায় নিহত পুলিশ সদস্যদের সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছরের ১ মার্চ মেমোরিয়াল ডে পালন করছে।

    প্রতি বছর মেমোরিয়াল ডে -তে ওই বছরে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের উপস্থিতিতে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। মেমোরিয়াল ডে পালন করার জন্য ইতোপূর্বে রেপলিকা স্মৃতি তৈরি করে পালন করা হয়েছে। জেলা/ইউনিটে একই দিনে রেপলিকা স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করে মেমোরিয়াল ডে পালন করা হচ্ছে।

    এ স্তম্ভের আন্ডারগ্রাউন্ডে ১৯৯৩-২০২১ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ পুলিশে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত বীর পুলিশ সদস্যদের ডাটা সংরক্ষিত রয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) কামরুল আহসান, অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) আবু হাসান মুহাম্মদ তারিক, র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) খুরশীদ হোসেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নূরুল ইসলাম।

  • সুন্দর করে কুশলাদি বিনিময় করলেই সাধারণ রোগীরা খুশি থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সুন্দর করে কুশলাদি বিনিময় করলেই সাধারণ রোগীরা খুশি থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ মার্চ, ২০২৪: সুন্দর করে কুশলাদি বিনিময় করলেই সাধারণ রোগীরা খুশি থাকে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “আমরা সময়মতো হাসপাতালে যাব আসবো। সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উজাড় করে দেবো। আমাদের সাধারণ মানুষ কিন্তু খুব বেশি কিছু চায় না, শুধু একটু গায়ে হাত দিয়ে কথা বলা, সুন্দর করে একটু কুশলাদি বিনিময় করলেই কিন্তু তারা খুশি।”

    আজ শনিবার (৯ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) এমডি-এমএস ফেইজে ভর্তিকৃত রেসিডেন্টদের ইনডাকশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের চিকিৎসকদের মান বিশ্বের কোনো দেশের চিকিৎসকদের তুলনায় কম নয়। আমাদের চিকিৎসকদের যে ভালো মেধা আছে, তার অসংখ্য প্রমাণ আমার কাছে আছে। ভুটান থেকে রোগী এসে আমাদের এখানে চিকিৎসা নিচ্ছে। শুধু যে রোগী বাইরে যাচ্ছে এরকম নয়, ভারত থেকে আমাদের দেশে অসংখ্য রোগী আসছে।”

    ডা. সামন্ত লাল বলেন, “হাঙ্গেরি থেকে চিকিৎসক এনে আমরা জোড়া শিশুর অপারেশন করেছি। আমি দেখেছি বাচ্চাদের যখন এনেস্থিসিয়া দেওয়া হয়, তখন হাঙ্গেরির চিকিৎসকরা কিন্তু পারেনি, পেরেছে বাংলাদেশের চিকিৎসকরাই। কাজেই আমি বিশ্বাস করি আমাদের চিকিৎসকরা কোনো দেশের তুলনায় কম নয়।”

    তিনি বলেন, “আজকে যারা এখানে আমার সামনে বসে আছেন, আমি সবিনয়ে তাদের কাছে একটা কথা বলবো। আসুন আমরা চিকিৎসকদের মান-সম্মান এমন এক জায়গায় নিয়ে যাই, যেন এই দেশের লোকজন একদিন চিকিৎসকদের দেখলেই মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রধান কাজ হলো ধৈর্য ধরে রোগীদের কথা শোনা, ধৈর্য ধরে তাদেরকে সেবা দেওয়া।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “চিকিৎসকরাই হলো ভবিষ্যতের আসল কাণ্ডারি। ডাক্তার-রোগীর সম্পর্ক অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। এটি শুধু ডাক্তারের উপরই নির্ভর করে না। একটা হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা সেবা হাসপাতাল পরিচালক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ সবার উপরই নির্ভর করে।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রোগীরা সাধারণত রোগ থেকে মুক্তি পেতে অসহায়ের মতো চিকিৎসকের উপর নির্ভর করে। অনেকক্ষেত্রে একজন চিকিৎসককে পিতার স্থান দখল করতে হয়। চিকিৎসকরা চাইলেই রোগীদের সঙ্গে একটা সুসম্পর্ক তৈরি করতে পারে। এতে করে রোগীর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় ও ভালো চিকিৎসা সেবা প্রদান করা যায়।

