Author: Hello Bangla News

  • শিল্পকলায় শুরু হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান

    শিল্পকলায় শুরু হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৮ মে, ২০২৪: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ২৫ শে বৈশাখ ১৪৩১ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী উদ্‌যাপন শুরু হয়েছে আজ বুধবার (৮ মে) থেকে। এবছর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’। আজ সকাল ১১.০০ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি।

    অনুষ্ঠানে শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সদ্য প্রয়াত শিল্পী সাদী মুহম্মদকে স্মরণে শিল্পীর রেকর্ড থেকে যন্ত্রসংগীতের করুণ সুর বাজানো হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: শাহ্ আজম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব খলিল আহমদ। স্মারক বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জনাব রামেন্দু মজুমদার এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

     

    রবীন্দ্র পরিবেশনা:

    রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর এ আয়োজনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয় সমবেত সংগীত ‘হে নতুন দেখা দিল আর বার” পরিবেশনার মাধ্যমে। পরিবেশন করবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; এরপর আবারো সমবেত সংগীত ‘ঐ মহামানব’; পরিবেশন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর ভাস্বর বন্দোপাধ্যায় পরিবেশন করেন আবৃত্তি। সমবেত সংগীত ‘ও আমার দেশের মাটি’ পরিবেশন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; এরপর নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিশু শিল্পীরা ‘হৃদয় আমার নাচেরে আজিক ’। ‘সবার তুমি আনন্দধন’ গান ও কবিতা পরিবেশন করেন সামিউল ইসলাম পুলক এবং মাহনাজ করিম হোসেন। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন বরেণ্য শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

    ‘রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ নৃত্যালেখ্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল । অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন তামান্না তিথি এবং নুরুল হাসনাত জিলানী।

  • প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “প্রকল্প গ্রহণের আগে তা জনগণের কল্যাণে কতটুকু কাজে লাগবে তা বিবেচনা করতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) গণভবনে স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ বিনির্মাণে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কার্যক্রম রূপরেখা সংক্রান্ত উপস্থাপনা অবলোকনকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “প্রত্যেকটা প্রকল্পের ক্ষেত্রে কতটুকু উন্নতি হবে, কতটুকু দেশের মানুষের কাজে লাগবে সেই বিবেচনাটা আগে করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “উন্নয়নটা যেন আমরা এমন ভাবে করি- আমাদের সক্ষমতাও বাড়বে, পরনির্ভরশীলতা কমবে, তার ফলাফলটা মানুষের মধ্যে পৌঁছাতে পারবো।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন আমাদের সময় এসেছে যে ২০২১ থেকে ২০৪১। এটা মাথায় রেখে প্রত্যেকটা পরিকল্পনায় সবার আগে যে বিষয়টা আমাদের মাথায় নিতে হবে যে তাতে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটুকু গতিশীল হবে, স্থানীয় মানুষের কতটুকু উন্নতি হবে। এ যে এত টাকা খরচ করে করলাম তার ফলাফলটা কী হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বন্যা

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বন্যা

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী পদক পেয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠকন্যা শেখ রেহানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মর্যাদাপূর্ণ এ পদক বাংলাদেশের জন্য গর্বের।

    পরে পদ্মশ্রী সনদ হাতে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার সাথে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ছবি তোলেন।

    গত ২২ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে পুরস্কারটি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার হাতে তুলে দেন দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

  • তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৯ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে

    তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৯ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা  – ৭ মে, ২০২৪: তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৯ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। এর ফলে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম তিনটিতে জিতে সিরিজ নিজের করে নিলো বাংলাদেশ।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে  ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান করে বাংলাদেশ। ওই রান তাড়া করতে নেমে ১৫৬ রানের বেশি করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

    প্রথম দুই ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিল বাংলাদেশ। এদিন টস জেতেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তিনি বেছে নেন আগে বল করার। তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাসের জুটিতে প্রথম ৩ ওভারে ২২ রান আসে বাংলাদেশের।

    কিন্তু চতুর্থ ওভারে গিয়ে লিটন দাস রীতিমতো পাগলামি শুরু করেন। ব্লেসিং মুজারাবানির দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে স্কুপ করতে গিয়েও সেটি ঠিকঠাক করতে পারেননি। টানা তৃতীয় বলে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন। ১৫ বল খেলে ২ চারে কেবল ১২ রান করেন তিনি।

    পরের ওভারে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হয়ে যান। নিজের মুখোমুখি হওয়া দ্বিতীয় ও রাজার করা প্রথম বলে রিভার্স সুইপ করে চার হাঁকান শান্ত। দুই বল পর স্ট্রাইকে ফিরে হয়ে যান বোল্ড। রাজার আর্ম বলের লাইন মিস করেন ৪ বলে ৬ রান করা শান্ত।

    এরপর উইকেটে এসে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গী হন তাওহীদ হৃদয়। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৪২ রান। দুজনের ২৬ বলে ৩১ রানের জুটিতে আশা খুঁজে পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই জুটি ভেঙে যায় ফারাজ আকরামের বলে।

    তার বলে এগিয়ে এসে ঠিকঠাক টাইমিং করতে পারেননি তানজিদ। মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ২২ বলে ২১ রান করে। এই জুটি ভেঙে যাওয়ার পর হৃদয়ের সঙ্গী হয়ে দলকে টেনে নেন জাকের আলি অনিক। শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও আস্তে আস্তে হাত খোলেন জাকের ও হৃদয়।

    ৩৪ বলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পান তাওহীদ হৃদয়। ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্লেসিং মুজারাবানিকে স্কুপ করে চার হাঁকান হৃদয়। কিন্তু পরের বলেই তার ইয়র্কারে হয়ে যান বোল্ড। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ বলে ৫৭ রান করেন হৃদয়। জাকেরের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৫৮ বলে ৮৭ রানের।

    হৃদয়ের এক বল পর মুজারাবানির আরেক ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে যান জাকেরও। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। শেষ ওভারে ১৬ রান নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রিশাদ হোসেন। রিয়াদ ৯ ও রিশাদ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

    জিম্বাবুয়ের হয়ে ৪ ওভারে স্রেফ ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন মুজারাবানি। একটি করে উইকেট পান ফারাজ আকরাম ও সিকান্দার রাজা।

    রান তাড়ায় নেমেও জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের চেহারায় খুব একটা বদল আসেনি। আগের দু ম্যাচে আগে ব্যাট করে রান করতে পারেননি দলের টপ অর্ডার ব্যাটাররা, পারেননি এদিনও। পাওয়ার প্লের ভেতর ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে।

    শুরুটা করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তার বলে পুল করতে গিয়ে ঠিকঠাক টাইমিং করতে পারেননি জয়লর্ড গাম্বি। ৮ বলে ৯ রান করে থার্ড ম্যানে দাঁড়ানো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দেন গাম্বি। এরপর ৮ বলে ৫ রান করা ব্রায়ান বেনেটের ক্যাচ নিজের বলে নিজেই নেন তানজিম হাসান সাকিব।

    তৃতীয় উইকেটটি আবার তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৭ বলে ৭ রান করা ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করেন তিনি। তিন উইকেট হারিয়ে ফেলার পর চাপে পড়া দলকে আরও একবার টেনে তুলতে ব্যর্থ হন জিম্বাবুয়ের জন্য লম্বা সময় ধরে ভরসা হওয়া অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। রিশাদ হোসেনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৫ বলে কেবল ১ রান করেন তিনি।

    একপ্রান্তে উইকেট যাওয়ার মিছিলে আরেক প্রান্ত আগলে ছিলেন তাদিওয়ানাসে মারুমি। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ বলে ৩১ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার বলে দারুণ এক ক্যাচ নেন সাইফউদ্দিন।

    আগের ম্যাচের অভিষিক্ত জনাথন ক্যাম্পবেল এ ম্যাচেও ঝড়ো শুরু করেন। ২ চার ও সমান ছক্কায় ১০ বলে ২১ রান করেন তিনি। টানা তৃতীয় বলে তানভীর ইসলামকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে বাউন্ডারির কাছে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

    ক্যাম্পবেলের বিদায়ের পর জিম্বাবুয়ের হয়ে শেষ লড়াইটুকু লড়েন ফারাজ আকরাম। বাংলাদেশের মনে ভয়ও ধরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার সঙ্গে নবম উইকেট জুটিতে পঞ্চাশের বেশি রানের জুটি গড়েন আকরাম ও ওয়েলিংটন। শেষ ছয় ওভারে ৭৫ রান দরকার ছিল জিম্বাবুয়ের।

    সেখান থেকে শেষ ওভারে ২১ রানের সমীকরণে নিয়ে আসেন তারা। যদিও শেষ ওভারের প্রথম বলেই ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে ইয়র্কারে বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। পরে টানা দুই বলে বাউন্ডারি হজম করার পর স্লোয়ার বাউন্সারে ডট দেন তিনি।