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশের বিশাল একটা জনসংখ্যা অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত। যখনই কেউ রোগে আক্রান্ত হয়, সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসকের উচিত তাদের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতার কথা রোগীকে জানানো এবং সে অনুযায়ী রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।”

    ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “উত্তম আচরণ হলো ন্যায়-অন্যায় আর আসল-নকলের পার্থক্যকারী। আমার উচিত অন্যের সঙ্গে সেভাবেই আচরণ করা, যেমনটি আমি অন্যের কাছ থেকে প্রত্যাশা। নৈতিকতার অভাবে দেশ ও জাতির উন্নতি ব্যাহত হয়, যোগ্য ব্যক্তিরা যথাযথ স্থানে পৌঁছাতে পারে না এবং অযোগ্যদের আস্ফালন বৃদ্ধি পায়। যোগ্য ব্যক্তিরা হীনমন্যতায় ভোগে এবং দেশে বিশৃঙ্খলাতা দেখা দেয়।”

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা।

  • প্রধানমন্ত্রী সফল পাঁচ নারীকে জয়িতা পুরস্কার দিলেন

    প্রধানমন্ত্রী সফল পাঁচ নারীকে জয়িতা পুরস্কার দিলেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মার্চ, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের স্বীকৃতিস্বরুপ ৫ নারীকে জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করেছেন।

    আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই পুরস্কার প্রদান করেন শেখ হাসিনা।

    সেরা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন; আনার কলি (অর্থনৈতিক), কল্যাণী মিঞ্জি (শিক্ষা ও কর্মসংস্থান), কমলি রবি দাশ (সফল মা), জাহানারা বেগম (নিপীড়ন প্রতিরোধ) এবং পাখি দত্ত হিজড়া (সামাজিক উন্নয়ন)।

    মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের নারীদের সব সুযোগ আমরা করে দিয়েছি এবং সরকারি সেবাপ্রাপ্তিতে নারীদের যে সুযোগ বৃদ্ধি, সেটিও করা হয়েছে। যত রকম আয়বদ্ধ কর্মকাণ্ড আছে, সেখানে যাতে আমাদের নারীরা আরও সুযোগ পায়।”

    তিনি বলেন, “আমরা সুযোগ সৃষ্টি করেছি। এখন মেয়েদের এগিয়ে আসতে হবে। ঘরে বসে থাকলে হবে না, কারণ মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি কাজ করে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “নারী উদ্যোক্তা যাতে গড়ে ওঠে, সেজন্য এসএমই ফাউন্ডেশনে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দিয়ে অল্প সুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে নারীরা নিজেরা কাজ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি।”

    তিনি বলেন, “নারী ও পুরুষ সমানভাবে কাজ করলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো । আজ আমরা এগিয়ে যাচ্ছি কারণ আমরা নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শুধু বলার জন্য নয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সুযোগ সৃষ্টি করেছে, তবে নারীদের এগিয়ে আসতে হবে। ‘ঘরে থাকবেন না। কারণ সমাজের জন্যও নারীদের অনেক কাজ করতে হবে।”

    এক পরিসংখ্যানে নারীদের ৪৩ শতাংশ শ্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা (নারীরা) আরো অতিরিক্ত কাজ করেন এমনকি অফিস থেকে বাড়ি ফিরেও কাজ করতে হয় যা হিসাব করা হচ্ছে না।”

    পুরস্কারপ্রাপ্তরা প্রত্যেকে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট, ও সনদপত্র গ্রহন করেন। শুরুতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর তথ্যচিত্র প্রর্শন করা হয়।

    ‘জয়িতা’ (বিজয়ী), একজন নারী যিনি সকল প্রতিবন্ধকতাকে জয় সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন, এটি সংগ্রামী ও অদম্য নারীর প্রতীকি নাম। সরকার পাঁচটি বিভাগে জয়িতাদের পুরস্কার প্রবর্তন করেছে