    এরপর সিঙ্গেলস নিয়ে আকরামকে স্ট্রাইক দেন মুজারাবানি। শেষ বলে দুই রানের বেশি নিতে পারেননি তিনি। ১৯ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন আকরাম।   এদিকে সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।

  • ডেঙ্গুতে কারো মা যেন না হারায় সেজন্য কাজ করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ডেঙ্গুতে কারো মা যেন না হারায় সেজন্য কাজ করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: ডেঙ্গুতে কারো মা যেন না হারায় সেজন্য কাজ করব, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে আমার চিন্তা আছে। আমি কাজ করবো যাতে আর কারো মা এতে মারা না যায়।’

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ইউএইচসি ফোরাম ও ব্র্যাক ডেঙ্গু বিষয়ক  আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তি পর্যায়ে সবার সমন্বিত পদক্ষেপের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন ইউএইচসি ফোরাম-ব্র্যাক সংলাপের বক্তারা।

    সেমিনারে বলা হয়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ডেঙ্গু রোগের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের সম্মুখীন হয়েছিল। যেখানে ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ১ হাজার ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এক সময় মৌসুমি হিসেবে বিবেচিত ডেঙ্গু এখন সারা বছরব্যাপী মহামারিতে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের মাত্র চার মাসে ২,১০০-এরও বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪-২০৩০ সালের জন্য একটি জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কৌশল প্রণয়ন করেছে বটে কিন্তু কৌশলটি বাস্তবায়নে মনিটরিং ব্যবস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইউএইচসি ফোরামের আহ্বায়ক এবং ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

    সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগামের পরিচালক ডা. শেখ দাউদ আদনান, বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল অ্যান্ড মেজারমেন্টসের মহাপরিচালক ড. মালা খাতুন।

    সেমিনারে আরও আলোচনা করেন ব্র্যাকের হেলথ অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর মো. আকরামুল ইসলাম, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনস্বাস্থ্য পরামর্শক ড. শাবানা রোজ চৌধুরী (ভিডিওর মাধ্যমে) উপস্থিত ছিলেন।

    ইউএইচসি ফোরাম এবং ব্র্যাকের সহ-আয়োজকদের পক্ষ থেকে ড. আমিনুল হাসান এবং ড. ইমরান আহমেদ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন।

    ডেঙ্গু ছড়ানো মশাদের আচরণ ও প্রজনন ধারায় পরিবর্তন সম্পর্কিত নতুন গবেষণালব্ধ ফলাফল তুলে ধরেন ড. কবিরুল বাশার। সেখানে উল্লেখ করা হয়, এই মশাগুলো কেবল পরিষ্কার পানিতে নয়, দূষিত নর্দমার পানিতে বেঁচে থাকতে সক্ষম। কৃত্রিম আলোর তীব্রতা বাড়ায়, রাতের বেলায়ও মারাত্মক সংক্রমণ  ঘটছে। এটি শুধু শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে। মহিলাদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি। এমন গবেষণালব্ধ ফলাফলগুলোকে আরও কার্যকর প্রতিরোধের জন্য বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

    দেশীয়ভাবে ডেঙ্গু টেস্টের কিট উন্নয়নে নিজের অভিনব উদ্ভাবনের তথ্য তুলে ধরেন ড. মালা খান। ঘরোয়া এবং সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে বড় ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে এই কিটের।

    ডা. শেখ দাউদ আদনান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা ও কৌশলের ওপর আলোকপাত করেন।

    মো. আকরামুল ইসলাম ব্র্যাকের কমিউনিটি এনগেজমেন্ট কৌশলের কথা বলছেন, যা প্রতিরোধ মূলক পদক্ষেপ এবং তৃনমূল গোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবার চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

    ডা. শাবানা রোজ চৌধুরী ভারতের কলকাতা শহরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় তাদের অভিজ্ঞতা একটি অনলাইন প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন তার বক্তৃতায় ডেঙ্গু মোকাবিলায় সামাজিক অংশগ্রহণের আবশ্যিকতা তুলে ধরে বলেন, প্রতিরোধ সবসময় প্রতিকারের চেয়ে উত্তম। আমাদের অবশ্যই ডেঙ্গুকে পরবর্তী মহামারি হয়ে ওঠার আগেই মোকাবিলা করতে হবে।

    তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য এজেন্ডায় সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে কাজ করার সংকল্প ব্যক্ত করেন এবং ইউএইচসি ফোরাম ও  ব্র্যাককে অন্যান্য স্টেকহোল্ডার যেমন স্থানীয় সরকারের সাথে এই ধরনের আলোচনা করতে আহ্বান জানান।

    ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অভাব স্বীকার করেন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণালব্ধ ফলাফল এবং দেশীয় কিট উদ্ভাবনের জন্য প্রশংসা করেন।

    সমাপণী বক্তব্যে অধিবেশনের সভাপতি ড. হোসেন জিল্লুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, কাগজে-কলমের প্রস্তুতিকে সমন্বিত বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তরিত করতে হবে।

    তিনি জেলা, বিভাগীয় এবং শহর পর্যায়ে ডেঙ্গু হটস্পটগুলিতে বৃহত্তর স্টেকহোল্ডার সংলাপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন এবং উদীয়মান সংকট প্রশমিত করতে এবং ভবিষ্যতের প্রাদুর্ভাব রোধ করার জন্য সমগ্র সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

  • আইওএম এর মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    আইওএম এর মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মে, ২০২৪: আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    এ সময় আইওএম’র মহাপরিচালক অ্যামি পোপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে ক্যাম্পগুলো অত্যধিক ঘনবসতিপূর্ণ। মিয়ানমারে সংঘাত চলছে, ক্যাম্পগুলোর ভেতরে নানান দল-উপদল আছে, গ্রুপিং আছে, তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধ-সংঘাত আছে। সেগুলোর কারণে তাদের মধ্যে অনেক সংর্ঘষ হয়।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সেখানে পর্যাথপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    কক্সবাজারের পরিবেশের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, কক্সবাজারে এখন স্থানীয় জনগণই সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। রোহিঙ্গারাই সংখ্যায় বেশি। সেখানে যে সীমিত সম্পদ আছে তা নিয়ে অনেক সময় দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হচ্ছে।

    ভাষাণচরে অধিকতর ভালো আবাসন ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ভাসানচরে সব ধরনের সুবিধা সম্বলিত অবকাঠামো তৈরি করেছি। সেখানে রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা, বাচ্চাদের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওখানে আরও মানুষের আবাসনের সুযোগ আছে। সেখানে এক লাখ মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা আছে।

    প্রবাসী শ্রমিকরা দুই দেশের অর্থনীতি এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা যেহেতু দুই দেশেরই অর্থনীতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে, উভয়েরই দায়িত্ব তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা।

    প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণের ব্যবস্থাসহ বাংলাদেশ সরকারের অনেকগুলো কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    আইওএম মহাপরিচালক অ্যামি পোপ অভিভাসী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষা-সংস্কৃতি শিক্ষা এবং যে দেশে যাবে সেই দেশের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তাদের দক্ষ করে বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে সারাদেশে প্রায় ১১২টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে নানান ধরনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ভাষাশিক্ষা দেওয়া হয়।

    জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। আমাদের নদীভাঙন, বন্যাসহ বিভিন্ন কারণে মাইগ্রেশন হয়। তবে আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আবাসনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

    তিনি বলেন, উপকূল অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়প্রতিরোধী বাড়িঘর, বন্যাপ্রবণ এলাকায় ভাসমান বাড়িঘর করে দেওয়া হচ্ছে।

    জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য খুরুশকুলে বহুতল ভবন নির্মাণ করে প্রায় চার হাজার ক্ষতিগ্রস্তকে আবাসন করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

    দারিদ্র্যের সঙ্গে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যদি আমরা দারিদ্র্য কমাতে পারি তাহলে অভিভাসনের তীব্রতা কমে যাবে।

    দেশে দারিদ্র্য কমাতে সরকারের নানামুখী উদ্যোগের কথা তুলে ধরে টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গত ১৫ বছরে দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে এনেছি। এখন অতিদারিদ্র্যের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

    সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

     

    জানা গেছে, সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকা সফর করবেন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা। আইওএম মহাপরিচালক অ্যামি পোপকে দিয়ে শুরু হচ্ছে এ সফর।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আইওএম মহাপরিচালক ৫-৯ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন।

    ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর আইওএম মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান অ্যামি পোপ। সংস্থাটির ৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী মহাপরিচালক হন তিনি। অ্যামি আইওএমে যোগ দেওয়ার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিবাসন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন। এর আগে তি‌নি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ডেপুটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

    এর আগে ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তৎকালীন মহাপরিচালক উইলিয়াম ল্যাসি সুইং বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।

    গাত রবিবার (৫ মে) ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ।

  • উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা: সিইসি

    উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মে, ২০২৪: উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা, বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, “উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা। কোনো দল এলো কি এলো না, সেটা বড় কথা নয়। জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে এ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে। নির্বাচন যাতে প্রভাবিত না হয় সে ব্যাপারে কমিশন চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।”

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    সিইসি বলেন, “ভোটে কেউ যাতে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে ব্যাপারে ইসির অবস্থান স্পষ্ট। প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইসি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। উৎসাহ-উদ্দীপনা থেকে ভোটের মাঠে যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা রয়েছে কমিশনের।”

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “ভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথভাবে মোতায়েন করা সম্ভব হবে। প্রার্থী ও প্রার্থীদের কর্মীদের নির্বাচনে সহযোগিতার আহ্বান জানান ‍তিনি।”

    সিইসি বলেন, “গণমাধ্যমের মাধ্যমেও শৃঙ্খলা ভঙ্গের চিত্র দেখা গেলে কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।”

    আগামীাকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রথম ধাপে ১৪০টি উপজেলায় ভোট হবে। প্রথম ধাপে পাঁচটি উপজেলার প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছে বলে জানান সিইসি।

  • বোরো সংগ্রহের সময় কৃষকরা হয়রানির শিকার হবে না: খাদ্যমন্ত্রী

    বোরো সংগ্রহের সময় কৃষকরা হয়রানির শিকার হবে না: খাদ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: বোরো সংগ্রহের সময় কৃষকরা হয়রানির শিকার হবে না, বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, “সঠিক সময়ে বোরো সংগ্রহ করতে হবে। জুন মাসের মধ্যে ৭০ শতাংশ বোরো সংগ্রহ করা যাবে। হাওড়কে প্রাধান্য দিয়ে সেখানে ধানের বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষক যাতে হয়রানির শিকার না হয়, প্রতিটি ইউনিয়নে তিনজন করে কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আছেন, যাদের ব্লোক সুপারভাইজার বলা হতো। তাদের কাছে একটি করে ময়েশ্চার মিটার দেওয়া আছে।”

    আজ মঙ্গলবার (০৭ মে) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ অফিস কক্ষে বোরো সংগ্রহ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “হাওড়ের ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। শুকিয়ে তা ঘরে তুলে রাখা হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।”

    তিনি বলেন, “যারা অ্যাপসে আবেদন করেছেন কিংবা কৃষি দপ্তরে কৃষক ধান দেবেন বলে আবেদন করেছেন বা তালিকা পাঠিয়েছেন, তাদের বাড়িতে গিয়ে ময়েশ্চার মিটার দিয়ে ধান পরীক্ষা করা হবে আর্দ্রতা ১৪ শতাংশ কী-না। যদি এর বেশি হয়, তাহলে তাদেরকে বলবেন আরও একটু শুকিয়ে ১৪ শতাংশে নিয়ে আসতে।”

    তিনি আরও বলেন, “কোনো কৃষক যদি গোডাউনে ধান নিয়ে আসেন, যার আর্দ্রতা ১৫ বা ১৬ শতাংশ আছে, তাহলে সেই ধান শুকাতে কৃষককে হয়রানি হতে হবে। এজন্য কৃষি দপ্তরের কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তারা আর্দ্রতার যন্ত্র দিয়ে ধান পরীক্ষা করে আসবেন।”

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “যারা শ্রমিক সরবরাহ করেন, সেই ঠিকাদারদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। কোনো কৃষক যাতে কোনোভাবে অপমানিত না হয়, এ জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব। কেউ কৃষকদের হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • বাজেটে নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    বাজেটে নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি  – ৭ মে, ২০২৪: বাজেটে নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি, বেলে জানিয়েছেণ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, “নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি, যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ডিউটি একটি যৌক্তিক পর্যায়ে থাকে, সাধারণ মানুষের যেন কষ্ট না হয়। গত (রবিবার) আমরা এ বিষয়ে এনবিআরের সঙ্গে বসেছি, আগামীকালও (বুধবার) বসবো। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি অবগত। অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক কিন্তু এখনো নেই। অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক যেন আমাদের ওপর বোঝা না হয়, সে চেষ্টা বাজেটের আগে আমাদের থাকবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে মে মাসের টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সকালে রাজধানীর বারিধারা পার্ক থেকে দেশব্যাপী পণ্য বিক্রয়ের এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটি প্রমাণিত যে বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সিন্ডিকেট করা সম্ভব হবে না। টিসিবির মাধ্যমে আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের একটি বাফার স্টক করার জন্য কাজ করছি, যেখানে এক-দেড় মাসের পণ্য স্টক রাখা সম্ভব হবে। আবার অনেক আগের মতো পণ্যগুলো রেশন সিস্টেমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও আমরা করছি।”

    তিনি বলেন, “আগামীতে টিসিবির বিক্রি কার্যক্রমে আরও নতুন নতুন পণ্য যুক্ত করা হবে। ডিলারের সংখ্যা বাড়িয়ে পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত টিসিবির দোকান প্রতিষ্ঠা করা হবে।”

    টিসিবি কার্ডধারীরা এই কার্যক্রমের আওতায় সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি করে মসুর ডাল কিনতে পারছেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হচ্ছে ১০০ টাকা। প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং মসুর ডাল ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

    টিসিবি মাধ্যমে নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে এ পণ্য বিক্রি করে। সিটি করপোরেশন ও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিবেশকেরা টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এ সময়ে নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত স্থান থেকে পণ্য কিনতে পারবেন পরিবার কার্ডধারীরা।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ওয়াকিল উদ্দীন আহমেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হাসিবা বারী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, টিসিবি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, টিসিবির নবাগত চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা ইকবাল, ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

  • সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে ‘রয়টার্স’

    সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে ‘রয়টার্স’

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক  – ৭ মে, ২০২৪: এ বছর সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে ‘রয়টার্স’। ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান সংঘাতের ভয়াবহ চিত্র ছবির মাধ্যমে তুলে ধরে এই পুরস্কার লাভ করে বার্তা সংস্থাটি। এছাড়া এই সংবাদ মাধ্যটি যুক্তরাষ্ট্রের ধনকুবের ও প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্যও পুরস্কৃত পেয়েছে। এ ছাড়া তিনটি করে পুরস্কার পেয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট ও  দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

    যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুলিৎজার পুরস্কার ১৯১৭ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতিবছর পুরস্কার ঘোষণা করে। এবারের পুলিৎজার পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল সোমবার (৬ মে)।

    এবার পুলিৎজারের ‘ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফি’ বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে গাজা সংঘাত নিয়ে রয়টার্সের বেশ কয়েকটি ছবি। এর মধ্যে একটি তোলা আলোকচিত্রী মোহাম্মদ সালেমের। তাতে দেখা যায়, গাজায় নিহত পাঁচ বছরের এক শিশুর মরদেহ জড়িয়ে ধরে আছেন এক ফিলিস্তিনি নারী। শিশুটি তার পরিবারের সদস্য। ছবিটি এ বছর সম্মানজনক ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারও পেয়েছে।

    এ ছাড়া ইলন মাস্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বা ‘জাতীয় বিষয়াদি নিয়ে প্রতিবেদন’ বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে রয়টার্স। ‘দ্য মাস্ক ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স’ শিরোনামে ধারাবাহিক ওই প্রতিবেদনে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্স, নিউরালিংক ও টেসলায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরা হয়েছে।

    রয়টার্সের পাশাপাশি ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ওয়াশিংটন পোস্টও। যুক্তরাষ্ট্রের এআর-১৫ রাইফেল এবং দেশটিতে বিভিন্ন বন্দুক হামলায় এই অস্ত্রের ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল সংবাদমাধ্যমটি। এ ছাড়া ‘এডিটোরিয়াল রাইটিং’ (সম্পাদকীয়) ও ‘কমেন্টারি’ (মতামত) বিভাগেও পুরস্কার জিতেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

    নিউইয়র্ক টাইমস যে তিনটি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে, সেগুলো হলো ‘ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং’ (অনুসন্ধানী প্রতিবেদন), ‘ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং’ (আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রতিবেদন) ও ‘ফিচার রাইটিং’। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলা, ইসরায়েলের গোয়েন্দা ব্যর্থতা ও ইসরায়েলের পাল্টা হামলা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে সেরা হয়েছে তারা।

    পুলিৎজারে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে ধরা হয় পাবলিক সার্ভিস (জনসেবা) অ্যাওয়ার্ডকে। এ বছর এই অ্যাওয়ার্ড নিজেদের দখলে রেখেছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করা নিউইয়র্কভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা প্রোপাবলিকা।

    যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতি বছর এ পুরস্কার ঘোষণা করে।