     

    জয়িতা পুরস্কার প্রাপ্তদের পক্ষ থেকে কল্যাণী মিঞ্জি পুরস্কার পাওয়ার পর তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    পুরস্কার প্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট, স্যাশ (উত্তোরিয়) ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নারী ও কর্মকান্ডের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

  • ডেন্টালে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের আসন বাড়ানোর পক্ষে আমি না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ডেন্টালে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের আসন বাড়ানোর পক্ষে আমি না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মার্চ, ২০২৪: ডেন্টালে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের আসন বাড়ানোর পক্ষে আমি না, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামান্ত লাল সেন। তিনে বলেন, “আসন সংখ্যা বাড়িয়ে দিলাম কিন্ত মানসম্মত শিক্ষক অথবা ট্রেনিং দেওয়ার কেউ নেই। তাই আসন বাড়ানোর পক্ষে আমি না।”

    আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ডেন্টাল সার্জন্স-বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়ন স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, “সুরক্ষা আইনের বিষয় নিয়ে  কাজ চলছে। দীর্ঘদিন ধরে আমি কাজ করছি, রাজধানীর বাইরে দৌড়াচ্ছি এ বিষয়টি নিয়ে। এই রমজানজুড়েই আমি মিটিং করবো এবং আগামী সংসদ অধিবেশনেই যাতে পাশ হয় সেই চেষ্টা করবো।”

    অবৈধ ক্লিনিক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “আমি আগেও বলেছি  এখনো বলছি সেগুলো যেনো বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে অবশ্যই সেগুলো মনিটরিং করে তারপর বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ বিশাল জায়গা, শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করলে হবে না “

    মন্ত্রী আরও বলেন, “সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ নেতারাও হাসপাতালগুলো দেখবেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যদি কোনো অসঙ্গতি পান তবে আমাদের জানাবেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।”

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, বিএমডিসি সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. বায়েজিদ খুরশিদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নেওয়াজ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

  • যারা প্রধান রাজাকার ছিল তাদের বিচার করা হচ্ছে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

    যারা প্রধান রাজাকার ছিল তাদের বিচার করা হচ্ছে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মার্চ, ২০২৪: যারা প্রধান রাজাকার ছিল তাদের বিচার করা হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, “রাষ্ট্র কখনো রাজাকারদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। যারা প্রধান রাজাকার ছিল তাদের বিচার করা হচ্ছে। আর যাদের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করছে তাদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলমান। তবে রাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে বিচার করবে না।”

    আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) বিভাগের ২০ বছর পূর্তি ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গ্র্যান্ড রিইউনিয়নের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, “জিয়াউর রহমান রাজাকারদের মুক্তি দিয়েছে আর আমরা এ সরকার ক্ষমতায় এসে বিচার করেছি, রাষ্ট্র কখনো রাজাকারদের বিচার করতে দায় নেবে না। যদি কেউ অভিযোগ করে তাহলে তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।”

    রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে, গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। অতিদ্রুত তালিকা প্রকাশ করা হবে।”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ডক্টর ফরহাদ হোসেন ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মানিক শীল।

  • স্বাধীনতা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মার্চ, ২০২৪: স্বাধীনতা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এসেছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “জাতির পিতা ধাপে ধাপে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তারই একটি পদক্ষেপ ৭ মার্চ। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত হয়ে, ৭০ এর নির্বাচনেই আগে লন্ডনে বসেই ভেবেছিলেন কিভাবে গেরিলা যুদ্ধ হবে, স্বাধীনতা আসবে। স্বাধীনতা হঠাৎ আসেনি, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এসেছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংগ্রামের পথ বেয়ে অনেক রক্তের অক্ষরে লেখা আছে আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার ও স্বাধীনতার অধিকার। ৭ মার্চের ভাষণে কাউকে আনতে হয়নি। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেয়। এই ভাষণের আগে অনেক জ্ঞানী-গুণী, একেকজন একেকরকম পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করে। মা জাতির পিতাকে বললেন- তোমার কারো কথা শোনার দরকার নেই। তুমি সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছো। কাজেই তোমার মনে যে কথা আসবে সেটাই বলবে।”

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা মানুষকে আশার বাণী শোনানো আবার শত্রুপক্ষকে বিরত রাখা সবই করেছেন। যে কথা বলার সবই বলেছেন ৭ মার্চে। আজকে এই ভাষণ শুধু আমাদের ভাষণ নয়, আন্তর্জাতিক মর্যাদাও পেয়েছে। পাকিস্তানিদের ভাবতে ভাবতেই দিন গেছে- এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু কি বলে গেলেন। তারা দেখলো ভাষণের পর গেরিলা যুদ্ধও শুরু হয়ে গেলো। এই ভাষণ শুধু গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতিই নয় মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ও এনে দিয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের আগে ৬৯ সালের অক্টোবর মাসে আমার বাবার লন্ডনে গিয়েছিল। তিনি (বঙ্গবন্ধু) মুক্তি পাওয়ার পর পর আমি আমার স্বামীর সঙ্গে ইতালিতে চলে যাই। ইতালি থেকে আমার স্বামী আবার লন্ডনে চাকরি পেয়েছিল, সেখানে চলে যাই। সেখানে বসে তিনি তার যে পরিকল্পনা ছিল, নির্বাচন হবে, নির্বাচনের রেজাল্ট আসবে, ওরা ক্ষমতা দেবে না, আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। যুদ্ধের প্রস্তুতিটা আমি একজন সাক্ষী এখনো আছি, তিনি পরিকল্পনা করেন। ভারতের দুজন প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করেন। আমাদের গেরিলা যুদ্ধ হবে, সেখানে শরণার্থী গেলে কীভাবে আশ্রয় হবে, প্রবাসী বাঙালিরা কি কি কাজ করবে, সমস্ত পরিকল্পনা তিনি করে আসেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “মার্শাল ল এর মধ্যেও নির্বাচন দেওয়ার ওয়াদা করেছিল ইয়াহিয়া খান। ওয়াদার মধ্যেও কিছু শর্ত ছিল। আমাদের দেশের অনেক রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক ব্যক্তি এ নির্বাচনে বিরোধিতা করেছিল। সেই শর্ত মেনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার (বঙ্গবন্ধু)  কথা ছিল, কে এদেশের নেতৃত্ব দেবে এটা আগে জনগণ ঠিক করুক।”

    সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ।

  • স্বাধীনতায়  বিশ্বাস করে না তাই ৭ মার্চ পালন করেনা বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তাই ৭ মার্চ পালন করেনা বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মার্চ, ২০২৪: স্বাধীনতায়  বিশ্বাস করে না তাই ৭ মার্চ পালন করেনা বিএনপি, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা ৭ মার্চ পালন করে না। বাংলাদেশের ইতিহাস, স্বাধীনতা ৭ মার্চ ছাড়া হতে পারে না। সুতরাং যারা এটি মানে না বা পালন করে না, তারা আসলে স্বাধীনতাতেই বিশ্বাস করে কি না সন্দেহ।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ)  সকালে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “৭ মার্চের ভাষণ শুধু একটি ভাষণ নয়। এটি একটি জাতির মুক্তির লক্ষ্যে রচিত মহাকাব্য। জাতির পিতা ঘোষণা করেছিলেন ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। তিনি এ-ও বলেছিলেন ‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থেকো, শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে’। অর্থাৎ তিনি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময় নিয়েছিলেন এরপর তিনি চূড়ান্ত স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।”

    তিনি আরও বলেন, “প্রকৃতপক্ষে ৭ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেদিন ঢাকা থেকে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা রাওয়ালপিন্ডিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছিল ‘চতুর শেখ মুজিব কার্যত পূর্ব-পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের চেয়ে চেয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।’ অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু এমনভাবে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন যে তাতে করে তাকে অভিযুক্ত করারও সুযোগ ছিলো না।”

  • ওসমানী হাসপাতালেও রোগী মেঝেতে শুয়ে থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ওসমানী হাসপাতালেও রোগী মেঝেতে শুয়ে থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মার্চ, ২০২৪: তিনি বলেন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমি আগেও এসেছি। তবে আজকে এসেছি একটা দায়িত্ব নিয়ে। এসে যা দেখলাম অন্যান্য হাসপাতালগুলোর যে অবস্থা, একই অবস্থা এখানেও। এখানে রোগীদের মেঝেতে শুয়ে থাকতে হচ্ছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    এর আগে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহিঃবিভাগ ঘুরে সেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এছাড়া হাসপাতালের নানা সংকট নিয়েও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতে বলেন, আজকে ৭ মার্চ। তাই কথা বলার আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

    ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “গতকাল বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। সমস্যাটা আমি চিহ্নিত করতে পেরেছি। এখানে বিভিন্ন উপজেলাতে জনবলের খুব অভাব। আমরা যদি ঠিকমতো কনসালটেন্ট দিতে পারি সার্জারি, মেডিসিন, গাইনি, তাহলে উপজেলাগুলোতে ভালো কাজ হবে। আর এইখানে মেঝেতে রোগী শুয়ে থাকতে হবে না।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সারা দেশে গ্রামেগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসক ধরতে ও অবৈধভাবে চিকিৎসা বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে চিহ্নিত করে ভূমিকা নিতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আমরাতো গ্রামেগঞ্জে গিয়ে অভিযান পরিচালনা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যান-মেম্বাররা এগুলো চিহ্নিত করে রিপোর্ট দিলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা ব্যবস্থা নেব। এছাড়াও ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল দ্রুতই সেবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।”

    ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এবং অত্র হাসপাতালের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে  প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মার্চ, ২০২৪: ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

    আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি স্বাধীনতার স্থপতি এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    পরে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    এরপর প্রধানমন্ত্রী গণভবনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট, একটি উদ্বোধনী খাম এবং একটি ডাটা কার্ড ৭ অবমুক্ত করেন।

    আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

  • নারী দিবসে ৫ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হবে: মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী

    নারী দিবসে ৫ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হবে: মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মার্চ, ২০২৪: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পাঁচজন জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন,  মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নারী দিবস নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

    মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে নারী সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, নারী অধিকার রক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা সৃষ্টির জন্য দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা ও নেতৃত্বে দেশে নারীর ক্ষমতায়নের শুরু হয়।”

    সিমিন হোসেন রিমি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় সময়োপযোগী বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা ও আত্মকর্মসংস্থান সকল ক্ষেত্রে নারীরা আজ সফল হয়েছে। নারীরা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যে কারণে সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ১৪৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৯তম এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে।

    এবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘নারীর সম-অধিকার, সমসুযোগ এগিয়ে নিতে হোক বিনিয়োগ’ শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী।

    এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক ও মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক কেয়া খান ও তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া।

    সিমিন হোসেন রিমি বলেন, “অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জন করায় ময়মনসিংহের আনার কলি, রাজশাহীর কল্যাণী মিনজি, সিলেটের চা শ্রমিক কমলী রবিদাশ, বরগুনার জাহানারা বেগম ও খুলনার পাখি দত্ত হিজরাকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ময়মনসিংহের আনার কলি একজন সফল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী, ওরাও সম্প্রদায়ের জয়িতা কল্যাণী মিনজি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞানে লেখাপড়া করেন। বর্তমানে তিনি সোনাদিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়া সিলেটের কমলী রবিদাশ একজন সফল জননী। মাত্র ১৮ টাকা দিন মজুরিতে চা শ্রমিক হিসেবে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এক ছেলেকে তিনি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করেন। তার ছেলে বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা। বরগুনার জাহানারা বেগমের ১২ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্বামী তাকে এসিডে দগ্ধ করেন। পরে নিজেকে একজন স্বাবলম্বী জয়িতা হিসেবে প্রমাণ করেন। খুলনার পাখি দত্ত হিজড়া নিজের জনগোষ্ঠীর অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন।”

    পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতার প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট, উত্তরীয় এবং সনদ দেওয়া হবে বলেও জানান মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী ।